ঘরে নফল আদায় করা মুস্তাহাব তা সুন্নতে মুয়াক্কাদা হোক বা গায়ের মুয়াক্কাদা, আর সুন্নাত আদায় করার জন্য ফরযের স্থান থেকে সরে যাওয়ার হুকুম অথবা ফরয ও নফলের মধ্যে কথা বলে পার্থক্য সৃষ্টি করা

সুন্নাতে মুআক্কাদা হোক বা সাধারণ নফল সবই ঘরে পড়া মুস্তাহাব আর সুন্নাত পড়ার জন্য ফরযের জায়গা থেকে সরে যাওয়া অথবা ফরয ও নফলের মধ্যে কথা বলে পার্থক্য সৃষ্টি করার আদেশ

১১২৯. হযরত যাইদ ইবনে সাবিত (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করীম (সা) বলেছেনঃ হে লোকেরা! তোমরা তোমাদের নিজেদের ঘরে সালাত আদায় কর। কারণ, ফরয নামায ব্যতীত মানুষের নামাযের মধ্যে সে নামাযই উত্তম যা সে তার ঘরে পড়ে।   (বুখারী ও মুসলিম)


১১৩০. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) বর্ণনা করেছেনঃ নবী করীম (সা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ কিছু কিছু (সুন্নাত ও নফল) সালাত তোমাদের ঘরেও আদায় কর এবং ঘরগুলোকে কবরে পরিণত করো না।    (বুখারী ও মুসলিম)


১১৩১. হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন মসজিদের তার নামায পড়ে তখন যেন ঘরের জন্য তার নামাযের কিছু অংশ রেখে দেয়। কারণ আল্লাহ তার নামাযের কারণে তার ঘরে বরকত দান করেন।   (মুসলিম)


১১৩২. হযরত উমর ইবনে আতা (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাফি ইবন জুবাইর (র) তাঁকে সায়িব ইবন উখতে নামেরের নিকট পাঠিয়ে তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন যে, আমীর মু’আবিয়া (রা) তাঁর নামাযের ব্যাপারে যা দেখেছেন তা কি সত্য? তিনি জবাব দিলেনঃ হ্যাঁ, আমি মু’আবিয়ার সাথে জুমু’আর নামায কামরায় পড়েছি। ইমাম যখন সালাম ফিরালেন, আমি আমার স্থানে উঠে দাঁড়ালাম এবং নামায পড়লাম। মু’আবিয়া (রা) ভিতরে গিয়ে আমার কাছে লোক পাঠিয়ে বলে দিলেনঃ “যা করেছ এরপর থেকে আর তা পুনরায় করবে না, জুমু’আর (ফরয) নামায পড়ার পর তার সাথে অন্য নামায মিলাবে না, যে পর্যন্ত না কথা বলবে অথবা সেখান থেকে বের হয়ে আসবে (স্থান পরিবর্তন করবে)।   কারণ রাসূলুল্লাহ (সা) আমাদের এ হুকুম দিয়েছেন, আমরা যেন কথা বলার বা স্থান ত্যাগ করার আগে এক নামাযের সাথে আরেক নামায না মিলাই। (মুসলিম)


 

Was this article helpful?

Related Articles

Leave A Comment?