দুষ্কৃতিকারীদের নাম নির্দিষ্ট না করে অভিশাপ দেয়া জায়েয

অনির্দিষ্টভাবে দুস্কৃতিকারীদের অভিশাপ দেয়া জায়েয 

আল্লাহ তায়ালা বলেছেনঃ

“মনে রাখ, যালিমদের উপর রয়েছে আল্লাহর লা’নত”।(সূরা হুদঃ১৮)

তিনি আরো বলেছেনঃ

“তারপর ঘোষণাকারী ঘোষণা করবে যে, যালিমদের উপর আল্লাহর অভিশাপ হবে।” (সূরা আ’রাফঃ ৪৪)

 

ইমাম নববী (রা) বলেনঃ বিশুদ্ধ হাদীস থেকে একথা প্রমাণিত হয় যে নবী করীম (সা) বলেছেনঃ যে সব নারী পরচুলা লাগিয়ে নিজেদের চুল লম্বা করে এবং যারা ঐ কাজ করে দেয় তাদের প্রতি আল্লাহর লা’নত। তিনি আরো বলেছেনঃ আল্লাহ সুদখোরদের অভিশাপ করেছেন। তিনি জীব-জন্তুর ছবি নির্মাণকারীদের লা’নত করেছেন। তিনি বলেছেনঃ যারা জমির সীমানা অবৈধভাবে পরিবর্তন করে তাদের প্রতি আল্লাহর লা’নত। যে ডিম চুরি করে, যে আপন পিতা-মাতাকে অভিশাপ দেয়, যে আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর নামে যবাই করে, এদের সবার প্রতি আল্লাহ অভিশাপ করেছেন। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মদীনা মুনাওয়ারায় শরীয়ত বিরোধী কোন কাজের প্রচলন করে এবং যে ব্যক্তি কোন বিদ’আতী কাজে লিপ্ত ব্যক্তিকে আশ্রয় দেয়; তাদের প্রতি আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতা এবং সমস্ত মানুষ অভিশাপ করেন। তিনি এ বলে বদদু’আ করেছেনঃ হে আল্লাহ! তুমি অভিশাপ বর্ষণ কর রেঅ’ল, যাকওয়ান ও উসাইয়াহ গোত্রের উপর। কেননা তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচারণ করেছে। রেঅ’ল, যাকওয়ান ও উসাইয়া আরবের তিনিটি গোত্রের নাম। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ তায়ালা ইয়াহূদীদের অভিশাপ করেছেন। তারা তাদের নবীদের কবরগুলোকে মসজিদ বা সেজদার স্থানে পরিণত করেছে। যেসব পুরুষ নারীর সাজে সজ্জিত হয় এবং যে সব্ নারী পুরুষের বেশে সজ্জিত হয়, তাদেরকে নবী করীম (সা) অভিশাপ করেছেন। উল্লেখিত সব কথা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। এর কতক সহীহ বুখারী এবং কতক সহীহ মুসলিম কতক উভয় গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। আমি এখানে শুধু সংক্ষিপ্তভাবে ইঙ্গিত করেছি।

Was this article helpful?

Related Articles

Leave A Comment?