Generated by All in One SEO v4.8.8, this is an llms.txt file, used by LLMs to index the site. # রিয়াদুস সালেহীন বাংলা | Riyad us Saliheen Bangla রিয়াদুস সালেহীন বাংলা ## Posts - [Knowledge Base Archive](https://riyadussaliheenbd.com/?page_id=6) - Knowledge Base Archive - Used by the Heroic Knowledge Base, do not delete - [দ্বীনের উপর বিশুদ্ধ আমলে জীবন-যাপন](https://riyadussaliheenbd.com/দ্বীনের-উপর-বিশুদ্ধ-আমলে/) - একজন মুসলমান কিভাবে উত্তম চরিত্র ও আখলাকের মাধ্যমে জেনেশুনে দ্বীনের উপর আমল করে জীবন-যাপন করবে, সে ব্যাপারে বর্ণিত পায় সব গুরুত্বপুর্ণ হাদীসসমূহের একটি যুগোপযোগী ও অতি মূল্যবা সংকলন হল, ইমাম নববী কৃত ‘রিয়াযুস সালিহীন’। এই কিতাবটি সর্বসাধারনের জন্য সমানভাবে উপকারী। এই কিতাবের প্রায় হাদীসগুলি তিনি নিয়েছেন প্রসিদ্ধ ছয় গ্রন্থ সহীহ আল-বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু - [বিদায় হজ্জের ভাষণ](https://riyadussaliheenbd.com/বিদায়-হজ্জের-ভাষণ/) - বিদায় হজ্জের ভাষণ ১০ম হিজরিতে অর্থাৎ ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে হজ্জ পালনকালে আরাফাতের ময়দানে মুহাম্মাদ (স:) কর্তৃক প্রদত্ত খুৎবা বা ভাষণ। হজ্জ্বের দ্বিতীয় দিনে আরাফাতের মাঠে অবস্থানকালে অনুচ্চ জাবাল-এ-রাহমাত টিলার শীর্ষে দাঁড়িয়ে উপস্থিত সমবেত মুসলমানদের উদ্দেশ্যে তিনি এই ভাষণ দিয়েছিলেন। মুহাম্মাদ (স:) জীবিতকালে এটা শেষ ভাষণ ছিলো, তাই সচরাচর এটিকে বিদায় খুৎবা বলে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। - [মানবতার মুক্তি ইসলাম](https://riyadussaliheenbd.com/মানবতার-মুক্তির-লক্ষ্যে/) - ওয়েবসাইটে ব্যবহিত হাদিস গুলো Facebook, Twitter, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করে আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক। শেয়ার করতে ডান পাশের Share tools ব্যবহার করতে পারেন। "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" - [উচ্চ মানের কোরআন তেলাওয়াত এর অডিও এবং MP3 ডাউনলোড](https://riyadussaliheenbd.com/উচ্চ-মানের-কোরআন-তেলাওয়া/) - কুরআন তেলাওয়াত করা, অনুধাবন করা, এর দ্বারা প্রভাবিত হওয়া এবং আমল করা জরুরি । কুরআন তেলাওয়াতে রয়েছে বিরাট সাওয়াব। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কুরআনের একটি হরফ পাঠ করে, তাকে একটি নেকি প্রদান করা হয়। প্রতিটি নেকি দশটি নেকির সমান। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম একটি - [স্বাগতম](https://riyadussaliheenbd.com/স্বাগতম/) - বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম সকল প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য এবং দুরূদ ও সালাম আল্লাহর রাসূল, তার পরিবারবর্গ, তার সাথী ও তার সকল অনুসারীদের ওপর। আলহামদুলিল্লাহ। যাত্রা শুরু হল নতুন আরও একটি হাদিস ও ইসলাম বিষয়ক বাংলা ওয়েব সাইটের। বর্তমান সময়ে হাদিস নিয়ে বাংলা ওয়েব সাইটের পরিমান খুব বশি নয়।যদিও ব্লগ ও pdf বই download সংখ্যা নেহাত ## Pages - [সহীহ হাদিস গ্রন্থ বাংলা আনুবাদ বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী ও অন্যান্য](https://riyadussaliheenbd.com/) - বাংলায় সহীহ হাদিস পড়ুন ও সার্চ করুন—রিয়াযুস সালেহীন, সহীহ বুখারী, মুসলিম, তিরমিযীসহ বহু গ্রন্থ এক জায়গায় অনলাইনে। - [যোগাযোগ](https://riyadussaliheenbd.com/contact/) - সাইটি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য, পরামর্শ, মতামত বা অভিযোগ থাকে কিংবা কোন পেজে প্রবেশ করতে সমস্যার সম্মুখীন হন, ব্রোকেন লিঙ্ক পান; নিচের যোগাযোগ ফর্মে মাধ্যমে আমাদের জানান। অথবা আমাদের ফেইসবুক পেইজ-এ ইনবক্স করতে পারেন। ধন্যবাদ। জাযাকাল্লাহু খায়রান। N.B. আমদের এই ওয়েবসাইট থেকে কোন প্রকার ফাতাওা প্রদান করা হয় না। আপনার যে কোন ইসলামিক প্রশ্ন/ফাতাওার জন্য ভিজিট করুন - [এই ওয়েবসাইট সম্পর্কে](https://riyadussaliheenbd.com/about-this-website/) - বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম সকল প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য এবং দুরূদ ও সালাম আল্লাহর রাসূল, তার পরিবারবর্গ, তার সাথী ও তার সকল অনুসারীদের ওপর। রিয়াযুস সালেহীন ওয়েব সাইট -এ আপনাকে স্বাগতম। আলহামদুলিল্লাহ। প্রথমে আল্লাহ তা’আলা কাছে অশেষ শুক্রিয়া জানাই যে তিনি আপনাদের খেদমতে ইসলাম বিষয়ক, বাংলা হাদীস নির্ভর এ সাইট টি তৈরির সুযোগ করে দিয়েছেন। আশা করি এর আমল দ্বারা - [বিবিধ বিষয়](https://riyadussaliheenbd.com/blog/) - আল কুরআন এর ফাযীলাতসমূহ (বুখারী শরীফ এর অধ্যায়ঃ ৬৬) আকাঙ্ক্ষা – কামনা করা (বুখারী শরীফ এর অধ্যায়ঃ ৯৪) সালাতের ওয়াক্ত সমূহ , গুরুত্ব, কাফফারা, বিলম্ব, রাকাত ছুটে গেলে করনীয় (বুখারী শরীফ এর অধ্যায়ঃ ৯৪) তারাবীহর সালাত – রমযানে তারাবীর সালাতের গুরুত্ব (বুখারী শরীফ এর অধ্যায়ঃ ৩১ ) লাইলাতুল কদর এর ফযিলত ও রমযানের শেষ দশকের আমল। (বুখারী শরীফ - [বিবিধ বিষয়](https://riyadussaliheenbd.com/news/) - [ফোরাম রেজিস্ট্রেশন](https://riyadussaliheenbd.com/forum-registration/) - আপনি ফোরামে অংশগ্রহণ করতে চাইলে, নিম্নলিখিত তথ্য পূরণ করুন এবং আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিন - [বিষয়সমূহ](https://riyadussaliheenbd.com/বিষয়সমূহ/) ## Article - [ক্রোধ বা রাগ দমনের দোয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ক্রোধ-বা-রাগ-দমনের-দোয়া/) - أَعُوْذُ بِاللّٰهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ উচ্চারণঃ আ‘ঊযু বিল্লাহি মিনাশ্-শাইত্বা-নির রাজীম অনুবাদঃ আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় চাই বিতাড়িত শয়তান থেকে। - [ঘরে প্রবেশ করার সময় দোয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঘরে-প্রবেশ-করার-সময়-দোয়/) - بِسْمِ اللّٰهِ وَلَجْنَا، وَبِسْمِ اللّٰهِ خَرَجْنَا، وَعَلَى اللّٰهِ رَبِّنَا تَوَكَّلْنَا উচ্চারণ : বিস্মিল্লা-হি ওয়ালাজনা, ওয়াবিসমিল্লা-হি খারাজনা, ওয়া 'আলা রাব্বিনা তাওয়াককান্না। অনুবাদ : 'আমরা আল্লাহর নামে প্রবেশ করি, আল্লাহর নামেই (ঘর থেকে) বের হই এবং আমাদের পালনকর্তা আল্লাহর ওপরই আমরা ভরসা করি। (অতঃপর পরিবারবর্গের ওপর স্নালাম দিবে।) (সুনান আবু দাউদ-৪-৩২৫) - [বিপদ-আপদে পড়লে দোয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিপদ-আপদে-পড়লে-দোয়া/) - لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ رَبُّ السَّمَوَاتِ وَرَبُّ الْأَرْضِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ উচ্চারণঃ লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হুল ‘আযীমূল হালীম। লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু রব্বুল ‘আরশিল ‘আযীম। লা ইলাহা ইল্লাল্লা-হু রব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়া রব্বুল আরদ্বি ওয়া রব্বুল ‘আরশিল কারীম। অনুবাদঃ “আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, - [শিরক থেকে মুক্ত থাকার দোয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শিরক-থেকে-মুক্ত-থাকার-দোয/) - اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘ঊযু বিকা আন্ উশ্রিকা বিকা ওয়া আনা আ‘অ্লামু, ওয়া আস্তাগফিরুকা লিমা লা'অ্লামু। অনুবাদঃ হে আল্লাহ, আমি আমার জানা অবস্থায় তোমার সাথে অংশীদার স্থাপন (শিরক) করা থেকে আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি। আর আমার অজানা অবস্থায় (শিরক) হয়ে গেলে ক্ষমা প্রার্থনা - [ভ্রমণ কালীন সময়ে দোয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ভ্রমণ-কালীন-সময়ে-দোয়া/) - اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، ﴿سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ * وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنقَلِبُونَ﴾ «اللَّهُمَّ إِنّا نَسْأَلُكَ فِي سَفَرِنَا هَذَا البِرَّ وَالتَّقْوَى، وَمِنَ الْعَمَلِ مَا تَرْضَى، اللَّهُمَّ هَوِّنْ عَلَيْنَا سَفَرَنَا هَذَا وَاطْوِ عَنَّا بُعْدَهُ، اللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ، وَالْخَليفَةُ فِي الْأَهْلِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ، - [পশুর পিঠে আহরণের সময় অথবা যানবাহনে আহরণের সময় দোয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পশুর-পিঠে-আহরণের-সময়-অথব/) - بِسْمِ اللّٰهِ، وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ، سُبْحَانَ الَّذِيْ سَخَّرَ لَنَا هٰذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِيْنَ، وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُوْنَ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ، سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ إِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ فَاغْفِرْ لِيْ، فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ উচ্চারণঃ বিস্‌মিল্লা-হি, আলহাম্‌দু লিল্লা-হি, সুব্‌হা-নাল্লাযী সাখখারা লানা হা-যা ওয়ামা কুন্না লাহু মুক্বরিনীন। ওয়া - [তাসবীহ তাহমীদ, তাকবীর ও তাহলীল -এর ফযীলত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তাসবীহ-তাহমীদ-তাকবীর-ও-তা/) - রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার পড়বে, سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ উচ্চারণঃ সুব্‌হানাল্লা-হি ওয়াবিহামদিহী অনুবাদঃ আমি আল্লাহর সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করছি। তার পাপসমূহ মুছে ফেলা হয়, যদিও তা সাগরের ফেনারাশির সমান হয়ে থাকে।” (বুখারী, মুসলিম) আবু আইয়ুব আনসারী (রা), নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি নিম্নোক্ত দোয়া ১০ - [তাওবা ও ক্ষমা চাওয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তাওবা-ও-ক্ষমা-চাওয়া/) - রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আল্লাহ্‌র শপথ, নিশ্চয় আমি দৈনিক সত্তর -এর অধিকবার আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাই এবং তাওবা করি।” (বুখারী) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “হে মানুষ, তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা কর, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্‌র কাছে দৈনিক একশত বার তাওবা করি।” (মুসলিম) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “যে ব্যক্তি পড়বে, أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ - [বিপদ ও দুশ্চিন্তার পড়ার সময় দোয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিপদ-ও-দুশ্চিন্তার-পড়ার/) - اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ عَبْدُكَ، اِبْنُ عَبْدِكَ، اِبْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِيْ بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُــــلِّ اِسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِيْ كِتَابِكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِيْ عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيْعَ قَلْبِيْ، وَنُوْرَ صَدْرِيْ، وَجَلَاءَ حُزْنِيْ، وَذَهَابَ هَمِّيْ উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী ‘আবদুকা ইবনু - [আহার শেষ করার পর দোয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আহার-শেষ-করার-পর-দোয়া/) - اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ أَطْعَمَنِيْ هٰذَا، وَرَزَقَنِيْهِ، مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِّنِّيْ وَلَا قُوَّةٍ উচ্চারণঃ আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী আত‘আমানী হা-যা ওয়া রাযাকানীহি মিন গাইরি হাউলিম মিন্নী ওয়ালা কুওয়াতিন অনুবাদঃ সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যিনি আমাকে এ আহার করালেন এবং এ রিযিক দিলেন যাতে ছিল না আমার পক্ষ থেকে কোনো উপায়, ছিল না কোনো শক্তি-সামর্থ্য। اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ حَمْدًا كَثِيْرًا - [খাওয়ার পূর্বে দোয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খাওয়ার-পূর্বে-দোয়া/) - রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যখন তোমাদের কেউ আহার শুরু করে তখন সে যেন বলে, بِسْمِ اللّٰهِ উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহ অনুবাদঃ আল্লাহর নামে। আর শুরুতে বলতে ভুলে গেলে যেন বলে, بِسْمِ اللّٰهِ فِيْ أَوَّلِهِ وَآخِرِهِ উচ্চারণঃ বিস্‌মিল্লাহি ফী আওওয়ালিহী ওয়া আখিরিহী অনুবাদঃ এর শুরু ও শেষ আল্লাহ্‌র নামে। রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ - [ইফতারের সময় দোয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইফতারের-সময়-রোযাদারের-দ/) - ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوْقُ، وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللّٰهُ উচ্চারণঃ যাহাবাযযামাউ ওয়াবতাল্লাতিল ‘উরূকু ওয়াসাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহু অনুবাদঃ পিপাসা মিটেছে, শিরাগুলো সিক্ত হয়েছে এবং আল্লাহ্‌ চান তো সওয়াব সাব্যস্ত হয়েছে। (আবু দাউদ, সহীহ জামে) আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, রোজাদার ব্যক্তির জন্য ইফতারের সময় দোয়া - [যিক্‌রের ফযীলত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যিক্রের-ফযীলত/) - মহান আল্লাহ বলেন: فَاذْكُرُوْنِيْٓ اَذْكُرْكُمْ وَاشْكُرُوْا لِيْ وَلَا تَكْفُرُوْنِ “অতএব তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করব। আর তোমরা আমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর এবং আমার প্রতি অকৃতজ্ঞ হয়ো না।” (সূরা আল বাকারা-১৫২) يٰٓاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اذْكُرُوا اللّٰهَ ذِكْرًا كَثِيْرًا “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ কর” (সূরা আহযাব-৪১) وَالذّٰكِرِيْنَ اللّٰهَ كَثِيْرًا وَّالذّٰكِرٰتِۙ - [বিপদ ও দুশ্চিন্তার পড়ার সময় দোয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিপদ-ও-দুশ্চিন্তার-সময়-প/) - اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ عَبْدُكَ، اِبْنُ عَبْدِكَ، اِبْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِيْ بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُــــلِّ اِسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِيْ كِتَابِكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِيْ عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيْعَ قَلْبِيْ، وَنُوْرَ صَدْرِيْ، وَجَلَاءَ حُزْنِيْ، وَذَهَابَ هَمِّيْ উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী ‘আবদুকা ইবনু - [নামায অবস্থায় শয়তানের ওয়াসওয়াসায় (প্ররোচনায়) পতিত ব্যক্তির দোয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নামায-অবস্থায়-শয়তানের/) - উসমান ইবনুল আস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, আল্লাহর রাসূল! শয়তান আমার ও আমার নামাযের মাঝে অনুপ্রবেশ করে এবং তিলাওয়াতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। তখন রাসূল (সা) বলেন: ঐ শয়তানের নাম হচ্ছে খানযাব, যখন তুমি তার তাও উপস্থিতি বুঝতে পারো তখন উহা থেকে আল্লাহর আশ্রয় কামনা করো, । আর তোমার বাম দিকে তিনবার থুথু - [কোনো গুনাহর কাজ সংঘটিত হলে কি বলবে এবং কি করবে?](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কোনো-গুনাহর-কাজ-সংঘটিত-হল/) - কোনো মুসলমান কোনো গুনাহ করে ফেললে, (অনুতপ্ত হয়ে) ভালভাবে ওযু করে, তারপর দাঁড়িয়ে দু'রাকাআত নামায গান পড়ে এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে তবে তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। (আবু দাউদ-২-৮৬, তিরমিযী-২-২৫৭) - [সৃষ্টির ক্ষতি থেকে বাচ্চাদের রক্ষার দোয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সৃষ্টির-ক্ষতি-থেকে-বাচ্চ/) - আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (সা), হাসান (রা) এবং হুসাইন (রা)-এর রিকত জন্য এ বলে আশ্রয় চাইতেন... আমি তোমাদের দু'জনকে রিয়া আল্লাহর নিকট পূর্ণ প্রশংসনীয় ভাষা দ্বারা সকল শয়তান, রুক বিষধর জন্তু ও ক্ষতির চক্ষু (বদ নযর) থেকে আশ্রয় কামনা করছি। (সহীহ বুখারী-৪-১১৯) - [বিপদ পতিত হলে যে দোয়া পড়তে হয়](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিপদ-পতিত-হলে-যে-দোয়া-পড়/) - নবী করীম (সা) ইরশাদ করেছেন, দুর্বল ঈমানদার অপেক্ষা অধিকতর ক্ষমতাবান ঈমানদার আল্লাহর নিকট বেশি নপ্রিয়। প্রত্যেক বস্তুতেই (কিছু না কিছু) কল্যাণ বিদ্যমান আছে। যা তোমাকে উপকৃত করবে তুমি তার আশাবাদী হও। আর আল্লাহ তায়ালার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করো এবং নিজেকে পরাভূত মনে করো না। যদি কোনো কিছু (দুঃখ কষ্ট বা বিপদ আপদ) তোমার ওপর আসে, - [যে সমস্ত দোয়া শয়তান এবং তার কুমন্ত্রণাকে দূর করে](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-সমস্ত-দোয়া-শয়তান-এবং/) - শয়তান এবং তার কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় প্রার্থনা চাওয়া। অর্থাৎ ‘আ‘ঊযু বিল্লাহ’ পাঠ করা । ( আবূ দাউদ, তিরমিযী ) আযান দেয়া। মাসনুন দোয়া এবং কুরআন তিলাওয়াত করা । যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমরা তোমাদের ঘরসমূহ কবরে পরিণত করুন না। নিশ্চয় শয়তান ঐ ঘর থেকে পলায়ন করে যেখানে সূরা বাকারাহ্‌ পাঠ করা - [ধৈর্য ধারণ বিপদের প্রথম ধাক্কাতেই।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ধৈর্য-ধারণ-বিপদের-প্রথম-ধ/) - ৫৩৩. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী (ﷺ) এক মহিলার পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন, যিনি ক্ববরের পার্শ্বে ক্রন্দন করছিলেন। নাবী (ﷺ) বললেনঃ তুমি আল্লাহ্কে ভয় কর এবং ধৈর্য ধারণ কর। মহিলাটি বলিলেন, আমার নিকট থেকে প্রস্থান করুন। আপনার উপর তো আমার মত বিপদ উপস্থিত হয়নি। তিনি নাবী (ﷺ) -কে চিনতে পারেননি। পরে তাকে - [ভুল-ভ্রান্তি, স্মরণ না থাকা ও নিরূপায় অবস্থা ক্ষমাযোগ্য](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-৩৯/) - ৩৯. ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে- রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উদ্দেশ্যে আল্লাহ্ আমার উম্মাতের অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি ও ভুল ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং তার সে কাজ যা সে করতে সে বাধ্য হয়েছে। [এ হাদীসটি হাসান। ইবনে মাজাহ্, বায়হাকী ও আরো অনেকেই এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।] পরবর্তী হাদীস ➡️ - [ফরয এবং নফল ইবাদত আল্লাহর নৈকট্য অর্জন ও প্রিয় হওয়ার মাধ্যম](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-৩৮/) - ৩৮. আবূ হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমার কোন বন্ধুর সঙ্গে শত্রুতা করে, আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছি। আমি যা তার উপর যা ফরয করেছি আমার বান্দাহ্ তা ব্যতীত অন্য কোন পছন্দসই জিনিসের দ্বারা আমার অধিক নিকটবর্তী হতে পারে না। আর আমার - [আল্লাহ তায়ালার অনুগ্রহ এবং তাঁর অসীম রহমত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-৩৭/) - ৩৭. ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে- রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর রব হতে বর্ণনা করেন যে, নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ ভাল ও মন্দ কাজকে লিখে রেখেছেন। তারপর তিনি এ ব্যাখ্যা করেনঃ যে ব্যক্তি ভাল কাজের জন্য দৃঢ় সংকল্প করে কিন্তু তা সম্পন্ন করতে পারে না, তবু আল্লাহ্ তার জন্য পরিপূর্ণ নেকী লেখেন; আর দৃঢ় সংকল্প - [উত্তম আদর্শ, সরলতা, অপরের দোষ গোপন রাখা এবং ইলম অর্জন ও আমলের ফযীলত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-৩৬/) - ৩৬. আবূ হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে- নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোন মুমিনের দুঃখ দূর করে দেয়, আল্লাহ্ কেয়ামতের দিন তার দুঃখ দূর করে দিবেন। যে ব্যক্তি কোন বিপদগ্রস্ত ব্যক্তির বিপদ দূর করে দেয়, আল্লাহ্ দুনিয়াতে ও আখেরাতে তার বিপদ দূর করে দিবেন। যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবে, - [ইসলামী আদর্শের মূলনীতি](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-৩৫/) - ৩৫. আবূ হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন- রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পরস্পর হিংসা করো না, একে অপরের জন্য নিলাম ডেকে দাম বাড়াবে না, পরস্পর বিদ্বেষ পোষণ করবে, একে অপর থেকে আলাদা হয়ে যেও না, একজনের ক্রয়ের উপর অন্যজন ক্রয় করো না। হে আল্লাহর বান্দাগণ! পরস্পর ভাই ভাই হয়ে যাও। মুসলিম মুসলিমের - [সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-৩৪/) - ৩৪. আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "তোমাদের মধ্যে কেউ কোন অন্যায় দেখলে তা সে তার হাত দ্বারা প্রতিহত করবে, যদি তা সম্ভব না হয় তবে মুখ দ্বারা প্রতিহত করবে, তাও যদি না করতে পারে তাহলে অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করবে। আর এ হচ্ছে (অন্তর দিয়ে - [দাবী সাব্যস্তকরণ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-৩৩/) - ৩৩. ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি মানুষকে কেবল তাদের দাবী অনুযায়ী দিয়ে দেয়া হয় তাহলে তারা অন্যের সম্পদ ও জীবন দাবী করে বসবে। তবে নিয়ম হচ্ছে দাবীদারকে প্রমাণ পেশ করতে হবে, আর যে অস্বীকার করবে তাকে শপথ করতে হবে। [এ হাদীসটি হাসান। এটাকে বায়হাকী ও অন্যান্যগণ এভাবে বর্ণনা - [অপরের ক্ষতি ও প্রতিশোধমূলক ক্ষতিসাধন থেকে বিরত থাকা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-32/) - ৩২. আবু সাঈদ সা'দ ইবন মালিক ইবন সিনান আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "ক্ষতি করা উচিত নয়, আর ক্ষতির সম্মুখীন হওয়াও উচিত নয়।" [হাদীসটি হাসান। এটিকে ইবনে মাজাহ (দেখুন হাদীস নং: ২৩৪১), আদ্-দারা-কুতনী (হাদীস নং: ৪/২২৮) এবং অন্যান্যগণ সনদসহ বর্ণনা করেছেন। ইমাম মালেক মুয়াত্তা গ্রন্থে (হাদীস নং: ২/৭৪৬) একে মুরসাল সনদে - [যুহদ-তাপস্যের তাৎপর্য ও ফযীলত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-31/) - ৩১. আবুল আব্বাস সাহল ইবন সা'দ আস্-সা'ইদী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেনঃ "এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত হয়ে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন কাজ বলুন যা করলে আল্লাহ্ আমাকে ভালবাসেন, লোকেরাও আমাকে ভালবাসে। তখন তিনি বললেনঃ দুনিয়ার প্রতি অনুরাগী হবে না, তাহলে আল্লাহ্ তোমাকে ভালবাসবেন; আর মানুষের কাছে যা আছে - [দুনিয়ার পিছনে না পড়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-40/) - ৪০. ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাঁধ ধরে বললেনঃ দুনিয়াতে অপরিচিত অথবা ভ্রমণকারী মুসাফিরের মত হয়ে যাও। ইবনে উমার (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা) বলতেন, সন্ধ্যা বেলা যখন তোমার সাধ্য হবে, তখন সকালের অপেক্ষা করো না, আর সকাল আসলে সন্ধার অপেক্ষা করো না। অসুস্থতার পূর্বে সুস্থতার মূল্য অনুধাবন করো, আর - [রাসূলের অনুসরণ ঈমানের আলামত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-41/) - ৪১. আবূ মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ্ ইবনে আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসূল সাল্লাল্লাহু আল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউই ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না আমি যা এনেছি তার প্রতি তার ইচ্ছা-আকাঙ্খা অনুগত না হয়ে যায়। [হাদীসটি হাসান। এটাকে আমি কিতাবুল হুজ্জাহ্ থেকে সহীহ্ সনদের সাথে বর্ণনা করেছি।] পরবর্তী - [আল্লাহ তায়ালার প্রতি ঈমান ও তার প্রতি অটল থাকা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-21/) - ২১. আবূ আমরকে আবূ আমরাহ্ও বলা হয়- সুফিয়ান ইবন আব্দুল্লাহ্ হতে বর্ণনা করেছেনঃ আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে ইসলাম সম্পর্কে এমন কিছু বলে দিন যেন আপনাকে ব্যতীত আর কারো কাছে কিছু জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন না হয়। তিনি বললেন: বল- 'আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি'; তারপর এর উপর দৃঢ় থাক।" [মুসলিম] পরবর্তী হাদীস ➡️ - [ফরযসমূহ এবং হালাল ও হারাম মেনে চলা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-22/) - ২২. আবূ আব্দুল্লাহ্ জাবের ইবন আব্দুল্লাহ্ আল-আনসারী (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা) হতে বর্ণিত হয়েছে- এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ আপনি কি মনে করেন যদি আমি ফরয নামায আদায় করি, রমযানে রোযা রাখি, হালালকে হালাল বলে ও হারামকে হারাম বলে ঘোষণা করি, আর এর বেশী কিছু না করি, তাহলে কি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবো? - [শরীয়তের বিধানসমূহের প্রকারভেদ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-30/) - ৩০. আবূ সা'লাবাহ্ আল-খুশানী জুরসূম ইবন নাশিব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ তা‘আলা ফরযসমূহকে অবশ্য পালনীয় করে দিয়েছেন, সুতরাং তা অবহেলা করো না। তিনি সীমা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, সুতরাং তা লঙ্ঘন করো না। এবং কিছু জিনিস হারাম করেছেন, সুতরাং তা অমান্য করো না। আর তিনি কিছু জিনিসের ব্যাপারে নিরবতা - [সৎকাজের পথসমূহ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-29/) - ২৯. মু'আয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেনঃ আমি নিবেদন করিঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন কাজ বলুন যা আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে সরিয়ে দেবে। তিনি বললেনঃ তুমি এক বৃহৎ বিষয়ে প্রশ্ন করেছ। এটা তার জন্য খুবই সহজ আল্লাহ্ যার জন্য সহজ করে দেন। তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর, - [সুন্নাত আঁকড়ে ধরার অপরিহার্যতা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-28/) - ২৮. আবূ নাজীহ্ আল-'ইরবাদ ইবন সারিয়াহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বক্তৃতা আমাদের উপদেশ দান করেন যাতে আমাদের অন্তর ভীত হয়ে পড়ে ও আমাদের চোখে পানি এসে যায়। আমরা নিবেদন করিঃ হে আল্লাহর রাসূল! মনে হচ্ছে বিদায়কালীন উপদেশ; আপনি আমাদেরকে অসীয়াত করুন। তিনি বললেনঃ "আমি তোমাদের মহান আল্লাহকে - [নেকী ও গুনাহর পরিচয়](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-27/) - ২৭. আন-নওয়াস ইবন সাম'আন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ "উত্তম চরিত্র হচ্ছে নেকী, আর গোনাহ্ তাকে বলে যা তোমার মনকে সংশয়ের মধ্যে ফেলে এবং তা লোকে জানুক তা তুমি অপছন্দ কর।" [মুসলিম] ওয়াবেসা ইবন মা'বাদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেনঃ আমি - [প্রত্যেক নেকী সাদকার আন্তর্ভুক্ত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-26/) - ২৬. আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "প্রত্যেহ যখন সূর্য উঠে মানুষের (শরীরের) প্রত্যেক গ্রন্থির সাদকাহ্ দেয়া অবশ্য কর্তব্য। দু'জন মানুষের মাঝে ইনসাফ করা হচ্ছে সাদকাহ্, কোন আরোহীকে তার বাহনের উপর আরোহন করতে বা তার উপর বোঝা উঠাতে সাহায্য করা হচ্ছে সাদকাহ্, ভাল কথা হচ্ছে সাদকাহ্, নামাযের জন্য প্রত্যেক - [সাদকার প্রকৃত তাৎপর্য](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-25/) - ২৫. আবূ যর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহর কিছু সাহাবী নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেনঃ "হে আল্লাহর রাসূল! বিত্তবান লোকেরা প্রতিফল ও সওয়াবের কাজে এগিয়ে গেছে। আমরা নামায পড়ি তারাও সেরকম নামায পড়ে, আমরা রোযা রাখি তারাও সেরকম রোযা রাখে, তারা প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ সদকা করে। তিনি বলেন: আল্লাহ্ কি তোমাদের জন্য এমন জিনিস রাখেননি - [যুলুমের নিষিদ্ধতা এবং তাওহীদের তাৎপর্য](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-24/) - ২৪. আবূ যর আল-গিফারী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বরকতময় ও সুমহান রবের নিকট হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ্ বলেছেনঃ "হে আমার বান্দাগণ! আমি যুলুমকে আমার জন্য হারাম করে দিয়েছি, আর তা তোমাদের মধ্যেও হারাম করে দিয়েছি; অতএব তোমরা একে অপরের উপর যুলুম করো না। হে আমার - [ওযূ, যিকির, নামায, সাদকাহ, ধৈর্য ও কুরআনের ফযীলত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-23/) - ২৩. আবূ মালেক আল-হারেস ইবন আসেম আল-আশ'আরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে- রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ "পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক; আল-হামদুলিল্লাহ্ (সমস্ত প্রশংসা কেবলমাত্র আল্লাহর জন্য) [বললে] পাল্লা পরিপূর্ণ করে দেয় এবং সুবহানাল্লাহ (আল্লাহ পবিত্র) ওয়াল-হামদুলিল্লাহ্ (সমস্ত প্রশংসা কেবলমাত্র আল্লাহর জন্য) উভয়ে অথবা এর একটি আসমান ও যমীনের মাঝখান পূর্ণ করে দেয়। নামায হচ্ছে আলো, - [লজ্জা-শরম ঈমানের অংশ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-20/) - ২০. আবূ মাসউদ উকবাহ্ ইবন আমর আল-আনসারী আল-বদরী রাদিয়াল্লাহু হতে বর্ণিত হয়েছে- তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ "অতীতের নবীগণের কাছ থেকে মানুষ একথা জানতে পেরেছে- যদি তোমার লজ্জা না থাকে তাহলে যা ইচ্ছা তাই কর।" [বুখারী] পরবর্তী হাদীস ➡️ - [হালাল পানাহারের গুরুত্ব ও হারাম কামাইয়ের নিন্দাবাদ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-10/) - ১০. আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ্ তা‘আলা পাক-পবিত্র, তাই তিনি কেবল পবিত্র জিনিসই কবূল করে থাকেন। আল্লাহ্ তা‘আলা মুমিনদের ঐ কাজই করার হুকুম দিয়েছেন যা করার হুকুম তিনি রাসূলদেরকে দিয়েছেন। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেন: ((হে রাসূলগণ! পবিত্র বস্তু আহার করুন এবং নেক আমল করুন।)) আল্লাহ্ তা‘আলা - [ভাগ্য ও ভরসা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-19/) - ১৯. আবূ আব্বাস আব্দুল্লাহ্ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণনা করেছেন- একদিন আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পিছনে ছিলাম, তিনি আমাকে বললেন: "হে যুবক! আমি তোমাকে কয়েকটি কথা শেখাবো- আল্লাহকে সংরক্ষণ করবে তো তিনি তোমাকে সংরক্ষণ করবেন, আল্লাহকে স্মরণ করলে তাঁকে তোমার সামনেই পাবে। যখন কিছু চাইবে তো আল্লাহর কাছেই চাইবে; যখন সাহায্য চাইবে তো আল্লাহর - [তাকওয়া ও উত্তম চরিত্র](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-18/) - ১৮. আবূ যার জুনদুব ইবন জুনাদাহ্ এবং আবূ আব্দুর রহমান মু'আয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত আছে, তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তুমি যেখানে যে অবস্থায় থাক না কেন আল্লাহকে ভয় কর এবং প্রত্যেক মন্দ কাজের পর ভাল কাজ কর, যা তাকে মুছে দেবে; আর মানুষের সঙ্গে ভাল ব্যবহার কর। [তিরমিযী, এবং - [যথাযথভাবে কর্মবাস্তবায়ন ও সবার সাথে সদ্ব্যবহার](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-17/) - ১৭. আবূ ইয়া‘লা শাদ্দাদ ইবন আওস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ সমস্ত জিনিস উত্তম পদ্ধতিতে করার বিধান করে দিয়েছেন। সুতরাং যখন তুমি হত্যা করবে, তখন উত্তম পদ্ধতিতে হত্যা করবে আর যখন তুমি যবেহ্ করবে, তখন উত্তম পদ্ধতিতে যবেহ্ করবে। তোমাদের প্রত্যেকের আপন ছুরি ধারালো করে নেয়া উচিত ও - [রাগের নিষিদ্ধতা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-১৬/) - ১৬. আবূ হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে- এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলল: আমাকে কিছু উপদেশ দিন। তিনি বললেনঃ রাগ করো না। লোকটি বার বার রাসূলের নিকট উপেদশ চায় আর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ রাগ করো না। [বুখারী] পরবর্তী হাদীস ➡️ - [ইসলামী আদব ও শিষ্টাচার](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-১৫/) - ১৫. আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও আখেরাতে ঈমান রাখে, তার উচিত হয় উত্তম কথা বলা অথবা চুপ থাকা। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও আখেরাতে ঈমান রাখে, তার উচিত আপন প্রতিবেশীর প্রতি সদয় হওয়া। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও আখেরাতের উপর ঈমান রাখে, তার উচিত - [মুসলমানের রক্তপ্রবাহিত করা হারাম তবে তিন ক্ষেত্রে বৈধ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-১৪/) - ১৪. ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কোন মুসলিমের রক্তপাত করা তিনটি কারণ ব্যতীত বৈধ নয়ঃ বিবাহিত ব্যক্তি যদি ব্যভিচার করে, আর যদি প্রাণের বদলে প্রাণ নিতে হয়। আর যদি কেউ স্বীয় দ্বীনকে পরিত্যাগ করে মুসলিম জামা‘আত হতে আলাদা হয়ে যায়।” [বুখারী, মুসলিম] পরবর্তী হাদীস ➡️ - [ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধ ঈমানকে পরিপূর্ণ করে](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-১৩/) - ১৩. আবু হামযাহ্ আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের খাদেম-হতে বর্ণিত হয়েছে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের মধ্যে কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তার ভাইয়ের জন্য তা-ই পছন্দ করবে যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে।” [বুখারী, মুসলিম] পরবর্তী হাদীস ➡️ - [মুসলমানদের অপ্রয়োজনীয় বিষয় থেকে বাঁচা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-১২/) - ১২. আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন-রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “অনর্থক অপ্রয়োজনীয় বিষয় ত্যাগ করাই একজন ব্যক্তির উত্তম ইসলাম।” [হাদীসটি হাসান। তিরমিযী, ইবনে মাজাহ] পরবর্তী হাদীস ➡️ - [সংশয় থেকে বাঁচা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-11/) - ১১. রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্নেহাস্পদ দৌহিত্র আবু মুহাম্মাদ হাসান ইবন আলী ইবন আবী তালিব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন: “আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে এ কথা শুনে স্মরণ রেখেছি: সন্দেহযুক্ত বিষয় বর্জন করে সন্দেহমুক্ত বিষয় গ্রহণ কর।” [তিরমিযী, নাসায়ী, আর ইমাম তিরমিযী বলেছেন: হাদীসটি হাসান সহীহ] পরবর্তী হাদীস ➡️ - [রাসূলের অনুসরণের অপরিহার্যতা ও অধিক প্রশ্ন করার নিষিদ্ধতা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-৯/) - ৯. আবু হুরায়রা আব্দুর রহমান ইবন সাখর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন- আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: আমি তোমাদেরকে যেসব বিষয় নিষেধ করেছি, তা থেকে বিরত থাক। আর যেসব বিষয়ে আদেশ করেছি, যথাসম্ভব তা পালন কর। বেশী বেশী প্রশ্ন করা আর নবীদের সথে মতবিরোধ করা তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ধ্বংস করে দিয়েছে। - [মুসলমানের জান ও মালের সংরক্ষণ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-৮/) - ৮. ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমাকে হুকুম দেয়া হয়েছে ততক্ষণ পর্যন্ত মানুষের সঙ্গে লড়াই করতে যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা এ কথার সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্ ছাড়া আর কোন সত্য ইলাহ্ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর রাসূল। আর তারা সালাত কায়েম করে ও যাকাত দেয়। যদি তারা - [ইখলাস, সদুপদেশ ও বিশ্বস্ততা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-৭/) - ৭. আবু রুকাইয়্যা তামীম ইবন আওস আদ্-দারী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে- নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: দ্বীন হচ্ছে শুভকামনা। আমরা জিজ্ঞেস করলাম: কার জন্য? তিনি বললেন: আল্লাহ্, তাঁর কিতাবের, তাঁর রাসূলের, মুসলিম নেতাদের এবং সকল মুসলিমের জন্য। [মুসলিম] পরবর্তী হাদীস ➡️ - [হালাল ও হারাম এবং আত্মপরিশুদ্ধিতা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-৬/) - ৬. আবু আব্দিল্লাহ্ আন্-নু‘মান ইবন বশীর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন- আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ নিঃসন্দেহে হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট, আর এ দু‘য়ের মধ্যে কিছু সন্দেহজনক বিষয় আছে যা অনেকে জানে না। অতএব, যে ব্যক্তি সন্দিহান বিষয় হতে নিজেকে রক্ষা করেছে; সে নিজের দ্বীনকে পবিত্র করেছে এবং নিজের সম্মানকেও রক্ষা - [ইসলামের রুকনসমূহ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-3/) - ৩. আবু আব্দির রহমান আব্দুল্লাহ্ ইবন উমার ইবন আল-খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন- আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, “পাঁচটি জিনিসের উপর ইসলামের বুনিয়াদ রাখা হয়েছে— সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কোন সত্য মা‘বূদ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়েম করা, যাকাত আদায় করা, আল্লাহর ঘরের হজ্জ করা এবং রমাদানের - [ইসলাম, ঈমান ও ইহ্‌সানের তাৎপর্য](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-2/) - ২. এটাও উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, একদিন আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বসেছিলাম, এমন সময় হঠাৎ এক ব্যক্তি আমাদের সামনে উপস্থিত হয়, যার কাপড় ছিল ধবধবে সাদা, চুল ছিল ভীষণ কালো; তার মাঝে ভ্রমণের কোন লক্ষণ পরিলক্ষিত হচ্ছিল না। আমাদের মধ্যে কেউ তাকে চিনতে পারে নি। সে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি - [নিয়ত পরিশুদ্বতার প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/forty-hadith-1/) - ১. আমীরুল মুমিনীন আবু হাফস্ উমার ইবন আল-খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন— আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি— “সমস্ত কাজের ফলাফল নির্ভর করে নিয়্যতের উপর, আর প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়্যত করেছে, তাই পাবে। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের জন্য হিজরত করেছে, তার হিজরত আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের দিকে হয়েছে, - [বিদআতের নিন্দাবাদ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-৫/) - ৫. উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে আমাদের দ্বীনের মধ্যে এমন কোন নতুন বিষয় সংযুক্ত করবে যা তার অংশ নয়, তা প্রত্যাখ্যাত হবে (অর্থাৎ তা গ্রহণযোগ্য হবে না)। [বুখারী, মুসলিম] মুসলিমের বর্ণনার ভাষা হলো এই যে, যে ব্যক্তি এমন কাজ করবে যা আমাদের দ্বীনে নেই, - [মানুষের সৃষ্টিগত স্তরসমূহ ও পরকালের পরিণাম](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদীস-৪/) - ৪. আবূ আব্দির রহমান আব্দুল্লাহ্ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন— রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম— যিনি সত্যবাদী ও যার কথাকে সত্য বলে মেনে নেয়া হয়— তিনি আমাদেরকে বলেছেন: তোমাদের সকলের সৃষ্টি নিজের মায়ের পেটে চল্লিশ দিন যাবৎ শুক্ররূপে জমা হওয়ার মাধ্যমে শুরু হতে থাকে, পরবর্তী চল্লিশ দিন জমাট বাঁধা রক্তরূপে থাকে, পরবর্তী - [জুমু‘আহ্‌র দিন (সলাতে) কী পড়বে?](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জুমুআহ্‌র-দিন-সলাতে-ক/) - ৫০৪. আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু’আহ’র দিন ফজরের সালাতে (آلَم تَنْزيلُ) এবং (هَلْ أَتَى عَلَى الإِنْسَانِ) এ দু’টি সূরা তিলাওয়াত করতেন। (বুখারী পর্ব ১১ : /১০ হাঃ ৮৯১, মুসলিম ৭/৬৪, হাঃ ৮৮০) - [নাবী (সাঃ)-এর উক্তিঃ মানুষ উটের ন্যায়, একশটি উটের মধ্যে একটিও আরোহণের উপযোগী পাবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-উক্তিঃ-মানুষ-উ/) - ১৬৫১. আবদুল্লাহ্ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-কে শুনেছিঃ নিশ্চয়ই মানুষ শত উটের ন্যায়, যাদের মধ্য থেকে সাওয়ারীর উপযোগী একটি পাওয়া তোমার পক্ষে দুষ্কর। [বোখারী পর্ব ৮১ অধ্যায় ৩৫ হাদীস নং ৬৪৯৮; মুসলিম ৪৪ অধ্যায় ৬০, হাঃ ২৫৪৭] - [পারস্যবাসীদের ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পারস্যবাসীদের-ফাযীলাত।/) - ১৬৫০. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা নাবী [সাঃআঃ]-এর কাছে বসেছিলাম। এমন সময় তাহাঁর উপর অবতীর্ণ হলো সূরাহ জুমুআহ, যার একটি আয়াত হলো ঃ “এবং তাহাদের অন্যান্যের জন্যও যারা এখনও তাহাদের সঙ্গে মিলিত হয়নি।” তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, তারা কারা? তিনবার এ কথা জিজ্ঞেস করা সত্ত্বেও তিনি কোন উত্তর দিলেন না। আমাদের - [নাবী (সাঃ)-এর সাহাবী (রা)-দের গালি দেয়া নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-সাহাবী-রা-দের-গ/) - ১৬৪৯. আবু সাঈদ খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, তোমরা আমার সাহাবীগণকে গালমন্দ কর না। তোমাদের কেউ যদি উহূদ পর্বত পরিমাণ সোনা আল্লাহ্‌র রাস্তায় ব্যয় কর, তবুও তাহাদের একমুদ বা অর্ধমুদ-এর সমপরিমাণ সাওয়াব হইবে না। [বোখারী পর্ব ৬২ অধ্যায় ৫ হাদীস নং ৩৬৭৩; মুসলিম ৪৪/৫৪ হাঃ ২৫৪১] - [নাবী (সাঃ)-এর উক্তিঃ আজ যারা বেঁচে আছে তাহাদের কেউই একশ বছর পর পৃথিবীর উপর জীবিত থাকিবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-উক্তিঃ-আজ-যারা/) - ১৬৪৮. আবদুল্লাহ্ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ নাবী [সাঃআঃ] তাহাঁর জীবনের শেষের দিকে আমাদের নিয়ে ইশার সালাত আদায় করিলেন। সালাম ফিরানোর পর তিনি দাঁড়িয়ে বললেনঃ তোমরা কি এ রাতের সম্পর্কে জান? বর্তমানে যারা পৃথিবীতে রয়েছে, একশ বছরের মাথায় তাহাদের কেউ আর অবশিষ্ট থাকিবে না। [বোখারী পর্ব ৩ অধ্যায় ২২ হাদীস নং ১১৬; মুসলিম - [নাবী (সাঃ)-এর সহাবীদের মর্যাদা, অতঃপর তাহাদের পরবর্তীদের, অতঃপর তাহাদের পরবর্তীদের।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-সহাবীদের-মর্য/) - ১৬৪৫. আবু সাঈদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, এমন এক সময় আসবে যখন একদল লোক আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করিবে। তাহাদেরকে জিজ্ঞেস করা হইবে, তোমাদের সঙ্গে কি নাবী [সাঃআঃ]-এর সাহাবীদের কেউ আছেন? বলা হইবে, হ্যাঁ। অতঃপর [তাহাঁর বারাকাতে] বিজয় দান করা হইবে। অতঃপর এমন এক সময় আসবে, যখন জিজ্ঞেস করা হইবে, নাবী [সাঃআঃ]-এর সাহাবীদের সহচরদের - [নাবী (সাঃ) কর্তৃক তাহাঁর সাথীদের মধ্যে ভ্রাতৃবন্ধন প্রতিষ্ঠা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-কর্তৃক-তাহাঁর-সা/) - ১৬৪৪. আসিম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনি মালিক [রাদি.]-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনার নিকট কি এ হাদীস পৌঁছেছে যে, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, ইসলামে হিল্‌ফ [জাহিলী যুগের সহযোগিতা চুক্তি] নেই? তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] আমার ঘরে কুরায়শ এবং আনসারদের মধ্যে সহযোগিতা চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন। [বোখারী পর্ব ৩৯ অধ্যায় ২ হাদীস নং ২২৯৪; মুসলিম - [কুরাইশ নারীদের ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরাইশ-নারীদের-ফাযীলাত।/) - ১৬৪৩. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি, কুরাইশ বংশীয়া নারীরা উটে আরোহণকারী সকল নারীদের তুলনায় উত্তম। এরা শিশু সন্তানের উপর অধিক স্নেহশীলা হয়ে থাকে আর স্বামীর সম্পদের প্রতি খুব যত্নবান হয়ে থাকে। অতঃপর আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] বলেছেন, ইমরানের কন্যা মারইয়াম কখনও উটে আরোহণ করেননি। [বোখারী পর্ব ৬০ অধ্যায় - [মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মানুষের-মধ্যে-সর্বোত্তম।/) - ১৬৪২. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, তোমরা মানুষকে ঋণির মত পাবে। আইয়্যামে জাহিলীয়্যাতের উত্তম ব্যক্তিগণ ইসলাম গ্রহণের পরও তারা উত্তম যখন তারা দীনী জ্ঞান অর্জন করে আর তোমরা শাসন ও কর্তৃত্বের ব্যাপারে লোকদের মধ্যে উত্তম ঐ ব্যক্তিকে পাবে যে এ ব্যাপারে তাহাদের মধ্যে সবচেয়ে অধিক অনাসক্ত। আর মানুষের মধ্যে - [গিফার, আসলাম, জুহাইনাহ, আশযা, মুজাইনাহ, তামিম, দাওস ও তাঈ গোত্রগুলোর ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/গিফার-আসলাম-জুহাইনাহ-আশয/) - ১৬৩৭. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেন, কুরাইশ, আনসার, জুহায়নাহ, মুযায়নাহ, আসলাম, আশজা ও গিফার গোত্রগুলো আমার সাহায্যকারী। আল্লাহ্ ও তাহাঁর রসূল ছাড়া তাঁদের সাহায্যকারী আর কেউ নেই। [বোখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ২ হাদীস নং ৩৫০৪; মুসলিম ৪৪/৪৭ হাঃ ২৫২০] ১৬৩৮. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেন, আসলাম, - [গিফার ও আসলাম গোত্রের জন্য নাবী (সাঃ)-এর দুআ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/গিফার-ও-আসলাম-গোত্রের-জন্/) - ১৬৩৫. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, আসলাম গোত্র, আল্লাহ্ তাহাদেরকে নিরাপত্তা দিন। গিফার গোত্র, আল্লাহ্ তাহাদেরকে মাফ করুন। [বোখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ৬ হাদীস নং ৩৫১৪; মুসলিম ৪৪/৪৬ হাঃ ২৫১৬] ১৬৩৬. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] মিম্বারে উপবিষ্ট অবস্থায় বলেন, গিফার গোত্র, আল্লাহ্ তাহাদেরকে মাফ করুন, আসলাম গোত্র, - [আনসারদের (রা) সঙ্গ লাভে যে কল্যাণ লাভ করা যায়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আনসারদের-রা-সঙ্গ-লাভে-যে-ক/) - ১৬৩৪. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক সফরে আমি জারীর ইবনি আবদুল্লাহ্ [রাদি.]-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি আমার খেদমত করিতেন। যদিও তিনি আনাস [রাদি.]-এর চেয়ে বয়সে বড় ছিলেন। জারীর [রাদি.] বলেন, আমি আন্‌সরদের এমন কিছু কাজ দেখেছি, যার কারণে তাহাদের কাউকে পেলেই সম্মান করি। [বোখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ৭১ হাদীস নং ২৮৮৮; মুসলিম - [আনসার (রা) পরিবারের মধ্যে সর্বোত্তম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আনসার-রা-পরিবারের-মধ্যে-স/) - ১৬৩৩. আবু উসায়দ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, সবচেয়ে উত্তম গোত্র হল বানূ নাজ্জার, তারপর বানূ আবদুল আশহাল তারপর বনূ হারিস ইবনি খাযরাজ তারপর বানূ সায়িদা এবং আনসারদের সকল গোত্রের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। এ শুনে সাদ [রাদি.] বলিলেন, নাবী [সাঃআঃ] অন্যদেরকে আমাদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করিয়াছেন? তখন তাকে বলা হল; তোমাদেরকে তো - [আনসার (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আনসার-রা-এর-মর্যাদা।/) - ১৬২৮. জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, إِذْ هَمَّتْ طَائِفَتَانِ مِنْكُمْ أَنْ تَفْشَلَا যখন তোমাদের মধ্যে দুদলের সাহস হারাবার উপক্রম হয়েছিল আয়াতটি আমাদের সম্পর্কে তথা বনূ সালিমাহ এবং বনু হারিসাহ সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। আয়াতটি অবতীর্ণ না হোক তা আমি চাইনি। কেননা এ আয়াতেই আল্লাহ বলেছেন, আল্লাহ উভয় দলেরই সাহায্যকারী। {মুসলিম ৪৪/৩৯, হাঃ ২৪৯৯} [বোখারী পর্ব - [জাফার বিন আবু ত্বলিব, আসমা বিনতু উমায়স এবং তাহাদের নৌকারোহীদের (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জাফার-বিন-আবু-ত্বলিব-আসমা/) - ১৬২৭. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা ইয়ামানে থাকা অবস্থায় আমাদের কাছে নাবী [সাঃআঃ]-এর হিজরতের খবর পৌঁছল। তাই আমি ও আমার দুভাই আবু বুরদা ও আবু রুহম এবং আমাদের কাওমের আরো মোট বায়ান্ন কি তিপ্পান্ন কিংবা আরো কিছু লোকজনসহ আমরা হিজরতের উদ্দেশে বের হলাম। আমি ছিলাম আমার অপর দুভাইয়ের চেয়ে বয়সে ছোট। আমরা - [আল আশআরী (রা)-দের মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল-আশআরী-রা-দের-মর্যাদা।/) - ১৬২৫. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, আশআরী গোত্রের লোকেরা রাতের বেলায় এলেও আমি তাহাদেরকে তাহাদের কুরআন তিলাওয়াতের আওয়াজ দিয়েই চিনতে পারি এবং রাতের বেলায় তাহাদের কুরআন তিলাওয়াতের আওয়াজ শুনেই আমি তাহাদের বাড়িঘর চিনতে পারি যদিও আমি দিবাভাগে তাহাদেরকে নিজ নিজ গৃহে অবস্থান করিতে দেখিনি। হাকীম ছিলেন আশআরীদের একজন। যখন তিনি কোন দল - [আবু মূসা ও আবু আমির আল আশআরী (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আবু-মূসা-ও-আবু-আমির-আল-আশআর/) - ১৬২৩. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট মাক্কাহ ও মাদীনাহ্‌র মধ্যবর্তী জিরানা নামক স্থানে অবস্থান করছিলাম। তখন বিলাল [রাদি.] তাহাঁর কাছে ছিলেন। এমন সময়ে নাবী [সাঃআঃ]-এর কাছে এক বেদুঈন এসে বলিল, আপনি আমাকে যে ওয়াদা দিয়েছিলেন তা পূরণ করবেন না? তিনি তাঁকে বলিলেন, সুসংবাদ গ্রহণ কর। সে বলিল, সুসংবাদ গ্রহণ - [বদর যুদ্ধের শহীদদের মর্যাদা এবং হাতিব বিন আবি বালতা (রা)-এর কাহিনী।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বদর-যুদ্ধের-শহীদদের-মর্য/) - ১৬২২. আলী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] আমাকে এবং যুবায়র ও মিকদাদ ইবনি আসওয়াদ [রাদি.]-কে পাঠিয়ে বলিলেন, তোমরা খাখ্ বাগানে যাও। সেখানে তোমরা এক মহিলাকে দেখিতে পাবে। তার নিকট একটি পত্র আছে, তোমরা তার কাছ থেকে তা নিয়ে আসবে। তখন আমরা রওনা দিলাম। আমাদের ঘোড়া আমাদের নিয়ে দ্রুত বেগে চলছিল। অবশেষে আমরা - [আবু হুরাইরাহ আদ্‌দাওসী (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আবু-হুরাইরাহ-আদ্দাওসী-র/) - ১৬২১. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, তোমাদের ধারণা আবু হুরাইরাহ [রাদি.] রাসূলাল্লাহ্‌ [সাঃআঃ] থেকে হাদীস বর্ণনায় বাড়াবাড়ি করছে। আল্লাহ্‌র কাছে একদিন আমাদেরকে হাযির হইতে হইবে। আমি ছিলাম একজন মিসকীন। খেয়ে না খেয়েই আমি রাসূলাল্লাহ্‌ [সাঃআঃ]-এর সান্নিধ্যে লেগে থাকতাম। মুহাজিরদেরকে বাজারের বেচাকেনা লিপ্ত রাখত। আর আনসারগণকে ব্যস্ত রাখত তাঁদের ধন-দৌলতের ব্যবস্থাপনা। একদা আমি রাসূলাল্লাহ্‌ - [হাস্‌সান বিন সাবিত (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাস্সান-বিন-সাবিত-রা-এর-ম/) - ১৬১৬. সাঈদ ইবনি মুসাইয়্যাব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদা উমার [রাদি.] মাসজিদে নববীতে আগমন করেন, তখন হাস্‌সান ইবনি সাবিত [রাদি.] কবিতা আবৃত্তি করছিলেন। তখন তিনি বলিলেন, এখানে আপনার চেয়ে উত্তম ব্যক্তির উপস্থিতিতেও আমি কবিতা আবৃত্তি করতাম। অতঃপর তিনি আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.]-এর দিকে তাকালেন এবং বলিলেন, আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি; আপনি - [আবদুল্লাহ বিন সালাম (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আবদুল্লাহ-বিন-সালাম-রা-এর/) - ১৬১৪. সাদ ইবনি আবু ওয়াক্কাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে আবদুল্লাহ ইবনি সালাম [রাদি.] ছাড়া যমীনে বিচরণশীল কারো ব্যাপারে এ কথাটি বলিতে শুনিনি যে, নিশ্চয়ই তিনি জান্নাতবাসী। সাদ [রাদি.] বলেন, তাহাঁরই ব্যাপারে সূরা আহকাফের এ আয়াত নাযিল হয়েছেঃ “এ ব্যাপারে বনী ইসরাঈলের মধ্য থেকেও একজন সাক্ষ্য দান করেছে।” [বোখারী পর্ব ৬৩ অধ্যায় - [আনাস বিন মালিক (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আনাস-বিন-মালিক-রা-এর-মর্যা/) - ১৬১২. উম্মু সুলায়ম [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]! আনাস [রাদি.] আপনার খাদিম, আপনি আল্লাহ্‌র নিকট তার জন্য দুআ করুন। তিনি দুআ করলেনঃ اللهُمَّ أَكْثِرْ مَالَهُ وَوَلَدَهُ وَبَارِكْ لَهُ فِيمَا أَعْطَيْتَهُ হে আল্লাহ! আপনি তার মাল ও সন্তান বাড়িয়ে দিন, আর আপনি তাকে যা কিছু দিয়েছেন তাতে বারাকাত দান করুন। [বোখারী পর্ব - [আবদুল্লাহ বিন উমার (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আবদুল্লাহ-বিন-উমার-রা-এর-ম/) - ১৬১১. আব্দুল্লাহ ইবনি উমার হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর জীবিতকালে কোন ব্যক্তি স্বপ্ন দেখলে তা আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর খিদমতে বর্ণনা করত। এতে আমার মনে আকাঙক্ষা জাগলো যে, আমি কোন স্বপ্ন দেখলে তা আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর নিকট বর্ণনা করব। তখন আমি যুবক ছিলাম। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সময়ে আমি মাসজিদে ঘুমাতাম। আমি স্বপ্নে দেখলাম, যেন দুজন - [আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আবদুল্লাহ-বিন-আব্বাস-রা-এ/) - ১৬১০. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ একদা নাবী [সাঃআঃ] পায়খানায় গেলেন, তখন আমি তাহাঁর জন্য উযূর পানি রাখলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ এটা কে রেখেছে? তাঁকে জানানো হলে তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্! তুমি তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান কর। [বোখারী পর্ব ৪ অধ্যায় ১০ হাদীস নং ১৪৩; মুসলিম ৪৪/৩০, হাঃ ২৪৭৭] - [জারীর বিন আবদুল্লাহ (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জারীর-বিন-আবদুল্লাহ-রা-এর/) - ১৬০৮. জারীর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি যখন ইসলাম গ্রহণ করেছি তখন থেকে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] আমাকে তাহাঁর নিকট প্রবেশ করিতে বাধা দেননি এবং যখনই তিনি আমার চেহারার দিকে তাকাতেন তখন তিনি মুচকি হাসতেন। আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর নিকট আমার অসুবিধার কথা জানালাম যে, আমি অশ্ব পৃষ্ঠে স্থির থাকতে পারি না। তখন আল্লাহর রসূল - [আবু যার (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আবু-যার-রা-এর-মর্যাদা।/) - ১৬০৭. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর আবির্ভাবের খবর যখন আবু যার [রাদি.] এর কাছে পৌঁছল, তখন তিনি তাহাঁর ভাইকে বলিলেন, তুমি এ উপত্যকায় গিয়ে ঐ লোক সম্পর্কে জেনে আস যে লোক নিজেকে নাবী বলে দাবী করছেন ও তাহাঁর কাছে আসমান হইতে সংবাদ আসে। তাহাঁর কথাবার্তা মনোযোগ দিয়ে শুন এবং ফিরে এসে - [জাবির (রা)-এর পিতা আবদুল্লাহ বিন আম্‌র বিন হারাম (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জাবির-রা-এর-পিতা-আবদুল্লা/) - ১৬০৬. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, উহুদের দিন আমার পিতাকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কর্তিত অবস্থায় নিয়ে এসে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সামনে রাখা হল। তখন একখানি বস্ত্র দ্বারা তাঁকে আবৃত রাখা হয়েছিল। আমি তাহাঁর উপর হইতে আবরণ উন্মোচন করিতে আসলে আমার কাওমের লোকেরা আমাকে নিষেধ করিল। পুনরায় আমি আবরণ উন্মুক্ত করিতে থাকলে আমার কাওমের লোকেরা - [সাদ বিন মুআয (রা)-এর বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সাদ-বিন-মুআয-রা-এর-বর্ণনা।/) - ১৬০৩. জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি সাদ ইবনি মুআয [রাদি.]-এর মৃত্যুতে আল্লাহ্ তাআলার আরশ কেঁপে উঠেছিল। [বোখারী পর্ব ৬৩ অধ্যায় ১২ হাদীস নং ৩৮০৩; মুসলিম ৪৪/২৪ হাঃ ২৪৬৬] ১৬০৪. বারা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ]-কে এক জোড়া রেশমী কাপড় হাদীয়া দেয়া হল। সাহাবায়ে কেরাম [রাদি.] তা স্পর্শ করে এর - [উবাই বিন কাব ও একদল আনসার [রাদি.]-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উবাই-বিন-কাব-ও-একদল-আনসার-র/) - ১৬০১. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ]-এর যুগে [সর্বপ্রথম] যে চার ব্যক্তি সম্পূর্ণ কুরআন হিফয করেছিলেন, তাঁরা সকলেই ছিলেন আনসারী। [তাঁরা হলেন] উবাই ইবনি কাব [রাদি.], মুআয ইবনি জাবাল [রাদি.], আবু যায়দ [রাদি.] এবং যায়দ ইবনি সাবিত [রাদি.]। [বোখারী পর্ব ৬৩ অধ্যায় ১৭ হাদীস নং ৩৮১০; মুসলিম ৪৪/২৩, হাঃ নং ২৪৬৫] ১৬০২. আনাস ইবনি মালিক - [আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা) ও তাহাঁর মায়ের মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আবদুল্লাহ-বিন-মাসউদ-রা-ও-ত/) - ১৫৯৭. মূসা আশআরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আবু-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, আমি এবং আমার ভাই ইয়ামান হইতে মাদীনাহ্তে আসি এবং বেশ কিছুদিন মাদীনাহ্তে অবস্থান করি। তখন আমরা মনে করতাম যে, আবদুল্লাহ ইবনি মাসউদ [রাদি.] নাবী [সাঃআঃ]-এর পরিবারেরই একজন লোক। কারণ আমরা তাঁকে এবং তাহাঁর মাকে হরহামেশা নাবী [সাঃআঃ]-এর ঘরে প্রবেশ করিতে দেখতাম। [বোখারী - [আনাস বিন মালিক (রা)-এর মাতা উম্মু সুলায়ম (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আনাস-বিন-মালিক-রা-এর-মাতা-উ/) - ১৫৯৬. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] মাদীনায় উম্মু সুলাইম ছাড়া কারো ঘরে যাতায়াত করিতেন না তাহাঁর স্ত্রীদের ব্যতীত। এ ব্যাপারে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, উম্মু সুলাইমের ভাই আমার সঙ্গে জিহাদে শরীক হয়ে শহীদ হয়েছে, তাই আমি তার প্রতি সহানুভূতি জানাই। [বোখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ৩৮ হাদীস নং ২৮৪৪; মুসলিম ৪৪/১৯ - [উম্মুল মুমিনীন যাইনাব (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উম্মুল-মুমিনীন-যাইনাব-রা/) - ১৫৯৫. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ কোন নাবী সহধর্মিনী নাবী [সাঃআঃ]-কে বললেনঃ আমাদের মধ্য হইতে সবার পূর্বে [মৃত্যুর পর] আপনার সাথে কে মিলিত হইবে? তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যে যার হাত সবচেয়ে লম্বা। তাঁরা একটি বাঁশের কাঠির মাধ্যমে হাত মেপে দেখিতে লাগলেন। সওদার হাত সকলের হাতের চেয়ে লম্বা বলে প্রমাণিত হল। পরে {সবার আগে যায়নাব [রাদি.]-এর মৃত্যু - [উম্মুল মুমিনীন উম্মে সালামাহ (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উম্মুল-মুমিনীন-উম্মে-সাল/) - ১৫৯৪. উসামাহ ইবনি যায়দ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমাকে জানানো হল যে, একবার জিবরাঈল [আ.] নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট আসলেন। তখন উম্মু সালামাহ [রাদি.] তাহাঁর নিকট ছিলেন। তিনি এসে তাহাঁর সঙ্গে আলোচনা করিলেন। অতঃপর উঠে গেলেন। নাবী [সাঃআঃ] উম্মু সালামাহ [রাদি.]-কে জিজ্ঞেস করিলেন, লোকটিকে চিনতে পেরেছ কি? তিনি বলিলেন, এতো দেহ্ইয়া। উম্মু সালামাহ [রাদি.] বলেন, - [ফাতিমা বিনতু নাবী (সাঃ)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফাতিমা-বিনতু-নাবী-সাঃ-এর-ম/) - ১৫৯১. আলী ইবনি হুসাইন [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন যে, যখন তাঁরা ইয়াযীদ ইবনি মুআবিয়াহর নিকট হইতে হুসাইন [রাদি.]-এর শাহাদাতের পর মাদীনায় আসলেন, তখন তাহাঁর সঙ্গে মিসওয়ার ইবনি মাখরামাহ [রাদি.] মিলিত হলেন এবং বলিলেন, আপনার কি আমার নিকট কোন প্রয়োজন আছে? থাকলে বলুন। তখন আমি তাঁকে বললাম, না। তখন মিসওয়ার [রাদি.] বলিলেন, আপনি কি আল্লাহর - [উম্মু যারআ (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উম্মু-যারআ-রা-এর-মর্যাদা।/) - ১৫৯০. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, ১১ জন মহিলা এক স্থানে একত্রিত হয়ে বসল এবং সকলে মিলে এ কথার ওপর একমত হল যে, তারা নিজেদের স্বামীর ব্যাপারে কোন তথ্যই গোপন রাখবে না। প্রথম মহিলা বলিল, আমার স্বামী হচ্ছে অত্যন্ত হাল্কা-পাতলা দুর্বল উটের গোশতের মত যেন কোন পর্বতের চূড়ায় রাখা হয়েছে এবং সেখানে আরোহণ করা - [উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উম্মুল-মুমিনীন-আয়েশা-রা/) - ১৫৭৯. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] তাঁকে বলেন, দুবার তোমাকে আমায় স্বপ্নে দেখানো হয়েছে। আমি দেখলাম, তুমি একটি রেশমী কাপড়ে আবৃতা এবং আমাকে বলছে ইনি আপনার স্ত্রী, আমি তার ঘোমটা সরিয়ে দেখলাম, সে মহিলা তুমিই। তখন আমি ভাবছিলাম, যদি তা আল্লাহ্‌র পক্ষ হইতে হয়ে থাকে, তবে তিনি তা বাস্তবায়িত করবেন। [বোখারী পর্ব ৬৩ অধ্যায় - [উম্মুল মুমিনীন খাদীজাহ (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উম্মুল-মুমিনীন-খাদীজাহ-র/) - ১৫৭৩. আলী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে এ কথা বলিতে শুনিয়াছি যে, সমগ্র নারীদের মধ্যে ইমরানের কন্যা মারইয়াম হলেন সর্বোত্তম আর নারীদের সেরা হলেন খাদীজাহ [রাদি.]। [বোখারী পর্ব ৬০ অধ্যায় ৪৫ হাদীস নং ৩৪৩২; মুসলিম ৪৪/১২ হাঃ ২৪৩০] ১৫৭৪. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, পুরুষের মধ্যে অনেকেই পূর্ণতা - [আবদুল্লাহ বিন জাফার (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আবদুল্লাহ-বিন-জাফার-রা-এর/) - ১৫৭২. আব্দুল্লাহ ইবনি জাফর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ ইবনি যুবায়র [রাদি.], ইবনি জাফর [রাদি.]-কে বলিলেন, তোমার কি মনে আছে, যখন আমি ও তুমি এবং ইবনি আব্বাস [রাদি.] আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে মিলিত হয়েছিলাম? ইবনি জাফর [রাদি.] বলিলেন, হ্যাঁ, স্মরণ আছে। রাসূলুল্লাহ্‌ [সাঃআঃ] আমাদেরকে বাহনে তুলে নিলেন আর তোমাকে ছেড়ে আসলেন। [বোখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ১৯৬ হাদীস - [যায়দ বিন হারিসাহ ও উসামাহ বিন যায়দ (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যায়দ-বিন-হারিসাহ-ও-উসামা/) - ১৫৭০. আবদুল্লাহ্ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলাল্লাহ্‌ [সাঃআঃ]-এর আযাদকৃত গোলাম যায়দ ইবনি হারিসাহ্কে আমরা “যায়দ ইবনি মুহাম্মদ-ই” ডাকতাম, যে পর্যন্ত না এ আয়াত নাযিল হয়। তোমরা তাহাদের পিতৃপরিচয়ে ডাক, আল্লাহ্‌র দৃষ্টিতে এটিই অধিক ন্যায়সঙ্গত। বোখারী পর্ব ৬৫ সূরা [৩৩] আল-আহযাব অধ্যায় ২ হাদীস নং ৪৭৮২; মুসলিম ৪৪/১০, হাঃ ২৪২৫ ১৫৭১. আবদুল্লাহ ইবনি - [হাসান ও হুসাইন (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাসান-ও-হুসাইন-রা-এর-মর্যা/) - ১৫৬৮. আবু হুরাইরাহ্ দাওসী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] দিনের এক অংশে বের হলেন, তিনি আমার সঙ্গে কথা বলেননি এবং আমিও তাহাঁর সঙ্গে কথা বলিনি। অবশেষে তিনি বানূ কায়নুকা বাজারে এলেন [সেখান হইতে ফিরে এসে] ফাতিমা [রাদি.]-এর ঘরের আঙিণায় বসে পড়লেন। তারপর বলিলেন, এখানে খোকা {হাসান[রাদি.]} আছে কি? এখানে খোকা আছে কি? ফাতিমা - [আবু উবাইদাহ বিন জার্‌রাহ (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আবু-উবাইদাহ-বিন-জার্রাহ/) - ১৫৬৬. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, প্রত্যেক উম্মাতের মধ্যে একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি থাকেন আর আমাদের এ উম্মাতের মধ্যে বিশ্বস্ত ব্যক্তি হচ্ছে আবু উবাইদাহ ইবনিল জার্‌রাহ [রাদি.]। [বোখারী পর্ব ৬৩ অধ্যায় ২১ হাদীস নং ৩৭৪৪; মুসলিম হাঃ ২৪১৯] ১৫৬৭. হুযাইসলামিক ফাউন্ডেশনহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] নাজরানবাসীকে লক্ষ্য করে - [ত্বলহা ও যুবায়র (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ত্বলহা-ও-যুবায়র-রা-এর-মর্/) - ১৫৬৩. আবু উসমান [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যেসব যুদ্ধে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] স্বয়ং যোগদান করেছিলেন, তন্মধ্যে এক যুদ্ধে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে কোন এক সময় ত্বলহা ও সাদ [রাদি.] ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না। আবু উসমান [রাদি.] তাঁদের উভয় হইতে এ হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৬২ অধ্যায় ১৪ হাদীস নং ৩৭২২-৩৭২৩; মুসলিম পর্ব - [সাদ বিন আবু ওয়াক্‌কাস (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সাদ-বিন-আবু-ওয়াক্কাস-রা/) - ১৫৬০. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, [এক রাতে] আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] জেগে কাটান। অতঃপর তিনি যখন মাদীনায় এলেন এই আকাঙক্ষা প্রকাশ করিলেন যে, আমার সাহাবীদের মধ্যে কোন যোগ্য ব্যক্তি যদি রাতে আমার পাহারায় থাকত। এমন সময় আমরা অস্ত্রের শব্দ শুনতে পেলাম। তিনি জিজ্ঞেস করিলেন, ইনি কে? ব্যক্তিটি বলিল, আমি সাদ ইবনি আবু ওয়াক্কাস, আপনার - [আলী বিন আবু ত্বলিব (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আলী-বিন-আবু-ত্বলিব-রাদি-এর/) - ১৫৫৬. সাদ ইবনি আবু ওয়াক্কাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলাল্লাহ [সাঃআঃ] তাবূক যুদ্ধাভিযানে রওয়ানা হন। আর আলী [রাদি.]-কে স্বীয় স্থলাভিষিক্ত করেন। আলী [রাদি.] বলেন, আপনি কি আমাকে শিশু ও নারীদের মধ্যে ছেড়ে যাচ্ছেন। নাবী [সাঃআঃ] বলিলেন, তুমি কি এ কথায় রাযী নও যে, তুমি আমার কাছে সে মর্যাদায় অধিষ্ঠিত মূসা [আঃ]র নিকট যে মর্যাদায় অধিষ্ঠিত ছিলেন - [উসমান বিন আফ্ফান (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উসমান-বিন-আফ্ফান-রা-এর-মর্/) - ১৫৫৪. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, মাদীনাহ্র এক বাগানের ভিতর আমি নাবী [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি এসে বাগানের দরজা খুলে দেয়ার জন্য বলিল। নাবী [সাঃআঃ] বলিলেন, তার জন্য দরজা খুলে দাও এবং তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও। আমি তার জন্য দরজা খুলে দিয়ে দেখলাম যে, তিনি আবু বকর [রাদি.]। তাঁকে আমি আল্লাহর - [উমার (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উমার-রা-এর-মর্যাদা।/) - ১৫৪৫. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, উমার [রাদি.]-এর লাশ খাটের উপর রাখা হল। খাটটি কাঁধে তোলে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত লোকজন তা ঘিরে দুআ পাঠ করছিল। আমিও তাহাদের মধ্যে একজন ছিলাম। হঠাৎ একজন আমার স্কন্ধে হাত রাখায় আমি চমকে উঠলাম। চেয়ে দেখলাম, তিনি আলী। তিনি উমার [রাদি.]-এর জন্য আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতের দুআ করছিলেন। তিনি - [আবু বকর আস্সিদ্দীক (রা)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আবু-বকর-আস্সিদ্দীক-রা-এর-ম/) - ১৫৪০. আবু বকর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা যখন গুহায় আত্মগোপন করেছিলাম তখন আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে বললাম, যদি কাফিররা তাহাদের পায়ের নীচের দিকে দৃষ্টিপাত করে তবে আমাদেরকে দেখে ফেলবে। তিনি বলিলেন, হে আবু বকর! ঐ দুই ব্যক্তি সম্পর্কে তোমার কী ধারণা আল্লাহ্ যাঁদের তৃতীয় জন। [বোখারী পর্ব ৬২ অধ্যায় ২ হাদীস নং ৩৬৫৩; মুসলিম - [রাস্তার পরিমাণ কত হইবে যখন এতে মতানৈক্য হইবে ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রাস্তার-পরিমাণ-কত-হইবে-যখ/) - ১০৪০. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, [রাস্তার ব্যাপারে] জমি নিয়ে বিবাদ হলে, তখন নাবী [সাঃআঃ] রাস্তার জন্য সাত হাত জমি ছেড়ে দেয়ার ফয়সালা দেন। [বোখারী পর্ব ৪৬: /২৯, হা: ২৪৭৩; মুসলিম ২২/৩১, হাঃ ১৬১৩] - [যুল্‌ম করা অন্যের জমি জবর-দখল করা ইত্যাদি হারাম ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যুল্ম-করা-অন্যের-জমি-জবর/) - ১০৩৮. সাঈদ ইবনি যায়িদ ইবনি আম্‌র ইবনি নুফাইর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আরওয়া নামক এক মহিলা এক সাহাবীর [সাঈদের] বিরুদ্ধে মারওয়ানের নিকট তার ঐ পাওনার ব্যাপারে মামলা দায়ের করিল, যা তার ধারণায় তিনি নষ্ট করিয়াছেন। ব্যাপার শুনে সাঈদ [রাদি.] বলিলেন, আমি কি তার সামান্য হকও নষ্ট করিতে পারি? আমি তো সাক্ষ্য দিচ্ছি, আমি আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]-কে - [প্রতিবেশির দেয়ালে খুঁটি গাড়া ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রতিবেশির-দেয়ালে-খুঁটি/) - ১০৩৭. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, কোন প্রতিবেশি যেন তার প্রতিবেশিকে তার দেয়ালে খুঁটি পুঁততে নিষেধ না করে। তারপর আবু হুরাইরাহ [রাদি.] বলেন, কী হল, আমি তোমাদেরকে এ হাদীস হইতে উদাসীন দেখিতে পাচ্ছি। আল্লাহ্‌র কসম, আমি সব সময় তোমাদেরকে এ হাদীস বলিতে থাকব। [বোখারী পর্ব ৪৬: /২০, হা: ২৪৬৩; মুসলিম ২২/২৯, হাঃ - [শুফ্আহ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শুফ্আহ/) - ১০৩৬. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] যে সব সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা হয়নি, তাতে শুফ্আহ এর ফায়সালা দিয়েছেন। যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং পথও পৃথক হয়ে যায়, তখন শুফ্আহ এর অধিকার থাকে না । [বোখারী পর্ব ৩৬: /১, হা: ২২৫৭; মুসলিম ২২/২৮, হাঃ ১৬০৮] - [বিক্রয়ে কসম খাওয়া নিষিদ্ধ ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিক্রয়ে-কসম-খাওয়া-নিষি/) - ১০৩৫. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি, মিথ্যা কসম পণ্য চালু করে দেয় বটে, কিন্তু বরকত নিশ্চিহ্ন করে দেয় । [বোখারী পর্ব ৩৪: /২৬, হা: ২০৮৭; মুসলিম ২২/২৭, হাঃ ১৬০৬] - [বাইয়ে সালাম ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বাইয়ে-সালাম-।