মাক্কাহ্‌তে প্রবেশের ইচ্ছে করলে যী-তুয়া উপত্যকায় রাত্রি যাপন করা এবং গোসল করে প্রবেশ করা এবং দিনের বেলায় প্রবেশ করা মুস্তাহাব।

৭৯১. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] ভোর পর্যন্ত যী-তুয়ায় রাত যাপন করেন, অতঃপর মাক্কাহয় প্রবেশ করেন। [রাবী নাফি বলেন] ইবনি উমার [রাদি.]-ও এরূপ করিতেন।

[বোখারী পর্ব ২৫/৩৯ হাঃ ১৫৭৪, মুসলিম পর্ব ১৫/৩৮ হাঃ ১২৫৯] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস


৭৯২. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

নাবী [সাঃআঃ] যূ-তুওয়ায় অবতরণ করিতেন এবং এখানেই রাত যাপন করিতেন আর মাক্কায় আসার পথে এখানেই ফাজরের সালাত আদায় করিতেন। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সালাত আদায়ের সেই স্থানটা ছিল একটা বড় টিলার উপরে। যেখানে মাসজিদ নির্মিত হয়েছে, সেখানে নয় বরং তার নীচে একটা বড় টিলার উপর।

[বোখারী পর্ব ৮/৮৯ হাঃ ৪৯১, মুসলিম পর্ব ১৫/৩৮ হাঃ ১২৫৯] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস


৭৯৩. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

নাবী [সাঃআঃ] পাহাড়ের দুটো প্রবেশপথ সামনে রাখতেন যা তার ও দীর্ঘ পাহাড়ের মাঝখানে কাবার দিকে রয়েছে। বর্তমানে সেখানে যে মাসজিদ নির্মিত হয়েছে, সেটিকে তিনি {ইবনি উমার [রাদি.]} টিলার প্রান্তের মাসজিদটির বাম পাশে রাখতেন। কিন্তু নাবী [সাঃআঃ]-এর সালাতের জায়গা ছিল এর নীচের কাল টিলার উপরে। এটি প্রথম টিলা হইতে প্রায় দশ হাত দূরে। অতঃপর যে পাহাড়টি তোমার ও কাবার মাঝখানে পড়বে তার দুপ্রবেশ দ্বারের দিকে মুখ করে তুমি সালাত আদায় করিবে।

[বোখারী পর্ব ৮/৮৯ হাঃ ৪৯২, মুসলিম পর্ব ১৫/৩৮, হাঃ ১২৫৯, ১২৬০] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

 

Was this article helpful?

Related Articles