গিফার, আসলাম, জুহাইনাহ, আশযা, মুজাইনাহ, তামিম, দাওস ও তাঈ গোত্রগুলোর ফাযীলাত।

১৬৩৭. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেছেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেন, কুরাইশ, আনসার, জুহায়নাহ, মুযায়নাহ, আসলাম, আশজা ও গিফার গোত্রগুলো আমার সাহায্যকারী। আল্লাহ্ ও তাহাঁর রসূল ছাড়া তাঁদের সাহায্যকারী আর কেউ নেই।

[বোখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ২ হাদীস নং ৩৫০৪; মুসলিম ৪৪/৪৭ হাঃ ২৫২০]


১৬৩৮. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

নাবী [সাঃআঃ] বলেন, আসলাম, গিফার এবং মুযাইনাহ ও জুহানাহ গোত্রের কিছু অংশ অথবা জুহাইনাহর কিছু অংশ কিংবা মুযায়নাহর কিছু অংশ আল্লাহ্‌র নিকট অথবা বলেছেন কিয়ামতের দিন আসাদ, তামীম, হাওয়াযিন ও গাত্ফান গোত্র চেয়ে উত্তম বলে বিবেচিত হইবে।

[বোখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ১১ হাদীস নং ৩৫২৩; মুসলিম ৪৪/৪৭ হাঃ ২৫২১]


১৬৩৯. আবু বাক্‌রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

আকরা ইবনি হাবিস নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট আরয করিলেন, আসলাম গোত্রের সুররাক, হাজীজ, গিফার ও মুযায়না গোত্রদ্বয় আপনার নিকট বায়আত করেছে এবং [রাবী বলেন] আমার ধারণা জুহায়না গোত্রও। এ ব্যাপারে ইবনি আবু ইয়াকুব সন্দেহ পোষণ করিয়াছেন। নাবী [সাঃআঃ] বলেন, তুমি কি জান, আসলাম, গিফার ও মুযায়না গোত্রদ্বয়, [রাবী বলেন] আমার মনে হয় তিনি জুহায়না গোত্রের কথাও উল্লেখ করিয়াছেন যে বনূ তামীম, বনূ আমির, আসাদ এবং গাত্ফান [গোত্রগুলো] যারা ক্ষতিগ্রস্ত ও বঞ্চিত হয়েছে, তাহাদের তুলনায় পূর্বোক্ত গোত্রগুলো উত্তম। রাবী বলেন, হাঁ। নাবী [সাঃআঃ] বলেন, সে সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, প্রাগুক্তগুলো শেষোক্ত গোত্রগুলোর তুলনায় অবশ্যই অতি উত্তম।

[বোখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ৬ হাদীস নং ৩৫১৬; মুসলিম ৪৪/৪৭ হাঃ ২৫২২]


১৬৪০. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, তুফাইল ইবনি আম্‌র দাওসী ও তাহাঁর সঙ্গীরা নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট এসে বলিল, হে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]! দাওস গোত্রের লোকেরা ইসলাম গ্রহণে অবাধ্যতা করেছে ও অস্বীকার করেছে। আপনি তাহাদের বিরুদ্ধে দুআ করুন। অতঃপর বলা হলো, দাওস গোত্র ধ্বংস হোক। তখন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলিলেন,

اللهُمَّ اهْدِ دَوْسًا وَأْتِ بِهِمْ

হে আল্লাহ! আপনি দাওস গোত্রকে হিদায়াত করুন এবং তাহাদেরকে ইসলামে নিয়ে আসুন।

[বোখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ১০০ হাদীস নং ২৯৩৭; মুসলিম ৪৪/৪৭ হাঃ ২৫২৪]


১৬৪১. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলাল্লাহ [সাঃআঃ] হইতে তিনটি কথা শোনার পর হইতে বনী তামীম গোত্রকে আমি ভালবেসে আসছি। আমি তাঁকে বলিতে শুনিয়াছি, দাজ্জালের মুকাবিলায় আমার উম্মতের মধ্যে এরাই হইবে অধিকতর কঠোর। আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] বলেন, একবার তাহাদের পক্ষ হইতে সদকার মাল আসল। তখন রাসূলাল্লাহ [সাঃআঃ] বলিলেন, এ যে আমার কাওমের সাদাকা। আয়েশা [রাদি.]-এর হাতে তাহাদের এক বন্দিনী ছিল। তা দেখে নাবী [সাঃআঃ] বলিলেন, একে মুক্ত করে দাও। কেননা, সে ইসমাঈলের বংশধর।

[বোখারী পর্ব ৪৯ অধ্যায় ১৩ হাদীস নং ২৫৪৩; মুসলিম ৪৪/৪৭ হাঃ ২৫২৫]

Was this article helpful?

Related Articles