অন্যায়ভাবে কোন মুসলিমকে গালি-গালাজ করা হারাম

আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ

“যেসব লোক ঈমানদার পুরুষ ও নারীদের বিনা কারণে কষ্ট দেয় তারা একটা অতি বড় মিথ্যা অপবাদ ও সুস্পষ্ট গুনাহের বোঝা নিজেদের মাথায় উঠিযে নেয়।” (সূরা আহযাবঃ ৫৮)

১৫৬০. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাস’উদ (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) ইরশাদ করেছেন, “মুসলিমানদেরকে গালমন্দ করা ফাসেকী আর তাদের বিপক্ষে যুদ্ধ করা কুফরী।” (বুখারী ও মুসলিম)


১৫৬১. হযরত আবু যর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ (স) কে বলতে শুনেছেন, কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে যেন ফাসেক অথবা কাফের এর অপবাদ না দেয়। কেননা সে যদি প্রকৃতই তা না হয়ে থাকে তবে এই অপবাদ তার নিজের ঘাড়ে চেপে আসবে। ( বুখারী)


১৫৬২. হযরত আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) ইরশাদ করেছেন, পরস্পরকে গালি দানকারীর মধ্যে যে পূর্বে গালি দিয়েছে সে দোষী, যদি নির্যাতিত (প্রথম যাকে গালি দেয়া হয়েছে) ব্যক্তি পরিসীমা অতিক্রম না করে থাকে। (মুসলিম)


১৫৬৩. হযরত আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তিকে রাসূলুল্লাহ (স)-এর কাছে উপস্থিত করা হল। সে মদ পান করেছিল। তিনি বললেন, একে প্রহার কর। হযরত আবু হোরায়রা (রা) বর্ণনা করেছেন, আমাদের মধ্যে কেউ হাত দিয়ে, কেউ জুতা দিয়ে, আবার কেউ বস্ত্র দিয়ে তাকে প্রহার করল। যখন সে সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করল, তখন কোন একজন বলল, আল্লাহ তোকে লাঞ্ছিত করুক। এ কথা শুনে নবী করীম (স) বললেন, “এধরণের  কথা বল না। তার বিরুদ্ধে শয়তানকে সাহায্য কর না।” (বুখারী)


১৫৬৪. হযরত আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছি, কেউ যদি তার ক্রীতদাসীর উপর ব্যভিচারের অপবাদ দেয়, তবে কেয়ামতের দিন তার উপর এর হদ্দ বা দন্ডবিধি কার্যকর করা হবে । তবে যদি ক্রীতদাস বাস্তবে দোষী হয়ে থাকে তাহলে ভিন্ন কথা। (বুখারী ও মুসলিম)


 

Was this article helpful?

Related Articles

Leave A Comment?