কোন গন্তব্যে অবতরণ করলে দুআ পাঠ করতে হবে

৯৮৩. হযরত খাওলা বিনতে হাকীম (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সা) কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি কোন স্থানে অবতরণ করার পর বলেঃ “আউযু বিকালিমাতিল্লহিত তাম্মা-তি মিন শাররি মা খালাকা” –(আমি আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমাগুলোর সহায়তায় সেই বস্তুর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাচ্ছি, যা তিনি সৃষ্টি করেছেন। তাকে সে স্থান ত্যাগ করা পর্যন্ত কোন বস্তু ক্ষতি করতে পারে না। (মুসলিম)


৯৮৪. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সা) যখন সফর করতেন এবং সফরে রাত আগমন করত, তখন তিনি বলতেনঃ “ইয়া আরদ্বু রাব্বী ও রাব্বুকিল্লাহ, আউযু বিল্লাহি মিন শাররি মা ফীকি ওয়া মিন শাররি মা খুলিকা ফীকি, ওয়া শাররি মা ইয়াদিববু আলাইকি, আউয বিকা মিন শাররি আসাদিন ওয়া আসওয়াদা ওয়া মিনাল হাইয়াতি ওয়াল আকরাবি, ওয়া মিন সাকিনিল বালাদি ওয়া মিওঁ ওয়ালিদিন ওয়া মা ওয়ালাদ” –(হে যমীন!) তোমার ও আমার রব হচ্ছেন, আল্লাহ। আমি আল্লাহর আশ্রয় চাই তোমার অনিষ্ট থেকে তোমার ভিতরে যা আছে তার অনিষ্ট থেকে এবং তোমার ওপরে যা কিছু চরে বেড়ায় তার অনিষ্ট থেকে। আর আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই বাঘ ও কাল সাপ থেকে এবং সব রকমের সাপ, বিচ্ছু থেকে আর শহরবাসীদের অনিষ্ট থেকে এবং জন্মদাতা ও যা জন্ম লাভ করেছে তার অনিষ্ট থেকে।  (আবু দাঊদ)


‘আসওয়াদ’ বলা হয় কালসাপ বা দুর্বত্তদেরকে। ইমাম খাত্তাবী বলেন, ‘সাকিনুল বালাদ’ হচ্ছে জ্বিন সমপ্রদায়, যারা পৃথিবীতে বাস করে। তিনি বলেন, বালাদ হচ্ছে যমীনের এমন একটি অংশ যেখানে প্রাণীরা বাস করে, যদিও সেখানে কোন ঘর-বাড়ী ও বাসস্থান নেই। তিনি বলেন, ‘ওয়ালিদ’ (জন্মদাতা) শব্দটি ‘ইবলীস’ অর্থে ব্যবহৃত হবার সম্ভাবনা রয়েছে। আর ‘ওয়ামা ওয়ালাদা’ (আর যা কিছু জন্ম লাভ করেছে ) শব্দ ক’টি শয়তানরা (ইবলীস ব্যতীত অন্যান্য শয়তান সমপ্রদায়) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

Was this article helpful?

Related Articles

Leave A Comment?