চিৎ হয়ে শোয়ার বৈধতা এবং সতর খুলে যাবার আশংকা না থাকলে এক পায়ের ওপর আর এক পা তুলে দেয়ার অনুমতি, চার জানু হয়ে বসা ও উভয় পা উঠিয়ে বসার বর্ণনা

চিৎ হয়ে শুয়ার বৈধতা

৮২০. আবদুল্লাহ ইবনে যায়িদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ (সা) কে মসজিদে এক পা অপর পায়ের উপর রেখে চিৎ হয়ে শুয়ে থাকতে দেখেছেন।

ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।


৮২১. জাবির ইবনে সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলু্‌ল্লাহ (সা) ফজর নামাযের পর চার জানু হয়ে তাঁর মজলিসে বসে থাকতেন, যেই পর্যন্ত না সূর্য উঠে ভালোভাবে উজ্জ্বল হয়ে যেত।

এটি সহীহ হাদিস। ইমাম আবু দাঊদ প্রমুখ হাদীসটি সহীহ সনদ সহকারে রিয়ায়াত করেছেন।


৮২২. ইবনে উমার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা) কে কা’বার আঙিনায় এভাবে তাঁর দু’হাত দিয়ে ‘ইহতিবা’ করে বসে থাকতে দেখেছি। ইবনে উমার (রা) নিজের দু’হাত দিয়ে বসার ভঙ্গিটা বুঝিয়ে দেন। এটা কুরফুসা কায়দায় বসা।১০১

ইমাম বুখারীএ হাদীসটি রিয়ায়াত করেছেন।

*১০১. অর্থাৎ উবু হয়ে এমনভাবে বসা যাতে দুই হাঁটু খাড়া থাকে এবং পাছার উপর বসে সামনের দিক দিয়ে হাঁটু দুই হাতে গোল করে ধরা থাকে।


৮২৩. কাইলা বিনতে মাখরামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ (সা) কে কুরফুসা অবস্থায় বসে থাকতে দেখেছি। যখন আমি রাসূলুল্লাহ (সা) কে এহেন বিনয়ী ও বিনম্র অবস্থায় দেখলাম তখন আমার হৃদয় ভয়ে কেঁপে উঠল।

ইমাম আবু দাঊদ ও ইমাম তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।


৮২৪. শারীদ ইবনে সুওয়াইদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) আমার কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি আমার বাম হাতটি আমার পিঠের উপর রেখে আমার ডান হাতের বুড়ো আঙুলের নরম গোশতের উপর ভর দিয়ে বসা ছিলাম। তিনি এ অবস্থা দেখে বললেনঃ “তুমি কি তাদের মত বসেছ যাদের উপর আল্লাহর গযব নাযিল হয়েছিল?”

ইমাম আবু দাঊদ সহীহ সনদ সহকারে হাদীসটি বর্ণনা করছেন।


 

Was this article helpful?

Related Articles

Leave A Comment?