রাষ্ট্রপরিচালক পদে প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত থাকা এবং রাষ্ট্রপরিচালনায় অযোগ্যতার কারণে পদত্যাগ সংক্রান্ত বর্ণনা

শাসন ক্ষমতার জন্য প্রার্থী না হওয়া এবং যথাসাধ্য সরকারী পদকে এড়িয়ে চলা

আল্লাহ তায়ালা বলেছেনঃ

“এটাই হচ্ছে পরকালীন জগত যারা পৃথিবীতে বড়ত্ব এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায় না তাদের জন্যই আমরা এই জগতকে নিদিস্ট করেছি। আর আখেরাতের সাফল্য মুত্তাকিদের জন্যই।” (সূরা কাসাসঃ ৮৩)

 

৬৭৪. আবু সাঈদ আবদুর রহমান ইবনে সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) আমাকে বলেছেনঃ হে আবদুর রহমান ইবনে সামুরা! নেতৃত্বপ্রার্থী হয়ো না। কারণ প্রার্থী না হয়ে নেতৃত্ব প্রাপ্ত হলে তুমি এ ব্যাপারে সাহায্যপ্রাপ্ত হবে। পক্ষান্তরে প্রার্থী হয়ে নেতৃত্ব লাভ করলে তোমার উপরই যাবতীয় দায়িত্বের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হবে। তুমি কোন বিষয়ে শপথ করার পর তার বিপরীতে কল্যাণ লক্ষ্য করলে তখন যেটা ভালো সেটাই করবে এবং শপথের কাফ্‌ফারা আদায় করবে।  (বুখারী, মুসলিম)


৬৭৫. আবু যার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) আমাকে বললেনঃ হে আবু যার! আমি তোমাকে দুর্বল ও কমজোর দেখতে পাচ্ছি। আমি তোমার জন্য তাই পছন্দ করি, যা আমার নিজের জন্য পছন্দ করি। তুমি দু’জনেরও নেতা হয়ো না এবং ইয়াতীমের সম্পদের তত্ত্বাবধায়কও হয়ো না। (মুসলিম)


৬৭৬. আবু যার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি আমাকে সরকারী পদে নিয়োগ করবেন না? তিনি আমার কাঁধে হাত মেরে বলেনঃ হে আবু যার! তুমি দুর্বল মানুষ এবং এটা হচ্ছে এক (বিরাট) আমানত। এটা (নেতৃত্ব-কতৃত্ব) কিয়ামতের দিন লাঞ্ছনা-গঞ্জনা ও অনুতাপের কারণ হবে। অবশ্য যে ব্যক্তি এটাকে যথার্থভাবে গ্রহণ করে এবং এটা গ্রহণের ফলে তার উপর অর্পিত দায়-দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে তার কথা স্বতন্ত্র।  (মুসলিম)


৬৭৭. আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ অচিরেই তোমরা নেতৃত্ব লাভের অভিলাষী হবে। (মনে রেখ) কিয়ামাতের দিন এটা তোমাদের জন্য লজ্জা ও অনুতাপের কারণ হবে। (বুখারী)


 

Was this article helpful?

Related Articles

Leave A Comment?