/) - ১০৩৪. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] যখন মদীনায় আসেন তখন মদীনাবাসী ফলে দু ও তিন বছরের মেয়াদে সলম করত। আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলিলেন, কোন ব্যক্তি সলম করলে সে যেন নির্দিষ্ট মাপে এবং নির্দিষ্ট ওজনে নির্দিষ্ট মেয়াদে সলম করে। [বোখারী পর্ব ৩৫: /২, হা: ২২৪০; মুসলিম ২২/২৫, হাঃ ১৬০৪] - [বন্ধক রাখা এবং এটা বাড়ীতে ও সফরে জায়িয ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বন্ধক-রাখা-এবং-এটা-বাড়ীত/) - ১০৩৩. আমাশ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, বাকীতে ক্রয়ের জন্য বন্ধক রাখা সম্পর্কে আমরা ইবরাহীম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর কাছে আলোচনা করছিলাম। তখন তিনি বলেন, আসওয়াদ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] আয়েশা [রাদি.] হইতে আমার কাছে বর্ণনা করেন যে, নাবী [সাঃআঃ] এক ইয়াহূদীর নিকট হইতে নির্দিষ্ট মেয়াদে মূল্য পরিশোধের শর্তে খাদ্য ক্রয় করেন এবং তার নিকট নিজের লোহার বর্ম - [যে ব্যক্তি ধারে কিছু নিল এবং ঋণদাতাকে তার চেয়ে বেশি দিল এবং তোমাদের মধ্যে সে উত্তম যে উত্তমভাবে অন্যের পাওনা আদায় করে ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-ধারে-কিছু-নিল-এ/) - ১০৩২. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ এক ব্যক্তি নাবী [সাঃআঃ]-এর কাছে পাওনার জন্য তাগাদা দিতে এসে রূঢ় ভাষায় কথা বলিতে লাগল। এতে সাহাবীগণ তাকে শায়েস্তা করিতে উদ্যত হলেন। তখন আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলিলেন, তাকে ছেড়ে দাও। কেননা, পাওনাদারদের কড়া কথা বলার অধিকার রয়েছে। তারপর তিনি বলিলেন, তার উটের সমবয়সী একটি উট তাকে দিয়ে দাও। তাঁরা - [উট বিক্রি করা ও তাতে চড়ে যাওয়ার শর্ত লাগানো ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উট-বিক্রি-করা-ও-তাতে-চড়ে-য/) - ১০২৯. জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি তাহাঁর এক উটের উপর সওয়ার হয়ে সফর করছিলেন, সেটি ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] আমার পাশ দিয়ে অতিক্রম করিলেন এবং উটটিকে [চলার জন্য] প্রহার করে সেটির জন্য দুআ করিলেন। ফলে উটটি এত জোরে চলতে লাগলো যে, কখনো তেমন জোরে চলেনি। অতঃপর তিনি বলিলেন, এক উকিয়ার বিনিময়ে এটি - [হালাল গ্রহণ করা ও সন্দেহযুক্তকে ছেড়ে দেয়া ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হালাল-গ্রহণ-করা-ও-সন্দেহয/) - ১০২৮. নুমান ইবনি বশীর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট। আর এ দুয়ের মাঝে রয়েছে বহু সন্দেহজনক বিষয়- যা অনেকেই জানে না। যে ব্যক্তি সেই সন্দেহজনক বিষয়সমূহ হইতে বেঁচে থাকিবে, সে তার দ্বীন ও মর্যাদা রক্ষা করিতে পারবে। আর যে সন্দেহজনক বিষয়সমূহে লিপ্ত হয়ে - [সমান সমান পরিমাণ খাদ্যশষ্যের ক্রয়-বিক্রয় ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সমান-সমান-পরিমাণ-খাদ্যশষ/) - ১০২৪. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] এক ব্যক্তিকে খায়বারে তহসীলদার নিযুক্ত করেন। সে জানীব নামক [উত্তম] খেজুর নিয়ে উপস্থিত হলে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] জিজ্ঞেস করিলেন, খায়বারের সব খেজুর কি এ রকমের? সে বলিল, না, আল্লাহ্‌র কসম, হে আল্লাহ্‌র রসূল ! এরূপ নয়, বরং আমরা দু সা এর পরিবর্তে এ ধরনের এক সা - [স্বর্ণের বিনিময়ে রৌপ্য বাকীতে বিক্রি নিষিদ্ধ ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/স্বর্ণের-বিনিময়ে-রৌপ্য/) - ১০২২. আবু মিনহাল [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি বারা ইবনি আযিব ও যায়দ ইবনি আরকাম [রাদি.]-কে সার্‌ফ সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলাম। তাঁরা উভয়ে [একে অপরের সম্পর্কে] বলিলেন, ইনি আমার চেয়ে উত্তম। এরপর উভয়েই বলিলেন, আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বাকীতে রূপার বিনিময়ে সোনা কেনা বেচা করিতে বারণ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৩৪: /৮০, হা: ২১৮০-২১৮১; মুসলিম ২২/১৬, - [সুদ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সুদ/) - ১০২১. আবু সাঈদ খুদরী [রাদি.] হইতে হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, সমান পরিমাণ ছাড়া তোমরা সোনার বদলে সোনা বিক্রি করিবে না, একটি অপরটি হইতে কম-বেশি করিবে না। সমান ছাড়া তোমরা রূপার বদলে রূপা বিক্রি করিবে না ও একটি অপরটি হইতে কম-বেশি করিবে না। আর নগদ মুদ্রার বিনিময়ে বাকি মুদ্রা বিক্রি করিবে না। [বোখারী পর্ব - [মাদক দ্রব্যের ক্রয়-বিক্রয়, মৃত জন্তু, শুকর ও মূর্তি বিক্রি হারাম ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাদক-দ্রব্যের-ক্রয়-বিক্-2/) - ১০১৮. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]-কে মাক্কাহ বিজয়ের বছর মাক্কাহ্য় অবস্থানকালে বলিতে শুনেছেনঃ আল্লাহ্‌ তাআলা ও তাহাঁর রসূল [সাঃআঃ] শরাব, মৃত জন্তু, শূকর ও মূর্তি কেনা-বেচা হারাম করে দিয়েছেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহ্‌র রসূল ! মৃত জন্তুর চর্বি সম্পর্কে আপনি কী বলেন? তা দিয়ে তো নৌকায় প্রলেপ দেয়া - [মাদক দ্রব্যের ক্রয়-বিক্রয় হারাম ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাদক-দ্রব্যের-ক্রয়-বিক্/) - ১০১৭. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ সূরা বাকারাহর সুদ সম্পর্কীয় আয়াতসমূহ অবতীর্ণ হলে নাবী [সাঃআঃ] মাসজিদে গিয়ে সে সব আয়াত সাহাবীগণকে পাঠ করে শুনালেন। অতঃপর তিনি মদের ব্যবসা হারাম করে দিলেন। [বোখারী পর্ব ৮: /৭৩, হা: ৪৫৯; মুসলিম ২২/১২, হাঃ ১৫৮০] - [শিঙ্গাওয়ালার পারিশ্রমিক হালাল ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শিঙ্গাওয়ালার-পারিশ্রমি/) - ১০১৫. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তাঁকে শিঙ্গা লাগানোর পারিশ্রমিক দানের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তখন তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] শিঙ্গা লাগিয়েছেন। আবু তাইবা তাঁকে শিঙ্গা লাগায়। এরপর তিনি তাকে দু সা খাদ্যবস্তু প্রদান করেন। সে তার মালিকের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা করলে তারা তাহাঁর থেকে পারিশ্রমিকের পরিমাণ লাঘব করে দেয়। নাবী [সাঃআঃ] আরো বলেনঃ তোমরা - [কুকুর হত্যা করার নির্দেশ ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুকুর-হত্যা-করার-নির্দেশ/) - ১০১১. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] কুকুর মেরে ফেলতে আদেশ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৫৯: /১৭, হা: ৩৩২৩; মুসলিম ২২/১০ হাঃ ১৫৭০] ১০১২. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি শিকারী কুকুর কিংবা পশু রক্ষাকারী কুকুর ব্যতীত অন্য কোন কুকুর পোষে, সেই ব্যক্তির আমলের সাওয়াব থেকে প্রত্যহ দুই - [কুকুরের মূল্য, গণকের উপার্জন, ব্যভিচারিণী মহিলার পারিশ্রমিক হারাম ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুকুরের-মূল্য-গণকের-উপার/) - ১০১০. আবু মাসউদ আনসারী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] কুকুরের মূল্য, ব্যভিচারের বিনিময় এবং গণকের পারিতোষিক [গ্রহণ করা] হইতে নিষেধ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৩৪: /১১৩, হা: ২২৩৭; মুসলিম ২২/৯, হাঃ ১৫৬৭] - [প্রয়োজনের অতিরিক্ত বা উদ্বৃত্ত পানি বিক্রি হারাম ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রয়োজনের-অতিরিক্ত-বা-উ/) - ১০০৯. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, ঘাস উৎপাদন হইতে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি রুখে রাখা যাবে না। [বোখারী পর্ব ৪২: /২, হা: ২৩৫৩; মুসলিম ২২/৮, হাঃ ১৫৬৬] - [ধনী ব্যক্তির ঋণ পরিশোধে টাল-বাহানা করা হারাম । অন্যের নিকট ঋণ হাওয়ালা করে দেয়া জায়িয এবং তা সম্পদশালী ব্যক্তির জন্য গ্রহণ করা মুস্তাহাব ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ধনী-ব্যক্তির-ঋণ-পরিশোধে-ট/) - ১০০৮. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, ধনী ব্যক্তির ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করা জুলুম। যখন তোমাদের কাউকে [ঋণ পরিশোধের জন্যে] কোন ধনী ব্যক্তির হাওয়ালা করা হয়, তখন সে যেন তা মেনে নেয়। [বোখারী পর্ব ৩৮: /১, হা: ২২৮৮; মুসলিম ২২/৭, হাঃ ১৫৬৪] - [অসচ্ছল ব্যক্তিকে সুযোগ দেয়ার ফাযীলাত ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অসচ্ছল-ব্যক্তিকে-সুযোগ-দ/) - ১০০৬. হুযাইসলামিক ফাউন্ডেশনহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, তোমাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে এক ব্যক্তির রূহের সাথে ফেরেশতা সাক্ষাৎ করে জিজ্ঞেস করিলেন, তুমি কি কোন নেক কাজ করেছ? লোকটি উত্তর দিল, আমি আমার কর্মচারীদের আদেশ করতাম যে, তারা যেন সচ্ছল ব্যক্তিকে অবকাশ দেয় এবং তার উপর পীড়াপীড়ি না করে। রাবী বলেন, তিনি বলেছেন, - [ক্রেতা যদি দেউলিয়া হয়ে যায় এমতাবস্থায় বিক্রেতা তার মাল ক্রেতার নিকট অক্ষত অবস্থায় পেলে তা ফেরত নিতে পারবে ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ক্রেতা-যদি-দেউলিয়া-হয়ে/) - ১০০৫. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, কিংবা তিনি বলেছেন যে, আমি আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি, যখন কেউ তার মাল এমন লোকের কাছে পায়, যে নিঃসম্বল হয়ে গেছে, তবে অন্যের চেয়ে সে-ই তার বেশি হকদার। {আবু আবদুল্লাহ {ঈমাম বোখারী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]} বলেন, এ সনদে উল্লেখিত রাবীগণ বিচারকের দায়িত্বে নিয়োজিত - [ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির ঋণ লাঘব করা মুস্তাহাব ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঋণগ্রস্ত-ব্যক্তির-ঋণ-লাঘ/) - ১০০৩. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] একবার দরজায় ঝগড়ার আওয়াজ শুনতে পেলেন; দুজন তাহাদের আওয়াজ উচ্চ করেছিল। তাহাদের একজন আরেকজনের নিকট ঋণের কিছু মাফ করে দেয়ার এবং সহানুভূতি দেখানোর অনুরোধ করেছিল। আর অপর ব্যক্তি বলছিল, না, আল্লাহ্‌র কসম! আমি তা করব না। আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] তাহাদের দুজনের কাছে এলেন এবং বলিলেন, - [প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের ক্ষেত্রে ছাড় দেয়া ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রাকৃতিক-দুর্যোগে-ক্ষতি/) - ১০০২. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] রং ধারণ করার আগে ফল বিক্রি করিতে নিষেধ করিয়াছেন। জিজ্ঞেস করা হল, রং ধারণ করার অর্থ কী? তিনি বলিলেন, লাল বর্ণ ধারণ করা। পরে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলিলেন, দেখ, যদি আল্লাহ্‌ তাআলা ফল ধরা বন্ধ করে দেন, তবে তোমাদের কেউ [বিক্রেতা] কিসের বদলে তার ভাইয়ের - [বৃক্ষরোপণ ও চাষাবাদের ফাযীলাত ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বৃক্ষরোপণ-ও-চাষাবাদের-ফা/) - ১০০১. আনাস ইবনে মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, যে কোন মুসলিম ফলবান গাছ রোপণ করে কিংবা কোন ফসল ফলায় আর তা হইতে পাখি কিংবা মানুষ বা চতুষ্পদ জন্তু খায় তবে তা তার পক্ষ হইতে সদাকাহ্ বলে গণ্য হইবে। মুসলিম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] ….. আনাস [রাদি.] সূত্রে নাবী [সাঃআঃ] হইতে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। - [পানি বণ্টন এবং ফলমূল ও শাক-সব্জি ভাগাভাগির ভিত্তিতে বর্গাচাষের ব্যবস্থা ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পানি-বণ্টন-এবং-ফলমূল-ও-শাক/) - ৯৯৯. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] খায়বারবাসীদেরকে উৎপাদিত ফল বা ফসলের অর্ধেক ভাগের শর্তে জমি বর্গা দিয়েছিলেন। তিনি নিজের সহধর্মিণীদেরকে একশ ওয়াসাক দিতেন, এর মধ্যে ৮০ ওয়াসাক খুরমা ও ২০ ওয়াসাক যব। উমার [রাদি.] [তাহাঁর খিলাফতকালে খায়বারের] জমি বণ্টন করেন। তিনি নাবী [সাঃআঃ]-এর সহধর্মিণীদের ইখতিয়ার দিলেন যে, তাঁরা জমি ও পানি নিবেন, - [খাওয়া নিষিদ্ধ এমন প্রাণীকে খাদ্য ও পানি খাওয়ানোর বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খাওয়া-নিষিদ্ধ-এমন-প্রাণ/) - ১৪৪৭. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, একজন লোক রাস্তা দিয়ে চলতে চলতে তার ভীষণ পিপাসা লাগল। সে কূপে নেমে পানি পান করিল। এরপর সে বের হয়ে দেখিতে পেল যে, একটা কুকুর হাঁপাচ্ছে এবং পিপাসায় কাতর হয়ে মাটি চাটছে। সে ভাবল, কুকুরটারও আমার মতো পিপাসা লেগেছে। সে কূপের মধ্যে নামল এবং নিজের - [বিড়াল হত্যা করা নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিড়াল-হত্যা-করা-নিষিদ্ধ/) - ১৪৪৬. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেন, এক নারীকে একটি বিড়ালের কারণে আযাব দেয়া হয়েছিল। সে বিড়ারটিকে বেঁধে রেখেছিল। সে অবস্থায় বিড়ালটি মরে যায়। মহিলাটি ঐ কারণে জাহান্নামে গেল। কেননা সে বিড়ালটিকে খানা-পিনা কিছুই করাইনি এবং ছেড়েও দেয়নি যাতে সে যমীনের পোকা-মাকড় খেয়ে বেঁচে থাকত। [বোখারী পর্ব ৬০ অধ্যায় ৫৪ হাদীস - [পিঁপড়া মারা নিষেধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পিঁপড়া-মারা-নিষেধ।/) - ১৪৪৫. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, কোন একজন নাবীকে একটি পিপীলিকা কামড় দেয়। তিনি পিপীলিকার সমগ্র আবাসটি জ্বালিয়ে দেওয়ার আদেশ করেন এবং তা জ্বালিয়ে দেয়া হয়। আল্লাহ্ তাআলা তাহাঁর প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ করেন, তোমাকে একটি পিপীলিকা কামড় দিয়েছে আর তুমি আল্লাহ্‌র তাসবীহকারী একটি জাতিকে জ্বালিয়ে দিয়েছ। - [গৃহে বসবাসকারী গিরগিটি মেরে ফেলাই শ্রেয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/গৃহে-বসবাসকারী-গিরগিটি-ম/) - ১৪৪৩. সাঈদ ইবনি মুসাইয়্যাব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ উম্মু শারকি [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] তাঁকে খবর দিয়েছেন যে, নাবী [সাঃআঃ] তাকে গিরগিটি বা রক্তচোষা জাতীয় টিকটিকি হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছেন। [বোখারী পর্ব ৫৯ অধ্যায় ১৫ হাদীস নং ৩৩০৭; মুসলিম ৩৯/৩৮ হাঃ ২২৩৭] ১৪৪৪. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রসূল [সাঃআঃ] গিরগিটিকে ক্ষতিকর [রক্তচোষা] প্রাণী বলেছেন। কিন্তু একে হত্যা - [সাপ ও এ জাতীয় জীব হত্যা করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সাপ-ও-এ-জাতীয়-জীব-হত্যা-কর/) - ১৪৪১. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি নাবী [সাঃআঃ]-কে মিম্বারের উপর ভাষণ দানের সময় বলিতে শুনেছেন, সাপ মেরে ফেল। বিশেষ করে মেরে ফেল ঐ সাপ, যার মাথার উপর দুটো সাদা রেখা আছে এবং লেজ কাটা সাপ। কারণ এ দু প্রকারের সাপ চোখের জ্যোতি নষ্ট করে দেয় ও গর্ভপাত ঘটায়। আবদুল্লাহ [রাদি.] বলিলেন, একদা আমি একটি - [তায়েরাহ, ফাল এবং যাতে অশুভ হয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তায়েরাহ-ফাল-এবং-যাতে-অশু/) - ১৪৩৭. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ [রোগের মধ্যে] কোন সংক্রমণ নেই এবং শুভ-অশুভ নেই আর আমার নিকট ফাল পছন্দনীয়। সহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেনঃ ফাল কী? তিনি বললেনঃ উত্তম কথা [বোখারী পর্ব ৭৬ অধ্যায় ৫৪ হাদীস নং ৫৭৭৬; মুসলিম ৩৯/৩৪, হাঃ ২২২৪] ১৪৩৮. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমি - [আদওয়া, ত্বিয়ারাহ, হা-মা, সাফার, বৃষ্টির প্রতিশ্রতি দানকারী নক্ষত্র, গওল [প্রভৃতি শুভাশুভ লক্ষণ বলিতে কিছু] নেই এবং রুগ্ন ব্যক্তির নীরোগ ব্যক্তির নিকট যাওয়া উচিত নয় [এগুলোকে অশুভ লক্ষণ মনে করে]।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আদওয়া-ত্বিয়ারাহ-হা-মা-স/) - ১৪৩৫. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ রোগের কোন সংক্রমণ নেই, সফরের কোন কুলক্ষণ নেই, পেঁচার মধ্যেও কোন কুলক্ষণ নেই। তখন এক বেদুঈন বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]! তাহলে আমার উটের এ অবস্থা হয় কেন? সেগুলো যখন চারণ ভূমিতে থাকে তখন সেগুলো যেন মুক্ত হরিণের পাল। এমন অবস্থায় চর্মরোগা উট এসে - [মহামারী, তায়েরাহ [পাখি উড়িয়ে] অশুভ ফল নেয়া ও গণনা করে ভবিষ্যদ্বাণী করা ইত্যাদির বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মহামারী-তায়েরাহ-পাখি-উড/) - ১৪৩৩. উসামাহ্ বিন যায়দ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, প্লেগ একটি আযাব। যা বনী ইসরাঈলের এক সম্প্রদায়ের উপর পতিত হয়েছিল অথবা তোমাদের পূর্বে যারা ছিল। তোমরা যখন কোন স্থানে প্লেগের ছড়াছড়ি শুনতে পাও, তখন তোমরা সেখানে যেয়ো না। আর যখন প্লেগ এমন জায়গায় দেখা দেয়, যেখানে তুমি অবস্থান করছো, তখন সে - [মধু পান করানোর মাধ্যমে চিকিৎসা করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মধু-পান-করানোর-মাধ্যমে-চি/) - ১৪৩২. আবু সাঈদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ এক ব্যক্তি নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট এসে বললঃ আমার ভাইয়ের পেটে অসুখ হয়েছে। তখন নাবী [সাঃআঃ] বললেনঃ তাকে মধু পান করাও। এরপর লোকটি দ্বিতীয়বার আসলে তিনি বললেনঃ তাকে মধু পান করাও। সে তৃতীয়বার আসলে তিনি বললেনঃ তাকে মধু পান করাও। এরপর লোকটি পুনরায় এসে বললঃ আমি অনুরূপই করেছি। তখন নাবী - [তালবিনা [আটা, ভুষি, মধু ইত্যাদি দ্বারা তৈরী খাবার] রোগীর মনে প্রশান্তি দানকারী।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তালবিনা-আটা-ভুষি-মধু-ইত্য/) - ১৪৩১. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তাহাঁর পরিবারের কোন ব্যক্তি মারা গেলে মহিলারা এসে সমবেত হলো। তারপর তাহাঁর আত্মীয়রা ও বিশেষ ঘনিষ্ঠ মহিলারা ব্যতীত বাকী সবাই চলে গেলে, তিনি ডেগে তালবীনা [আটা, মধু ইত্যাদি সংযোগে তৈরি খাবার] পাকাতে নির্দেশ দিলেন। তা পাকানো হলো। এরপর সারীদ [গোশতের মধ্যে রুটি টুকরো করে দিয়ে তৈরী খাবার] প্রস্তুত করা হলো - [কালজিরা দ্বারা চিকিৎসা করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কালজিরা-দ্বারা-চিকিৎসা-ক/) - ১৪৩০. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছেনঃ কালো জিরা সাম ব্যতীত সকল রোগের ঔষধ। [বোখারী পর্ব ৭৬ অধ্যায় ৭ হাদীস নং ৫৬৮৮; মুসলিম ৩৯/২৯ হাঃ ২২১৫] - [উদুল হিন্দ দ্বারা চিকিৎসা করা আর তা [চন্দন] হচ্ছে কাঠ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উদুল-হিন্দ-দ্বারা-চিকিৎস/) - ১৪২৮. উম্মু কায়স বিনত মিহসান [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি তাহাঁর এমন একটি ছোট ছেলেকে নিয়ে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর নিকট এলেন যে তখনো খাবার খেতে শিখেনি। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] শিশুটিকে তাহাঁর কোলে বসালেন। তখন সে তাহাঁর কাপড়ে পেশাব করে দিল। তিনি পানি আনিয়ে এর উপর ছিটিয়ে দিলেন এবং তা ধৌত করিলেন না। *[পেশাব অপবিত্র। তবে পেশাব - [লাদুদ [রুগীর অনিচ্ছায় তার মুখের একধারে ঔষধ দিয়ে তাকে জোর করে খাওয়ান] দ্বারা চিকিৎসা করা মাকরূহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/লাদুদ-রুগীর-অনিচ্ছায়-তা/) - ১৪২৭. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আমরা নাবী [সাঃআঃ]-এর রোগাক্রান্ত অবস্থায় তাহাঁর মুখে ঔষধ ঢেলে দিলাম। তিনি ইশারায় আমাদেরকে তাহাঁর মুখে ঔষধ ঢালতে নিষেধ করিলেন। আমরা বললাম, এটা ঔষধের প্রতি রোগীদের স্বাভাবিক বিরক্তিবোধ। যখন তিনি সুস্থবোধ করিলেন তখন তিনি বলিলেন, আমি কি তোমাদের ওষুধ সেবন করাতে নিষেধ করিনি? আমরা বললাম, আমরা মনে করেছিলাম এটা ঔষধের প্রতি - [কুরআন ও যিকির আযকার দ্বারা ঝাড়ফুঁক করার পারিশ্রমিক নেয়া জায়িয।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরআন-ও-যিকির-আযকার-দ্বার/) - ১৪২০. আবু সাঈদ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর একদল সাহাবী কোন এক সফরে যাত্রা করেন। তারা এক আরব গোত্রে পৌঁছে তাহাদের মেহমান হইতে চাইলেন। কিন্তু তারা তাহাদের মেহমানদারী করিতে অস্বীকার করিল। সে গোত্রের সরদার বিচ্ছু দ্বারা দংশিত হল। লোকেরা তার [আরোগ্যের] জন্য সব ধরনের চেষ্টা করিল। কিন্তু কিছুতেই কোন উপকার হল না। - [বদনজর, পিঁপড়ার কাপড় ও বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে ঝাড়ফুঁক করা মুস্তাহাব](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বদনজর-পিঁপড়ার-কাপড়-ও-বি/) - ১৪১৬. আবদুর রহমান ইবনিল আসওয়াদের পিতা আসওয়াদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আয়েশা [রাদি.]-কে বিষাক্ত প্রাণীর দংশনের কারণে ঝাড়-ফুঁক গ্রহণের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ নাবী [সাঃআঃ] সব রকমের বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে ঝাড়-ফুঁক গ্রহণের জন্য অনুমতি দিয়েছেন। [বোখারী পর্ব ৭৬ অধ্যায় ৩৭ হাদীস নং ৫৭৪১; মুসলিম ৩৯/২১ হাঃ ২১৯৩] ১৪১৭. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ - [সূরা নাস, ফালাক্ব দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা ও প্রশ্বাসের থুথু দেয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সূরা-নাস-ফালাক্ব-দ্বারা-ঝ/) - ১৪১৫. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ যখনই নাবী [সাঃআঃ] অসুস্থ হইতেন তখনই তিনি সূরায়ে মুআব্বিযাত পড়ে নিজের উপর ফুঁক দিতেন। যখন তাহাঁর রোগ কঠিন হয়ে গেল, তখন বারকাত অর্জনের জন্য আমি এ সূরাহ পাঠ করে তাহাঁর হাত দিয়ে শরীর মসেহ্ করিয়ে দিতাম। [বোখারী পর্ব ৬৬ অধ্যায় ১৪ হাদীস নং ৫০১৬; মুসলিম ৩৯/২০ হাঃ ২১৯২] - [অসুস্থ ব্যক্তিকে ঝাড়ফুঁক করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অসুস্থ-ব্যক্তিকে-ঝাড়ফুঁ/) - ১৪১৪. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর নিয়ম ছিল, তখন যখন কোন রোগীর কাছে আসতেন কিংবা তাহাঁর নিকট যখন কোন রোগীকে আনা হত, তখন তিনি বলিতেনঃ أَذْهِبِ الْبَاسَ، رَبَّ النَّاسِ، اشْفِ وَأَنْتَ الشَّافِي، لاَ شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا কষ্ট দূর করে দাও। হে মানুষের রব, শেফা দান কর, তুমিই একমাত্র শেফাদানকারী। তোমার - [বিষ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিষ/) - ১৪১৩. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী মহিলা নাবী [সাঃআঃ]-এর খিদমতে বিষ মিশানো বকরী নিয়ে এল। সেখান হইতে কিছু অংশ তিনি খেলেন, অতঃপর মহিলাকে হাযির করা হল। তখন বলা হল, আপনি কি একে হত্যা করবেন না? তিনি বলিলেন, না। আনাস [রাদি.] বলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর তালুতে আমি বরাবরই বিষক্রিয়ার আলামত দেখিতে পেতাম। - [যাদু](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যাদু/) - ১৪১২. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর উপর একবার যাদু করা হয়। এমন অবস্থা হয় যে, তাহাঁর মনে হতো তিনি বিবিগণের কাছে এসেছেন, অথচ তিনি আদৌ তাঁদের কাছে আসেননি। সুফ্ইয়ান বলেনঃ এ অবস্থা খুব যাদুর চরম প্রতিক্রিয়া। বর্ণনাকারী বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] ঘুম থেকে জেগে উঠেন এবং বলেনঃ হে আয়িশা! তুমি অবগত হও যে, আমি - [চিকিৎসা, অসুখ ও ঝাড়ফুঁকের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/চিকিৎসা-অসুখ-ও-ঝাড়ফুঁকে/) - ১৪১১. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ বদ নজর লাগা সত্য। [বোখারী পর্ব ৭৬ অধ্যায় ৩৬ হাদীস নং ৫৭৪০; মুসলিম ৩৯/২১, হাঃ ২১৯৩] - [তৃতীয় জনের বিনা অনুমতিতে দুজনে চুপে চুপে কথা বলা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তৃতীয়-জনের-বিনা-অনুমতিত/) - ১৪০৯. আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যদি কোথাও তিনজন লোক থাকে তবে তৃতীয় জনকে বাদ দিয়ে দজনে মিলে চুপে চুপে কথা বলবে না। [বোখারী পর্ব ৭৯ অধ্যায় ৪৫ হাদীস নং ৬২৮৮ ; মুসলিম পর্ব ৩৯/হাঃ ২১৮৩] ১৪১০. আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যখন কোথাও তোমরা তিনজনে থাকো, তখন একজনকে বাদ দিয়ে - [পথিমধ্যে কোন অপরিচিতা মহিলা খুবই ক্লান্ত হয়ে গেলে তাকে আরোহীর পিছনে উঠানো জায়িয।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পথিমধ্যে-কোন-অপরিচিতা-মহ/) - ১৪০৮. আসমা বিন্তে আবু বকর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন যুবায়র [রাদি.] আমাকে শাদী করিলেন, তখন তার কাছে কোন ধন-সম্পদ ছিল না, এমন কি কোন স্থাবর জমি-জমা, দাস-দাসীও ছিল না; শুধুমাত্র কুয়ো থেকে পানি উত্তোলনকারী একটি উট ও একটি ঘোড়া ছিল। আমি তাহাঁর উট ও ঘোড়া চরাতাম, পানি পান করাতাম এবং পানি উত্তোলনকারী মশক - [অপরিচিতা মহিলাদের নিকট মেয়েলি স্বভাবের লোকের প্রবেশে বাধা দেয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অপরিচিতা-মহিলাদের-নিকট-ম/) - ১৪০৭. উম্মে সালামাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আমার কাছে এক হিজড়া ব্যক্তি বসা ছিল, এমন সময়ে নাবী [সাঃআঃ] আমার ঘরে প্রবেশ করিলেন। আমি শুনলাম যে, সে [হিজড়া ব্যক্তি] আবদুল্লাহ ইবনি উমাইয়া [রাদি.]-কে বলছে, হে আবদুল্লাহ! কী বল, আগামীকাল যদি আল্লাহ তোমাদেরকে তায়েফের উপর বিজয় দান করেন তা হলে গাইলানের কন্যাকে নিয়ে নিও। কেননা সে [এতই কোমলদেহী], - [কেউ যদি তার যথাস্থানে প্রথমে বসে তাহলে তাকে তার স্থান থেকে উঠিয়ে দেয়া হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কেউ-যদি-তার-যথাস্থানে-প্র/) - ১৪০৬. ইবনি উমার হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি অপর কাউকে তার বসার জায়গা থেকে তুলে দিয়ে সে সেখানে বসবে না। [বোখারী পর্ব ৭৯ অধ্যায় ৩১ হাদীস নং ৬২৬৯; মুসলিম ৩৯/১১, হাঃ ২১৭৭] - [কেউ যদি কোন মাজলিসে এসে খালি স্থান পায় তাহলে সেখানে বসবে অথবা মাজলিসের পিছনে বসবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কেউ-যদি-কোন-মাজলিসে-এসে-খা/) - ১৪০৫. আবু ওয়াকিদ আল-লায়সী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-একদা মাসজিদে বসে ছিলেন, তাহাঁর সাথে আরও লোকজন ছিলেন। এমতাবস্থায় তিনজন লোক আসলো। তন্মধ্যে দুজন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর দিকে এগিয়ে আসলেন এবং একজন চলে গেলেন। আবু ওয়াকিদ [রাদি.] বলেন, তাঁরা দুজন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর নিকট কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর তাঁদের একজন মাজলিসের মধ্যে কিছুটা খালি জায়গা - [কোন লোককে তার স্ত্রী বা কোন মাহরামার সঙ্গে একাকীত্বে দেখা গেলে তাহাদের সন্দেহ দূর করার জন্য এ মহিলা আমার উমুক হয় বলে পরিচয় তুলে ধরা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কোন-লোককে-তার-স্ত্রী-বা-কো/) - ১৪০৪. সাফীয়্যাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ একদা তিনি রামযানের শেষ দশকে মাসজিদে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর খিদমতে উপস্থিত হন। তখন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] ইতিকাফরত ছিলেন। সাফিয়্যা তাহাঁর সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলেন। অতঃপর ফিরে যাবার জন্য উঠে দাঁড়ান। নাবী [সাঃআঃ] তাঁকে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশে উঠে দাঁড়ালেন। যখন তিনি [উম্মুল মুমিনীন] উম্মু সালামাহ [রাদি.]-এর গৃহ সংলগ্ন মাসজিদের দরজা পর্যন্ত - [অপরিচিত মহিলার নিকট একাকীত্বে অবস্থান এবং তার নিকট প্রবেশ করা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অপরিচিত-মহিলার-নিকট-একাক/) - ১৪০৩. উকবাহ ইবনি আমির [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ [সাঃআঃ] বলেছেন, মহিলাদের নিকট একাকী যাওয়া থেকে বিরত থাক। এক আনসার জিজ্ঞেস করিল, হে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]! দেবরদের ব্যাপারে কি নির্দেশ? তিনি উত্তর দিলেন, দেবর তো মৃত্যুতুল্য। [বোখারী পর্ব ৬৭ অধ্যায় ১১২ হাদীস নং ৫২৩২; মুসলিম ৩৯/৮, হাঃ ২১৭২] - [মানবিক প্রয়োজনে মহিলাদের বাইরে বের হওয়া বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মানবিক-প্রয়োজনে-মহিলাদে/) - ১৪০২. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, পর্দার বিধান নাযিল হওয়ার পর সাওদাহ প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বাইরে গেলেন। সাওদাহ এমন স্থূল শরীরের অধিকারিণী ছিলেন যে, পরিচিত লোকদের থেকে তিনি নিজেকে গোপন রাখতে পারতেন না। উমার ইবনি খাত্তাব [রাদি.] তাঁকে দেখে বলিলেন, হে সাওদাহ! জেনে রেখ, আল্লাহ্‌র কসম, আমাদের দৃষ্টি থেকে গোপন থাকতে পারবে না। এখন দেখ - [বালকদেরকে সালাম দেয়া মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বালকদেরকে-সালাম-দেয়া-মু/) - ১৪০১. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ একবার তিনি একদল শিশুর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি তাহাদের সালাম করে বলিলেন যে, নাবী [সাঃআঃ]-ও তা করিতেন। [বোখারী পর্ব ৭৯ অধ্যায় ১৫ হাদীস নং ৬২৪৭; মুসলিম ৩৯/৫, হাঃ ২১৬৮] - [আহলে কিতাবদেরকে প্রথমে সালাম দেয়া নিষিদ্ধ এবং তাহাদেরকে কী ভাবে তাহাদের সালামের উত্তর দিবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আহলে-কিতাবদেরকে-প্রথমে-স/) - ১৩৯৮. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যখন কোন আহলে কিতাব তোমাদের সালাম দেয়, তখন তোমরা বলবে ওয়া আলাইকুম [তোমাদের উপরও]। [বোখারী পর্ব ৭৯ অধ্যায় ২২ হাদীস নং ৬২৫৮; মুসলিম ৩৯/৪, হাঃ ২১৬৩] ১৩৯৯. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বললেনঃ ইয়াহূদী তোমাদের সালাম করলে তাহাদের কেউ অবশ্যই - [একজন মুসলিমের উপর অন্য মুসলিমের হক হচ্ছে সালামের উত্তর দেয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/একজন-মুসলিমের-উপর-অন্য-মু/) - ১৩৯৭. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে আমি বলিতে শুনিয়াছি যে, এক মুসলিমের প্রতি অপর মুসলিমের হক্ পাঁচটিঃ ১. সালামের জওয়াব দেয়া, ২. অসুস্থ ব্যক্তির খোঁজ-খবর নেয়া ৩. জানাযার পশ্চাদানুসরণ করা ৪. দাওয়াত কবূল করা এবং ৫. হাঁচিদাতাকে খুশী করা [আল-হামদু লিল্লাহর জবাবে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা]। [বোখারী পর্ব ২৩ অধ্যায় ২ হাদীস - [আরোহী পায়ে চলা ব্যক্তিকে এবং অল্প সংখ্যক বেশি সংখ্যককে সালাম দিবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আরোহী-পায়ে-চলা-ব্যক্তিক/) - ১৩৯৬. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আরোহী ব্যক্তি পদচারীকে, পদচারী ব্যক্তি উপবিষ্টকে এবং অল্প সংখ্যক লোক অধিক সংখ্যককে সালাম করিবে। [বোখারী পর্ব ৭৯ অধ্যায় ৫ হাদীস নং ৬২৩২; মুসলিম ৩৯/১ হাঃ ২১৬০] - [নাবী (সাঃ)-এর আল্লাহ তাআলার নিকট দুআ প্রার্থনা এবং মুনাফিকদের দেয়া কষ্টের উপর তাহাঁর ধৈর্যধারণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-আল্লাহ-তাআলার/) - ১১৭৬. উসামাহ ইবনি যায়দ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ একবার নাবী [সাঃআঃ] এমন একটি গাধার উপর সাওয়ার হলেন, যার জ্বীনের নীচে ফাদাকের তৈরী একখানি চাদর ছিল। তিনি উসামাহ ইবনি যায়দকে নিজের পেছনে বসিয়েছিলেন। তখন তিনি হারিস ইবনি খাযরাজ গোত্রের সাদ ইবনি উবাদাহ [রাদি.]-এর দেখাশোনার উদ্দেশে রওয়ানা হচ্ছিলেন। এটি ছিল বদর যুদ্ধের আগের ঘটনা। তিনি এমন এক মজলিসের - [বিনা প্রয়োজনে অধিক প্রশ্ন করা, গরীব ও অন্যান্যদের অধিকার আদায় না করা এবং হক্বদার না হয়ে কোন কিছু চাওয়া নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিনা-প্রয়োজনে-অধিক-প্রশ/) - ১১১৭. মুগীরাহ ইবনি শুবাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] ইরশাদ করিয়াছেন, আল্লাহ তাআলা তোমাদের উপর হারাম করিয়াছেন মায়ের নাফরমানী, কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেয়া, কারো প্রাপ্য না দেয়া এবং অন্যায়ভাবে কিছু নেয়া আর অপছন্দ করিয়াছেন অনর্থক বাক্য ব্যয়, অতিরিক্ত প্রশ্ন করা, আর মাল বিনষ্ট করা। [বোখারী পর্ব ৪৩ অধ্যায় ১৯ হাদীস নং ২৪০৮; - [নাবী (সাঃ) রহমতের বায়ু অপেক্ষা মানুষদের মধ্যে অধিক দানশীল ছিলেন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃআঃ-রহমতের-বায়ু-অ/) - ১৪৯০. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা। রামাযানে তিনি আরো অধিক দানশীল হইতেন, যখন জিবরাঈল [আ.] তাহাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করিতেন। আর রামাযানের প্রতি রাতেই জিবরাঈল [আ.] তাহাঁর সাথে সাক্ষাৎ করিতেন এবং তাঁরা একে অপরকে কুরআন তিলাওয়াত করে শোনাতেন। নিশ্চয়ই আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] রহমতের বায়ু অপেক্ষা অধিক দানশীল ছিলেন। - [খাজির (আ:)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খাজির-আ-এর-মর্যাদা।/) - ১৫৩৯. সাঈদ ইবনি যুবায়র [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমি ইবনি আব্বাস [রাদি.]-কে বললাম, নাওফ আল-বাকালী দাবী করে যে, মূসা [আ.] {যিনি খাযির [আ.]-এর সাক্ষাৎ লাভ করেছিলেন তিনি} বনী ইসরাঈলের মূসা নন বরং তিনি অন্য এক মূসা। [একথা শুনে] তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌র দুশমন মিথ্যা বলেছে। উবাঈ ইবনি কাব [রাদি.] নাবী [সাঃআঃ] হইতে আমাদের নিকট বর্ণনা - [ইউসুফ (আ:)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইউসুফ-আ-এর-মর্যাদা।/) - ১৫৩৮. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, হে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]! মানুষের মাঝে সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি কে? তিনি বলিলেন, তাহাদের মধ্যে যে সবচেয়ে অধিক মুত্তাকী। তখন তারা বলিল, আমরা তো আপনাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করিনি। তিনি বলিলেন, তা হলে আল্লাহর নাবী ইউসুফ, যিনি আল্লাহর নাবীর পুত্র, আল্লাহর নাবীর পৌত্র এবং আল্লাহর খলীল-এর প্রপৌত্র। তারা - [ইউনুস (আ:)-এর বর্ণনা এবং নাবী (সাঃ)-এর বাণীঃ আমি ইউনুস বিন মাত্তার চেয়ে উত্তম এ কথা কারো বলা উচিত নয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইউনুস-আ-এর-বর্ণনা-এবং-নাবী/) - ১৫৩৬. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেন, কোন বান্দার জন্যই এ কথা বলা সমীচীন নয় যে, আমি [মুহাম্মদ] ইউনুস ইবনি মাত্তার থেকে উত্তম। [বোখারী পর্ব ৬০ অধ্যায় ৩৫ হাদীস নং ৩৪১৬; মুসলিম পর্ব ৪৩ হাঃ ২৩৭৩] ১৫৩৭. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেন, কোন ব্যক্তির এ কথা বলা ঠিক হইবে না - [মূসা (আ:)-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মূসা-আ-এর-মর্যাদা।/) - ১৫৩২. