আরাফাহ্‌তে অবস্থান করা এবং আল্লাহ তাআলার বাণীঃ “তখন ঐ স্থান থেকে যাত্রা কর লোকেরা যেখান থেকে যাত্রা করে।” [সূরাহ আল-বাক্বারাহ ২/১১৯]

৭৬৪. উরওয়াহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ

জাহিলী যুগে হুমস ব্যতীত অন্য লোকেরা উলঙ্গ অবস্থায় [বাইতুল্লাহর] তাওয়াফ করত। আর হুমস্ হলো কুরায়শ এবং তাহাদের ঔরসজাত সন্তান-সন্ততি। হুমসরা লোকেদের সেবা করে সওয়াবের আশায় পুরুষ পুরুষকে কাপড় দিত এবং সে তা পরে তাওয়াফ করত। আর স্ত্রীলোক স্ত্রীলোককে কাপড় দিত এবং এ কাপড়ে সে তাওয়াফ করত। হুমসরা যাকে কাপড় না দিত সে উলঙ্গ অবস্থায় বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করত। সব লোক আরাফা হইতে প্রত্যাবর্তন করত আর হুমসরা প্রত্যাবর্তন করত মুযদালিফা হইতে। রাবী হিশাম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, আমার পিতা আমার নিকট আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, এ আয়াতটি হুমস সম্পর্কে নাযিল হয়েছেঃ [আরবীঃ এরপর যেখান হইতে অন্য লোকেরা প্রত্যাবর্তন করে, তোমরাও সেখান হইতে প্রত্যাবর্তন করিবে] রাবী বলেন, তারা মুযদালিফাহ হইতে প্রত্যাবর্তন করত, এতে তাহাদের আরাফাহ পর্যন্ত যাবার নির্দেশ দেয়া হল।

[বোখারী পর্ব ২৫/৯১ হাঃ ১৬৬৫, মুসলিম ১৫/২১, হাঃ ১২১৯] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস


৭৬৫. জুবাইর ইবনি মুতয়িম [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার একটি উট হারিয়ে আরাফার দিনে তা তালাশ করিতে লাগলাম। তখন আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে আরাফাহ্‌তে উকূফ করিতে দেখলাম এবং বললাম, আল্লাহর কসম! তিনি তো কুরায়শ বংশীয়। এখানে তিনি কী করছেন?

[বোখারী পর্ব ২৫/৯১ হাঃ ১৬৬৪, মুসলিম পর্ব ১৫/২১, হাঃ ১২২০] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

Was this article helpful?

Related Articles