বিত্‌রের নামযে উদ্বুদ্ধ করা ও তাকিদ দেয়া এবং বিত্‌র সুন্নাতে মুয়াক্কাদা (ওয়াজিব) হবার ও তার সময়ের বর্ণনা

১১৩৩. হযরত আলী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ বিতর ঠিক ফরয নামাযের ন্যায় অপরিহার্য নয়, তবে রাসূলুল্লাহ (সা) তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ বিতর (অর্থাৎ বেজোড়) এবং তিনি বিতরকে পছন্দ করেন। অতএব হে আহলে কুরআন! তোমরা বিতর পড়তে থাক। (আবু দাঊদ ও তিরমিযী) ইমাম তিরমিযী বলেছেন, হাদীসটি হাসান।


১১৩৪. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী করীম (সা) রাতের সব অংশে বিতরের নামায পড়তেনঃ কখনো প্রথম রাতে, কখনো মাঝ রাতে, কখনো শেষ রাতে এবং তাঁর বিতর শেষ রাত পর্যন্ত শেষ করেছেন। (বুখারী ও মুসলিম)


১১৩৫. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) নবী করীম (সা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ তোমাদের রাতের শেষ নামাযটিকে বেজোড় কর। (অর্থাৎ বিতরের নামাযকে তোমাদের রাতের শেষ নামাযে পরিণত কর।)  (বুখারী)


১১৩৬. হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করীম (সা) বলেছেনঃ তোমরা ভোর হবার আগে বিতর পড়ে নাও। (মুসলিম)


১১৩৭. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করীম (সা) তাঁর রাতের নামায পড়তেন এবং সে সময় তিনি (অর্থাৎ আয়েশা রা.) তাঁর সামনে শুয়ে থাকতেন। তারপর যখন শুধুমাত্র বিতর বাকি থাকতো, তখন তিনি আয়েশাকে জাগাতেন এবং তিনি (আয়েশা) উঠে বেতের পড়ে নিতেন। (মুসলিম)

মুসলিমের অন্য এক বর্ণনায় আছে, যখন বিতর বাকী থাকত, তখন তিনি বলতেনঃ “হে আয়েশা! ওঠ, বিতর পড়ে নাও।”


১১৩৮. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করীম (সা) বলেছেনঃ তোমরা ভোর হবার আগেই বিতর পড়ার ব্যাপারে তাড়াতাড়ি কর। (অর্থাৎ ভোর হবার আগে বিতর পড়ে নাও)।  (আবু দাঊদ ও তিরমিযী)


১১৩৯. হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ভয় করে যে, সে শেষ রাতে উঠতে পারবে না, সে যেন রাতের প্রথমাংশে বিতর পড়ে নেয়। আর যার শেষ রাতে ওঠার আশা আছে, সে যেন শেষ রাতেই বিতর পড়ে নেয়। কারণ শেষ রাতের নামাযে ফিরিশতাগণ হাযির থাকে এবং এটি সর্বোত্তম।  (মুসলিম)


 

Was this article helpful?

Related Articles

Leave A Comment?