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ বানী ইসরাঈলের লোকেরা নগ্ন হয়ে একে অপরকে দেখা অবস্থায় গোসল করতো। কিন্তু মূসা [আ.] একাকী গোসল করিতেন। এতে বানী ইসরাঈলের লোকেরা বলাবলি করছিল, আল্লাহ্‌র কসম, মুসা [আ.] কোষবৃদ্ধি রোগের কারণেই আমাদের সাথে গোসল করেন না। একবার মূসা [আ.] একটা পাথরের উপর কাপড় রেখে গোসল করছিলেন। পাথরটা - [ইব্রাহীম খালীল [আ]-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইব্রাহীম-খালীল-আ-এর-মর্যা/) - ১৫২৯. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলাল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, নাবী ইব্‌রাহীম [আ.] সূত্রধরদের অস্ত্র দিয়ে নিজের খাতনা করেছিলেন যখন তার বয়স ছিল আশি বছর। [বোখারী পর্ব ৬০ অধ্যায় ৮ হাদীস নং ৩৩৫৬; মুসলিম ৪৩/৪১ হাঃ ২৩৭০] ১৫৩০. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলাল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, ইব্‌রাহীম [আ.] তাহাঁর অন্তরের প্রশান্তির জন্য মৃতকে কিভাবে - [ঈসা [আ:]-এর মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঈসা-আ-এর-মর্যাদা।/) - ১৫২৬. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি, আমি মারিয়ামের পুত্র ঈসার অধিক ঘনিষ্ঠ। আর নাবীগণ পরস্পর আল্লাতী ভাই। আমার ও তার মাঝখানে কোন নাবী নেই। [বোখারী পর্ব ৬০ অধ্যায় ৪৮ হাদীস নং ৩৪৪২; মুসলিম ৪৩/৪০ হাঃ ২৩৬৫] ১৫২৭. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে - [নাবী (সাঃ)-এর প্রতি তাকানোর ফাযীলাত এবং সেজন্য আকাঙক্ষা করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-প্রতি-তাকানোর/) - ১৫২৫. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেন, তোমাদের নিকট এমন যুগ আসবে যখন তোমাদের পরিবার-পরিজনরা, ধন-সম্পদের অধিকারী হওয়ার চেয়েও আমার সাক্ষাৎ পাওয়া তার নিকট অত্যন্ত প্রিয় বলে গণ্য করিবে। [বোখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ২৫ হাদীস নং ৩৫৮৯; মুসলিম ৪৩/৩৯ হাদীস নং ২৫২৬] - [রসূল (সাঃ)-কে মর্যাদা দেয়া, তাঁকে বিনা প্রয়োজনে এবং বিষয়ের সাথে সম্পর্কহীন ও অবাস্তব ইত্যাদি প্রশ্ন করা পরিত্যাগ করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রসূল-সাঃ-কে-মর্যাদা-দেয়া/) - ১৫২১. সাদ বিন আবু ওয়াক্কাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ মুসলিমদের সবচেয়ে বড় অপরাধী সেই ব্যক্তি যে এমন বিষয়ে প্রশ্ন করে যা পূর্বে হারাম ছিল না, কিন্তু তার প্রশ্নের কারণে তা হারাম হয়ে গেছে। [বোখারী পর্ব ৯৬ অধ্যায় ৩ হাদীস নং ৭২৮৯; মুসলিম ৪৩/৩৭ হাঃ ২৩৫৮] ১৫২২. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ - [নাবী মুহাম্মাদ (সাঃ)-র অনুসরণের অপরিহার্যতা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-মুহাম্মাদ-সাঃ-র-অনুস/) - ১৫১৯. আবদুল্লাহ ইবনি যুবাইর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক আনসারী নাবী [সাঃআঃ]-এর সামনে যুবাইর [রাদি.]-এর সঙ্গে হাররার নালার পানির ব্যাপারে ঝগড়া করিল যে পানি দ্বারা খেজুর বাগান সিঞ্চন করত। আনসারী বলিল, নালার পানি ছেড়ে দিন, যাতে তা [প্রবাহিত থাকে] কিন্তু যুবাইর [রাদি.] তা দিতে অস্বীকার করেন। তারা দুজনে নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকটে এ নিয়ে বিতর্কে - [নাবী (সাঃ)-এর জ্ঞান ও অধিক আল্লাহ ভীতি।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-জ্ঞান-ও-অধিক-আল/) - ১৫১৮. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার নাবী [সাঃআঃ] নিজে কোন কাজ করিলেন এবং অন্যদের তা করার অনুমতি দিলেন। তথাপি একদল লোক তা থেকে বিরত রইল। এ খবর নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট পৌঁছলে তিনি ভাষণ দিলেন এবং আল্লাহ্‌র প্রশংসার পর বললেনঃ কিছু লোকের কী হয়েছে, তারা এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে চায়, যা আমি নিজে - [নাবী মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর নামসমূহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-মুহাম্মাদ-সাঃ-এর-নাম/) - ১৫১৭. যুবায়র ইবনি মুতঈম [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেন, আমার পাঁচটি [প্রসিদ্ধ] নাম রয়েছে, আমি মুহাম্মাদ, আমি আহ্মাদ, আমি আল-মাহী, আমার দ্বারা আল্লাহ্ কুফর ও র্শিককে নিশ্চিহ্ন করে দিবেন। আমি আল-হাশির, আমার চারপাশে মানব জাতিকে একত্রিত করা হইবে। আমি আল-আক্বিব [সর্বশেষ আগমনকারী]। [বোখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ১৭ হাদীস নং ৩৫৩২; মুসলিম ৪৩/৩৪ হাঃ - [নাবী (সাঃ) কত দিন মাক্কাহ ও মাদীনায় অবস্থান করেন?](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-কত-দিন-মাক্কাহ-ও-ম/) - ১৫১৬. ইবনি আব্বাস[রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] মাক্কায় তের বছর কাটান। তিনি তিষট্টি বছর বয়সে মারা যান। [বোখারী পর্ব ৬৩ অধ্যায় ১৪ হাদীস নং ৩৯০৩, ৩৮৫১; মুসলিম পর্ব ৪৩ হাদীস নং ২৩৪৯] [আ.প্র. ৩৬১৬, ই.ফা. ৩৬২০] - [নাবী (সাঃ)-এর ইন্তিকালের দিন তাহাঁর বয়স কত ছিল।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-ইন্তিকালের-দি/) - ১৫১৫. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ যখন নাবী [সাঃআঃ]-এর মৃত্যু হয় তখন তাহাঁর বয়স হয়েছিল তেষট্টি বছর। [বোখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ১৯ হাদীস নং ৩৫৩৬; মুসলিম ৪৩/৩২ হাঃ ২৩৪৯] - [নাবী (সাঃ)-এর বৈশিষ্ট্য এবং তাঁকে রসূল (সাঃ) হিসাবে প্রেরণ এবং তাহাঁর বয়স।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-বৈশিষ্ট্য-এবং/) - ১৫১৪. রাবীআহ ইবনি আবু আবদুর রহমান [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনি মালিক [রাদি.]-কে নাবী [সাঃআঃ]-এর বর্ণনা দিতে শুনিয়াছি। তিনি বলেছেন যে, নাবী [সাঃআঃ] লোকেদের মধ্যে মাঝারি গড়নের ছিলেন- বেশি লম্বাও ছিলেন না বা বেঁটেও ছিলে না। তাহাঁর শরীরের রং গোলাপী ধরনের ছিল, ধবধবে সাদাও নয় কিংবা তামাটে বর্ণেরও নয়। মাথার চুল - [নাবী (সাঃ) বার্ধক্যের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-বার্ধক্যের-বর্ণ/) - ১৫১০. মুহাম্মাদ ইবনি সীরীন [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আনাস [রাদি.]-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, নাবী [সাঃআঃ] কি খিযাব লাগিয়েছেন? তিনি বললেনঃ বার্ধক্য তাঁকে অতি সামান্যই পেয়েছিল। [বোখারী পর্ব ৭৭ অধ্যায় ৬৬ হাদীস নং ৫৮৯৪; মুসলিম ৪৩/২৯ হাঃ ২৩৩৮] ১৫১১. আবু জুহাইসলামিক ফাউন্ডেশনহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে দেখেছি আর - [নাবী (সাঃ)-এর চুলের বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-চুলের-বৈশিষ্ট/) - ১৫০৮. ক্বাতাদাহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনি মালিক [রাদি.]-কে রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর চুল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর চুল মধ্যম ধরনের ছিল- না একেবারে সোজা লম্বা, না অতি কোঁকড়ান। আর তা ছিল দুকান ও দুকাঁধের মধ্যবর্তী স্থান পর্যন্ত। [বোখারী পর্ব ৭৭ অধ্যায় ৬৮ হাদীস নং ৫৯০৫; মুসলিম ৪৩/২৬ হাঃ২৩৩৮] ১৫০৯. - [নাবী (সাঃ)-এর শারীরিক আকৃতি এবং তিনি মানুষদের মধ্যে সর্বোত্তম অবয়বের অধিকারী ছিলেন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-শারীরিক-আকৃতি/) - ১৫০৬. বারাআ ইবনি আযিব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] মাঝারি গড়নের ছিলেন। তাহাঁর উভয় কাঁধের মধ্যস্থল প্রশস্ত ছিল। তাহাঁর মাথার চুল দু কানের লতি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমি তাঁকে লাল ডোরাকাটা জোড় চাদর পরা অবস্থায় দেখেছি। তাহাঁর চেয়ে বেশি সুন্দর আমি কখনো কাউকে দেখিনি। [বোখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ২৩ হাদীস নং ৩৫৫১; মুসলিম - [নাবী (সাঃ)-এর উপর ওয়াহী নাযিল হওয়ার এমনকি শীতকালেও ঘর্মাক্ত হয়ে যাওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-উপর-ওয়াহী-নায/) - ১৫০৫. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ হারিস ইবনি হিশাম [রাদি.] আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে জিজ্ঞেস করিলেন, হে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]! আপনার নিকট ওয়াহী কিরূপে আসে? আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বললেনঃ {কোন কোন সময় তা ঘণ্টা বাজার মত আমার নিকট আসে। আর এটি-ই আমার উপর সবচেয়ে বেদনাদায়ক হয় এবং তা শেষ হইতেই ফেরেশতা যা বলেন আমি তা - [নাবী (সাঃ)-এর ঘামের সুগন্ধি এবং তদ্‌দ্বারা বারাকাত গ্রহণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-ঘামের-সুগন্ধি/) - ১৫০৪. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, উম্মু সুলায়ম [রাদি.] নাবী [সাঃআঃ]-এর জন্য চামড়ার বিছানা বিছিয়ে দিতেন এবং তিনি সেখানেই ঐ চামড়ার বিছানার উপর কায়লুলা করিতেন। এরপর তিনি যখন ঘুম থেকে উঠতেন, তখন তিনি তাহাঁর শরীরের কিছুটা ঘাম ও চুল সংগ্রহ করিতেন এবং তা একটা শিশির মধ্যে জমাতেন এবং পরে সুক্ক নামীয় সুগন্ধির মধ্যে মিশাতেন। - [নাবী (সাঃ)-এর সুঘ্রাণ, তাহাঁর কোমলতা ও তাহাঁর স্পর্শের কল্যাণময়তা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-সুঘ্রাণ-তাহাঁ/) - ১৫০৩. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ]-এর হাতের তালুর চেয়ে মোলায়েম কোন নরম ও গরদকেও আমি স্পর্শ করি নি। আর নাবী [সাঃআঃ]-এর শরীরের সুঘ্রাণ অপেক্ষা অধিক সুঘ্রাণ আমি কখনো পাইনি। [বোখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ২৩ হাদীস নং ৩৫৬১; মুসলিম পর্ব ৪৩;] - [নাবী (সাঃ)-এর পাপকর্ম থেকে দূরে থাকা, বৈধ কাজের মধ্যে সহজটিকে গ্রহণ করা এবং আল্লাহ তাআলার জন্য প্রতিশোধ নেয়া যখন তাহাঁর [আল্লাহ্‌র] হুকুমের অমর্যাদা করা হয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-পাপকর্ম-থেকে-দ/) - ১৫০২. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ]-কে যখনই দুটি জিনিসের একটি গ্রহণের স্বাধীনতা দেয়া হত, তখন তিনি সহজটিই গ্রহণ করিতেন যদি তা গুনাহ না হত। গুনাহ হইতে তিনি অনেক দূরে অবস্থান করিতেন। নাবী [সাঃআঃ] নিজের ব্যাপারে কখনো প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি। তবে আল্লাহ্‌র সীমারেখা লঙ্ঘন করা হলে আল্লাহ্‌কে সন্তুষ্ট করার জন্য প্রতিশোধ নিতেন। বোখারী, পর্ব ৬১ - [নাবী (সাঃ)-এর নারীদের প্রতি করুণা এবং উটের আরোহী মহিলা হলে উট চালককে ধীরে উট চালনার জন্য নাবী (সাঃ)-এর নির্দেশ দান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-নারীদের-প্রতি/) - ১৫০১. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর এক সফরে ছিলাম। তাহাঁর সঙ্গে তখন আনজাশাহ নামের এক কালো গোলাম ছিল। সে পুঁথি গাইছিল। রসূলুল্লাহ [সাঃ] তাকে বললেনঃ ওহে আনজাশাহ! তোমার সর্বনাশ। তুমি উটটিকে কাঁচপাত্র সদৃশ সওয়ারীদের নিয়ে ধীরে চালাও। [বোখারী, পর্ব ৭৮ : আদব-আচার, অধ্যায় ৯৫, হাদীস ৬১৬১; মুসলিম পর্ব ৪৩ : - [নাবী (সাঃ) ছিলেন অত্যন্ত লাজুক স্বভাবের।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-ছিলেন-অত্যন্ত-লা/) - ১৪৯৯. আবু সাঈদ খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] গৃহবাসিনী পর্দানশীন কুমারীদের চেয়েও বেশি লজ্জাশীল ছিলেন। [বোখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ২৩ হাদীস নং ৩৫৬২; মুসলিম ৪৩/১৬ হাঃ ২৩২০] ১৫০০. আবদুল্লাহ ইবনি আম্‌র [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] অশ্লীল ভাষী ও অসদাচরণের অধিকারী ছিলেন না। তিনি বলিতেন, তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম - [রসূল (সাঃ)-এর শিশু ও অনাথদের প্রতি অত্যধিক দয়া এবং তাহাঁর বিনয় ও অন্যান্য সদ্ গুণাবলী।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রসূল-সাঃআঃ-এর-শিশু-ও-অনাথদ/) - ১৪৯৫. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে আবু সায়ফ্ কর্মকারের নিকট গেলাম। তিনি ছিলেন [নাবী-তনয়] ইব্রাহীম [রাদি.]-এর দুধ সম্পর্কীয় পিতা। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] ইব্রাহীম [রাদি.]-কে তুলে নিয়ে চুমু খেলেন এবং নাকে-মুখে লাগালেন। অতঃপর [আরেক বার] আমরা তার [আবু সায়ফ্-এর] বাড়িতে গেলাম। তখন ইব্রাহীম [রাদি.] মুমূর্ষু অবস্থায়। এতে আল্লাহর - [রসূল (সাঃ)-এর নিকট কোন কিছু চাওয়া হলে তিনি কখনও না বলেননি এবং তাহাঁর অত্যধিক দানের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রসূল-সাঃ-এর-নিকট-কোন-কিছু-চ/) - ১৪৯৩. জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট এমন কোন জিনিসই চাওয়া হয়নি, যার উত্তরে তিনি না বলেছেন। [বোখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় ৩৯ হাদীস নং ৬০৩৪; মুসলিম ৪৩/১৪ হাঃ ২৩১১] ১৪৯৪. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছিলেন, যদি বাহরাইনের মাল এসে যায় তাহলে আমি তোমাকে এতো এতো দিব। - [মুহাম্মাদ (সাঃ) ছিলেন মানুষের মাঝে সর্বাপেক্ষা উত্তম চরিত্রের অধিকারী।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুহাম্মাদ-সাঃ-ছিলেন-মানু/) - ১৪৯১. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি দশ বছর পর্যন্ত নাবী [সাঃআঃ]-এর খিদমত করেছি। কিন্তু তিনি কখনো আমার প্রতি উঃ শব্দ বলেননি। এ কথা জিজ্ঞেস করেননি, তুমি এ কাজ কেন করলে এবং কেন করলে না? [বোখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় ৩৯ হাদীস নং ৬০৩৮; মুসলিম ৪৩/১৩, হাঃ ২৩০৯] ১৪৯২. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ - [নাবী [সাঃ]-এর বীরত্ব ও যুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালনের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-বীরত্ব-ও-যুদ্ধ/) - ১৪৮৯. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] সকল লোকের চেয়ে সুশ্রী ও সাহসী ছিলেন। এক রাতে মাদীনার লোকেরা ভীত হয়ে শব্দের দিকে বের হলো। তখন নাবী [সাঃআঃ] তাঁদের সামনে এলেন এমন অবস্থায় যে, তিনি শব্দের কারণ অন্বেষণ করে ফেলেছেন। তিনি আবু ত্বলহার জিনবিহীন ঘোড়ার পিঠে সাওয়ার ছিলেন এবং তাহাঁর কাঁধে তরবারী ছিল। তিনি - [উহূদের যুদ্ধে নাবী (সাঃ)-এর পক্ষে জিব্‌রীল ও মীকাঈল [আ.]-এর যুদ্ধ করার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উহূদের-যুদ্ধে-নাবী-সাঃ-এর/) - ১৪৮৮. সাদ ইবনি আবু ওয়াক্কাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, উহুদের দিন রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে আমি আরো দু ব্যক্তিকে দেখলাম, যারা সাদা পোশাকে রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর পক্ষে তুমুল যুদ্ধ করছে। আমি তাহাদেরকে আগেও দেখিনি আর পরেও দেখিনি। [বোখারী পর্ব ৬৪ অধ্যায় ১৮ হাদীস নং ৪০৫৪; মুসলিম ৪৩/১০, হাঃ ২৩০৬] - [নাবী (সাঃ)-এর জন্য `হাওজ`এর প্রমাণ ও তার বৈশিষ্ট্য।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-জন্য-হাওজএর-প্/) - ১৪৭৫. জুনদুব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছিঃ আমি তোমাদের আগে হাউযের ধারে পৌঁছব। [বোখারী পর্ব ৮১ অধ্যায় ৫৩ হাদীস নং ৬৫৮৯; মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২২৮৯] ১৪৭৬. সাহ্‌ল ইবনি সাদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আমি তোমাদের আগে হাউযের ধারে পৌঁছব। যে আমার নিকট দিয়ে অতিক্রম করিবে, সে - [মুহাম্মাদ (সাঃ) সর্বশেষ নাবী হওয়ার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-মুহাম্মাদ-সাঃ-সর্বশ/) - ১৪৭৩. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেন, আমি এবং আমার পূর্ববর্তী নাবীগণের অবস্থা এমন, এক ব্যক্তি যেন একটি গৃহ নির্মাণ করিল, তাকে সুশোভিত ও সুসজ্জিত করিল, কিন্তু এক পাশে একটি ইটের জায়গা খালি রয়ে গেল। অতঃপর লোকজন এর চারপাশে ঘুরে আশ্চর্য হয়ে বলিতে লাগল ঐ শূন্যস্থানের ইটটি লাগানো হল না কেন? - [উম্মাতের উপর মুহাম্মাদ [সাঃআঃ]-এর দয়াদ্রতা ও যা তাহাদের ক্ষতি সাধন করিবে তা থেকে স্পষ্ট সতর্কীকরণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উম্মাতের-উপর-মুহাম্মাদ-স/) - ১৪৭২. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছেন যে, আমার ও লোকদের দৃষ্টান্ত এমন ব্যক্তির ন্যায়, যে আগুন জ্বালালো আর যখন তার চতুর্দিক আলোকিত হয়ে গেল, তখন পতঙ্গ ও ঐ সমস্ত প্রাণী যেগুলো আগুনে পড়ে, তারা তাতে পড়তে লাগলো। তখন সে সেগুলোকে আগুন থেকে বাঁচাবার জন্য টানতে লাগলো। কিন্তু তারা আগুনে পুড়ে - [“হিদায়াত ও ইল্ম” যা নিয়ে মুহাম্মাদ [সাঃআঃ]-কে পাঠানো হয়েছে তার দৃষ্টান্তের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হিদায়াত-ও-ইল্ম-যা-নিয়/) - ১৪৭১. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহ্ তাআলা আমাকে যে হিদায়াত ও ইলম দিয়ে পাঠিয়েছেন তার দৃষ্টান্ত হল যমীনের উপর পতিত প্রবল বর্ষণের ন্যায়। কোন কোন ভূমি থাকে উর্বর যা সে পানি শুষে নিয়ে প্রচুর পরিমাণে ঘাসপাতা এবং সবুজ তরুলতা উৎপাদন করে। আর কোন কোন ভূমি থাকে কঠিন যা পানি আটকে রাখে। - [আল্লাহ তাআলার উপর তাহাঁর ভরসা এবং মানুষের অনিষ্ট থেকে আল্লাহ তাআলার তাঁকে হিফাযাত করণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ-তাআলার-উপর-তাহাঁর/) - ১৪৭০. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাজদের যুদ্ধে আমরা রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে যোগদান করেছি। কাঁটা গাছে ভরা উপত্যকায় প্রচণ্ড গরম লাগলে রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] একটি গাছের নিচে অবতরণ করে তার ছায়ায় আশ্রয় নিলেন এবং তরবারিখানা লটকিয়ে রাখেন। সাহাবীগণ সকলেই গাছের ছায়ায় আশ্রয় নেয়ার জন্য ছড়িয়ে পড়লেন। আমরা এ অবস্থায় ছিলাম, হঠাৎ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] - [নাবী (সাঃ)-এর মুজিযাসমূহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-মুজিযাসমূহ।/) - ১৪৬৮. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে দেখলাম, তখন আসরের সালাতের সময় হয়ে গিয়েছিল। আর লোকজন উযূর পানি খুঁজতে লাগল কিন্তু পেল না। তারপর আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর নিকট কিছু পানি আনা হল। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] সে পাত্রে তাহাঁর হাত রাখলেন এবং লোকজনকে তা থেকে উযূ করিতে বলিলেন। আনাস [রাদি.] - [খাবারের দোষ বর্ণনা না করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খাবারের-দোষ-বর্ণনা-না-করা/) - ১৩৩৬. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] কখনো কোন খাবারকে মন্দ বলিতেন না। রুচি হলে খেতেন না হলে বাদ দিতেন। [বোখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ২৩ হাদীস নং ৩৫৬৩; মুসলিম ৩৬/৩৫, হাঃ ২০৬৪] - [মুমিন খায় এক পেটে, কাফির খায় সাত পেটে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুমিন-খায়-এক-পেটে-কাফির-খ/) - ১৩৩৪. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ মুমিন এক পেটে খায় আর কাফির অথবা মুনাফিক সাত পেটে খায়। [বোখারী পর্ব ৭০ অধ্যায় ১২ হাদীস নং ৫৩৯৪; মুসলিম ৩৬/৩৪, হাঃ ২০৬০] ১৩৩৫. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ এক লোক খুব বেশী পরিমাণে আহার করত। লোকটি মুসলিম হলে অল্প আহার করিতে লাগল। ব্যাপারটি নাবী [সাঃআঃ]-এর - [খাদ্য অল্প হলেও ভাগ করে খাওয়ার ফাযীলাত এবং দুজনের খাবার তিনজনের বা অনুরূপ কমলোকের খাবার বেশী জনের জন্য যথেষ্ট হওয়ার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খাদ্য-অল্প-হলেও-ভাগ-করে-খা/) - ১৩৩৩. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ দুজনের খাবার তিনজনের জন্য যথেষ্ট এবং তিনজনের খাবার চারজনের জন্য যথেষ্ট। [বোখারী পর্ব ৭০ অধ্যায় ১১ হাদীস নং ৫৩৯২; মুসলিম ৩৬/৩৩, হাঃ ২০৫৮] - [মেহমানের সম্মান ও তাকে [মেহমানকে] প্রাধান্য দেয়ার ফাযীলাত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মেহমানের-সম্মান-ও-তাকে-মে/) - ১৩৩০. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ এক লোক নাবী [সাঃআঃ]-এর খেদমতে এল। তিনি [সাঃআঃ] তাহাঁর স্ত্রীদের কাছে লোক পাঠালেন। তাঁরা জানালেন, আমাদের নিকট পানি ছাড়া কিছুই নেই। তখন রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলিলেন, কে আছ যে এই ব্যক্তিকে মেহমান হিসেবে নিয়ে নিজের সাথে খাওয়াতে পার? তখন এক আনসারী সাহাবী {আবু ত্বলহা } বলিলেন, আমি। এ বলে তিনি - [কালো কাবাস [আরক গাছের ফল]-এর ফাযীলাত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কালো-কাবাস-আরক-গাছের-ফল-এর/) - ১৩২৯. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে কাবাস [পিলু] গাছের পাকা ফল বেছে বেছে নিচ্ছিলাম। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলিলেন, এর মধ্যে কালোগুলো নেয়াই তোমাদের উচিত। কেননা এগুলোই অধিক সুস্বাদু। সাহাবীগণ বলিলেন, আপনি কি ছাগল চরিয়েছিলেন? তিনি বলিলেন, প্রত্যেক নাবীই তা চরিয়েছেন। [বোখারী পর্ব ৬০ অধ্যায় ২৯ হাদীস নং - [কামআ [এক প্রকার ছত্রাক যা খাওয়া যায়]-এর ফাযীলাত এবং চক্ষু রোগের ঔষধ হিসেবে তার ব্যবহার।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কামআ-এক-প্রকার-ছত্রাক-যা-খ/) - ১৩২৮. সাঈদ ইবনি যায়দ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ [আরবী] আল কামাআত [ব্যাঙের ছাতা] মান্না জাতীয়। আর তার পানি চোখের রোগের প্রতিষেধক। [বোখারী পর্ব ৬৫ অধ্যায় ২ হাদীস নং ৪৪৭৮; মুসলিম ৩৬/২৮, হাঃ ২০৪৯] - [মাদীনাহ্‌র খেজুরের মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাদীনাহ্র-খেজুরের-মর্যা/) - ১৩২৭. সাদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি সকাল বেলা সাতটি আজ্ওয়া [মাদীনায় উৎপন্ন উন্নত মানের খুরমার নাম] খেজুর খাবে, সে দিন কোন বিষ বা যাদু তার কোন ক্ষতি করিবে না। [বোখারী পর্ব ৭৬ অধ্যায় ৫২ হাদীস নং ৫৭৬৯; মুসলিম ৩৬/২৭, হাঃ ২০৪৭] - [একসাথে খাওয়ার সময় সাথীদের বিনা অনুমতিতে এক সাথে দুটো খেজুর বা দু টুকরা খাওয়া নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/একসাথে-খাওয়ার-সময়-সাথী/) - ১৩২৬. জাবালাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা মাদীনায় কিছু সংখ্যক ইরাকী লোকের সাথে ছিলাম। একবার আমরা দুর্ভিক্ষের কবলে পতিত হই, তখন ইবনি যুবাইর [রাদি.] আমাদেরকে খেজুর খেতে দিতেন। ইবনি উমার [রাদি.] আমাদের নিকট দিয়ে যেতেন এবং বলিতেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কাউকে তার ভাইয়ের অনুমতি ব্যতীত এক সাথে দুটো করে খেজুর খেতে নিষেধ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব - [তাজা খেজুরের সাথে শসা খাওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তাজা-খেজুরের-সাথে-শসা-খাও/) - ১৩২৫. আবদুল্লাহ ইবনি জাফর ইবনি আবু ত্বলিব হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে তাজা খেজুর কাঁকুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে দেখেছি। [বোখারী পর্ব ৭০ অধ্যায় ৩৯ হাদীস নং ৫৪৪০; মুসলিম ৩৬/২৩, হাঃ ২০৪৩] - [ঝোল খাওয়া জায়িয, কুমড়া খাওয়া মুস্তাহাব এবং দস্তরখানায় লোকেদের কতককে অন্যদের উপর প্রাধান্য দেয়া যদি মেজবান এটা অপছন্দ না করে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঝোল-খাওয়া-জায়িয-কুমড়া/) - ১৩২৪. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক দরজী খাবার তৈরী করে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে দাওয়াত করিলেন। আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সামনে রুটি এবং ঝোল যাতে লাউ ও গোশতের টুকরা ছিল, পেশ করিলেন। আমি নাবী [সাঃআঃ] -কে দেখিতে পেলাম যে, পেয়ালার কিনারা হইতে তিনি লাউয়ের টুকরা খোঁজ করে নিচ্ছেন। - [মেহমানের জন্য তার সাথে অন্য এমন লোককে নিয়ে যাওয়া বৈধ যার ব্যাপারে সে নিশ্চিত যে বাড়িওয়ালা এতে সন্তুষ্ট থাকিবে এবং যথাযথ মূল্যায়ন করিবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মেহমানের-জন্য-তার-সাথে-অন/) - ১৩২২. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন পরিখা খনন করা হচ্ছিল তখন আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে ভীষণ ক্ষুধার্ত অবস্থায় দেখিতে পেলাম। তখন আমি আমার স্ত্রীর কাছে ফিরে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, তোমার কাছে কোন কিছু আছে কি? আমি রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে দারুন ক্ষুধার্ত দেখেছি। তিনি একটি চামড়ার পাত্র এনে তা থেকে এক সা পরিমাণ যব - [খাবারের মালিক দাওয়াত দেয়নি এমন কেউ মেহমানের সঙ্গী হলে মেহমান কী করিবে? এবং মেজবানের জন্য উত্তম হল সঙ্গী ব্যক্তিকে খাবারের অনুমতি দেয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খাবারের-মালিক-দাওয়াত-দে/) - ১৩২১. আবু মাসউদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আবু শুআইব নামক এক আনসারী এসে তার কসাই গোলামকে বলিলেন, পাঁচ জনের উপযোগী খাবার তৈরী কর। আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-সহ পাঁচজনকে দাওয়াত করিতে যাই। তাহাঁর চেহারায় আমি ক্ষুধার চিহ্ন দেখিতে পেয়েছি। তারপর সে লোক এসে দাওয়াত দিলেন। তাহাদের সঙ্গে আরেকজন অতিরিক্ত এলেন। নাবী [সাঃআঃ] বলিলেন, এ আমাদের - [আঙ্গুল ও প্লেট চেটে খাওয়া ও কোন লোকমা পড়ে গেলেও তাতে ময়লা লাগলে পরিষ্কার করে খেয়ে নেয়া মুস্তাহাব এবং হাত চেটে খাওয়ার পূর্বে মুছে ফেলা মাকরূহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আঙ্গুল-ও-প্লেট-চেটে-খাওয়/) - ১৩২০. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন আহার করে সে যেন তার হাত না মোছে, যতক্ষণ না সে তা নিজে চেটে খায় কিংবা অন্যকে দিয়ে চাটিয়ে নেয়। [বোখারী পর্ব ৭০ অধ্যায় ৫২ হাদীস নং ৫৪৫৬; মুসলিম ৩৬/১৮, হাঃ ২০৩১] - [প্রথমে পানকারীর পর দুধ, পানি বা এ জাতীয় বস্তুর পাত্র ডান দিক থেকে ঘুরান মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রথমে-পানকারীর-পর-দুধ-পা/) - ১৩১৮. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আমাদের এই ঘরে আগমন করিলেন এবং কিছু পান করিতে চাইলেন। আমরা আমাদের একটা বকরীর দুধ দোহন করে তাতে আমাদের এই কুয়ার পানি মিশালাম। অতঃপর তা সম্মুখে পেশ করলাম। এ সময় আবু বকর [রাদি.] ছিলেন তাহাঁর বামে, উমার [রাদি.] ছিলেন তাহাঁর সম্মুখে, আর এক বেদুঈন ছিলেন তাহাঁর - [পান করার সময় পাত্রে নিঃশ্বাস ছাড়া ঘৃণিত এবং পাত্রের বাইরে তিনবার নিঃশ্বাস ছাড়া মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পান-করার-সময়-পাত্রে-নিঃশ/) - ১৩১৬, আবু কাতাদাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেন, তোমাদের কেউ যখন পান করে, তখন সে যেন পাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস না ছাড়ে। [বোখারী পর্ব ৪ অধ্যায় ১৮ হাদীস নং ১৫৩; মুসলিম ৩৬/১৬, হাঃ ২৬৭] ১৩১৭. সুমামাহ ইবনি আবদুল্লাহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আনাস [রাদি.]-এর নিয়ম ছিল, তিনি দুই কিংবা তিন নিঃশ্বাসে পাত্রের - [জমজমের পানি দাঁড়িয়ে পান করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জমজমের-পানি-দাঁড়িয়ে-পা/) - ১৩১৫. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] -এর নিকট যমযমের পানি পেশ করলাম। তিনি তা দাঁড়িয়ে পান করিলেন। [বোখারী পর্ব ২৫ অধ্যায় ৭৬ হাদীস নং ১৬৩৭; মুসলিম ৩৬/১৫, হাঃ ২০২৭] - [খাওয়া ও পান করার আদাব এবং তার বিধান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খাওয়া-ও-পান-করার-আদাব-এবং/) - ১৩১৩. উমার ইবনি আবু সালামাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমি ছোট ছেলে হিসাবে রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর তত্ত্বাবধানে ছিলাম। খাবার বাসনে আমার হাত ছুটাছুটি করত। রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আমাকে বললেনঃ হে বৎস! বিসমিল্লাহ বলে ডান হাতে আহার কর এবং তোমার কাছের থেকে খাও। এরপর থেকে আমি সব সময় এ পদ্ধতিতেই আহার করতাম। [বোখারী পর্ব ৭০ অধ্যায় ২ - [পাত্র ঢেকে রাখা, মশ্‌ক বেঁধে রাখা, দরজা বন্ধ করা, এগুলো করার সময় বিসমিল্লাহ বলা এবং ঘুমানোর সময় বাতি ও আগুন নিভিয়ে রাখা এবং মাগরিবের পর শিশু ও গরু বাছুর বাড়ীর বাইরে যেতে না দেয়ার নির্দেশ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পাত্র-ঢেকে-রাখা-মশ্ক-বেঁ/) - ১৩১০.জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেন, যখন রাতের আঁধার নেমে আসবে অথবা বলেছেন, যখন সন্ধ্যা হয়ে যাবে তখন তোমরা তোমাদের শিশুদেরকে [ঘরে] আটকে রাখবে। কেননা এসময় শয়তানেরা ছড়িয়ে পড়ে। আর যখন রাতের কিছু অংশ অতিক্রান্ত হইবে তখন তাহাদেরকে ছেড়ে দিতে পার। তোমরা ঘরের দরজা বন্ধ করিবে এবং আল্লাহ্‌র নাম - [নাবিজ পান করা ও পাত্র ঢেকে রাখা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবিজ-পান-করা-ও-পাত্র-ঢেকে/) - ১৩০৯. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আবু হুমাইদ [রাদি.] এক পাত্রে দুধ নিয়ে আসলেন। রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাঁকে বললেনঃ এটিকে ঢেকে রাখলে না কেন? এর উপর একটি কাঠি দিয়ে হলেও ঢেকে রাখা উচিত ছিল। [বোখারী পর্ব ৭৪ অধ্যায় ১২ হাদীস নং ৫৬০৫; মুসলিম ৩৬/১১, ২০১০] - [দুগ্ধ বা দুধ পান বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দুগ্ধ-বা-দুধ-পান-বৈধ।/) - ১৩০৭. বারা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন নাবী [সাঃআঃ] মাদীনাহ্‌র দিকে যাচ্ছিলেন তখন সুরাকা ইবনি মালিক ইবনি জুশাম তাহাঁর পেছনে ধাওয়া করিল। নাবী [সাঃআঃ] তার জন্য বদ্‌দুআ করিলেন। ফলে তার ঘোড়াটি তাকে নিয়ে মাটিতে দেবে গেল। তখন সে বলিল, আপনি আল্লাহ্‌র কাছে আমার জন্য দুআ করুন। আমি আপনার কোন ক্ষতি করব না। নাবী [সাঃআঃ] - [নাবিজ ততক্ষণ [খাওয়া] বৈধ যতক্ষণ না তা কঠিনভাবে বিকৃত হয় এবং মাদকদ্রব্যে পরিণত হয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবিজ-ততক্ষণ-খাওয়া-বৈধ-য/) - ১৩০৪. সাহ্‌ল ইবনি সাদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আবু উসায়দ আস্ সাঈদী [রাদি.] শাদী উপলক্ষে নাবী [সাঃআঃ]-কে তার ওয়ালীমায় দাওয়াত করিলেন। তাহাঁর নববধু সেদিন খাদ্য পরিবেশন করছিলেন। সাহ্‌ল বলেন, তোমরা কি জান, সে দিন নাবী [সাঃআঃ]-কে কী পানীয় সরবরাহ করা হয়েছিল? সারারাত ধরে কিছু খেজুর পানির মধ্যে ভিজিয়ে রেখে তা থেকে তৈরি পানীয়। নাবী - [যে মদপান করিল তা থেকে বিরত হল না বা তাওবাহ করিল না তার শাস্তি তাকে পরকালে তা থেকে বঞ্চিত করা হইবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-মদপান-করিল-তা-থেকে-বিরত/) - ১৩০৩. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মদ পান করেছে এরপর সে তা থেকে তাওবাহ করেনি, সে ব্যক্তি আখিরাতে তা থেকে বঞ্চিত থাকিবে। [বোখারী পর্ব ৭৪ অধ্যায় ১ হাদীস নং ৫৫৭৫; মুসলিম ৩৬/৮, হাঃ ২০০৩] - [যা মাতলামি আনে তাই মাদকদ্রব্য আর প্রত্যেক মাদকদ্রব্যই হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যা-মাতলামি-আনে-তাই-মাদকদ্/) - ১৩০১. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে সকল পানীয় নেশা সৃষ্টি করে, তা হারাম। [বোখারী পর্ব ৪ অধ্যায় ৭১ হাদীস নং ৫৫৮৫, ৫৫৮৬, ২৪২; মুসলিম ৩৬/৭, হাঃ ২০০১], ১৩০২. আবু মূসা আল-আশআরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] তাঁকে [আবু মূসাকে গভর্নর নিযুক্ত করে] ইয়ামানে পাঠিয়েছেন। তখন তিনি ইয়ামানে তৈরি করা হয় এমন কতিপয় - [আলকাতরা মাখানো পাত্রে, কদুর বোলে, সবুজ কলস ও কাঠের বোলে নাবিজ বানানো নিষিদ্ধ এবং এ বিধান রহিত হয়ে যাওয়া ও বর্তমানে এটা হালাল যতক্ষণ না তা মাতাল করে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আলকাতরা-মাখানো-পাত্রে-কদ/) - ১২৯৬. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়া সাল্লাম] বলেছেন, কদু [লাউ]র খোলসে এবং আলকাতরা মাখানো পাত্রে নাবিজ তৈরি করো না। [বোখারী পর্ব ৭৪ অধ্যায় ৪ হাদীস নং ৫৫৮৭; মুসলিম ৩৬/৬, হাঃ ১৯৯২, ১৯৯৩] ১২৯৭. আলী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] দুব্বা [কদু বা লাউয়ের খোলস] ও মুযাফ্‌ফাত [আলকাতরার প্রলেপ দেয়া পাত্র] ব্যবহার করিতে নিষেধ - [পাকা খেজুর ও কিশমিশ একত্র করে নাবিজ বানানো মাকরূহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পাকা-খেজুর-ও-কিশমিশ-একত্র/) - ১২৯৪. জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] কিসমিস, শুকনো খেজুর, কাঁচা ও পাকা খেজুর মিশ্রণ করিতে নিষেধ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৭৪ অধ্যায় ১১ হাদীস নং ৫৬০১; মুসলিম ৩৬/৫, হাঃ ১৯৮৬] ১২৯৫. আবু ক্বাতাদাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] খুরমা ও আধাপাকা খেজুর এবং খুরমা ও কিসমিস একত্রিত করিতে নিষেধ করিয়াছেন। আর এগুলো প্রত্যেকটিকে পৃথক পৃথকভাবে - [মদ হারাম হওয়ার বর্ণনা এবং তা আঙ্গুরের রস, পাকা খেজুর, শুকনা খেজুর, কিশমিশ ইত্যাদি দ্বারা তৈরি হোক যা মাতাল করে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মদ-হারাম-হওয়ার-বর্ণনা-এব/) - ১২৯২.আলী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, বদর যুদ্ধের গনীমতের মালের মধ্য হইতে যে অংশ আমি পেয়েছিলাম, তাতে একটি জওয়ান উটনীও ছিল। আর নাবী [সাঃআঃ] খুমুসের মধ্য হইতে আমাকে একটি জওয়ান উটনী দান করেন। আর আমি যখন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর কন্যা ফাতিমাহ [রাদি.]-এর সঙ্গে বাসর যাপন করব, তখন আমি বানূ কায়নুকা গোত্রের এক স্বর্ণকারের সঙ্গে এ - [স্ত্রীদের ব্যাপারে উপদেশ ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/স্ত্রীদের-ব্যাপারে-উপদেশ/) - ৯৩৩. আবু হুরায়রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেন, নারীরা হচ্ছে পাঁজরের হাড়ের ন্যায়। যদি তোমরা তাকে একেবারে সোজা করিতে চাও, তাহলে ভেঙ্গে যাবে। সুতরাং, যদি তোমরা তাহাদের থেকে লাভবান হইতে চাও, তাহলে ঐ বাঁকা অবস্থাতেই লাভবান হইতে হইবে [বোখারী পর্ব ৬৭ : /৭৯, হাঃ ৫১৮৪; মুসলিম ১৭/১৮, হাঃ ১৪৬৮] ৯৩৪. হইতে বর্ণিতঃ আর তোমরা - [কুমারী মহিলাকে বিবাহ করা মুস্তাহাব ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুমারী-মহিলাকে-বিবাহ-করা/) - ৯২৯. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি শাদী করলে, রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] আমাকে জিজ্ঞেস করিলেন, তুমি কেমন মেয়ে শাদী করেছ? আমি বললাম, পূর্ব বিবাহিতা রমণীকে বিয়ে করেছি। তিনি বলিলেন, কুমারী মেয়ে এবং তাহাদের কৌতুকের প্রতি তোমার আগ্রহ নেই? [রাবী বলেন] আমি এ ঘটনা আম্‌র ইবনি দীনার [রাদি.]-কে অবগত করালে তিনি বলেন, আমি জাবির - [ধার্মিকা মহিলাকে বিবাহ করা মুস্তাহাব ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ধার্মিকা-মহিলাকে-বিবাহ-ক/) - ৯২৮. আবু হুরায়রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেন, চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে শাদী করা যায়- তার সম্পদ, তার বংশমর্যাদা, তার সৌন্দর্য ও তার দ্বীনদারী। সুতরাং তুমি দ্বীনদারীকেই প্রাধান্য দেবে। অন্যথায় তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হইবে। [বোখারী পর্ব ৬৭ : /১৫, হাঃ ৫০৯০; মুসলিম ১৭/১৫, হাঃ ১৪৬৬] বিঃ দ্রঃ ইসলামের দৃষ্টিতে কি ধরনের মহিলাকে বিয়ে - [কোন মহিলার তার পালা অন্য সতিনকে হেবা করা জায়িয ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কোন-মহিলার-তার-পালা-অন্য-স/) - ৯২৭. আমরা ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-এর সহধর্মিণী মাইমূনাহ [রাদি.]-এর জানাযায় উপস্থিত ছিলাম। ইবনি আব্বাস [রাদি.] বলেন, ইনি রসূল [সাঃআঃ]-এর সহধর্মিণী। সুতরাং যখন তোমরা তাহাঁর জানাযা উঠাবে তখন ধাক্কাধাক্কি এবং জোরে নাড়া-চাড়া করো না; বরং ধীরে ধীরে নিয়ে চলবে। কেননা, নাবী [সাঃআঃ]-এর নয়জন বিবি ছিলেন। তিনি আট জনের সাথে পালাক্রমে রাত্রি যাপন করিতেন। - [স্ত্রীদের মধ্যে সময় বা পালা বণ্টন এবং এর সুন্নাতী বিধান হচ্ছে প্রত্যেকের নিকট দিবারাত্রি কাটান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/স্ত্রীদের-মধ্যে-সময়-বা-প/) - ৯২৬. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যেসব মহিলা নিজেকে রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-এর কাছে হেবাস্বরূপ ন্যস্ত করে দেন, তাহাদের আমি ঘৃণা করতাম। আমি [মনে মনে] বলতাম, মহিলারা কি নিজেকে অর্পণ করিতে পারে? এরপর যখন আল্লাহ্ তাআলা এ আয়াত নাযিল করেনঃ “আপনি তাহাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছে আপনার কাছ থেকে দূরে রাখতে পারেন এবং যাকে ইচ্ছে আপনার - [বিবাহের পর কুমারী ও পূর্ণ বিবাহিতা স্ত্রীর নিকট অবস্থানের পরিমাণ ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিবাহের-পর-কুমারী-ও-পূর্ণ/) - ৯২৫. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর সুন্নাত হচ্ছে, যদি কেউ বিধবা স্ত্রী থাকা অবস্থায় কুমারী শাদী করে তবে সে যেন তার সঙ্গে সাত দিন অতিবাহিত করে এবং এরপর পালা অনুসারে এবং কেউ যদি কোন বিধবাকে শাদী করে এবং তার ঘরে পূর্ব থেকেই কুমারী স্ত্রী থাকে তবে সে যেন তার সাথে তিন দিন - [বাহ্যিক আকৃতি দ্বারা বংশ পরিচয় মেলানো ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বাহ্যিক-আকৃতি-দ্বারা-বংশ/) - ৯২৪. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ একদা রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] আমার কাছে প্রফুল্ল অবস্থায় এলেন এবং বললেনঃ হে আয়েশা! [চিহ্ন ধরে বংশ উদঘাটনকারী] মুদলিজী এসেছে তা কি তুমি দেখনি? এসেই সে উসামাহ এবং যায়দ-এর দিকে নযর করেছে। তারা উভয়ে চাদর পরিহিত অবস্থায় ছিল । তাহাদের মাথা ঢেকে রাখা ছিল। তবে তাহাদের পা গুলো দেখা যাচ্ছিল । তখন - [বিছানা যার সন্তান তার এবং সন্দেহ থেকে বেঁচে থাকা ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিছানা-যার-সন্তান-তার-এবং/) - ৯২২. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, সাদ ইবনি আবু ওয়াক্কাস ও আবদ ইবনি যাম্আ উভয়ে এক বালকের ব্যাপারে বিতর্ক করেন। সাদ [রাদি.] বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল ! এতো আমার ভাই উৎবা ইবনি আবী ওয়াক্কাসের পুত্র। সে তার পুত্র হিসাবে আমাকে ওয়াসিয়্যত করে গেছে। আপনি ওর সাদৃশ্যের প্রতি লক্ষ্য করুন। আবদ ইবনি যামআ বলিলেন, হে - [মাজায়াত দ্বারা রাজাঈ সাব্যস্ত হওয়া [শিশুর দুবছর বয়সের মধ্যে ক্ষুধায় দুগ্ধপান “দুগ্ধদান” সাব্যস্ত করে]।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাজায়াত-দ্বারা-রাজাঈ-সা/) - ৯২১. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] আমার নিকট আসলেন, তখন আমার নিকট এক ব্যক্তি ছিল। তিনি জিজ্ঞেস করিলেন, হে আয়েশা! এ কে? আমি বললাম, আমার দুধ ভাই। তিনি বলিলেন, হে আয়েশা! কে তোমার সত্যিকার দুধ ভাই তা যাচাই করে দেখে নিও। কেননা, ক্ষুধার কারণে দুধ পানের ফলেই শুধু দুধ সম্পর্ক স্থাপিত হয়। - [পালিতা কন্যা ও স্ত্রীর বোন হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পালিতা-কন্যা-ও-স্ত্রীর-বো/) - ৯২০. উম্মু হাবীবাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল ! আপনি কি আবু সুফিয়ানের কন্যার ব্যাপারে আগ্রহী? নাবী [সাঃআঃ] উত্তর দিলেন, তাকে দিয়ে আমার কি হইবে? আমি বললাম, তাকে আপনি বিয়ে করবেন। তিনি প্রশ্ন করিলেন, তুমি কি তা পছন্দ করিবে? আমি বললাম, হ্যাঁ। এখন তো আমি একাই আপনার স্ত্রী নই। সুতরাং - [দুগ্ধ ভাতিজির সঙ্গে বিবাহ নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দুগ্ধ-ভাতিজির-সঙ্গে-বিবা/) - ৯১৯. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] হামযাহর মেয়ে সম্পর্কে বলেছেন, সে আমার জন্য হালাল নয়। কেননা বংশ কারণে যা হারাম হয়, দুধ পানের সম্পর্কের কারণেও তা হারাম হয়, আর সে আমার দুধ ভাইয়ের মেয়ে। [বোখারী পর্ব ৫২ : /৭ হাঃ ২৬৪৫; মুসলিম ১৭/৩, হাঃ ১৪৪৭] - [কারো স্ত্রীর দুধপান তার সন্তানাদির সঙ্গে বিবাহ নিষিদ্ধ করে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কারো-স্ত্রীর-দুধপান-তার-স/) - ৯১৭. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর, আবুল কুআয়স এর ভাই আফ্‌লাহ আমার কাছে প্রবেশ করার অনুমতি চায়। আমি বললাম, এ ব্যাপারে যতক্ষণ রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] অনুমতি না দিবেন, ততক্ষণ আমি অনুমতি দিতে পারি না। কেননা তার ভাই আবু কুআয়স তো নিজে আমাকে দুধ পান করাননি। কিন্তু আবুল কুআয়সের স্ত্রী আমাকে - [দুগ্ধপান দ্বারা তা হারাম হয় যা জন্মসূত্র দ্বারা হারাম হয় ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দুগ্ধপান-দ্বারা-তা-হারাম/) - ৯১৬. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] তাহাঁর নিকট অবস্থান করছিলেন। এমন সময় তিনি এক ব্যক্তির আওয়াজ শুনতে পেলেন। সে হাফসাহ [রাদি.]-এর ঘরে প্রবেশের অনুমতি প্রার্থনা করছে। আয়েশা [রাদি.] বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল ! এ এক ব্যক্তি আপনার ঘরে প্রবেশের অনুমতি প্রার্থনা করছে। তিনি বলেন, তখন আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলিলেন, তাকে হাফসাহর - [তুরুক অপছন্দনীয় আর তা হচ্ছে সফর থেকে ফিরে রাতে বাড়িতে প্রবেশ করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তুরুক-অপছন্দনীয়-আর-তা-হচ/) - ১২৫২. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] রাত্রে কখনো পরিবারের নিকট প্রবেশ করিতেন না। তিনি ভোরে কিংবা বিকেলে ছাড়া পরিবারের নিকট প্রবেশ করিতেন না। [বোখারী পর্ব ২৬ অধ্যায় ১৫ হাদীস নং ১৮০০; মুসলিম ৩৩/৫৬, হাঃ ১৯২৮] ১২৫৩. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা নাবী [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে এক জিহাদ থেকে ফিরছিলাম। - [`সফর` শাস্তির একটি টুকরো এবং মুসাফিরের জন্য উত্তম হল তার কাজ সম্পন্ন করে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সফর-শাস্তির-একটি-টুকরো-এব/) - ১২৫১. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] ইরশাদ করেন, সফর আযাবের অংশ বিশেষ। তা তোমাদের যথাসময় পানাহার ও নিদ্রায় ব্যঘাত ঘটায়। কাজেই সকলেই যেন নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে অবিলম্বে আপন পরিজনের কাছে ফিরে যায়। [বোখারী পর্ব ২৬ অধ্যায় ১৯ হাদীস নং ১৮০৪; মুসলিম ৩৩/৫৫, হাঃ ১৯২৭] - [নাবী (সাঃ)-এর বাণীঃ আমার উম্মাতের মধ্যে একটি দল সর্বদা সত্যের উপর বিজয়ী থাকিবে। যারা তাহাদের বিরোধিতা করিবে তারা তাহাদের কোন ক্ষতি সাধন করিতে পারবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-বাণীঃ-আমার-উম্/) - ১২৪৯. মুগীরাহ ইবনি শুবাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, আমার উম্মাতের একটি দল সর্বদা বিজয়ী থাকিবে। এমনকি যখন ক্বিয়ামাত আসবে তখনও তারা বিজয়ী থাকিবে। [বোখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ২৮ হাদীস নং ৩৬৪০; মুসলিম ৩৩/৫৩, হাঃ ১৯২১] ১২৫০. মুআবীয়াহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি, আমার উম্মাতের একটি দল সর্বদা আল্লাহ্‌র - [শাহীদদের বর্ণনা বা প্রকার।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শাহীদদের-বর্ণনা-বা-প্রকা/) - ১২৪৭. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, এক ব্যক্তি রাস্তা দিয়ে চলার সময় রাস্তায় একটি কাঁটাযুক্ত ডাল দেখিতে পেয়ে তা সরিয়ে ফেলল। আল্লাহ তাআলা তার এ কাজ সাদরে কবুল করে তার গুনাহ ক্ষমা করে দিলেন। অতঃপর আল্লাহর রসূল [সাঃ] বললেনঃ শহীদ পাঁচ প্রকার- ১. প্লেগে মৃত ব্যক্তি ২. কলেরায় মৃত ব্যক্তি ৩. - [সাগরে যুদ্ধের ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সাগরে-যুদ্ধের-ফাযীলাত।/) - ১২৪৬. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] উম্মু হারাম বিন্‌তু মিলহান [রাদি.]-এর নিকট যাতায়াত করিতেন এবং তিনি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে খেতে দিতেন। উম্মু হারাম [রাদি.] ছিলেন উবাদাহ ইবনি সামিত [রাদি.]-এর স্ত্রী। একদা আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] তাহাঁর ঘরে গেলে তিনি তাঁকে আহার করান এবং তাহাঁর মাথার উকুন বাছতে থাকেন। এক সময় আল্লাহর রসূল - [নাবী (সাঃ)-এর বাণীঃ নিয়্যাত অনুযায়ী প্রতিফল এবং যুদ্ধ ও অন্যান্য কাজও এ কথার মধ্যে শামিল।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-বাণীঃ-নিয়্যা/) - ১২৪৫. উমার ইবনি খাত্তাব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, নিশ্চয়ই প্রতিটি আমলের গ্রহণযোগ্যতা তার নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল। কোন ব্যক্তি তা-ই লাভ করিবে যা সে নিয়্যাত করে থাকে। যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও তাহাঁর রাসূলের সন্তুষ্টির জন্য হিজরাত করিবে তার হিজরাত আল্লাহ্ ও তাহাঁর রাসূলের সন্তুষ্টির জন্যই হইবে। আর যার হিজরাত - [যে আল্লাহ তাআলার বাণী সমুন্নত করার জন্য যুদ্ধ করে সে আল্লাহ্‌র রাস্তায় [যুদ্ধ করে]।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-আল্লাহ-তাআলার-বাণী-সমু/) - ১২৪৩. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ এক ব্যক্তি নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট এসে বলিল, এক ব্যক্তি গনীমতের জন্য, এক ব্যক্তি প্রসিদ্ধ হওয়ার জন্য এবং এক ব্যক্তি বীরত্ব দেখানোর জন্য জিহাদে শরীক হলো। তাহাদের মধ্যে কে আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করিল? তিনি বলিলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র কালিমা বুলন্দ থাকার উদ্দেশে যুদ্ধ করিল, সে-ই আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করিল। [বোখারী - [শহীদ জান্নাতে যাবে তার প্রমাণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শহীদ-জান্নাতে-যাবে-তার-প্/) - ১২৪১. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ এক ব্যক্তি উহুদের দিন রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে বলিলেন, আমি যদি শহীদ হয়ে যাই তাহলে আমি কোথায় থাকব বলে আপনি মনে করেন? তিনি বলিলেন, জান্নাতে। তখন ঐ ব্যক্তি হাতের খেজুরগুলো ছুঁড়ে ফেললেন, এরপর তিনি লড়াই করিলেন, এমনকি শহীদ হয়ে গেলেন। [বোখারী পর্ব ৬৪ অধ্যায় ১৭ হাদীস নং ৪০৪৬; মুসলিম ৩৩/৪১, - [অক্ষম ব্যক্তিদের উপর থেকে জিহাদের অপরিহার্যতা রহিত হওয়ার বিধান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অক্ষম-ব্যক্তিদের-উপর-থেক/) - ১২৪০. বারা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, لاَ يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ আয়াতটি নাযিল হলে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] যায়দ [রাদি.]-কে ডেকে আনলেন। তিনি কোন জন্তুর একটি চওড়া হাড় নিয়ে আসেন এবং তাতে উক্ত আয়াতটি লিখে রাখেন। ইবনি উম্মু মাকতুম জিহাদে শরীক হওয়ার ব্যাপারে তাহাঁর অক্ষমতা প্রকাশ করলে فَنَزَلَتْ لاَ يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ غَيْرُ أُولِي - [আল্লাহ তাআলার রাস্তায় যোদ্ধাদেরকে যানবাহন ইত্যাদি দ্বারা সাহায্য করা ও যোদ্ধাদের অনুপস্থিতিতে উত্তমভাবে তাহাদের পরিবারের খবর নেয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ-তাআলার-রাস্তায়-য/) - ১২৩৯. যায়দ ইবনি খালিদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র পথে জিহাদকারীর আসবাবপত্র সরবরাহ করিল সে যেন জিহাদ করিল। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র পথে কোন জিহাদকারীর পরিবার-পরিজনকে উত্তমরূপে দেখাশোনা করিল, সেও যেন জিহাদ করিল। [বোখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ৩৮ হাদীস নং ২৮৪৩; মুসলিম ৩৩/৩৮ হাঃ ১৮৯৫] - [ঐ দু লোকের বর্ণনা যাদের একজন অপরজনকে হত্যা করিল এবং দুজনই জান্নাতে প্রবেশ করিল।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঐ-দু-লোকের-বর্ণনা-যাদের-এক/) - ১২৩৮. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, দুব্যক্তির প্রতি আল্লাহ্ সন্তুষ্ট থাকিবেন। তারা একে অপরকে হত্যা করে উভয়েই জান্নাতবাসী হইবে। একজন তো এ কারণে জান্নাতবাসী হইবে যে, সে আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করে শহীদ হয়েছে। অতঃপর আল্লাহ্ তাআলা হত্যাকারীর তাওবা কবুল করিয়াছেন। ফলে সেও আল্লাহ্‌র রাস্তায় শহীদ বলে গণ্য হয়েছে। [বোখারী পর্ব ৫৬ - [জিহাদের ও পাহারা দেয়ার ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জিহাদের-ও-পাহারা-দেয়ার-ফ/) - ১২৩৭. আবু সাঈদ খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]! মানুষের মধ্যে কে উত্তম? আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেন, সেই মুমিন যে নিজ জান ও মাল দিয়ে আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করে। সাহাবীগণ বলিলেন, অতঃপর কে? তিনি বলিলেন, সেই মুমিন আল্লাহ্‌র ভয়ে যে পাহাড়ের কোন গুহায় অবস্থান নেয় এবং স্বীয় অনিষ্ট - [আল্লাহ্‌র রাস্তায় সকাল-সন্ধ্যা [অতিবাহিত] করার ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ্র-রাস্তায়-সকাল/) - ১২৩৪. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, আল্লাহ্‌র রাস্তায় একটি সকাল কিংবা একটি বিকাল অতিবাহিত করা দুনিয়া ও তাতে যা কিছু আছে, তার চেয়ে উত্তম। [বোখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ৫ হাদীস নং ২৭৯২; মুসলিম ৩৩/৩০ হাঃ ১৮৮০] ১২৩৫. সাহ্‌ল ইবনি সাদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেন, আল্লাহ্‌র রাস্তায় একটি সকাল কিংবা - [আল্লাহ্ তাআলার রাস্তায় শাহাদাত লাভ করার ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ্-তাআলার-রাস্তায়/) - ১২৩২. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, জান্নাতে প্রবেশের পর একমাত্র শহীদ ব্যতীত আর কেউ দুনিয়ায় ফিরে আসার আকাঙক্ষা করিবে না, যদিও দুনিয়ার সকল জিনিস তার নিকট থাকিবে। সে দুনিয়ায় ফিরে আসার আকাঙক্ষা করিবে যেন দশবার শহীদ হয়। কেননা সে শাহাদাতের মর্যাদা দেখেছে । [বোখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ২১ হাদীস নং ২৮১৭; - [জিহাদ ও আল্লাহ্‌র রাস্তায় বের হওয়ার ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জিহাদ-ও-আল্লাহ্র-রাস্তা/) - ১২২৯. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় বের হয়, যদি সে শুধু আল্লাহর উপর ঈমান এবং তাহাঁর রসূল গণের প্রতি ঈমানের কারণে বের হয়ে থাকে, তবে আল্লাহ্ তাআলা ঘোষণা দেন যে, আমি তাকে তার পুণ্য বা গনীমত [ও বাহন] সহ ঘরে ফিরিয়ে আনব কিংবা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাব। - [ক্বিয়ামাত পর্যন্ত ঘোড়ার কপালে মঙ্গল ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ক্বিয়ামাত-পর্যন্ত-ঘোড়া/) - ১২২৬. আবদুল্লাহ্ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, ঘোড়ার কপালের কেশগুচ্ছে কল্যাণ আছে কিয়ামত অবধি । [বোখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ৪৩ হাদীস নং ২৮৪৯; মুসলিম ৩৩/২৬ হাঃ ১৮৭১] ১২২৭. উরওয়াহ বারিকী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, ঘোড়ার কপালের কেশ গুচ্ছে কল্যাণ রয়েছে কিয়ামত পর্যন্ত। অর্থাৎ [আখিরাতের] পুরস্কার এবং গনীমতের - [ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা এবং প্রতিযোগিতার জন্য প্রশিক্ষণ দান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঘোড়দৌড়-প্রতিযোগিতা-এবং/) - ১২২৫. আবদুল্লাহ্ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] যুদ্ধের জন্যে তৈরি ঘোড়াকে হাফ্‌য়া [নামক স্থান] হইতে সানিয়াতুল ওয়াদা পর্যন্ত দৌড় প্রতিযোগিতা করিয়েছিলেন। আর যে ঘোড়া যুদ্ধের জন্যে তৈরি নয়, সে ঘোড়াকে সানিয়া হইতে যুরাইক গোত্রের মাসজিদ পর্যন্ত দৌঁড় প্রতিযোগিতা করিয়েছিলেন। আর এই প্রতিযোগিতায় আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.]। অগ্রগামী ছিলেন। [বোখারী পর্ব ৮ অধ্যায় - [কাফিরদের ভূমিতে কুরআন মাজীদ নিয়ে সফর নিষিদ্ধ, যখন তাহাদের হস্তগত হওয়ার ভয় থাকে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কাফিরদের-ভূমিতে-কুরআন-মা/) - ১২২৪. আবদুল্লাহ্ ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] কুরআন সঙ্গে নিয়ে শত্রু-দেশে সফর করিতে নিষেধ করিয়াছেন । [বোখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ১২৯ হাদীস নং ২৯৯০; মুসলিম ৩৩/২৪, হাঃ ১৮৬৯] - [প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার বয়স।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রাপ্তবয়স্ক-হওয়ার-বয়/) - ১২২৩. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ উহুদ যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর নিকট তাকে [ইবনি উমরকে] পেশ করিলেন, তখন তিনি চৌদ্দ বছরের বালক। [ইবনি উমার বলেন] তখন তিনি আমাকে [যুদ্ধে গমনের] অনুমতি দেননি। পরে খন্দকের যুদ্ধে তিনি আমাকে পেশ করিলেন এবং অনুমতি দিলেন। তখন আমি পনের বছরের যুবক। [বোখারী পর্ব ৫২ অধ্যায় ১৮ হাদীস নং ২৬৬৪; - [সাধ্যানুযায়ী শোনা ও আনুগত্য করার উপর বাইআত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সাধ্যানুযায়ী-শোনা-ও-আনু/) - ১২২২. আবদুল্লাহ্ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-এর কাছে তাহাঁর কথা শোনা ও তাহাঁর আনুগত্যের বায়আত গ্রহণ করতাম, তখন তিনি আমাদের বলিতেনঃ যা তোমার সাধ্যের মধ্যে। [বোখারী পর্ব ৯৩ অধ্যায় ৪৩ হাদীস নং ৭২০২; মুসলিম ৩৩/২২, হাঃ ১৮৬৭] - [মহিলাদের বাইআতের (ইসলামী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানের বা খলিফার আনুগত্বের শপথ পাঠ বা আনুগত্যের চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক আনুগত্য) পদ্ধতি।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মহিলাদের-বাইআতের-আনুগত্/) - ১২২১. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, ঈমানদার মহিলারা যখন হিজরাত করে নাবী [সাঃআঃ]-এর কাছে আসত, তখন তিনি আল্লাহ্‌র নির্দেশ- “হে ঈমানদারগণ! কোন ঈমানদার মহিলা হিজরাত করে তোমাদের কাছে আসলে তোমরা তাহাদেরকে যাচাই কর”…… অনুসারে তাহাদেরকে যাচাই করিতেন। আয়েশা [রাযিঃ] বলেনঃ ঈমানদার মহিলাদের মধ্যে যারা [আয়াতে উল্লেখিত] শর্তাবলী মেনে নিত, তারা পরীক্ষায় কৃতকার্য হত। তাই - [মাক্কাহ বিজয়ের পর ইসলাম, জিহাদ ও ভাল কাজ করার উপর বাইয়াত গ্রহণ এবং ফতহে মাক্কাহ্‌র পর আর কোন হিজরাত নেই- এর অর্থের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাক্কাহ-বিজয়ের-পর-ইসলাম/) - ১২১৮. মুজাশি ইবনি মাসউদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আবু মাবাদ [রাদি.] [মুজালিদ] কে নিয়ে নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট গেলাম যেন তিনি তাহাঁর নিকট হইতে হিজরাতের জন্য বাইআত গ্রহণ করেন। তখন তিনি [সাঃআঃ] বলিলেন, হিজরাতকারীদের জন্য হিজরাত অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। আমি তার নিকট হইতে ইসলাম ও জিহাদের জন্য বাইআত গ্রহণ করব। {বর্ণনাকারী আবু উসমান নাহদী - [মুহাজিরীনদের তাহাদের পূর্বের বাসস্থানে বসতি স্থাপন হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুহাজিরীনদের-তাহাদের-পূর/) - ১২১৭. সালামাহ ইবনিল আকওয়া [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ একবার হাজ্জাজ আমার কাছে আসলেন। তখন তিনি তাঁকে বলিলেন, হে ইবনি আক্ওয়া! আপনি সাবেক অবস্থায় প্রত্যাবর্তন করিলেন না কি যে বেদুঈন সুলভ জীবন যাপন করিতে শুরু করিয়াছেন? তিনি বলিলেন, না। বরং রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] আমাকে বেদুঈন সুলভ জীবন যাপনের অনুমতি প্রদান করিয়াছেন । [বোখারী পর্ব ৯২ অধ্যায় ১৪ হাদীস - [যুদ্ধ করিতে ইচ্ছে করার পূর্বে সৈন্যদের নিকট হইতে সেনাপতির বাইআত গ্রহণ মুস্তাহাব এবং বৃক্ষের নিচে বাইআতে রিযওয়ানের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যুদ্ধ-করিতে-ইচ্ছে-করার-পূ/) - ১২১৩. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] হুদাইবিয়াহ্‌র যুদ্ধের দিন আমাদেরকে বলেছেন, পৃথিবীবাসীদের মধ্যে তোমরাই সর্বোত্তম। সেদিন আমরা ছিলাম চৌদ্দশ। আজ আমি যদি দেখতাম, তাহলে আমি তোমাদেরকে সে গাছের জায়গাটি দেখিয়ে দিতাম। [বোখারী পর্ব ৬৪ অধ্যায় ৩৬ হাদীস নং ৪১৫৪; মুসলিম ৩৩/১৮, হাঃ ১৮৫৬] ১২১৪. মুসাইয়্যাব [ইবনি হায্‌ন] [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ - [ফিত্না প্রকাশ পাওয়ার সময় [মুসলিমদের] জামাআতবদ্ধ থাকার অপরিহার্যতা এবং কুফুরীর প্রতি আহ্বান থেকে সতর্কীকরণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফিত্না-প্রকাশ-পাওয়ার-সম/) - ১২১১. হুযাইসলামিক ফাউন্ডেশনহ ইবনি ইয়ামান [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ লোকজন নাবী [সাঃআঃ]-কে কল্যাণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিতেন আর আমি তাঁকে অকল্যাণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতাম; এই ভয়ে যেন আমি ঐ সবের মধ্যে পড়ে না যাই। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]! আমরা জাহিলীয়্যাতে অকল্যাণকর অবস্থায় জীবন যাপন করতাম অতঃপর আল্লাহ আমাদের এ কল্যাণ দান করিয়াছেন। এ কল্যাণকর অবস্থার - [কর্তৃপক্ষের অত্যাচার ও অন্যায়ভাবে অন্যদেরকে প্রাধান্য দানের ক্ষেত্রে ধৈর্যধারণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কর্তৃপক্ষের-অত্যাচার-ও-অ/) - ১২১০. উসায়দ ইবনি হুযায়র [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ একজন আনসারী বলিলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ], আপনি কি আমাকে অমুকের ন্যায় দায়িত্বে নিয়োজিত করবেন না? তিনি [সাঃআঃ] বলিলেন, তোমরা আমার ওফাতের পর অপরকে অগ্রাধিকার দেওয়া দেখিতে পাবে, তখন তোমরা ধৈর্যধারণ করিবে অবশেষে আমার সাথে সাক্ষাৎ করিবে এবং তোমাদের সাথে সাক্ষাতের স্থান হল হাউয। [বোখারী পর্ব ৬৩ অধ্যায় - [পর্যায়ক্রমে খালীফাদের আনুগত্য করা বা মান্য করার প্রতি নির্দেশ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পর্যায়ক্রমে-খালীফাদের-আ/) - ১২০৮. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, বানী ইসরাঈলের নাবীগণ তাঁদের উম্মাতকে শাসন করিতেন। যখন কোন একজন নাবী মারা যেতেন, তখন অন্য একজন নাবী তাহাঁর স্থলাভিসিক্ত হইতেন। আর আমার পরে কোন নাবী নেই। তবে অনেক খলীফাহ্ হইবে। সাহাবীগণ আরয করিলেন, হে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]! আপনি আমাদেরকে কী নির্দেশ করছেন? তিনি বলিলেন, তোমরা একের - [পাপকর্ম ছাড়া আমীরের আনুগত্য করা ওয়াজিব ও পাপকর্মে আনুগত্য হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পাপকর্ম-ছাড়া-আমীরের-আনু/) - ১২০৩. ইবনি আব্বাস হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেন যে, [আরবী] আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে আবদুল্লাহ ইবনি হুযাফাহ ইবনি ক্বায়স ইবনি আদী সম্পর্কে যখন তাঁকে নাবী [সাঃআঃ] একটি সৈন্য দলের দলনায়ক করে প্রেরণ করেছিলেন। [বোখারী পর্ব ৬৫ অধ্যায় ১১ হাদীস নং ৪৫৮৪, মুসলিম ৩৩/৮, হাঃ ১৮৩৪] ১২০৪. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমার - [কর্মচারীর হাদিয়া (উপঢৌকন / উপহার) গ্রহণ হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কর্মচারীর-হাদিয়া-গ্রহণ/) - ১২০২. আবু হুমায়দ সাঈদী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] এক ব্যক্তিকে রাজস্ব আদায়কারী নিযুক্ত করে পাঠালেন। সে কাজ শেষ করে তাহাঁর কাছে এসে বলিল, হে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]! এটা আপনার জন্য আর এ জিনিসটি আমাকে হাদিয়া দেয়া হয়েছে। রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] তাকে বললেনঃ তুমি তোমার মা-বাবার ঘরে বসে রইলে না কেন? তা হলে তোমার - [গুলুল বা বণ্টনের পূর্বে গানীমাতের মাল থেকে চুরি করা কঠোরভাবে হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/গুলুল-বা-বণ্টনের-পূর্বে-গ/) - ১২০১. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] আমাদের মাঝে দাঁড়ান এবং গনীমতের মাল আত্মসাৎ প্রসঙ্গে আলোচনা করেন। আর তিনি তার মারাত্মক অপরাধ ও তার ভয়াবহ পরিণতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলিলেন, আমি তোমাদের কাউকে যেন এ অবস্থায় ক্বিয়ামাতের দিন না পাই যে, তাহাঁর কাঁধে বকরী বয়ে বেড়াচ্ছে আর তা ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে চিৎকার দিচ্ছে। - [ন্যায়বিচারক ইমামের মর্যাদা ও স্বেচ্ছাচারী শাসকের অপকারিতা ও প্রজাদের প্রতি নম্রতার প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং তাহাদেরকে [প্রজাদেরকে] কষ্টে ফেলা নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ন্যায়বিচারক-ইমামের-মর্য/) - ১১৯৯. আবদুল্লাহ ইবনি উমার[রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। কাজেই প্রত্যেকেই নিজ অধীনস্থদের বিষয়ে জিজ্ঞাসার সম্মুখীন হইবে। যেমন- জনগণের শাসক তাহাদের দায়িত্বশীল, কাজেই সে তাহাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হইবে। একজন পুরুষ তার পরিবার পরিজনদের দায়িত্বশীল, কাজেই সে তাহাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হইবে। স্ত্রী স্বামীর ঘরের এবং তার সন্তানের দায়িত্বশীল, কাজেই সে তাহাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত - [নেতৃত্ব চাওয়া ও তার প্রতি লালায়িত হওয়া নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নেতৃত্ব-চাওয়া-ও-তার-প্রত/) - ১১৯৭. আবদুর রহমান ইবনি সামুরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বললেনঃ হে আবদুর রহমান ইবনি সামুরাহ! তুমি নেতৃত্ব চেয়ো না। কেননা, চাওয়ার পর যদি নেতৃত্ব পাও তবে এর দিকে তোমাকে সোপর্দ করে দেয়া হইবে। আর যদি না চেয়ে তা পাও তবে তোমাকে এর জন্য সাহায্য করা হইবে। [বোখারী পর্ব ৮৩ অধ্যায় ১ হাদীস নং ৬৬২২; - [কাউকে খালীফা নিযুক্ত করা বা তা বাদ দেয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কাউকে-খালীফা-নিযুক্ত-করা/) - ১১৯৬. আবদুল্লাহ্ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, উমার [রাদি.]-কে বলা হল, আপনি কি [আপনার পরবর্তী] খলীফা মনোনীত করে যাবেন না? তিনি বললেনঃ যদি আমি খলীফা মনোনীত করি, তাহলে আমার চেয়ে যিনি শ্রেষ্ঠ ছিলেন তিনি খলীফা মনোনীত করে গিয়েছিলেন, অর্থাৎ আবু বকর [রাদি.]। আর যদি মনোনীত না করি, তাহলে আমার চেয়ে যিনি শ্রেষ্ঠ ছিলেন - [মানুষদের উপর কুরাইশদের প্রাধান্য এবং খিলাফাত বা প্রতিনিধিত্ব হইবে কুরাইশদের মধ্যে থেকে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মানুষদের-উপর-কুরাইশদের-প/) - ১১৯৩. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, খিলাফত ও নেতৃত্বের ব্যাপারে সকলেই কুরাইশের অনুগত থাকিবে। মুসলিমগণ তাহাদের মুসলিমদের এবং কাফিররা তাহাদের কাফিরদের অনুগত। [বোখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ১ হাদীস নং ৩৪৯৫; মুসলিম ৩৩/১, হাঃ ১৮১৮] ১১৯৪. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেন, এ বিষয় [খিলাফত ও শাসন ক্ষমতা] সর্বদাই - [মানুষ তার সাথে যাকে সে ভালবাসে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মানুষ-তার-সাথে-যাকে-সে-ভাল/) - ১৬৯৩. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ এক ব্যক্তি নাবী [সাঃআঃ]-কে জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল ! ক্বিয়ামাত কবে হইবে? তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি এর জন্য কী জোগাড় করেছ? সে বললঃ আমি এর জন্য তো অধিক কিছু সলাত, সওম এবং সদাকাহ আদায় করিতে পারিনি। কিন্তু আমি আল্লাহ ও তাহাঁর রসূল কে ভালবাসি। তিনি বললেনঃ - [আল্লাহ তাআলা যখন কোন বান্দাকে ভালবাসেন তখন তাকে অন্য বান্দাদের নিকটেও প্রিয় বানিয়ে দেন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ-তাআলা-যখন-কোন-বান্/) - ১৬৯২. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহ্ যখন কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন তিনি জিব্রীল [আঃ] কে ডেকে বলেন, আল্লাহ্ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তাই তুমিও তাকে ভালবাস। সুতরাং জিব্রীল [আঃ] তাকে ভালবাসেন। তারপর জিব্রীল [আ.] আসমানে এ ঘোষণা করে দেন যে, আল্লাহ্ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তোমরাও তাকে ভালবাস। তখন তাকে আসমানবাসীরা ভালবাসে এবং - [সন্তানের মৃত্যুতে সওয়াবের আশায় ধৈর্য ধারণের ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সন্তানের-মৃত্যুতে-সওয়াব/) - ১৬৮৯. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ কোন মুসলিমের তিনটি [নাবালিগ] সন্তান মারা গেল, তবুও সে জাহান্নামে প্রবেশ করিবে, এমন হইবে না। তবে কেবল কসম পূর্ণ হওয়ার পরিমাণ পর্যন্ত। [বোখারী পর্ব ২৩ অধ্যায় ৬ হাদীস নং ১২৫১; মুসলিম ৪৫ অধ্যায় ৪৭, হাঃ ২৬৩২] ১৬৯০. আবু সাঈদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, জনৈকা মহিলা - [কন্যাদের প্রতি ইহসান করার মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কন্যাদের-প্রতি-ইহসান-করা/) - ১৬৮৮. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক মহিলা দুটি শিশু কন্যা সঙ্গে করে আমার নিকট এসে কিছু চাইলো। আমার নিকট একটি খেজুর ব্যতীত অন্য কিছু ছিল না। আমি তাকে তা দিলাম। সে নিজে না খেয়ে খেজুরটি দুভাগ করে কন্যা দুটিকে দিয়ে দিল। এরপর মহিলাটি বেরিয়ে চলে গেলে নাবী [সাঃআঃ] আমাদের নিকট আসলেন। তাহাঁর নিকট - [সৎ লোকদের সাথে বসা এবং খারাপ লোক থেকে দূরে থাকা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সৎ-লোকদের-সাথে-বসা-এবং-খার/) - ১৬৮৭. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ সৎসঙ্গী ও অসৎ সঙ্গীর উপমা হল, কস্তুরী বহনকারী ও কামারের হাপরের ন্যায়। মৃগ-কস্তুরী বহনকারী হয়ত তোমাকে কিছু দান করিবে কিংবা তার নিকট হইতে তুমি কিছু ক্রয় করিবে কিংবা তার নিকট হইতে তুমি লাভ করিবে সুবাস। আর কামারের হাপর হয়ত তোমার কাপড় পুড়িয়ে দেবে কিংবা তুমি তার - [হারাম নয় এমন বিষয়ে সুপারিশ করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হারাম-নয়-এমন-বিষয়ে-সুপা/) - ১৬৮৬. আবু মূসা আশআরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর নিকট কেউ কিছু চাইলে বা প্রয়োজনীয় কিছু চাওয়া হলে তিনি বলিতেনঃ তোমরা সুপারিশ কর সওয়াব প্রাপ্ত হইবে, আল্লাহ তাহাঁর ইচ্ছে তাহাঁর নাবীর মুখে চূড়ান্ত করেন। [বোখারী পর্ব ২৪ অধ্যায় ২১ হাদীস নং ৬০২৭; মুসলিম ৪৫ অধ্যায় ৪৪, হাঃ ২৫৮৫] - [প্রতিবেশীর প্রতি ইহসান করার বিশেষ উপদেশ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রতিবেশীর-প্রতি-ইহসান-ক/) - ১৬৮৪. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আমাকে জিব্রীল [আঃ] সব সময় প্রতিবেশী সম্পর্কে অসীয়ত করে থাকেন। আমার মনে হতো যেন, তিনি প্রতিবেশীকে ওয়ারিস বানিয়ে দিবেন। [বোখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় ২৮ হাদীস নং ৬০১৪; মুসলিম ৪৫ অধ্যায় ৪২, হাঃ ২৬২৪] ১৬৮৫. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ জিব্রীল [আঃ] বরাবরই আমাকে প্রতিবেশী - [বিড়াল জাতীয় যে প্রাণী ক্ষতি করে না তাকে শাস্তি দেয়া হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিড়াল-জাতীয়-যে-প্রাণী-ক/) - ১৬৮৩. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেন, এক নারীকে একটি বিড়ালের কারণে আযাব দেয়া হয়েছিল। সে বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছিল। সে অবস্থায় বিড়ালটি মরে যায়। মহিলাটি ঐ কারণে জাহান্নামে গেল। কেননা সে বিড়ালটিকে খানা-পিনা কিছুই করাইনি এবং ছেড়েও দেয়নি যাতে সে যমীনের পোকা-মাকড় খেয়ে বেঁচে থাকত । [বোখারী পর্ব ৬০ অধ্যায় ৫৪ - [রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক জিনিস সরানোর ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রাস্তা-থেকে-কষ্টদায়ক-জি/) - ১৬৮২. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ এক ব্যক্তি রাস্তা দিয়ে চলার সময় রাস্তায় একটি কাঁটাযুক্ত ডাল দেখিতে তা সরিয়ে ফেলল। আল্লাহ তাআলা তার এ কাজ সাদরে কবুল করে তার গুনাহ ক্ষমা করে দিলেন। [বোখারী পর্ব ১০ অধ্যায় ৩২ হাদীস নং ৬৫২; মুসলিম পর্ব ৪৫, হাঃ ১৯১৪] - [কোন মুসলিমের দিকে অস্ত্র দ্বারা ইশারা করা নিষেধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কোন-মুসলিমের-দিকে-অস্ত্র/) - ১৬৮১. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন তার অপর কোন ভাইয়ের প্রতি অস্ত্র উত্তোলন করে ইশারা না করে। কেননা সে জানে না হয়ত শয়তান তার হাতে ধাক্কা দিয়ে বসবে, ফলে [এক মুসলিমকে হত্যার অপরাধে] সে জাহান্নামের গর্তে নিপতিত হইবে। [বোখারী পর্ব ৯২ অধ্যায় ৭ হাদীস নং ৭০৭২; মুসলিম ৪৫ অধ্যায় - [মাসজিদে, বাজারে বা যেখানে লোকজন একত্রিত তার মধ্য দিয়ে অস্ত্র নিয়ে অতিক্রমকারী ব্যক্তির প্রতি অস্ত্রের ধারালো দিক ধরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাসজিদে-বাজারে-বা-যেখানে/) - ১৬৭৯. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি তীর সাথে করে মাসজিদে নববী অতিক্রম করছিল। তখন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] তাকে বললেনঃ এর ফলাগুলো হাত দিয়ে ধরে রাখ। [বোখারী পর্ব ৮ অধ্যায় ৬৬ হাদীস নং ৪৫১; মুসলিম ৪৫ অধ্যায় ৩৪, হাঃ ২৬১৪] ১৬৮০. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমাদের কেউ - [মুখমণ্ডল বা চেহারায় মারা নিষেধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুখমণ্ডল-বা-চেহারায়-মার/) - ১৬৭৮. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যখন যুদ্ধ করিবে, তখন সে যেন মুখমণ্ডলে আঘাত করা হইতে বিরত থাকে। [বোখারী পর্ব ৪৯ অধ্যায় ২০ হাদীস নং ২৫৫৯; মুসলিম ৪৫ অধ্যায় ৩২ হাঃ ২৬১২] - [রাগের সময় যে নিজেকে সংবরণ করিতে পারবে তার মর্যাদা এবং কিসে রাগ দূরীভূত হয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রাগের-সময়-যে-নিজেকে-সংবর/) - ১৬৭৬. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ প্রকৃত বীর সে নয়, যে কাউকে কুস্তিতে হারিয়ে দেয়। বরং সেই প্রকৃত বাহাদুর, যে ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করিতে সক্ষম। [বোখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় ৭৬ হাদীস নং ৬১১৪; মুসলিম ৪৫ অধ্যায় ৩০, হাঃ ২৬০৯] ১৬৭৭. সুলাইমান ইবনি সুরাদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ একবার নাবী [সাঃআঃ]-এর - [মিথ্যার অপকারিতা, সত্যের সৌন্দর্য ও তার মর্যাদার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মিথ্যার-অপকারিতা-সত্যের/) - ১৬৭৫. আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ সত্য নেকীর দিকে পরিচালিত করে আর নেকী জান্নাতের দিকে পৌঁছায়। আর মানুষ সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে অবশেষে সিদ্দীক-এর দরজা লাভ করে। আর মিথ্যা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায়, পাপ তাকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। আর মানুষ মিথ্যা কথা বলিতে বলিতে অবশেষে আল্লাহ্‌র কাছে মহামিথ্যাচারী রূপে সাব্যস্ত হয়ে - [মিথ্যা বলা হারাম তবে তা কোন্ ক্ষেত্রে বৈধ তার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মিথ্যা-বলা-হারাম-তবে-তা-কো/) - ১৬৭৪. উম্মু কুলসুম বিনতে উকবাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছেন, সে ব্যক্তি মিথ্যাচারী নয়, যে মানুষের মধ্যে মীমাংসা করার জন্য ভালো কথা পৌঁছে দেয় কিংবা ভালো কথা বলে। [বোখারী পর্ব ৫৩ অধ্যায় ২ হাদীস নং ২৬৯২; মুসলিম ৪৫ অধ্যায় ২৭ হাঃ ২৬০৫] - [প্রকৃতপক্ষে দোষী এমন কোন ব্যক্তিকে যদি নাবী (সাঃ) লানাত করেন অথবা গালি দেন অথবা তার উপর বদদুআ করেন তাহলে সেটা তার জন্য পবিত্রতা, প্রতিদান ও দয়ায় পরিগণিত হইবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রকৃতপক্ষে-দোষী-এমন-কোন/) - ১৬৭৩. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি নাবী [সাঃআঃ]-কে এ দুআ করিতে শুনেছেনঃ اللهُمَّ! فَأَيُّمَا مُؤْمِنٍ سَبَبْتُهُ، فَاجْعَلْ ذَلِكَ لَهُ قُرْبَةً إِلَيْكَ، يَوْمَ القِيَامَةِ হে আল্লাহ! যদি আমি কোন মুমিন ব্যক্তিকে মন্দ বলে থাকি, তবে আপনি সেটাকে ক্বিয়ামাতের দিন তার জন্য আপনার নৈকট্য অর্জনের উপায় বানিয়ে দিন। [বোখারী পর্ব ৮০ অধ্যায় ৩৪ হাদীস নং ৬৩৬১; - [অশ্লীলতা থেকে বাঁচার জন্য নম্রতা অবলম্বন করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অশ্লীলতা-থেকে-বাঁচার-জন্/) - ১৬৭২. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ একবার এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] -এর নিকট আসার অনুমতি চাইলে তিনি বললেনঃ তাকে অনুমতি দাও। সে বংশের নিকৃষ্ট ভাই অথবা বললেনঃ সে গোত্রের নিকৃষ্ট সন্তান। লোকটি ভিতরে আসলে তিনি তার সাথে নম্রভাবে কথাবার্তা বলিলেন। তখন আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল ! আপনি এ ব্যক্তি সম্পর্কে যা বলার তা বলেছেন। পরে - [মুমিনদের পরস্পর পরস্পরের প্রতি দয়া, সহযোগিতা ও সহানুভূতি করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুমিনদের-পরস্পর-পরস্পরের/) - ১৬৭০. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ একজন মুমিন আরেকজন মুমিনের জন্যে ইমারতস্বরূপ, যার এক অংশ অপর অংশকে শক্তিশালী করে থাকে। এ বলে তিনি তার হাতের আঙুলগুলো একটার মধ্যে আর একটা প্রবেশ করালেন। [বোখারী পর্ব ৮ অধ্যায় ৮৮ হাদীস নং ৪৮১; মুসলিম ৫৪ অধ্যায় ১৭, হাঃ ২৫৮৫] ১৬৭১. নুমান ইবনি বাশীর [রাদি.] হইতে - [ভাইকে সাহায্য কর সে যালিম হোক অথবা মাযলুম হোক।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ভাইকে-সাহায্য-কর-সে-যালিম/) - ১৬৬৯. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক যুদ্ধে আমরা উপস্থিত ছিলাম। এ সময় এক মুহাজির এক আনসারীর নিতম্বে আঘাত করিলেন। তখন আনসারী হে আনসারী ভাইগণ! বলে সাহায্য প্রার্থনা করিলেন এবং মুহাজির সাহাবী, ওহে মুহাজির ভাইগণ! বলে সাহায্য প্রার্থনা করিলেন। রসূল [সাঃআঃ] তা শুনে বলিলেন, কী খবর, জাহিলী যুগের মত ডাকাডাকি করছ কেন? - [যুল্ম করা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যুল্ম-করা-হারাম।/) - ১৬৬৬. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, যুল্ম কিয়ামতের দিন অনেক অন্ধকারের রূপ ধারণ করিবে। [বোখারী পর্ব ৪৬ অধ্যায় ৮ হাদীস নং ২৪৪৭; মুসলিম ৪৫ অধ্যায় ১৫ হাঃ ২৫৭৯] ১৬৬৭. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, মুসলমান মুসলমানের ভাই। সে তার উপর যুল্ম করিবে না এবং তাকে যালিমের হাতে - [মুমিন ব্যক্তি কোন অসুখে পড়লে অথবা চিন্তাগ্রস্ত হলে অথবা এ জাতীয় কোন বিপদে পড়লে এমনকি যদি তার কাঁটাও ফুটে তাহলে এর বিনিময়ে তাকে সওয়াব দেয়া হইবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুমিন-ব্যক্তি-কোন-অসুখে-প/) - ১৬৬১. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর চেয়ে অধিক রোগ যাতনা ভোগকারী অন্য কাউকে দেখিনি। [বোখারী পর্ব ৭৫ অধ্যায় ২ হাদীস নং ৫৬৪৬; মুসলিম ৪৫ অধ্যায় ১৪, হাঃ ২৫৭০] ১৬৬২. আবদুল্লাহ ইবনি মাসউদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর কাছে গেলাম। তখন তিনি জ্বরে ভুগছিলেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল - [কারো প্রতি খারাপ ধারণা করা, গোয়েন্দাগিরি করা, দোষ-ত্রুটি অনে¦ষণ করা ও দালালি করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কারো-প্রতি-খারাপ-ধারণা-কর/) - ১৬৬০. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমরা অনুমান থেকে বেঁচে থেকো। কারণ অনুমান বড় মিথ্যা ব্যাপার। আর কারো দোষ অনুসন্ধান করো না, গোয়েন্দাগিরী করো না, একে অন্যকে ধোঁকা দিও না, আর পরস্পর হিংসা করো না, একে অন্যের প্রতি বিদ্বেষভাব পোষণ করো না এবং পরস্পর বিরুদ্ধাচরণ করো না। বরং সবাই আল্লাহ্‌র বান্দা ভাই - [শারয়ী ওযর ব্যতীত কারো সাথে তিনদিনের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন রাখা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শারয়ী-ওযর-ব্যতীত-কারো-সা/) - ১৬৫৯. আবু আইউব আনসারী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির জন্য হালাল নয় যে, সে তার ভাই-এর সাথে তিন দিনের অধিক এমনভাবে সম্পর্ক ছিন্ন রাখবে যে, দুজনে সাক্ষাৎ হলেও একজন এদিকে আর অপরজন সে দিকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। তাহাদের মধ্যে যে সর্বপ্রথম সালামের সূচনা করিবে, সেই উত্তম ব্যক্তি। [বোখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় ৬২ - [হিংসা, ঘৃণা ও কথা বলা নিষেধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হিংসা-ঘৃণা-ও-কথা-বলা-নিষেধ/) - ১৬৫৮. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমরা একে অন্যের প্রতি বিদ্বেষভাব পোষণ করো না, পরস্পর হিংসা করো না, পরস্পর বিরুদ্ধাচরণ করো না। তোমরা সবাই আল্লাহ্‌র বান্দা ভাই ভাই হয়ে থেকো। কোন মুসলিমের জন্য তিন দিনের অধিক তার ভাইকে পরিত্যাগ করে থাকা জায়িয নয়। [বোখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় ৫৭ হাদীস নং ৬০৬৫; - [আত্মীয়তার সম্পর্ক ও তা বিচ্ছিন্ন করা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আত্মীয়তার-সম্পর্ক-ও-তা-ব/) - ১৬৫৫. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেন, আল্লাহ্ তাআলা সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করেন। এ থেকে তিনি নিস্ক্রান্ত হলে রাহিম [রক্ত সম্পর্কে] দাঁড়িয়ে পরম করুণাময়ের আঁচল টেনে ধরল। তিনি তাকে বলিলেন, থামো। সে বলিল, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারী লোক থেকে আশ্রয় চাওয়ার জন্যই আমি এখানে দাঁড়িয়েছি। আল্লাহ্ বলিলেন, যে তোমাকে সম্পর্কযুক্ত রাখে, আমিও তাকে সম্পর্কযুক্ত রাখব; - [নফল সলাত বা এ জাতীয় ইবাদাতের উপর মাতাপিতার প্রতি সদাচরণকে অগ্রাধিকার দেয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নফল-সলাত-বা-এ-জাতীয়-ইবাদা/) - ১৬৫৪. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেন, তিনজন শিশু ছাড়া আর কেউ দোলনায় থেকে কথা বলেনি। বানী ইসরাঈলের এক ব্যক্তি যাকে জুরাইজ নামে ডাকা হতো। একদা ইবাদাতে রত থাকা অবস্থায় তার মা এসে তাকে ডাকল। সে ভাবল আমি কি তার ডাকে সাড়া দেব, না সলাত আদায় করিতে থাকব। তার মা বলিল, হে আল্লাহ্! - [মাতাপিতার প্রতি সদাচরণ এবং তাঁরা দুজনই এর বেশি হকদার।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাতাপিতার-প্রতি-সদাচরণ-এ/) - ১৬৫২. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ এক লোক রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল ! আমার কাছে কে উত্তম ব্যবহার পাওয়ার অধিক হকদার? তিনি বললেনঃ তোমার মা। লোকটি বললঃ তারপর কে? নাবী [সাঃআঃ] বললেনঃ তোমার মা। সে বললঃ তারপর কে? তিনি বলিলেন, তোমার মা। সে বললঃ তারপর কে? তিনি বললেনঃ তারপর তোমার - [বিনা ভাড়ায় জমিতে চাষ করিতে দেয়া ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিনা-ভাড়ায়-জমিতে-চাষ-কর/) - ৯৯৮. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বর্গাচাষ নিষেধ করেননি। তবে তিনি বলেছেন, তোমাদের কেউ তার ভাইকে জমি দান করুক, এটা তার জন্য তার ভাইয়ের কাছ হইতে নির্দিষ্ট উপার্জন গ্রহণ করার চেয়ে উত্তম। [বোখারী পর্ব ৪১: /১০, হাঃ ২৩৩০; মুসলিম ২১/২১, হাঃ ১৫৫০] লুলু ওয়াল মারজান -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [খাদ্যের বিনিময়ে আবাদি জমি ভাড়া দেয়া ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খাদ্যের-বিনিময়ে-আবাদি-জ/) - ৯৯৭. যুহাইর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একটি কাজ আমাদের উপকারী ছিল, যা করিতে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] আমাদের নিষেধ করিলেন। আমি বললাম, আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] যা বলেছেন তাই সঠিক। যুহাইর [রাদি.] বলিলেন, আমাকে ডেকে জিজ্ঞেস করিলেন, তোমরা তোমাদের ক্ষেত-খামার কিভাবে চাষাবাদ কর? আমি বললাম, আমরা নদীর তীরের ফসলের শর্তে অথবা খেজুর ও যবের নির্দিষ্ট কয়েক - [জমি ভাড়া দেয়া ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জমি-ভাড়া-দেয়া-।/) - ৯৯৩. জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে কিছু লোকের অতিরিক্ত ভূসম্পত্তি ছিল। তারা পরস্পর পরামর্শ করে ঠিক করিল যে, এগুলো তারা তিন ভাগের এক ভাগ, চার ভাগের এক ভাগ বা অর্ধেক হিসাবে ইজারা দিবে। এ কথা শুনে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলিলেন, কারো অতিরিক্ত জমি থাকলে হয় সে নিজেই চাষ করিবে, কিংবা তার ভাইকে - [মুহাক্বলা, মুযা-বানাহ ও মুখাবারাহ নিষিদ্ধ হওয়া এবং ফল উপযোগী হওয়ার পূর্বে বিক্রয় করা এবং বাইয়ে মুআওয়ামা আর তা হচ্ছে বাইয়ে সীনি-ন ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুহাক্বলা-মুযা-বানাহ-ও-মু/) - ৯৯২. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] মুখাবারা, মুহাকালা ও শুকনো খেজুরের বিনিময়ে গাছের খেজুর বিক্রি করিতে এবং ফল উপযুক্ত হওয়ার আগে তা বিক্রি করিতে নিষেধ করিয়াছেন। গাছে থাকা অবস্থায় ফল দীনার এবং দিরহামের বিনিময়ে ছাড়া যেন বিক্রি করা না হয়। তবে আরায়্যার অনুমতি দিয়েছেন। [বোখারী পর্ব ৪২ : /১৭, হাঃ - [যে ব্যক্তি গাছে ফল থাকা অবস্থায় খেজুর গাছ বিক্রি করিল ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-গাছে-ফল-থাকা-অব/) - ৯৯১. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, কেউ তাবীর করার পরে খেজুর গাছ বিক্রি করলে সে ফলের মালিক থাকিবে, অবশ্য ক্রেতা যদি [ফল লাভের] শর্ত করে, তবে সে পাবে। [বোখারী পর্ব ৩৪: /৯০, হাঃ ২২০৪; মুসলিম ২১/১৫, হাঃ ১৫৪৩] লুলু ওয়াল মারজান -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [শুকনো খেজুরের বিনিময়ে রুতাব বা তাজা খেজুর বিক্রয় নিষিদ্ধ তবে আরায়্যা ব্যতীত ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শুকনো-খেজুরের-বিনিময়ে-র/) - ৯৮৫. যায়দ ইবনি সাবিত [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] আরিয়্যাহ এর মালিককে তা অনুমানে বিক্রি করার অনুমতি প্রদান করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৩৪ : /৮২, হাঃ ২১৮৮; মুসলিম ২১/১৪, হাঃ ১৫৩৪] লুলু ওয়াল মারজান -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৯৮৬. সাহল ইবনি আবু হাসমাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] শুকনো খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর - [কেটে নেয়ার শর্ত ব্যতীত ফল উপযোগী হওয়ার পূর্বে বিক্রয় নিষিদ্ধ ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কেটে-নেয়ার-শর্ত-ব্যতীত-ফ/) - ৯৮২. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] ফলের উপযোগিতা প্রকাশ হওয়ার আগে তা বিক্রি করিতে ক্রেতা ও বিক্রেতাকে নিষেধ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৩৪: /৮৫, হাঃ ২১৯৪; মুসলিম ২১/১৩, হাঃ ১৫৩৪] লুলু ওয়াল মারজান -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৯৮৩. জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] উপযোগী হওয়ার আগে ফল বিক্রি - [যে বিক্রয়ে ধোঁকা দেয় ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-বিক্রয়ে-ধোঁকা-দেয়-।/) - ৯৮১. আব্দুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ এক সাহাবী নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট উল্লেখ করিলেন যে, তাকে ক্রয়-বিক্রয়ে ধোঁকা দেয়া হয়। তখন তিনি বলিলেন, যখন তুমি ক্রয়-বিক্রয় করিবে তখন বলে নিবে কোন প্রকার ধোঁকা নেই। [বোখারী পর্ব ৩৪: /৪৮, হাঃ ২১১৭; মুসলিম ২১/১২, হাঃ ১৫৩৩] লুলু ওয়াল মারজান -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [বেচাকেনায় ও বর্ণনা দেয়ায় সত্য বলা ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বেচাকেনায়-ও-বর্ণনা-দেয়/) - ৯৮০. হাকীম ইবনি হিযাম [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, ক্রেতা-বিক্রেতা যতক্ষণ পরস্পর বিচ্ছিন্ন না হয়, ততক্ষণ তাহাদের ইখতিয়ার থাকিবে [ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন করা বা বাতিল করা]। যদি তারা সত্য বলে এবং অবস্থা ব্যক্ত করে তবে তাহাদের ক্রয়-বিক্রয়ে বরকত হইবে আর যদি মিথ্যা বলে এবং দোষ গোপন করে তবে তাহাদের ক্রয়-বিক্রয়ের বরকত মুছে ফেলা হয়। - [উভয়ের সংযোগ ত্যাগ করার পূর্বে ক্রেতা ও বিক্রেতার ক্রয়-বিক্রয় বাতিল করার সুযোগ আছে ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উভয়ের-সংযোগ-ত্যাগ-করার-প/) - ৯৭৮. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, ক্রেতা-বিক্রেতা প্রত্যেকের একে অপরের উপর ইখতিয়ার থাকিবে, যতক্ষণ তারা বিচ্ছিন্ন না হইবে। তবে খিয়ারের শর্তে ক্রয়-বিক্রয়ে [বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরও ইখতিয়ার থাকিবে]। [বোখারী পর্ব ৩৪ : /৪৪, হাঃ ২১১১; মুসলিম ২১/১০, হাঃ ১৫৩১] লুলু ওয়াল মারজান -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৯৭৯. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে - [মাল হস্তগত করার পূর্বে বিক্রয় বাতিল ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাল-হস্তগত-করার-পূর্বে-বি/) - ৯৭৫. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] যা নিষেধ করিয়াছেন, তা হল অধিকারে আনার পূর্বে খাদ্য বিক্রয় করা। ইবনি আব্বাস [রাদি.] বলেন, আমি মনে করি, প্রত্যেক পণ্যের ব্যাপারে অনুরূপ নির্দেশ প্রযোজ্য হইবে। [বোখারী পর্ব ৩৪ : /৫৫, হাঃ ২১৩৫; মুসলিম ২১/৮, হাঃ ১৫২৫] লুলু ওয়াল মারজান -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৯৭৬. - [শহরবাসীর জন্য গ্রাম্য লোকের পক্ষে বিক্রয় করা হারাম ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শহরবাসীর-জন্য-গ্রাম্য-লো/) - ৯৭৩. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, তোমরা পণ্যবাহী কাফেলার সাথে [শহরে প্রবেশের পূর্বে সস্তায় পণ্য খরিদের উদ্দেশ্যে] সাক্ষাৎ করিবে না এবং শহরবাসী যেন গ্রামবাসীর পক্ষে বিক্রয় না করে। রাবী তাউস [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, আমি ইবনি আব্বাস [রাদি.]-কে জিজ্ঞেস করলাম, শহরবাসী যেন গ্রামবাসীর পক্ষে বিক্রয় না করে, তাহাঁর এ কথার - [অন্যায় সুবিধা লাভের উদ্দেশ্যে পথিমধ্যে বণিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার নিষিদ্ধতা ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অন্যায়-সুবিধা-লাভের-উদ্/) - ৯৭২. আবদুল্লাহ ইবনি মাসউদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যে ব্যক্তি [স্তন্যে] দুধ আটকিয়ে রাখা বকরী ক্রয় করে তা ফেরত দিতে চায়, সে যেন এর সঙ্গে এক সাআ পরিমাণ খেজুরও দেয়। আর নাবী [সাঃআঃ] [পণ্য ক্রয় করার জন্য] বণিক দলের সাথে [শহরে প্রবেশের পূর্বে পথিমধ্যে] সাক্ষাৎ করিতে নিষেধ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৩৪ : /৬৪, হাঃ - [কোন ভাইয়ের দামদর করার উপর দামদর করা, কোন ভাই এর ক্রয়ের বিরুদ্ধে ক্রয় করা, ঠকানো ও পালানে দুধ জমা করার নিষিদ্ধতা ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কোন-ভাইয়ের-দামদর-করার-উপ/) - ৯৬৯. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন তার ভাইয়ের ক্রয়-বিক্রয়ের উপর ক্রয় না করে। [বোখারী পর্ব ৩৪: /৫৮, হাঃ ২১৩৯; মুসলিম ২১/৪, হাঃ ১৪১২] লুলু ওয়াল মারজান -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৯৭০. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, তোমরা [পণ্যবাহী] কাফেলার সাথে [শহরে প্রবেশের - [পশুর পেটে আছে এমন বাচ্চা বিক্রয় হারাম ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পশুর-পেটে-আছে-এমন-বাচ্চা-ব/) - ৯৬৮. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] গর্ভস্থিত বাচ্চার গর্ভের প্রসবের মেয়াদের উপর বিক্রি নিষেধ করিয়াছেন। এ এক ধরনের বিক্রয়, যা জাহিলিয়াতের যুগে প্রচলিত ছিল। কেউ এ শর্তে উটনী ক্রয় করত যে, এই উটনীটি প্রসব করিবে পরে ঐ শাবক তার গর্ভ প্রসব করার পর তার মূল্য দেয়া হইবে। [বোখারী পর্ব ৩৪: /৬১, - [স্পর্শ ও নিক্ষেপের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় বাতিল হওয়া ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/স্পর্শ-ও-নিক্ষেপের-মাধ্য/) - ৯৬৫. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] স্পর্শ ও নিক্ষেপের পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৩৪ : /৬৩, হাঃ ২১৪৬; মুসলিম ২১/১, হাঃ ১৫১১] লুলু ওয়াল মারজান -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৯৬৬. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, দু [দিনের] সওম ও দু [প্রকারের] ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করা হয়েছে, - [আল্লাহ্‌র রসুল (সাঃ) যাকে হত্যা করেন তার উপর আল্লাহ ভীষণ রাগান্বিত হন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ্র-রসুল-সাঃ-যাকে-হ/) - ১১৭১. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাহাঁর দন্তের প্রতি ইশারা করে বলছেন, যে সম্প্রদায় তাহাদের নাবী [সাঃআঃ]র সঙ্গে এরূপ আচরণ করেছে তাহাদের প্রতি আল্লাহ্‌র গযব অত্যন্ত ভয়াবহ এবং আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] যে ব্যক্তিকে আল্লাহ্‌র পথে হত্যা করিয়াছেন তার প্রতিও আল্লাহ্‌র গযব অত্যন্ত ভয়ানক। বোখারী পর্ব ৬৪ অধ্যায় ২৪ হাদীস নং ৪০৭৩; - [উহূদের যুদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উহূদের-যুদ্ধ।/) - ১১৬৯. সাহ্‌ল [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তাকে উহূদের দিনে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর আঘাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তিনি বলিলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর মুখমণ্ডল আহত হল এবং তাহাঁর সামনের দুটি দাঁত ভেঙ্গে গেল, তাহাঁর মাথার শিরস্ত্রাণ ভেঙ্গে গেল। ফাতিমাহ [রাদি.] রক্ত ধুচ্ছিলেন আর আলী [রাদি.] পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন। তিনি যখন দেখিতে পেলেন যে, রক্ত পড়া বাড়ছেই, তখন একটি - [হুদাইবিয়াহ্‌র প্রান্তরে হুদাইবিয়াহ্‌র সন্ধি।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হুদাইবিয়াহ্র-প্রান্তর/) - ১১৬৭. বারা ইবনি আযিব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] হুদাইবিয়াহ্‌তে [মক্কাহ্‌বাসীদের সঙ্গে] সন্ধি করার সময় আলী [রাদি.] উভয় পক্ষের মাঝে এক চুক্তিপত্র লিখলেন। তিনি লিখলেন, মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]। মুশরিকরা বলিল, মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] লিখবে না। আপনি রসূল [সাঃআঃ] হলে আপনার সঙ্গে লড়াই করতাম না? তখন তিনি আলীকে বলিলেন, ওটা মুছে - [কাবা গৃহের আশপাশ থেকে মূর্তি সরানো।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কাবা-গৃহের-আশপাশ-থেকে-মূর/) - ১১৬৬. আবদুল্লাহ ইবনি মাসউদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] যখন [বিজয়ীর বেশে] মক্কায় প্রবেশ করেন, তখন কাবা শরীফের চারপাশে তিনশ ষাটটি মূর্তি ছিল। নাবী [সাঃআঃ] নিজের হাতের লাঠি দিয়ে মূর্তিগুলোকে আঘাত করিতে থাকেন আর বলিতে থাকেনঃ “সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, [আয়াতের শেষ পর্যন্ত]” [সূরাহ বানী ইসরা ১৭/৮১]। বোখারী পর্ব ৪৬ অধ্যায় - [তায়েফের যুদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তায়েফের-যুদ্ধ।/) - ১১৬৫. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তায়িফ অবরোধ করিলেন। কিন্তু তাহাদের নিকট হইতে কিছুই হাসিল করিতে পারেননি। তাই তিনি বলিলেন, ইনশাআল্লাহ আমরা [অবরোধ উঠিয়ে মাদীনাহ্‌র দিকে] ফিরে যাব। কথাটি সাহাবীদের মনে ভারী লাগল। তাঁরা বলিলেন, আমরা চলে যাব, তায়িফ বিজয় করব না? বর্ণনাকারী একবার কাফিলুন শব্দের স্থলে নাকফুলো [অর্থাৎ আমরা - [হুনায়নের যুদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হুনায়নের-যুদ্ধ।/) - ১১৬৩. বারা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তাকে এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করিল, হে আবু উমারা! হুনায়নের দিন আপনারা কি পলায়ন করেছিলেন? তিনি বলিলেন, না, আল্লাহ্‌র কসম, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] পলায়ন করেননি। বরং তাহাঁর কিছু সংখ্যক নওজোয়ান সাহাবী হাতিয়ার ছাড়াই অগ্রসর হয়ে গিয়েছিলেন। তারা বানূ হাওয়াযিন ও বানূ নাসর গোত্রের সুদক্ষ তীরন্দাজদের সম্মুখীন হন। তাহাদের কোন তীরই লক্ষ্যভ্রষ্ট - [ইসলামের দাওয়াত দিয়ে হিরাক্লিয়াসের নিকট নাবী (সাঃ)-এর পত্র।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইসলামের-দাওয়াত-দিয়ে-হি/) - ১১৬২. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আবু সুফ্ইয়ান [রাদি.] আমাকে সামনাসামনি হাদীস শুনিয়েছেন। আবু সুফ্ইয়ান [রাদি.] বলেন, আমাদের আর রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির মেয়াদকালে আমি ভ্রমণে বের হয়েছিলাম। আমি তখন সিরিয়ায় অবস্থান করছিলাম। তখন নাবী [সাঃআঃ]-এর পক্ষ থেকে হিরাক্লিয়াসের নিকট একখানা পত্র পৌঁছান হল। দাহ্ইয়াতুল কালবী এ চিঠিটা বুসরার শাসককে দিয়েছিলেন। এরপর - [শত্রুদের ভূমি থেকে খাদ্য নেয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শত্রুদের-ভূমি-থেকে-খাদ্য/) - ১১৬১. আবদুল্লাহ্ ইবনি মুগাফ্‌ফাল [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা খাইবার দূর্গ অবরোধ করেছিলাম। কোন এক লোক একটি থলে ফেলে দিল; তাতে ছিল চর্বি। আমি তা নিতে উদ্যত হলাম। হঠাৎ দেখি যে, নাবী [সাঃআঃ] দাঁড়িয়ে আছেন। এতে আমি লজ্জিত হয়ে পড়লাম। বোখারী পর্ব ৫৭ অধ্যায় ২০ হাদীস নং ৩১৫৩; মুসলিম ৩২/২৫ হাঃ ১৭৭২ - [বিভিন্ন এলাকা বিজয়ের মাধ্যমে ধনাঢ্য হওয়ার পর আনসারদের দেয়া বৃক্ষ ও ফলের উপহার মুহাজিরগণ কর্তৃক ফিরিয়ে দেয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিভিন্ন-এলাকা-বিজয়ের-মা/) - ১১৫৯. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, মাক্কাহ হইতে মাদীনাহ্‌ হিজরাতের সময় মুহাজিরদের হাতে কোন কিছু ছিল না। অন্যদিকে আনসারগণ ছিলেন জমি ও ভূসম্পত্তির অধিকারী। তাই আনসারগণ এ শর্তে মুহাজিরদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিলেন যে, প্রতি বছর তারা [মুহাজিররা]-এর উৎপন্ন ফল ও ফসলের একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ তাহাদের [আনসারদের] দিবেন আর তারা এ কাজে - [দুটি বিষয়ের মধ্যে অধিক জরুরী বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দুটি-বিষয়ের-মধ্যে-অধিক-জ/) - ১১৫৮. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] আহযাব যুদ্ধ হইতে ফিরার পথে আমাদেরকে বলিলেন, বনূ কুরাইযা এলাকায় পৌঁছার পূর্বে কেউ যেন আসর সলাত আদায় না করে। কিন্তু অনেকের রাস্তাতেই আসরের সময় হয়ে গেল, তখন তাহাদের কেউ কেউ বলিলেন, আমরা সেখানে না পৌঁছে সলাত আদায় করব না। আবার কেউ কেউ বলিলেন, আমরা সলাত - [চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর তা ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা এবং ন্যায়নিষ্ঠ ব্যক্তির মধ্যস্থতায় দূর্গের লোকেদের আত্মসমর্পণ করানো জায়িয।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/চুক্তিবদ্ধ-হওয়ার-পর-তা-ভ/) - ১১৫৫. আবু সাঈদ খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন বনী কুরায়যার ইয়াহূদীরা সাদ ইবনি মাআয [রাদি.]-এর ফায়সালা মুতাবিক দুর্গ থেকে বেরিয়ে আসে, তখন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] তাঁকে ডেকে পাঠান। আর তিনি তখন ঘটনাস্থলের কাছেই ছিলেন। তখন সাদ একটি গাধার পিঠে আরোহণ করে আসলেন। যখন তিনি কাছে আসলেন, তখন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলিলেন, তোমরা তোমাদের - [হিজাজ থেকে ইয়াহূদীদের বিতাড়ন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হিজাজ-থেকে-ইয়াহূদীদের-ব/) - ১১৫৩. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদা আমরা মসজিদে ছিলাম। হঠাৎ রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] আমাদের কাছে বেরিয়ে এসে বললেনঃ তোমরা ইয়াহূদীদের কাছে চল। আমি তাহাঁর সঙ্গে বের হয়ে পড়লাম এবং বায়তুল-মিদ্‌রাস নামক শিক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে পৌঁছলাম। তখন নাবী [সাঃআঃ] দাঁড়িয়ে তাহাদেরকে সম্বোধন করে বললেনঃ হে ইয়াহূদী সম্প্রদায়! তোমরা মুসলিম হয়ে যাও, নিরাপদ থাকিবে। তারা বলিল, - [বন্দীকে বেঁধে রাখা এবং তাকে আটকে রাখা এবং তার প্রতি অনুগ্রহ করা বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বন্দীকে-বেঁধে-রাখা-এবং-তা/) - ১১৫২. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] একদল অশ্বারোহী সৈন্য নজদের দিকে পাঠিয়েছিলেন। তারা সুমামাহ ইবনি উসাল নামক বনু হানীফার এক লোককে ধরে আনলেন এবং মাসজিদে নববীর একটি খুঁটির সঙ্গে তাকে বেঁধে রাখলেন। তখন নাবী [সাঃআঃ] তার কাছে গিয়ে বলিলেন, ওহে সুমামা! তোমার কাছে কেমন মনে হচ্ছে? সে উত্তর দিল, হে মুহাম্মাদ! - [নাবী (সাঃ)-এর বাণী (আমাদের সম্পদের কেউ উত্তরাধিকারী হইবে না, আমরা যা ছেড়ে যাই তা হচ্ছে সদাকাহ)।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-বাণী-আমাদের-সম/) - ১১৪৮. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আমাদের কোন উত্তরাধিকারী হইবে না। আমরা যা কিছু রেখে যাব সবই হইবে সদাকাহ স্বরূপ। বোখারী পর্ব ৮৫ অধ্যায় ৩ হাদীস নং ৬৭৩০; মুসলিম ৩২/১৬ হাঃ ১৭৫৭ ১১৪৯. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ]-এর কন্যা ফাতিমাহ [রাদি.] আবু বকর -এর নিকট রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর পরিত্যক্ত সম্পত্তি মাদীনাহ ও ফাদকে - [ফাইয়ের মালের বিধান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফাইয়ের-মালের-বিধান।/) - ১১৪৬. উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, বনূ নযীরের সম্পদ আল্লাহ তাআলা তাহাঁর রসূল [সাঃআঃ]-কে ফায় হিসেবে দান করেছিলেন। এতে মুসলিমগণ অশ্ব বা সাওয়ারী চালনা করেনি। এ কারণে তা আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর জন্য নির্দিষ্ট ছিল। এ সম্পদ থেকে নাবী [সাঃআঃ] তাহাঁর পরিবারকে এক বছরের খরচ দিয়ে দিতেন এবং বাকী আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদের প্রস্তুতির জন্য হাতিয়ার - [যুদ্ধে নিহত ব্যক্তির মালামালের অধিকতর হকদার হচ্ছে হত্যাকারী।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যুদ্ধে-নিহত-ব্যক্তির-মাল/) - ১১৪৪. আবু ক্বাতাদাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, হুনাইনের বছর আমরা আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে বের হলাম। আমরা যখন শত্রুর সম্মুখীন হলাম, তখন মুসলিম দলের মধ্যে দৌড়াদৌড়ি শুরু হল। এমন সময় আমি মুশরিকদের এক ব্যক্তিকে দেখলাম, সে একজন মুসলমানের উপর চেপে বসেছে। আমি ঘুরে তার পেছনের দিক দিয়ে এসে তরবারী দ্বারা তার ঘাড়ের রগে আঘাত - [যুদ্ধলব্ধ সম্পদ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যুদ্ধলব্ধ-সম্পদ।/) - ১১৪২. আবদুল্লাহ্ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] নাজদের দিকে একটি সেনাদল পাঠালেন, যাদের মধ্যে আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.]-ও ছিলেন। এ যুদ্ধে গনীমত হিসেবে তাঁরা বহু উট লাভ করেন। তাঁদের প্রত্যেকের ভাগে এগারোটি কিংবা বারটি করে উট পড়েছিল এবং তাঁদেরকে পুরস্কার হিসেবে আরো একটি করে উট দেয়া হয়। বোখারী পর্ব ৫৭ অধ্যায় ১৫ - [বিশেষভাবে এ উম্মাতের জন্য গানীমাতের মাল হালাল।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিশেষভাবে-এ-উম্মাতের-জন্/) - ১১৪১.আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, কোন একজন নাবী [আলাইহি ওয়া সাল্লাম] জিহাদ করেছিলেন। তিনি তাহাঁর সম্প্রদায়কে বলিলেন, এমন কোন ব্যক্তি আমার অনুসরণ করিবে না, যে কোন মহিলাকে বিবাহ করেছে এবং তার সঙ্গে মিলিত হওয়ার ইচ্ছে রাখে, কিন্তু সে এখনো মিলিত হয়নি। এমন ব্যক্তিও না যে ঘর তৈরি করেছে কিন্তু তার - [কাফিরদের বৃক্ষ কর্তন ও জ্বালিয়ে দেয়া জায়িয।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কাফিরদের-বৃক্ষ-কর্তন-ও-জ্/) - ১১৪০. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বুওয়াইরাই নামক জায়গায় বনু নাযীর গোত্রের যে খেজুর গাছ ছিল তার কিছু জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন এবং কিছু কেটে ফেলেছিলেন। এ সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়ঃ مَا قَطَعْتُمْ مِنْ لِينَةٍ أَوْ تَرَكْتُمُوهَا قَائِمَةً عَلَى أُصُولِهَا فَبإِذْنِ اللهِ “তোমরা যে খেজুর গাছগুলি কেটে ফেলেছ অথবা যেগুলো কান্ডের উপর ঠিক রেখে - [নৈশ আক্রমণে অনিচ্ছায় নারী ও শিশুদের হত্যা জায়িয।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নৈশ-আক্রমণে-অনিচ্ছায়-না/) - ১১৩৯. সাব ইবনি জাস্‌সামাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] আবওয়া অথবা ওয়াদ্দান নামক স্থানে আমার কাছ দিয়ে অতিক্রম করেন। তখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হল, যে সকল মুশরিকদের সঙ্গে যুদ্ধ হচ্ছে, যদি রাত্রিকালীন আক্রমণে তাহাদের মহিলা ও শিশুরা নিহত হয়, তবে কী হইবে? আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেন, তারাও তাহাদেরই অন্তর্ভুক্ত। বোখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় - [যুদ্ধে নারী ও শিশুদের হত্যা করা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যুদ্ধে-নারী-ও-শিশুদের-হত্/) - ১১৩৮. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর এক যুদ্ধে এক নারীকে নিহত অবস্থায় পাওয়া যায়। তখন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] নারী ও শিশুদের হত্যায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বোখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ১৪৭ হাদীস নং ৩০১৪; মুসলিম ৩২/৮ হাঃ ১৭৪৪ - [শত্রুর সম্মুখীন হওয়ার ইচ্ছে করা অপছন্দনীয় এবং মোকাবেলার সময় ধৈর্য ধারণের নির্দেশ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শত্রুর-সম্মুখীন-হওয়ার-ই/) - ১১৩৬. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেন, তোমরা শত্রুর মুখোমুখী হওয়ার ব্যাপারে ইচ্ছে পোষণ করিবে না। আর যখন তোমরা তাহাদের মুখোমুখী হইবে তখন ধৈর্য অবলম্বন করিবে। বোখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ১৫৬ হাদীস নং ৩০২৬; মুসলিম ৩২/৬ হাঃ ১৭৪১ ১১৩৭. আবদুল্লাহ্ ইবনি আবু আওফাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি হারুরিয়ার দিকে অভিযানে বের হওয়ার সময় - [যুদ্ধে (শত্রুপক্ষকে) ধোঁকা দেয়া জায়িয।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যুদ্ধে-শত্রুপক্ষকে-ধোঁক/) - ১১৩৪. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, যুদ্ধ হচ্ছে কৌশল। বোখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ১৫৭ হাদীস নং ৩০৩০; মুসলিম ৩২/৫ হাঃ ১৭৩৯ ১১৩৫. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] যুদ্ধকে কৌশল নামে অভিহিত করিয়াছেন। বোখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ১৫৭ হাদীস নং ৩০২৯; মুসলিম ৩২/৫ হাঃ ১৭৪০ - [বিশ্বাসঘাতকতা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিশ্বাসঘাতকতা-হারাম।/) - ১১৩২.ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ প্রতিজ্ঞা ভঙ্গকারীর জন্য ক্বিয়ামাত দিবসে একটা পতাকা স্থাপন করা হইবে। আর বলা হইবে যে, এটা অমুকের পুত্র অমুকের বিশ্বাসঘাতকতার নিদর্শন। বোখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় ৯৯ হাদীস নং ৬১৭৮; মুসলিম ৩২/৪, হাঃ ১৭৬৫ ১১৩৩. আবদুল্লাহ ইবনি মাসউদ হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, প্রত্যেক ওয়াদা ভঙ্গকারীর জন্য ক্বিয়ামাতের - [সহজ আচরণের নির্দেশ ও অনীহা সৃষ্টি নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সহজ-আচরণের-নির্দেশ-ও-অনীহ/) - ১১৩০. আবু বুরদাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, তার দাদা আবু মূসা ও মুআয [রাদি.]-কে নাবী [সাঃআঃ] [শাসক হিসেবে] ইয়ামানে পাঠালেন। এ সময় তিনি বলিলেন, তোমরা লোকজনের সঙ্গে সহজ আচরণ করিবে। কখনো কঠিন আচরণ করিবে না। মানুষের মনে সুসংবাদের মাধ্যমে উৎসাহ সৃষ্টি করিবে। কখনো তাহাদের মনে অনীহা সৃষ্টি করিবে না এবং একে অপরকে মেনে চলবে। - [কাফিরদেরকে ইসলামের দাওয়াত দেয়ার পর তাহাদেরকে আক্রমণের সংবাদ না দিয়ে আক্রমণ জায়িয।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কাফিরদেরকে-ইসলামের-দাওয়/) - ১১২৯. আব্দুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বানী মুস্তালিক গোত্রের উপর অতর্কিতভাবে অভিযান পরিচালনা করেন। তাহাদের গবাদি পশুকে তখন পানি পান করানো হচ্ছিল। তিনি তাহাদের যুদ্ধক্ষমদের হত্যা এবং নাবালকদের বন্দী করেন এবং সেদিনই তিনি জুওয়ায়রিয়া [উম্মুল মুমিনীন]-কে লাভ করেন। {নাফি [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন} আবদুল্লাহ ইবনি উমার আমাকে এ সম্পর্কিত হাদীস শুনিয়েছেন। তিনি নিজেও - [যাতুর রিকার যুদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যাতুর-রিকার-যুদ্ধ।/) - ১১৯২. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, কোন যুদ্ধে আমরা নাবী [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে বের হলাম। আমরা ছিলাম ছয়জন। আমাদের কাছে ছিল মাত্র একটি উট। পালাক্রমে আমরা এর পিঠে চড়তাম। [হেঁটে হেঁটে] আমাদের পা ফেটে যায়। আমার পা দুখানাও ফেটে গেল, নখগুলো খসে পড়ল। এ কারণে আমরা পায়ে নেকড়া জড়িয়ে নিলাম। এ জন্য একে যাতুর - [নাবী (সাঃ)-এর যুদ্ধের সংখ্যা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-যুদ্ধের-সংখ্য/) - ১১৮৮. আবু ইসহাক [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ আবদুল্লাহ্ ইবনি ইয়াযীদ আনসারী [রাদি.] বের হলেন এবং, বারাআ ইবনি আযিব ও যায়দ ইবনি আরকাম [রাদি.] ও তাহাঁর সঙ্গে বের হলেন। তিনি মিম্বার ছাড়াই পায়ের উপরে দাঁড়িয়ে তাঁদের সঙ্গে নিয়ে বৃষ্টির জন্য দুআ করিলেন। অতঃপর ইস্তিগফার করে আযান ও ইকামাত ব্যতীত সশব্দে কিরাআত পড়ে দু রাকআত সলাত আদায় - [মহিলাদের পুরুষের পাশে থেকে যুদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মহিলাদের-পুরুষের-পাশে-থে/) - ১১৮৭. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, ওহোদ যুদ্ধের এক সময়ে সহাবায়ে কেরাম নাবী [সাঃআঃ] হইতে আলাদা হয়ে পড়েছিলেন। তখন আবু ত্বলহা ঢাল হাতে নিয়ে নাবী [সাঃআঃ]-এর সামনে প্রাচীরের মত দৃঢ় হয়ে দাঁড়ালেন। আবু ত্বলহা সুদক্ষ তীরন্দাজ ছিলেন। এক নাগাড়ে তীর ছুঁড়তে থাকায় তাহাঁর হাতে ঐদিন দু বা তিনটি ধনুক ভেঙ্গে যায়। ঐ সময় তীর - [যিকারাদের যুদ্ধ ইত্যাদি।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যিকারাদের-যুদ্ধ-ইত্যাদি।/) - ১১৮৬.সালামাহ ইবনি আকওয়া[রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, [একদা] আমি ফাজরের সলাতের আযানের আগে বাইরে বের হলাম। রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর দুধেল উটগুলোকে যি-কারাদ জায়গায় চরানো হতো। সালামাহ [রাদি.] বলেন, তখন আমার সঙ্গে আবদুর রহমান ইবনি আওফ [রাদি.]-এর গোলামের দেখা হলো। সে বলিল, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর দুধেল উটগুলো লুট করা হয়েছে। জিজ্ঞেস করলাম, কে ওগুলো লুট করেছে? সে বলিল, - [আহযাবের যুদ্ধ এবং তা হচ্ছে খান্দাক।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আহযাবের-যুদ্ধ-এবং-তা-হচ্ছ/) - ১১৮২. বারা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আহযাবের দিন আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে দেখেছি যে, তিনি মাটি বহন করছেন। আর তাহাঁর পেটের শুভ্রতা মাটি ঢেকে ফেলেছে। সে সময় তিনি আবৃত্তি করছিলেন, [হে আল্লাহ্] ঃ আপনি না হলে আমরা হিদায়াত পেতাম না; সদাকাহ দিতাম না এবং সলাত আদায় করতাম না। তাই আমাদের উপর শান্তি নাযিল করুন। - [খায়বারের যুদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খায়বারের-যুদ্ধ।/) - ১১৮০. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] খায়বার অভিযানে বের হয়েছিলেন। সেখানে আমরা খুব ভোরে ফাজরের সলাত আদায় করলাম। অতঃপর নাবী [সাঃআঃ] সওয়ার হলেন। আবু ত্বলহা [রাদি.]-ও সওয়ার হলেন, আর আমি আবু ত্বলহা[রাদি.]র পিছনে উপবিষ্ট ছিলাম। নাবী [সাঃআঃ] তাহাঁর সওয়ারীকে খায়বারের পথে চালিত করিলেন। আমার হাঁটু নাবী [সাঃআঃ]-এর উরুতে লাগছিল। অতঃপর নাবী - [ইয়াহূদীদের ত্বাগূত কাব বিন আশ্রাফকে হত্যা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইয়াহূদীদের-ত্বাগূত-কাব/) - ১১৭৯. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ একদা রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলিলেন, কাব ইবনি আশরাফের হত্যা করার জন্য কে প্রস্তুত আছ? কেননা, সে আল্লাহ্ ও তাহাঁর রসূল [সাঃআঃ]কে কষ্ট দিয়েছে। মুহাম্মাদ ইবনি মাসলামাহ [রাদি.] দাঁড়ালেন, এবং বলিলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]! আপনি কি চান যে, আমি তাকে হত্যা করি? তিনি বলিলেন, হাঁ। তখন মুহাম্মাদ ইবনি মাসলামাহ - [আবু জাহল হত্যা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আবু-জাহল-হত্যা।/) - ১১৭৮. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেন, [বাদরের দিন] নাবী [সাঃআঃ] বলিলেন, আবু জাহলের কী অবস্থা হল কেউ তা দেখিতে পার কি? তখন ইবনি মাসউদ [রাদি.] বের হলেন এবং দেখিতে পেলেন যে, আফরার দুই পুত্র তাকে এমনিভাবে মেরেছে যে, মুমূর্ষু অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে। রাবী বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবনি মাসউদ [রাদি.] তার দাড়ি ধরে বলিলেন, তুমিই - [নাবী (সাঃ) মুশরিক ও মুনাফিকদের নিকট থেকে যে দুঃখকষ্ট পেয়েছেন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-মুশরিক-ও-মুনাফিক/) - ১১৭২. আবদুল্লাহ ইবনি মাসউদ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ একদা আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] সাজদাহরত অবস্থায় ছিলেন। অন্য সূত্রে আহমাদ ইবনি উসমান [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]…..আবদুল্লাহ ইবনি মাসউদ বর্ণনা করেন যে, নাবী [সাঃআঃ] একদা বাইতুল্লাহ্ র পাশে সলাত আদায় করছিলেন এবং সেখানে আবু জাহাল ও তার সাথীরা বসা ছিল। এমন সময় তাহাদের একজন অন্যজনকে বলে উঠল তোমাদের - [বিনা প্রয়োজনে অধিক প্রশ্ন করা, গরীব ও অন্যান্যদের অধিকার আদায় না করা এবং হক্বদার না হয়ে কোন কিছু চাওয়া নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিনা-প্রয়োজনে-অধিক-প্রশ-2/) - ১১১৭. মুগীরাহ ইবনি শুবাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] ইরশাদ করিয়াছেন, আল্লাহ তাআলা তোমাদের উপর হারাম করিয়াছেন মায়ের নাফরমানী, কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেয়া, কারো প্রাপ্য না দেয়া এবং অন্যায়ভাবে কিছু নেয়া আর অপছন্দ করিয়াছেন অনর্থক বাক্য ব্যয়, অতিরিক্ত প্রশ্ন করা, আর মাল বিনষ্ট করা। [বোখারী পর্ব ৪৩ অধ্যায় ১৯ হাদীস নং ২৪০৮; - [দুদলের ঝগড়া বিচারক কর্তৃক মীমাংসা করে দেয়া মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দুদলের-ঝগড়া-বিচারক-কর্ত/) - ১১২২. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেন, এক লোক অপর লোক হইতে একখণ্ড জমি ক্রয় করেছিল। ক্রেতা খরিদকৃত জমিতে একটা স্বর্ণ ভর্তি ঘড়া পেল। ক্রেতা বিক্রেতাকে তা ফেরত নিতে অনুরোধ করে বলিল, কারণ আমি জমি ক্রয় করেছি, স্বর্ণ ক্রয় করিনি। বিক্রেতা বলিল, আমি জমি এবং এতে যা কিছু আছে সবই - [মুজতাহিদগণের মতভেদ প্রসঙ্গে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুজতাহিদগণের-মতভেদ-প্রসঙ/) - ১১২১. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেন, দুজন মহিলা ছিল। তাহাদের সাথে দুটি সন্তানও ছিল। হঠাৎ একটি বাঘ এসে তাহাদের একজনের ছেলে নিয়ে গেল। সঙ্গের একজন মহিলা বললো, “তোমার ছেলেটিই বাঘে নিয়ে গেছে।” অন্য মহিলাটি বললো, “না, বাঘে তোমার ছেলেটি নিয়ে গেছে।” অতঃপর উভয় মহিলাই দাউদ [আ.]-এর নিকট এ বিরোধ মীমাংসার জন্য - [বাতিল রায় ও নব-আবিষ্কৃত বিষয়াবলী প্রত্যাখ্যান করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বাতিল-রায়-ও-নব-আবিষ্কৃত-ব/) - ১১২০. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, কেউ আমাদের এ শরীয়াতে নাই এমন কিছুর অনুপ্রবেশ ঘটালে তা বাতিল। [বোখারী পর্ব ৫৩ অধ্যায় ৫ হাদীস নং ২৬৯৭; মুসলিম ৩০/৮ হাঃ ১৭১৮] এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [রাগান্বিত অবস্থায় বিচারকের বিচার করা অপছন্দনীয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রাগান্বিত-অবস্থায়-বিচার/) - ১১১৯. আবু বাক্‌রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন যে, আবু বাক্‌রাহ [রাদি.] তাহাঁর ছেলেকে লিখে পাঠালেন- সে সময় তিনি সিজিস্তানে অবস্থানরত ছিলেন যে, তুমি রাগের অবস্থায় বিবদমান দুব্যক্তির মাঝে ফায়সালা করো না। কেননা, আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, কোন বিচারক রাগের অবস্থায় দুজনের মধ্যে বিচার করিবে না। [বোখারী পর্ব ৯৩ অধ্যায় ১৩ হাদীস নং - [বিচারকের সওয়াব যখন সে সঠিক ফায়সালায় পৌঁছতে আপ্রাণ চেষ্টা করে- তার ফায়সালা ঠিক হোক বা ভুল হোক।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিচারকের-সওয়াব-যখন-সে-সঠ/) - ১১১৮. আম্‌র ইবনি আস হইতে বর্ণিতঃ তিনি রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-কে এ কথা বলিতে শুনেছেন, কোন বিচারক ইজ্‌তিহাদে সঠিক সিদ্ধান্ত নিলে তার জন্য রয়েছে দুটি পুরস্কার। আর যদি কোন বিচারক ইজ্‌তিহাদে ভুল করেন তার জন্যও রয়েছে একটি পুরস্কার। [বোখারী পর্ব ৯৬ অধ্যায় ২১ হাদীস নং ৭৩৫২; মুসলিম ৩০/৬, হাঃ ১৭১৬] এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [হিন্দার ফায়সালা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হিন্দার-ফায়সালা।/) - ১১১৫. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ হিন্‌দা বিন্‌ত উত্‌বা [রাদি.] বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]! আবু সুফ্ইয়ান একজন কৃপণ লোক। আমাকে এত পরিমাণ খরচ দেন না, যা আমার ও আমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট হইতে পারে যতক্ষণ না আমি তার অজান্তে মাল থেকে কিছু নিই। তখন তিনি বললেনঃ তোমার ও তোমার সন্তানের জন্য ন্যায়সঙ্গতভাবে যা যথেষ্ট হয় - [বাহ্যিক অবস্থার ভিত্তিতে ফায়সালা এবং যে ব্যক্তি তার যক্তি প্রদর্শনে বাকপটু।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বাহ্যিক-অবস্থার-ভিত্তিতে/) - ১১১৪. সালামাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, একদিন তিনি তাহাঁর ঘরের দরজার নিকটে ঝগড়ার শব্দ শুনতে পেয়ে তাহাদের নিকট বেরিয়ে আসলেন। {তাহাঁর -এর কাছে বিচার চাওয়া হল} তিনি বলিলেন, আমি তো একজন মানুষ। আমার কাছে [কোন কোন সময়] ঝগড়াকারীরা আসে। তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ অন্যের চেয়ে অধিক বাকপটু। তখন আমি মনে - [শপথ করার দায়িত্ব বাদীর।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শপথ-করার-দায়িত্ব-বাদীর।/) - ১১১৩. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ দুজন মহিলা একটি ঘর কিংবা একটি কক্ষে সেলাই করছিল। হাতের তালুতে সুই বিদ্ধ হয়ে তাহাদের একজন বেরিয়ে পড়ল এবং অপরজনের বিরুদ্ধে সুই ফুটিয়ে দেয়ার অভিযোগ করিল। এই ব্যাপারটি ইবনি আব্বাস [রাদি.]-এর নিকট পেশ করা হলে তিনি বলিলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলিলেন, যদি শুধুমাত্র দাবীর উপর ভিত্তি করে মানুষের দাবী পূরণ - [পোশাকে ধোঁকা বাজি করা এবং (স্বামী যে পোশাক) না দিয়েছে তার বড়াই করা নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পোশাকে-ধোঁকা-বাজি-করা-এবং/) - ১৩৭৯. আসমা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন যে, কোন একজন মহিলা বলিল, হে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]! আমার সতীন আছে। এখন তাকে রাগানোর জন্য যদি আমার স্বামী আমাকে যা দেয়নি তা বাড়িয়ে বলি, তাতে কি কোন দোষ আছে? রসূল [সাঃআঃ] বললেনঃ যা তোমাকে দেয়া হয়নি, তা দেয়া হয়েছে বলা ঐরূপ প্রতারকের কাজ, যে প্রতারণার জন্য দুপ্রস্থ - [পরচুলা লাগানোর কাজ করা বা নিজে লাগানো উলকির কাজ করা বা নিজে লাগানো, ভ্রু চিকন করা এবং আল্লাহ্‌র সৃষ্টির পরিবর্তন করা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পরচুলা-লাগানোর-কাজ-করা-বা/) - ১৩৭৫. আসমা বিন্তে আবু বকর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ এক মহিলা নাবী [সাঃআঃ]-কে জিজ্ঞেস করিল, হে আল্লাহর রসূল ! আমার এক মেয়ের বসন্ত রোগ হয়ে মাথার চুল পড়ে গেছে। আমি তাকে বিয়ে দিয়েছি। তার মাথায় কি পরচুলা লাগাব? তিনি বলেন, পরচুলা লাগিয়ে দেয় ও পরচুলা লাগিয়ে নেয় এমন নারীকে আল্লাহ অভিশাপ দিয়েছেন। [বোখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় - [রাস্তার উপর বসা নিষিদ্ধ এবং রাস্তার হক্ব আদায় করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রাস্তার-উপর-বসা-নিষিদ্ধ-এ/) - ১৩৭৪. আবু সাঈদ খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেন, তোমরা রাস্তার উপর বসা ছেড়ে দাও। লোকজন বলিল, এ ছাড়া আমাদের কোন পথ নেই। কেননা, এটাই আমাদের উঠাবসার জায়গা এবং এখানেই আমরা কথাবার্তা বলে থাকি। নাবী [সাঃআঃ] বলেন, যদি তোমাদের সেখানে বসতেই হয়, তবে রাস্তার হক আদায় করিবে। তারা বলিল, রাস্তার হক্ব কী? তিনি বলিলেন, - [মাথা মোড়ানোর পর এখানে ওখানে কিছু চুল ছেড়ে দেয়া মাকরূহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাথা-মোড়ানোর-পর-এখানে-ওখ/) - ১৩৭৩. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কাযা করিতে তথা মাথা মোড়ানোর পর স্থানে স্থানে চুল রেখে দিতে নিষেধ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৭৭ অধ্যায় ৭২ হাদীস নং ৫৯২১; মুসলিম ৩৭/৩১, হাঃ ২১২০] অলঙ্কার -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [পশুর গায়ে চিহ্ন লাগানো মুখ বাদ দিয়ে যাকাত ও জিযিয়ার পশুর চিহ্ন লাগানো উত্তম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পশুর-গায়ে-চিহ্ন-লাগানো-ম/) - ১৩৭২. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ উম্মু সুলাইম [রাদি.] যখন একটি সন্তান প্রসব করিলেন তখন আমাকে জানালেন, হে আনাস! শিশুটিকে দেখ, যেন সে কিছু না খায়, যতক্ষণ না তুমি একে নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট নিয়ে যাও, তিনি এর তাহনীক করবেন। আমি তাকে নিয়ে গেলাম। দেখলাম, তিনি একটি বাগানে আছেন, আর তাহাঁর পরনে হুরাইসিয়া নামের চাদর - [উটের গলায় ধনুকের রশির গোলাকার মাল্য পরানো মাকরূহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উটের-গলায়-ধনুকের-রশির-গো/) - ১৩৭১. আবু বাশীর আল-আনসারী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, কোন এক সফরে তিনি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে ছিলেন। [রাবী] আবদুল্লাহ্ বলেন, আমার মনে হয়, তিনি [আবু বাশীর আনসারী] বলেছেন যে, মানুষ শয্যায় ছিল। তখন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] একজন সংবাদ বহনকারীকে পাঠালেন যে, কোন উটের গলায় যেন ধনুকের রশির মালা কিংবা মালা না ঝুলে, আর ঝুললে - [যে ঘরে কুকুর ও ছবি আছে সে ঘরে মালাইকাহ প্রবেশ করে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ঘরে-কুকুর-ও-ছবি-আছে-সে-ঘর/) - ১৩৬৩. আবু ত্বলহা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি, যে বাড়িতে কুকুর থাকে আর প্রাণীর ছবি থাকে সেথায় ফেরেশতা প্রবেশ করে না। [বোখারী পর্ব ৫৯ অধ্যায় ৭ হাদীস নং ৩২২৫; মুসলিম ৩৭/২৬ হাঃ ২১০৬] অলঙ্কার -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১৩৬৪. আবু ত্বলহা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, যে - [রঙে ইয়াহূদীদের বিরোধিতা করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রঙে-ইয়াহূদীদের-বিরোধিতা/) - ১৩৬২. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, ইয়াহূদী ও নাসারারা রং লাগায় না। অতএব তোমরা তাহাদের বিপরীত কাজ কর। [বোখারী পর্ব ৬০ অধ্যায় ৫০ হাদীস নং ৩৪৬২; মুসলিম ৩৭/২৫ হাঃ ২১০৩] অলঙ্কার -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [পুরুষের জন্য জাফরান রং ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পুরুষের-জন্য-জাফরান-রং-ব্/) - ১৩৬১. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] পুরুষদের জাফরানী রং-এর কাপড় পরিধান করিতে নিষেধ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৭৭ অধ্যায় ৩৩ হাদীস নং ৫৮৪৬; মুসলিম ৩৭/২৩, হাঃ ২১০১] অলঙ্কার -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [চিত হয়ে এক পা আরেক পা-র উপর রেখে শোয়া বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/চিত-হয়ে-এক-পা-আরেক-পা-র-উপর/) - ১৩৬০. আবদুল্লাহ ইবনি যায়দ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে মাসজিদে চিত হয়ে এক পায়ের উপর আরেক পা রেখে শুয়ে থাকতে দেখেছেন। [বোখারী পর্ব ৮ অধ্যায় ৮৫ হাদীস নং ৪৭৫; মুসলিম ৩৭/২২, হাঃ ২১০০] অলঙ্কার -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [যখন জুতা পরবে তখন ডান পা এবং যখন জুতা খুলবে তখন বাম পা দ্বারা আরম্ভ করিবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যখন-জুতা-পরবে-তখন-ডান-পা-এব/) - ১৩৫৮. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ জুতা পরিধান করে তখন সে ডান দিক থেকে আরম্ভ করে, আর যখন খোলে তখন সে যেন বাম দিকে আরম্ভ করে, যাতে পরার বেলায় উভয় পায়ের মধ্যে ডান পা প্রথমে হয় এবং খোলার সময় শেষে হয়। [বোখারী পর্ব ৭৭ অধ্যায় ৩৯ হাদীস নং ৫৮৫৬; - [আংটি ছুঁড়ে ফেলে দেয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আংটি-ছুঁড়ে-ফেলে-দেয়া।/) - ১৩৫৭. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি একদিন রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর হাতে রূপার একটি আংটি দেখেছেন। তারপর লোকেরাও রূপার আংটি তৈরি করে এবং ব্যবহার করে। রাসূলুল্লাহ [সাঃ] পরে তাহাঁর আংটি পরিহার করেন। লোকেরাও তাহাদের আংটি পরিহার করে। [বোখারী পর্ব ৭৭ অধ্যায় ৪৭ হাদীস নং ৫৮৬৮; মুসলিম ৩৭/১৪, হাঃ ২০৯৩] অলঙ্কার -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [নাবী (সাঃ)-এর আংটি পরিধান করা, যখন তিনি অনারবদের নিকট পত্র লেখার ইচ্ছে করিলেন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-এর-আংটি-পরিধান-কর/) - ১৩৫৬. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] একখানা পত্র লিখলেন অথবা একখানা পত্র লিখতে ইচ্ছে পোষণ করিলেন। তখন তাঁকে বলা হল, তারা [রোমবাসী ও অনারবরা] সীলমোহর ব্যতীত কোন পত্র পাঠ করেনা। অতঃপর তিনি রূপার একটি আংটি [মোহর] তৈরি করিয়ে নিলেন যাতে খোদিত ছিল [মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ]। আমি যেন তাহাঁর হাতে সে আংটির - [মুহাম্মাদ (সাঃ) রৌপ্যের আংটি পরিধান করেছিলেন যাতে খোদাই করা ছিল মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ। তার পরে তাহাঁর খালীফাগণ সেটা পরিধান করেছিলেন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুহাম্মাদ-সাঃ-রৌপ্যের-আং/) - ১৩৫৪. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] রূপার একটি আংটি তৈরী করেন। সেটি তাহাঁর হাতে ছিল। এরপর তা আবু বকর [রাদি.] -এর হাতে আসে। পরে তা উমার [রাদি.]-এর হাতে আসে। এরপর তা উসমান [রাদি.]-এর হাতে আসে। শেষকালে তা আরীস নামক এক কূপের মধ্যে পড়ে যায়। তাতে অঙ্কিত ছিল মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ[আরবী]। [বোখারী পর্ব - [স্বর্ণের আংটি ছুঁড়ে ফেলে দেয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/স্বর্ণের-আংটি-ছুঁড়ে-ফেল/) - ১৩৫২. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃ] স্বর্ণের আংটি ব্যবহার করিতে নিষেধ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৭৭ অধ্যায় ৪৫ হাদীস নং ৫৮৬৪; মুসলিম ৩৭/১১, হাঃ ২০৮৯] অলঙ্কার -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১৩৫৩. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ্‌ [সাঃ] একটি স্বর্ণের আংটি তৈরি করালেন এবং তিনি তা পরিধান করিতেন। পরিধানকালে তার পাথরটি হাতের ভিতরের - [পোষাকের পারিপাট্যে অতি উৎফুল্ল হয়ে গর্বভরে চলার নিষিদ্ধতা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পোষাকের-পারিপাট্যে-অতি-উ/) - ১৩৫১. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] তথা আবুল কাসিম বলেছেনঃ এক ব্যক্তি আকর্ষণীয় জোড়া কাপড় পরিধান করতঃ চুল আঁচড়াতে আঁচড়াতে পথ অতিক্রম করছিল; হঠাৎ আল্লাহ তাকে মাটির নীচে ধ্বসিয়ে দেন। ক্বিয়ামাত অবধি সে এভাবে ধ্বসে যেতে থাকিবে। {বোখারী পর্ব ৭৭ অধ্যায় ৫ হাদীস নং ৫৭৮৯, মুসলিম ৩৭/১০ হাঃ ২০৮৮] অলঙ্কার -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ - [অহঙ্কার করে কাপড় ছেচড়ানো হারাম এবং কাপড় কতটুকু লটকানো জায়িয এবং এর মুস্তাহাব বিধান কী?](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অহঙ্কার-করে-কাপড়-ছেচড়া/) - ১৩৪৯. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহ সে ব্যক্তির দিকে [রহমতের দৃষ্টিতে] তাকাবেন না, যে অহঙ্কারের সাথে তার [পরিধেয়] পোশাক টেনে চলে। [বোখারী পর্ব ৭৭ অধ্যায় ১ হাদীস নং ৫৭৮৩; মুসলিম ৩৭/৮, হাঃ ২০৮৫] অলঙ্কার -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১৩৫০. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহ ক্বিয়ামাতের দিন - [কার্পেট ব্যবহার করা বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কার্পেট-ব্যবহার-করা-বৈধ।/) - ১৩৪৮. জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] জিজ্ঞেস করিলেন, তোমাদের নিকট আনমাত [গালিচার কার্পেট] আছে কি? আমি বললাম আমরা তা পাব কোথায়? তিনি বলিলেন, শীঘ্রই তোমরা আনমাত লাভ করিবে। তখন আমি আমার স্ত্রীকে বলি, আমার বিছানা হইতে এটা সরিয়ে দাও। তখন সে বলিল, নাবী [সাঃআঃ] কি বলেননি যে, শীঘ্রই তোমরা আনমাত পেয়ে যাবে? তখন আমি - [পোষাকে বিনয়ী হওয়া শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সংখ্যক মোটা কাপড়কে যথেষ্ট মনে করা, কম মূল্যের পোষাক, কম্বল, বিছানা ব্যবহার করা, উটের লোম থেকে তৈরি কাপড় আর তাতে যা উপাদেয় পাওয়া যায় তা ব্যবহার করা বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পোষাকে-বিনয়ী-হওয়া-শুধু/) - ১৩৪৭. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাহাঁর চাদর গায়ে দিয়ে সলাত আদায় করিলেন। চাদরটি ছিল কারুকার্য খচিত। তিনি কারুকার্যের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকালেন, তারপর সালাম ফিরিয়ে বললেনঃএ চাদরটি আবু জাহমের কাছে নিয়ে যাও। কারণ, এখনই তা আমাকে সলাত থেকে অন্যমনস্ক করে দিয়েছে। আর আবু জাহম ইবনি হুযাইসলামিক ফাউন্ডেশনর আনবিজানিয়্যা [কারুকার্যবিহীন চাদর]-টি আমার - [হিবরা কাপড় পরিধানের মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হিবরা-কাপড়-পরিধানের-মর্/) - ১৩৪৬ . ক্বাতাদাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আনাস [রাদি.]-কে জিজ্ঞেস করলামঃ কোন্ জাতীয় কাপড় রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর নিকট অধিক প্রিয় ছিল? তিনি বললেনঃ হিবারা-ইয়ামনী চাদর। [বোখারী পর্ব ৭৭ অধ্যায় ১৮ হাদীস নং ৫৮১২; মুসলিম ৩৭/৫, হাঃ ২০৭৯] অলঙ্কার -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [চুলকানি বা চর্মরোগের কারণে পুরুষের জন্য রেশমি কাপড় ব্যবহার বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/চুলকানি-বা-চর্মরোগের-কার/) - ১৩৪৫. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] আবদুর রহমান ইবনি আওফ [রাদি.] ও যুবায়র [রাদি.]-কে তাহাদের শরীরে চুলকানি থাকায় রেশমী জামা পরিধান করিতে অনুমতি দিয়েছিলেন। [বোখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ৯১ হাদীস নং ২৯১৯; মুসলিম ৩৭/৩ হাঃ ২০৭৬] অলঙ্কার -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [পুরুষ ও মহিলা উভয়ের জন্য স্বর্ণ ও রৌপ্যের পাত্র ব্যবহার ও তা থেকে পানি পান করা নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পুরুষ-ও-মহিলা-উভয়ের-জন্য/) - ১৩৩৭. উম্মু সালামাহ [রাদি. হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রূপার পাত্রে পান করে সে তো তার উদরে জাহান্নামের আগুন প্রবেশ করায়। [বোখারী পর্ব ৭৪ অধ্যায় ২৮ হাদীস নং ৫৬৩৪; মুসলিম ৩৭/১, হাঃ ২০৬৫] অলঙ্কার -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১৩৩৮. বারাআ ইবনি আযিব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আমাদের সাতটি জিনিসের - [মাক্কাহ বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সূরাহ ফাতহ্ পড়ার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাক্কাহ-বিজয়ের-দিন-রাসূ/) - ৪৫৭. আবদুল্লাহ ইবনি মুগাফ্‌ফাল [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, মাক্কাহ বিজয়ের দিন আমি আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]-কে তাহাঁর উটনীর উপর দেখেছি, তিনি তারজী* করে সূরাহ ফাত্‌হ তিলাওয়াত করছেন। বর্ণনাকারী মুআবিয়া ইবনি কুররা [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, যদি আমার চারপাশে লোকজন জমায়েত হওয়ার আশঙ্কা না থাকত, তা হলে উবাইদুল্লাহ ইবনি মুগাফ্‌ফাল [রাদি.] আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]-এর তিলাওয়াত বর্ণনা করিতে - [রাতের সলাত, নাবী (সাঃ)-এর রাতের সলাতের সংখ্যা এবং বিত্‌রের সলাত এক রাকআত ও এক রাকআত সলাত সহীহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রাতের-সলাত-নাবী-সাঃআঃ-এর-র/) - ৪২৬. আবু সালামাহ ইবনি আবদুর রহমান [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি আয়িশাহ্ [রাদি.]-কে জিজ্ঞেস করেন, রমাযান মাসে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সলাত কেমন ছিল? তিনি বলিলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] রমাযান মাসে এবং অন্যান্য সময় [রাতের বেলা] এগার রাকআতের অধিক সলাত আদায় করিতেন না। তিনি চার রাকআত সলাত আদায় করিতেন। তুমি সেই সলাতের সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে আমাকে - [ঐ দু রাকআতের পরিচয় যা রসূলুল্লাহ (সাঃ) আসরের পর আদায় করিতেন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঐ-দু-রাকআতের-পরিচয়-যা-রসূ/) - ৪৭৭. কুরাইব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ ইবনি আব্বাস, মিসওয়ার ইবনি মাখরামা এবং আবদুর রহমান ইবনি আযহার [রাদি.] তাঁকে আয়িশাহ্ [রাদি.]-এর নিকট পাঠালেন এবং বলে দিলেন, তাঁকে আমাদের সকলের তরফ হইতে সালাম পৌঁছিয়ে আসরের পরের দুরাকআত সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিবে। তাঁকে একথাও বলবে যে, আমরা খবর পেয়েছি যে, আপনি সে দুরাকআত আদায় করেন, অথচ আমাদের নিকট - [সলাতুল খাউফ বা ভয়ের সলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাতুল-খাউফ-বা-ভয়ের-সলাত/) - ৪৮১. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] একদলকে সাথে নিয়ে সলাত আদায় করিয়াছেন। অন্যদরকে রেখেছেন শত্রুর মুকাবিলায়। তারপর সলাতরত দলটি এক রাকআত আদায় করে শত্রুর মুকাবিলায় নিজ সাথীদের স্থানে চলে গেলেন। অতঃপর অন্য দলটি আসলেন। রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] তাহাদেরকে নিয়ে এক রাকআত সলাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। এরপর তাঁরা তাহাদের বাকী আরেক রাকআত আদায় - [প্রত্যেক আযান ও ইক্বামাতের মধ্যে সলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রত্যেক-আযান-ও-ইক্বামাত/) - ৪৮০. আবদুল্লাহ্ ইবনি মুগাফফাল মুযানী [রাযি হইতে বর্ণিতঃ রাসুলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ প্রত্যেক আযান ও ইকামতের মধ্যে সলাত রয়েছে। একথা তিনি তিনবার বলেন, [তারপর বলেন] যে চায় তার জন্য। [বোখারী পর্ব ১০ : /১৬ হাঃ ৬২৪, মুসলিম ৬/৫৬, হাঃ ৮৩৮] মুসাফির ব্যক্তির নামাজ-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [মাগরিব সলাতের পূর্বে দু রাকআত সলাত মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাগরিব-সলাতের-পূর্বে-দু-র/) - ৪৭৯. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, মুআযযিন যখন আযান দিতো, তখন নাবী [সাঃআঃ]-এর সাহাবীগণের মধ্যে কয়েকজন নাবী [সাঃআঃ]-এর বের হওয়া পর্যন্ত [মসজিদের] খুঁটির নিকট গিয়ে দাঁড়াতেন এবং এ অবস্থায় মাগিরবের পূর্বে দু রাকআত সলাত আদায় করিতেন। অথচ মাগরিবের আযান ও ইকামাতের মধ্যে কিছু [সময়] থাকত না। উসমান ইবনি জাবালাহ ও আবু দাউদ - [যে সমস্ত সময়ে সলাত আদায় নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-সমস্ত-সময়ে-সলাত-আদায়/) - ৪৭৩. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, কয়েকজন আস্থাভাজন ব্যক্তি-আমার নিকট যাঁদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলেন উমার [রাদি.]-আমাকে বলেছেন যে, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] ফাজরের পর সূর্য উজ্জ্বল হয়ে না উঠা পর্যন্ত এবং আসরের পর সূর্য অস্তমিত না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করিতে নিষেধ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৯ : /৩০ হাঃ ৫৮১, মুসলিম ৬/৫১, হাঃ ৮২৬]মুসাফির - [কিরাআত সম্পর্কিত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কিরাআত-সম্পর্কিত।/) - ৪৭১. আবদুল্লাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ পড়তেন। [বোখারী পর্ব ৬৫ : /৫৪ হাঃ ৪৮৭০, মুসলিম ৬/৫০ হাঃ ৮২৩] মুসাফির ব্যক্তির নামাজ-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৪৭২. ইব্‌রাহীম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনি মাসউদ [রাদি.]-এর কতিপয় সাথী আবু দ্দারদা [রাদি.]-এর কাছে আগমন করিলেন। তিনিও তাহাদেরকে তালাশ করে - [কুরআন তারতিল সহ [ধীরে ধীরে স্পষ্ট করে] পাঠ করা এবং হায্‌যা থেকে বিরত থাকা, হায্‌যা হচ্ছে তাড়াহুড়া করে পড়া এবং এক রাকআতে একাধিক সূরাহ পড়া বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরআন-তারতিল-সহ-ধীরে-ধীরে/) - ৪৭০. আবু ওয়াইল [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ইবনি মাসউদ [রাদি.]-এর নিকট এসে বলিল, গতরাতে আমি মুফাস্‌সাল সূরাগুলো এক রাকআতেই তিলাওয়াত করেছি। তিনি বলিলেন, তাহলে নিশ্চয়ই কবিতার ন্যায় দ্রুত পড়েছ। নাবী [সাঃআঃ] পরস্পর সমতুল্য যে সব সূরা মিলিয়ে পড়তেন, সেগুলো সম্পর্কে আমি জানি। এ বলে তিনি মুফাস্‌সাল সূরাসমূহের বিশটি সূরার কথা উল্লেখ - [কুরআন সাত রকম পঠনে নাযিল হয়েছে এবং এর অর্থের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরআন-সাত-রকম-পঠনে-নাযিল-হ/) - ৪৬৮. উমার ইবনি খাত্তাব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি হিশাম ইবনি হাকীম [রাদি.]-কে রসূল [সাঃআঃ]-এর জীবদ্দশায় সূরাহ্ ফুরক্বান তিলাওয়াত করিতে শুনিয়াছি এবং গভীর মনোযোগ সহকারে আমি তাহাঁর কিরাআত শুনিয়াছি। তিনি বিভিন্নভাবে কিরাআত পাঠ করিয়াছেন; অথচ রসূল [সাঃআঃ] আমাকে এভাবে শিক্ষা দেননি। এ কারণে সলাতের মাঝে আমি তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য উদ্যত হয়ে পড়েছিলাম, - [কুরআন নিজে চর্চাকারী ও অন্যকে শিক্ষাদানকারীর মর্যাদা এবং ঐ ব্যক্তির মর্যাদা যে কুরআনের হিকমাত, যেমন ফিক্‌হ ইত্যাদি শিক্ষা করে এবং তদনুযায়ী আমাল করে ও তা শিক্ষা দেয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরআন-নিজে-চর্চাকারী-ও-অন/) - ৪৬৬. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, দুটি বিষয় ছাড়া অন্য কোন ব্যাপারে ঈর্ষা করা যায় না। প্রথমত, যাকে আল্লাহ্ তাআলা কিতাবের জ্ঞান দান করিয়াছেন এবং তিনি তার থেকে গভীর রাতে তিলাওয়াত করেন। দ্বিতীয়ত, যাকে আল্লাহ্ তাআলা সম্পদ দান করিয়াছেন এবং তিনি সেই সম্পদ দিন-রাত দান-খায়রাত করিতে থাকেন। - [সূরাহ ফাতিহা ও সূরাহ আল-বাক্বারাহ্‌র শেষ অংশের মর্যাদা এবং সূরা আল-বাক্বারাহ্ শেষ দু আয়াত পড়ার প্রতি উৎসাহ দান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সূরাহ-ফাতিহা-ও-সূরাহ-আল-বা/) - ৪৬৫. বাদরী সাহাবী আবু মাসউদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেন, সূরাহ্ বাকারাহ্‌র শেষে এমন দুটি আয়াত রয়েছে যে ব্যক্তি রাতের বেলা আয়াত দুটি তিলাওয়াত করিবে তার জন্য এ আয়াত দুটোই যথেষ্ট। অর্থাৎ রাত্রে কুরআন মাজীদ তেলাওয়াত করার যে হক রয়েছে, কমপক্ষে সূরাহ্ বাকারার শেষ দুটি আয়াত তেলাওয়াত করলে তার জন্য তা যথেষ্ট। - [কুরআন পাঠ শ্রবণের মর্যাদা এবং হাফিযদের নিকট থেকে পড়া শুনতে চাওয়া এবং তিলাওয়াতের সময় ক্রন্দন করা ও গবেষণা করার মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরআন-পাঠ-শ্রবণের-মর্যাদ/) - ৪৬৩. আবদুল্লাহ্ ইবনি মাসউদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] আমাকে বলিলেন, তুমি আমার সামনে কুরআন পাঠ করো। আমি উত্তরে বললাম, আমি আপনার সামনে কুরআন পাঠ করবো; অথচ আপনারই ওপর কুরআন নাযিল হয়েছে। তিনি বলিলেন, আমি অন্যের কাছ থেকে কুরআন পাঠ শোনা পছন্দ করি। আমি তখন সূরাহ নিসা পাঠ করলাম, এমনকি যখন আমি এ আয়াত পর্যন্ত - [নৈপুণ্য ও মর্যাদাবান ব্যক্তির নিকট কুরআন পাঠ উত্তম যদিও পাঠক শ্রোতার চেয়ে উত্তম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নৈপুণ্য-ও-মর্যাদাবান-ব্য/) - ৪৬২.আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] উবাই ইবনি কাব [রাদি.]-কে বলিলেন, আল্লাহ “সূরাيَكُنِ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَمْ তোমাকে পড়ে শুনানোর জন্য আমাকে আদেশ করিয়াছেন। উবাই ইবনি কাব [রাদি.] জিজ্ঞেস করিলেন আল্লাহ কি আমার নাম করিয়াছেন? নাবী [সাঃআঃ] বলিলেন, হাঁ। তখন তিনি কেঁদে ফেললেন। [বোখারী পর্ব ৬৩ : /১৬ হাঃ ৩৮০৯, মুসলিম - [কুরআনের যে অভিজ্ঞ এবং এটা শিক্ষার জন্য যে লেগে থাকে তার মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরআনের-যে-অভিজ্ঞ-এবং-এটা/) - ৪৬১.আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] থেকে বর্ণনা করিয়াছেন, কুরআনের হাফেয পাঠক, লিপিকর সম্মানিত ফেরেশতার মত। অতি কষ্টকর হওয়া সত্ত্বেও যে বারবার কুরআন মাজীদ পাঠ করে, সে দ্বিগুণ পুরস্কার লাভ করিবে। [বোখারী পর্ব ৬৫: /৮০ হাঃ ৪৯৩৭, মুসলিম ৬/৩৮ হাঃ ৭৯৮] মুসাফির ব্যক্তির নামাজ-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [কুরআনের হাফিযের ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরআনের-হাফিযের-ফাযীলাত।/) - ৪৬০. আবু মূসা আশআরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ কুরআন পাঠকারী মুমিনের দৃষ্টান্ত কমলালেবুর ন্যায়, যার ঘ্রাণও উত্তম স্বাদও উত্তম। যে মুমিন কুরআন পাঠ করে না, তার দৃষ্টান্ত খেজুরের ন্যায়, যার কোন সুঘ্রাণ নেই তবে এর স্বাদ মিষ্টি। আর যে মুনাফিক কুরআন পাঠ করে তার দৃষ্টান্ত রায়হানার ন্যায়, যার সুঘ্রাণ আছে - [কুরআন পাঠের সময় প্রশান্তি অবতীর্ণ হওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরআন-পাঠের-সময়-প্রশান্/) - ৪৫৮. বারআ ইবনি আযিব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক সাহাবী সূরা কাহ্‌ফ তিলাওয়াত করছিলেন। তাহাঁর বাড়িতে একটি ঘোড়া বাঁধা ছিল। ঘোড়াটি তখন লাফালাফি করিতে লাগল। তখন ঐ সাহাবী শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য আল্লাহ্‌র দরবারে দুআ করিলেন। তখন তিনি দেখলেন, একখণ্ড মেঘ এসে তাকে ঢেকে দিয়েছে। তিনি নাবী [সাঃআঃ]-এর কাছে বিষয়টি উল্লেখ করিলেন। তখন তিনি - [সুমধুর কণ্ঠে কুরআন পাঠ করা বাঞ্ছনীয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সুমধুর-কণ্ঠে-কুরআন-পাঠ-কর/) - ৪৫৫. আবু হুরায়রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, আল্লাহ্ কোন নাবীকে ঐ অনুমতি দেননি, যা আমাকে দিয়েছেন, আর তা কুরআন তিলাওয়াত যথেষ্ট। রাবী বলেন, এর অর্থ সুস্পষ্ট করে আওয়াজের সাথে কুরআন পাঠ করা [বোখারী পর্ব ৬৬ : /১৯ হাঃ ৫০২৩, মুসলিম ৬/৩৪, হাঃ ৭৯৬] মুসাফির ব্যক্তির নামাজ-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৪৫৬. আবু মূসা - [কুরআন বার বার পাঠ করার নির্দেশ আর এ কথা বলা অপছন্দনীয় যে আমি অমুক অমুক সূরাহ ভুলে গেছি কিন্তু এ কথা বলা জায়িয যে আমাকে তা ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরআন-বার-বার-পাঠ-করার-নির/) - ৪৫১. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] এক ক্বারীকে রাতে মসজিদে কুরআন মাজীদ পাঠ করিতে শুনলেন। এরপর তিনি বলিলেন, আল্লাহ্ তার প্রতি রহম করুন। সে আমাকে অমুক অমুক আয়াত স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, যা অমুক অমুক সূরাহ থেকে ভুলতে বসেছিলাম [বোখারী পর্ব ৬৬: /২৭ হাঃ ৫০৪২, মুসলিম ৬/৩৩, হাঃ ৭৮৮] মুসাফির ব্যক্তির নামাজ-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ - [কোন ব্যক্তি সলাতে তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে অথবা কুরআন পাঠ ও যিক্‌র আযকার এলোমেলো হলে তার প্রতি শুয়ে যাওয়া অথবা বসে যাওয়ার নির্দেশ যে পর্যন্ত না ঐ অবস্থা কেটে যায়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কোন-ব্যক্তি-সলাতে-তন্দ্র/) - ৪৪৮. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] [মাসজিদে] প্রবেশ করে দেখিতে পেলেন যে, দুটি স্তম্ভের মাঝে একটি রশি টাঙানো রয়েছে। তিনি জিজ্ঞেস করিলেন, এ রশিটি কী কাজের জন্য? লোকেরা বললো, এটি যায়নাবের রশি, তিনি [ইবাদাত করিতে করিতে] অবসন্ন হয়ে পড়লে এটির সাথে নিজেকে বেঁধে দেন। নাবী [সাঃআঃ] ইরশাদ করলেনঃ না, ওটা খুলে ফেল। - [নফল সলাত বাড়িতে আদায় করা মুস্তাহাব এবং তা মাসজিদে জায়িয।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নফল-সলাত-বাড়িতে-আদায়-কর/) - ৪৪৫. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমাদের ঘরেও কিছু সলাত আদায় করিবে এবং ঘরকে তোমরা কবর বানিয়ে নিবে না। [বোখারী পর্ব ৮ : /৫২ হাঃ ৪৩২, মুসলিম ৬/২৯, হাঃ ৭৭৭] মুসাফির ব্যক্তির নামাজ-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৪৪৬. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার রবের - [ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে যে সকাল পর্যন্ত সমস্ত রাত্রি ঘুমাল।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঐ-ব্যক্তির-ব্যাপারে-যা-বর/) - ৪৪২. আবদুল্লাহ ইবনি মাসউদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট এমন এক লোকের ব্যাপারে উল্লেখ করা হল, যে সারা রাত এমনকি ভোর পর্যন্ত ঘুমিয়ে ছিল। তখন তিনি বলিলেন, সে এমন লোক যার উভয় কানে অথবা তিনি বলিলেন, তার কানে শয়তান পেশাব করেছে । [বোখারী পর্ব ৫৯ : /১১ হাঃ ৩২৭০, মুসলিম ৬/২৮, হাঃ - [রাতের সলাতে কিরাআত লম্বা করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রাতের-সলাতে-কিরাআত-লম্বা/) - ৪৪১. আবদুল্লাহ্ ইবনি মাসউদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাতে আমি নাবী [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে সলাত আদায় করলাম। তিনি এত দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকলেন যে, আমি একটি মন্দ কাজের ইচ্ছে করে ফেলেছিলাম। [আবু ওয়াইল [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন] আমরা জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি ইচ্ছে করেছিলেন? তিনি বলিলেন, ইচ্ছে করেছিলাম, বসে পড়ি এবং নাবী [সাঃআঃ]-এর ইক্‌তিদা ছেড়ে দেই। - [রাতের সলাতে দুআ এবং রাতে সলাতে দণ্ডায়মান হওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রাতের-সলাতে-দুআ-এবং-রাতে-স/) - ৪৩৭. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার আমি মাইমূনাহ [রাদি.]-এর ঘরে রাত কাটালাম। তখন নাবী [সাঃআঃ] উঠে তাহাঁর প্রয়োজনাদি সেরে মুখ-হাত ধুয়ে শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পরে আবার জেগে উঠে পানির মশকের নিকট গিয়ে এর মুখ খুললেন। এরপর মাঝারি রকমের এমন অযূ করিলেন যে, তাতে অধিক পানি লাগালেন না। অথচ পুরা উযূই করিলেন। অতঃপর - [রমাযানের রাতের ক্বিয়ামের বা ইবাদাতের প্রতি উৎসাহ প্রদান আর তা হচ্ছে [কিয়ামু রমাযান] তারাবীহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রমাযানের-রাতের-ক্বিয়ামে/) - ৪৩৫, আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন যে, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] ইরশাদ করেনঃ যে ব্যক্তি রমাযানের রাতে ঈমানসহ পুণ্যের আশায় রাত জেগে ইবাদাত করে, তার পূর্বের গুনাহ্ ক্ষমা করে দেয়া হয় [বোখারী পর্ব ২৭ : /২৭ হাঃ ৩৭, মুসলিম ৬/২৫, হাঃ ৭৬০] মুসাফির ব্যক্তির নামাজ-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৪৩৬. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ - [শেষ রাতে দুআ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং সে সময় কবূল হওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শেষ-রাতে-দুআ-করার-প্রতি-উৎ/) - ৪৩৪. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ মহামহিম আল্লাহ্ তাআলা প্রতি রাতে রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকা কালে পৃথিবীর নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করে ঘোষণা করিতে থাকেনঃ কে আছে এমন, যে আমাকে ডাকবে? আমি ডাকে সাড়া দিব। কে আছে এমন যে, আমার নিকট চাইবে? আমি তাকে তা দিব। কে আছে এমন আমার নিকট - [রাতের সলাত দু রাকআত দু রাকআত এবং বিত্‌র শেষ রাতে এক রাকআত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রাতের-সলাত-দু-রাকআত-দু-রাক/) - ৪৩২. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ এক ব্যক্তি নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট রাতের সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিল। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বললেনঃ রাতের সলাত দু দু [রাকআত] করে। আর তোমাদের মধ্যে কেউ যদি ফাজর হবার আশঙ্কা করে, সে যেন এক রাকআত সলাত আদায় করে নেয়। আর সে যে সলাত আদায় করিল, তা তার জন্য বিত্‌র হয়ে যাবে। - [নফল সলাত দাঁড়িয়ে, বসে এবং একই সলাতের কিছু দাঁড়িয়ে ও বসে পড়া বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নফল-সলাত-দাঁড়িয়ে-বসে-এব/) - ৪২৪. মুমিনদের মা আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাতের কোন সলাতে আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে বসে কিরাআত পড়তে দেখিনি। অবশ্য শেষ দিকে বার্ধক্যে উপনীত হলে তিনি বসে কিরাআত পড়তেন। যখন [আরম্ভকৃত] সূরার ত্রিশ চল্লিশ আয়াত অবশিষ্ট থাকত, তখন দাঁড়িয়ে যেতেন এবং সে পরিমাণ কিরাআত পড়ার পর রুকূ করিতেন। [বোখারী পর্ব ১৯ : /১৬ হাঃ - [ফরজ সলাতের আগে ও পরে সুন্নাতে রাতেবা বা নিয়মিত সুন্নাতের ফাযীলাত ও তার সংখ্যা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফরজ-সলাতের-আগে-ও-পরে-সুন্ন/) - ৪২৩. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ] এর সঙ্গে যুহরের পুর্বে দু রাকআত, যুহরের পর দুরাকআত, মাগরিবের পর দুরাকআত, ইশার পর দুরাকআত এবং জুমুআহ্‌র পর দুরাকআত সলাত আদায় করছি। তবে মাগরিব ও ইশার পরের সলাত তিনি তাহাঁর ঘরে আদায় করিতেন। ইবনি উমার [রাদি.] আরও বলেন, আমার বোন [উম্মুল মুমিনীন] হাফসাহ [রাদি.] - [ফাজ্‌রের দু রাকআত সলাত মুস্তাহাব এবং তার প্রতি উৎসাহ প্রদান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফাজ্রের-দু-রাকআত-সলাত-মু/) - ৪১৯. হাফসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন মুআয্‌যিন সুব্‌হে সাদিকের প্রতীক্ষায় থাকত [ও আযান দিত] এবং ভোর স্পষ্ট হতোথ- জামাআত দাঁড়ানোর পূর্বে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] সংক্ষেপে দুরাকআত সলাত আদায় করে নিতেন। [বোখারী পর্ব ১০ : /১২ হাঃ ৬১৮, মুসলিম ৬/১৪, হাঃ ৭২৩] মুসাফির ব্যক্তির নামাজ-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৪২০. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ - [চাশতের সলাত মুস্তাহাব এবং তার সর্বনিম্ন পরিমাণ দু রাকআত। সর্বোচ্চ পরিমাণ আট রাকআত, মধ্যম পরিমাণ চার বা ছয় রাকআত এবং এই সলাত সংরক্ষণের প্রতি উৎসাহ প্রদান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/চাশতের-সলাত-মুস্তাহাব-এব/) - ৪১৬. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] যে আমাল করা পছন্দ করিতেন, সে আমাল কোন কোন সময় এ আশঙ্কায় ছেড়েও দিতেন যে, সে আমাল করিতে থাকিবে, ফলে তাহাদের উপর তা ফার্‌য হয়ে যাবে। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] চাশ্‌তের সলাত আদায় করেননি। আমি সে সলাত আদায় করি । [বোখারী পর্ব ১৯ : /৫ হাঃ - [সফর থেকে প্রত্যাবর্তন করে প্রথমে মাসজিদে দু রাকআত সলাত আদায় করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সফর-থেকে-প্রত্যাবর্তন-কর/) - ৪১৫. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি. হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক যুদ্ধে আমি নাবী [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে ছিলাম। আমার উটটি অত্যন্ত ধীরে চলছিল বরং চলতে অক্ষম হয়ে পড়েছিল। এমতাবস্থায় নাবী [সাঃআঃ] আমার কাছে এলেন এবং বলিলেন, জাবির? আমি বললাম, জী। তিনি জিজ্ঞেস করিলেন, তোমার অবস্থা কী? আমি বললাম, আমার উট আমাকে নিয়ে অত্যন্ত ধীরে চলছে এবং অক্ষম - [তাহিয়াতুল মাসজিদ দু রাকআত আদায় করা বাঞ্ছনীয় এবং তা আদায়ের পূর্বে বসা অপছন্দনীয় এবং যে কোন সময় তা পড়া বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তাহিয়াতুল-মাসজিদ-দু-রাক/) - ৪১৪. আবু কাতাদাহ্ সালামী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমাদের কেউ মাসজিদে প্রবেশ করলে সে যেন বসার পূর্বে দুরাকআত সলাত আদায় করে নেয়। [বোখারী পর্ব ৮ : /৬০ হাঃ ৪৪৪, মুসলিম ৬/১০, হাঃ ৭১৪] মুসাফির ব্যক্তির নামাজ-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [ইক্বামাত আরম্ভ হওয়ার পর নফল সলাত আরম্ভ করা অপছন্দনীয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইক্বামাত-আরম্ভ-হওয়ার-পর/) - ৪১৩. আবদুল্লাহ্ ইবনি মালিক ইবনি বুহাইনাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে গেলেন। অন্য সূত্রে ঈমাম বোখারী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, আবদুর রহমান [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]….হাফ্‌স ইবনি আসিম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মালিক ইবনি বুহাইনা নামক আয্‌দ গোত্রীয় এক ব্যক্তিকে বলিতে শুনিয়াছি যে, রসুলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] এক ব্যক্তিকে দু রাকআত - [সলাত শেষে ডান ও বাম উভয় দিক দিয়েই মুখ ফিরিয়ে বসা বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাত-শেষে-ডান-ও-বাম-উভয়-দি/) - ৪১২. আসওয়াদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ্ [ইবনি মাসউদ] [রাদি.] বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন স্বীয় সলাতের কোন কিছু শয়তানের জন্য না করে। তা হল, শুধুমাত্র ডান দিকে ফিরা আবশ্যক মনে করা। আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে অধিকাংশ সময়ই বাম দিকে ফিরতে দেখেছি। *ইকামত হয়ে গেলে কোন নাফল সলাত আদায় করা যাবেনা, এ সংক্রান্ত হাদীস বর্ণিত - [বাড়িতে অবস্থানকালে দু সলাত একত্রে আদায়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বাড়িতে-অবস্থানকালে-দু-স/) - ৪১১. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে আট রাকআত একত্রে [যুহ্‌র ও আসরের] এবং সাত রাকআত একত্রে [মাগরিব-ইশার] সলাত আদায় করেছি। [তাই সে ক্ষেত্রে যুহ্‌র ও মাগরিবের পর সুন্নাত আদায় করা হয়নি।] আমর [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, আমি বললাম, হে আবুশ্ শাসা! আমার ধারণা, তিনি যুহ্র শেষ ওয়াক্তে এবং আসর - [সফরে দু সলাত একত্রে আদায় বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সফরে-দু-সলাত-একত্রে-আদায়/) - ৪০৯. আব্দুল্লাহ্‌ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসুল [সাঃআঃ]কে দেখেছি সফরে ব্যস্ততার কারণে তিনি মাগরিবের সলাত বিলম্বিত করিয়াছেন, এমনকি মাগরিব ও ইশার সলাত একত্রে আদায় করিয়াছেন। অপর এক সূত্রে সালিম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, ইবনি উমার [রাদি.] মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করিতেন। সালিম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] আরও বলেন, ইবনি উমার - [সফরে যানবাহনের উপর নফল সলাত বৈধ মুখ যে দিকেই থাক।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সফরে-যানবাহনের-উপর-নফল-সল/) - ৪০৬, ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] সফরে ফার্‌য সলাত ব্যতীত তাহাঁর সওয়ারী হইতেই ইঙ্গিতে রাতের সলাত আদায় করিতেন। সওয়ারী যে দিকেই ফিরুক না কেন, আর তিনি বাহনের উপরেই বিত্‌র আদায় করিতেন। [বোখারী পর্ব ১৪ : /৬ হাঃ ১০০০ মুসলিম ৬/৪ হাঃ ৭০০] মুসাফির ব্যক্তির নামাজ-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৪০৭. আমির - [বৃষ্টির কারণে আবাসস্থলে সলাত আদায় করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বৃষ্টির-কারণে-আবাসস্থলে/) - ৪০৪. নাফি [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, ইবনি উমার [রাদি.] একদা তীব্র শীত ও বাতাসের রাতে সলাতের আযান দিলেন। অতঃপর ঘোষণা করিলেন, أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ প্রত্যেকেই নিজ নিজ আবাসস্থলে সলাত আদায় করে নাও, অতঃপর তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] প্রচণ্ড শীত ও বৃষ্টির রাত হলে মুআয্‌যিনকে এ কথা বলার নির্দেশ দিতেন- أَلاَ صَلُّوا فِي - [মিনায় সলাত ক্বসর করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মিনায়-সলাত-ক্বসর-করা।/) - ৪০২. আবদুল্লাহ্ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ] আবু বাক্র এবং উমার [রাদি.]-এর সঙ্গে মিনায় দুরাকআত সলাত আদায় করেছি। উসমান [রাদি.]-এর সঙ্গেও তাহাঁর খিলাফতের প্রথম দিকে দুরাকআত আদায় করেছি। অতঃপর তিনি পূর্ণ সলাত আদায় করিতে লাগলেন। [বোখারী পর্ব ১৮ : /২ হাঃ ১০৮২, মুসলিম ৬/২ হাঃ ৬৯৪] মুসাফির ব্যক্তির নামাজ-এই হাদীসটির - [মুসাফির ব্যক্তির সলাত ও তা ক্বসর করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুসাফির-ব্যক্তির-সলাত-ও-ত/) - ৩৯৮. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আল্লাহ তাআলা মুকীম অবস্থায় ও সফরে দু রাকআত করে সলাত র্ফায করেছিলেন। পরে সফরের সলাত আগের মত রাখা হয় আর মুকীম অবস্থার সলাত বাড়িয়ে দেয়া হয়। [বোখারী পর্ব ৮ : /১ হাঃ ৩৫০, মুসলিম ৬/১, হাঃ ৬৮৫] মুসাফির ব্যক্তির নামাজ-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৩৯৯. হাফ্‌স - [মুদাব্বার গোলাম বিক্রি করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুদাব্বার-গোলাম-বিক্রি-ক/) - ১০৮৪. জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আনসার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি তার গোলামকে মুদাব্বীর বানালো। ঐ গোলাম ব্যতীত তার আর কোন মাল ছিল না। খবরটি নাবী [সাঃআঃ]-এর কাছে পৌঁছল। তিনি বললেনঃ গোলামটিকে আমার নিকট হইতে কে ক্রয় করিবে? নুআয়ম ইবনি নাহ্‌হাম তাকে আটশ দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করে নিল । [বোখারী পর্ব ৮৪ অধ্যায় ৭ হাদীস নং ৬৭১৬; - [যৌথ মালিকানাভুক্ত গোলামকে যে স্বীয় অংশ হইতে মুক্ত করে দেয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যৌথ-মালিকানাভুক্ত-গোলামক/) - ১০৮২. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ বলেছেন, কেউ যদি কোন ক্রীতদাস হইতে নিজের অংশ মুক্ত করে আর ক্রীতদাসের মূল্য পরিমাণ অর্থ তার কাছে থাকে, তবে তার উপর দায়িত্ব হইবে ক্রীতদাসের ন্যায্য মূল্য নির্ণয় করা। তারপর সে শরীকদেরকে তাহাদের প্রাপ্য অংশ পরিশোধ করিবে এবং ক্রীতদাসটি তার পক্ষ হইতে মুক্ত হয়ে যাবে, কিন্তু [সে পরিমাণ - [গোলামের সওয়াব যখন সে মনিবের কল্যাণে ব্রতী হয় এবং আল্লাহ্‌র ইবাদাত উত্তমরূপে করে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/গোলামের-সওয়াব-যখন-সে-মনি/) - ১০৭৯. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, ক্রীতদাস যদি তার মনিবের হিতাকাঙক্ষী হয় এবং তার প্রতিপালকের উত্তমরূপে ইবাদত করে, তাহলে তার সাওয়াব হইবে দ্বিগুণ। [বোখারী পর্ব ৪৯ অধ্যায় ১৬ হাদীস নং ২৫৪৬; মুসলিম ২৭/১১, হাঃ ১৬৬৪] ১০৮০. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, সৎ ক্রীতদাসের সাওয়াব হইবে দ্বিগুণ। আবু - [দাসকে তা খাওয়ানো যা সে নিজে খায় এবং তা পরানো যা সে নিজে পরে এবং সাধ্যের অতিরিক্ত কাজ না দেয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দাসকে-তা-খাওয়ানো-যা-সে-নি/) - ১০৭৭. মারূর [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমি একবার রাবাযা নামক স্থানে আবু যর [রাদি.]-এর সঙ্গে দেখা করলাম। তখন তাহাঁর পরনে ছিল এক জোড়া কাপড় [লুঙ্গি ও চাদর] আর তাহাঁর ভৃত্যের পরনেও ছিল ঠিক একই ধরনের এক জোড়া কাপড়। আমি তাঁকে এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ একবার আমি এক ব্যক্তিকে গালি দিয়েছিলাম এবং - [ঐ ব্যক্তির [প্রতি] কঠোরতা যে তার দাসকে যিনার অপবাদ দিল।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঐ-ব্যক্তির-প্রতি-কঠোরতা-য/) - ১০৭৬. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আবুল কাসিম [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, কেউ আপন ক্রীতদাসের প্রতি অপবাদ আরোপ করিল, অথচ সে তা থেকে পবিত্র যা সে বলেছে, ক্বিয়ামাত দিবসে তাকে কশাঘাত করা হইবে। তবে যদি এমনই হয় যেমন সে বলেছে [সে ক্ষেত্রে কশাঘাত করা হইবে না]। [বোখারী পর্ব ৮৬ অধ্যায় ৪৫ হাদীস - [কাফিরের নাযর এবং সে ইসলাম গ্রহণ করার পর এ ব্যাপারে সে কী করিবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কাফিরের-নাযর-এবং-সে-ইসলাম/) - ১০৭৫. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ উমার ইবনিল খাত্তাব [রাদি.] বলেন, হে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]! জাহিলী যুগে আমার উপর একদিনের ইতিকাফ [মানৎ] ছিল। তখন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] তাঁকে তা পূরণ করার আদেশ করেন। নাফি [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, উমার হুনায়নের যুদ্ধবন্দীদের নিকট হইতে দুটি দাসী লাভ করেন। তখন তিনি তাহাদেরকে মাক্কায় একটি গৃহে রেখে দেন। বর্ণনাকারী - [হারাম নয় এমন কোন বিষয়ে কোন ব্যক্তিকে কসম করিতে চাপ সৃষ্টি করা যার ফলে তার পরিবার কষ্টে পতিত হয়- এর নিষিদ্ধতা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হারাম-নয়-এমন-কোন-বিষয়ে-ক/) - ১০৭৪. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! তোমাদের মাঝে কেউ আপন পরিজনের ব্যাপারে শপথকারী হলে আল্লাহ্‌র নিকট সে গুনাহ্গার হইবে ঐ ব্যক্তির তুলনায়, যে কাফ্‌ফারা আদায় করে দেয় যা আল্লাহ্ তাআলা অপরিহার্য করে দিয়েছেন। [বোখারী পর্ব ৮৩ অধ্যায় ১ হাদীস নং ৬৬২৫; মুসলিম ২৭/৬, হাঃ ১৬৫৫] - [ইনশাআল্লাহ বলা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইনশাআল্লাহ-বলা।/) - ১০৭২. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, দাউদ [আ.]-এর পুত্র সুলায়মান [আ.] একদা বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আজ রাতে আমি আমার একশত স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হব এবং তাহাদের প্রত্যেকেই একটি করে পুত্র সন্তান প্রসব করিবে, যারা আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করিবে। এ কথা শুনে একজন ফেরেশতা বলেছিলেন, আপনি ইন্‌শাআল্লাহ বলুন; কিন্তু তিনি এ কথা ভুলক্রমে বলেননি। এরপর - [এটা [বৈধ] যে কেউ কোন কিছু করার কসম খেলো এবং পরেও অন্যটা করা ভাল দেখল তাহলে সে ভালটা করিবে এবং তার কসমের কাফ্‌ফারা দিবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/এটা-বৈধ-যে-কেউ-কোন-কিছু-করা/) - ১০৬৯. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আমার সাথীরা আমাকে রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর কাছে পাঠালেন তাহাদের জন্য পশুবাহন চাওয়ার জন্য। কারণ তাঁরা রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে কষ্টের যুদ্ধ অর্থাৎ তাবূকের যুদ্ধে যাচ্ছিলেন। অনন্তর আমি এসে বললাম, হে আল্লাহ্‌র নাবী [সাঃআঃ]! আমার সাথীরা আমাকে আপনার কাছে এজন্য পাঠিয়েছেন যে, আপনি যেন তাহাদের জন্য পশুবাহনের ব্যবস্থা করেন। তখন তিনি বলিলেন, - [যে লাত, উযযার নামে কসম করে সে যেন লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ বলে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-লাত-উযযার-নামে-কসম-করে-স/) - ১০৬৮. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেন, যে ব্যক্তি কসম করে বলে যে, লাত ও উয্‌যার কসম, সে যেন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে। আর যে ব্যক্তি তার সাথীকে বলে, এসো, আমি তোমার সঙ্গে জুয়া খেলব, তার সদাকাহ দেয়া কর্তব্য। [বোখারী পর্ব ৬৫ অধ্যায় ৫৩ হাদীস নং ৪৮৬০; মুসলিম ২৭/২, হাঃ ১৬৪৭] - [আল্লাহ তাআলার নাম ব্যতীত অন্যের নামে কসম করা নিষেধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ-তাআলার-নাম-ব্যতীত/) - ১০৬৬. উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] আমাকে বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তাআলা তোমাদের পিতা-পিতামহের নামে কসম করিতে নিষেধ করিয়াছেন। উমার [রাদি.] বলেন, আল্লাহ্‌র কসম! যখন থেকে আমি রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-কে এ কথা বলিতে শুনিয়াছি, তখন থেকে আমি স্বেচ্ছায় বা ভুলক্রমে তাহাদের নামে কসম করিনি। [বোখারী পর্ব ৮৩ অধ্যায় ৪ হাদীস নং ৬৬৪৭; মুসলিম ২৭/১, - [যে ব্যক্তি কাবা পর্যন্ত হেঁটে যাওয়ার নযর মানলো।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-কাবা-পর্যন্ত-হ/) - ১০৬৪. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] এক বৃদ্ধ ব্যক্তিকে তার দুই ছেলের উপর ভর করে হেঁটে যেতে দেখে বললেনঃ তার কী হয়েছে? তারা বলিলেন, তিনি পায়ে হেঁটে হাজ্জ করার মানত করিয়াছেন। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বললেনঃ লোকটি নিজেকে কষ্ট দিক আল্লাহ তাআলার এর কোন দরকার নেই। অতঃপর তিনি তাকে সওয়ার হয়ে চলার জন্য আদেশ করিলেন। - [নাযর মানা নিষিদ্ধ এবং এটা ভাগ্যের কোন পরিবর্তন ঘটায় না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাযর-মানা-নিষিদ্ধ-এবং-এটা/) - ১০৬২. আবদুল্লাহ্ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] মানৎ করিতে নিষেধ করিয়াছেন। এ মর্মে তিনি বলেন, মানৎ কোন জিনিসকে দূর করিতে পারে না। এ দ্বারা শুধুমাত্র কৃপণের মাল খরচ হয়। [বোখারী পর্ব ৮২ অধ্যায় ৬ হাদীস নং ৬৬০৮; মুসলিম ২৬/২, হাঃ ১৬৩৯] এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১০৬৩. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে - [নাযর পূর্ণ করার নির্দেশ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাযর-পূর্ণ-করার-নির্দেশ।/) - ১০৬১. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ সাদ্ ইবনি উবাদাহ [রাদি.] রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর নিকট জানতে চাইলেন যে, আমার মা মারা গেছেন এবং তার উপর মান্নত ছিল, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলিলেন, তুমি তার পক্ষ থেকে তা পূর্ণ কর। [বোখারী পর্ব ৫৫ অধ্যায় ১৯ হাদীস নং ২৭৬১; মুসলিম ২৬/১ হাঃ ১৬৩৮] এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [হিজাজ থেকে আগুন বের না হওয়া পর্যন্ত ক্বিয়ামাত সংঘটিত হইবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হিজাজ-থেকে-আগুন-বের-না-হওয/) - ১৮৩৯. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত কায়িম হইবে না যতক্ষণ না হিজাযের যমীন থেকে এমন আগুন বের হইবে, যা বুসরার উটগুলোর গর্দান আলোকিত করে দেবে। [বোখারী পর্ব ৯২ অধ্যায় ২৪ হাদীস নং ৭১১৮; মুসলিম ৩৩/৪১, হাঃ ১৯০২] এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [ফোরাত নদী সোনার পাহাড় উন্মুক্ত না করা পর্যন্ত ক্বিয়ামাত সংঘটিত হইবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফোরাত-নদী-সোনার-পাহাড়-উন/) - ১৮৩৮. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ অদূর ভবিষ্যতে ফোরাত নদী তার গর্ভস্থ স্বর্ণের খনি বের করে দেবে। সে সময় যারা উপস্থিত থাকিবে তারা যেন তা থেকে কিছুই গ্রহণ না করে। [বোখারী পর্ব ৯২ অধ্যায় ২৪ হাদীস নং ৭১১৯; মুসলিম ৫২/৮, হাঃ ২৮৯৪] এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যে সকল ঘটনা ঘটবে সে সম্পর্কে নাবী (সাঃ)-এর সংবাদ প্রদান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শেষ-মুহূর্ত-পর্যন্ত-যে-সক/) - ১৮৩৬. হুয়াইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একদা) আমাদের মাঝে এমন একটি ভাষণ প্রদান করলেন যাতে কিয়ামত পর্যন্ত যা সংঘটিত হবে এমন কোন কথাই বাদ দেননি। এগুলি স্মরণ রাখা যার সৌভাগ্য হয়েছে সে স্মরণ রেখেছে আর যে ভুলে যাবার সে ভুলে গেছে। আমি ভুলে যাওয়া কোন কিছু যখন দেখতে পাই তখন - [(পুনরুত্থান দিবসে) সিঙ্গায় দুবার ফুঁক দেয়ার মাঝে সময়ের ব্যবধান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পুনরুত্থান-দিবসে-সিঙ্গা/) - ১৮৬৪. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রথম ও দ্বিতীয়বার শিঙ্গায় ফুৎকারের মধ্যে চল্লিশের ব্যবধান হবে। [আবু হুরাইরাহ (রাঃ)]-এর এক ছাত্র বললেন, চল্লিশ বলে চল্লিশ দিন বোঝানো হয়েছে কি? তিনি বলেন, আমি অস্বীকার করলাম। তারপর পুনরায় তিনি জিজ্ঞেস করলেন, চল্লিশ বলে চল্লিশ মাস বোঝানো হয়েছে কি? তিনি বলেন, এবারও - [ক্বিয়ামাতের নিকটবর্তী হওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ক্বিয়ামাতের-নিকটবর্তী-হ/) - ১৮৬১. আবদুল্লাহ ইবনি মাসউদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আমি নাবী [সাঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, ক্বিয়ামাত যাদের জীবদ্দশায় কায়িম হইবে তারাই সবচেয়ে নিকৃষ্ট লোক। [বোখারী পর্ব ৯২ অধ্যায় ৫ হাদীস নং ৭০৬৭; মুসলিম ৫২/২৬, হাঃ ২৯৪৯] এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১৮৬২. সাহল ইবনি সাদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি দেখেছি, রসূলুল্লাহ্ [সাঃ] তাহাঁর মধ্যমা ও - [দাজ্জালের আবির্ভাব এবং পৃথিবীতে তার অবস্থান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দাজ্জালের-আবির্ভাব-এবং-প/) - ১৮৬০. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ মাক্কাহ ও মাদীনাহ ব্যতীত এমন কোন শহর নেই যেখানে দাজ্জাল পদচারণা করিবে না। মাক্কাহ এবং মাদীনাহর প্রত্যেকটি প্রবেশ পথেই ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে পাহারায় নিয়োজিত থাকিবে। এরপর মাদীনাহ তার অধিবাসীদেরকে নিয়ে তিনবার কেঁপে উঠবে এবং আল্লাহ তাআলা সমস্ত কাফির এবং মুনাফিকদেরকে বের করে দিবেন। [বোখারী পর্ব ২৯ - [দাজ্জাল- আল্লাহ্‌র নিকট তার মর্যাদা খুবই নিন্মে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দাজ্জাল-আল্লাহ্র-নিকট-ত/) - ১৮৫৯. মুগীরাহ ইবনি শুবাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে দাজ্জাল সম্পর্কে যত বেশি প্রশ্ন করতাম সেরূপ আর কেউ করেনি। তিনি আমাকে বললেনঃ তা থেকে তোমার কি ক্ষতি হইবে? আমি বললাম, লোকেরা বলে যে, তার সঙ্গে রুটির পর্বত ও পানির নহর থাকিবে। তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌র কাছে অতি সহজ। [বোখারী পর্ব ৯২ অধ্যায় ২৬ - [দাজ্জালের বিবরণ, মদিনায় প্রবেশ তার জন্য নিষিদ্ধ করা হইবে, তার দ্বারা একজন মুমিনকে হত্যা এবং সে মুমিনকে আবার জীবিতকরণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দাজ্জালের-বিবরণ-মদিনায়/) - ১৮৫৮. আবু সাঈদ খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] আমাদের সামনে দাজ্জাল সম্পর্কে এক দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। বর্ণিত কথাসমূহের মাঝে তিনি এ কথাও বলেছিলেন যে, মাদীনাহর প্রবেশ পথে অনুপ্রবেশ করা দাজ্জালের জন্য হারাম করে দেয়া হয়েছে। তাই সে মাদীনার উদ্দেশে যাত্রা করে মাদীনাহর নিকটবর্তী কোন একটি বালুকাময় জমিতে অবতরণ করিবে। তখন - [দাজ্জাল, তার ও তার সঙ্গে যারা থাকিবে তাহাদের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দাজ্জাল-তার-ও-তার-সঙ্গে-যা/) - ১৮৫৪.আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদা নাবী [সাঃআঃ] লোকজনের সামনে মাসীহ দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করিলেন। তিনি বলিলেন, আল্লাহ্ ট্যাড়া নন। সাবধান! মাসীহ দাজ্জালের ডান চক্ষু ট্যাড়া। তার চক্ষু যেন ফুলে যাওয়া আঙ্গুরের মত। [বোখারী পর্ব ৬০ অধ্যায় ৪৮ হাদীস নং ৩৪৩৯; মুসলিম ২৯৩১] এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১৮৫৫. আনাস [রাদি.] হইতে - [ইবনি সাইয়্যাদের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইবনি-সাইয়্যাদের-বর্ণনা।/) - ১৮৫১. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, উমার [রাদি.] কয়েকজন সহাবীসহ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে ইবনি সাইয়্যাদের নিকট যান। তাঁরা তাকে বনী মাগালার টিলার উপর ছেলে-পেলেদের সঙ্গে খেলাধুলা করিতে দেখিতে পান। আর এ সময় ইবনি সাইয়্যাদ বালিগ হওয়ার নিকটবর্তী হয়েছিল। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর [আগমন] সে কিছু টের না পেতেই নাবী [সাঃআঃ] তাহাঁর পিঠে হাত - [কিয়ামত সংঘটিত হইবে না যে পর্যন্ত না ক্ববরের পার্শ্ব দিয়ে অতিক্রমকারী ব্যক্তি বলবে, মৃতের জায়গায় যদি আমি থাকতাম (বালা মুসিবতের কারণে)।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কিয়ামত-সংঘটিত-হইবে-না-যে/) - ১৮৪২. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত কায়িম হইবে না, যতক্ষণ এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় না বলবে হায়! যদি আমি তার স্থলে হতাম। [বোখারী পর্ব ৯২ অধ্যায় ২২ হাদীস নং ৭১১৫; মুসলিম ১৫৭ ,এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১৮৪৩. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেন, হাবাশার অধিবাসী - [দাউস গোত্র যালখালাসার ইবাদাত না করা পর্যন্ত ক্বিয়ামাত সংঘটিত হইবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দাউস-গোত্র-যালখালাসার-ইব/) - ১৮৪১. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, ক্বিয়ামাত কায়িম হইবে না, যতক্ষণ যুলখালাসাহর পাশে দাওস গোত্রীয় রমণীদের নিতম্ব দোলায়িত না হইবে। যুলখালাসাহ হলো দাওস গোত্রের একটি মূর্তি। জাহিলী যুগে তারা এর উপাসনা করত। [বোখারী পর্ব ৯২ অধ্যায় ২৩ হাদীস নং ৭১১৬; মুসলিম ৫২/১৭, হাঃ ২৯০৬] এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ - [ফেতনা পূর্ব দিক থেকে যেখান থেকে শাইত্বনের শিং বেরিয়ে আসে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফেতনা-পূর্ব-দিক-থেকে-যেখা/) - ১৮৪০. ইবনি উমার [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-কে পূর্ব দিকে মুখ করে বলিতে শুনেছেন, সাবধান! ফেতনা সে দিকে যে দিক থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়। {৩১০৪; মুসলিম [বোখারী পর্ব ৯২ অধ্যায় ১৬ হাদীস নং ৭০৯৩; মুসলিম ৫২/১৬, হাঃ ২৯০৫] এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [সমুদ্রের ঢেউয়ের ন্যায় ফেতনা ছড়িয়ে পড়বে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সমুদ্রের-ঢেউয়ের-ন্যায়/) - ১৮৩৭. হুয়াইফাই (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা ’উমার (রাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। তখন তিনি বললেন, ফিতনা-ফাসাদ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বক্তব্য তোমাদের মধ্যে কে মনে রেখেছাে? হুইফাহ (রাঃ) বললেন, ’যেমনভাবে তিনি বলেছিলেন হুবহু তেমনিই আমি মনে রেখেছি। উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী মনে রাখার ব্যাপারে তুমি খুব দৃঢ়তার - [দুজন মুসলিম যখন তরবারি নিয়ে পরস্পরের সম্মুখীন হয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দুজন-মুসলিম-যখন-তরবারি-নি/) - ১৮৩৪. আহনাফ ইবনি কায়স [রা.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি [সিফফীনের যুদ্ধে] এ ব্যক্তিকে {আলী [রাদি.]-কে} সাহায্য করিতে যাচ্ছিলাম। আবু বাকরা [রাদি.]-এর সঙ্গে আমার দেখা হলে তিনি বললেনঃতুমি কোথায় যাচ্ছ? আমি বললাম, আমি এ ব্যক্তিকে সাহায্য করিতে যাচ্ছি। তিনি বললেনঃফিরে যাও। কারণ আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] -কে বলিতে শুনিয়াছি যে, দুজন মুসলমান তাহাদের তরবারি নিয়ে - [অজস্র বৃষ্টি ফোঁটার ন্যায় ফেতনা অবতরণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অজস্র-বৃষ্টি-ফোঁটার-ন্যা/) - ১৮৩২. উসামা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] মাদীনাহর কোন একটি পাথর নির্মিত গৃহের উপর আরোহণ করে বললেনঃ আমি যা দেখি তোমরা কি তা দেখিতে পাচ্ছ? [তিনি বলিলেন] বৃষ্টি বিন্দু পতিত হওয়ার স্থানসমূহের মত আমি তোমাদের গৃহসমূহের মাঝে ফেতনার স্থানসমূহ দেখিতে পাচ্ছি। [বোখারী পর্ব ২৯ অধ্যায় ৮ হাদীস নং ১৮৭৮; মুসলিম ৫২/৩, হাঃ ২৮৮৫] - [কাবা আক্রমণকারী সৈন্যদলের যমীনে দেবে যাওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কাবা-আক্রমণকারী-সৈন্যদলে/) - ১৮৩১. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, [পরবর্তী যামানায়] একদল সৈন্য কাবা [ধ্বংসের উদ্দেশে] অভিযান চালাবে। যখন তারা বায়দা নামক স্থানে পৌঁছবে তখন তাহাদের আগের পিছের সকলকে জমিনে ধ্বসিয়ে দেয়া হইবে। আয়েশা [রাদি.] বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]! তাহাদের অগ্রবাহিনী ও পশ্চাৎবাহিনী সকলকে কিভাবে ধ্বসিয়ে দেয়া হইবে, অথচ সে - [ফেতনা নিকটবর্তী হওয়া এবং ইয়াজুজ মাজুজের [দেয়াল] খুলে যাওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফেতনা-নিকটবর্তী-হওয়া-এব/) - ১৮২৯. যায়নাব বিনতে জাহাশ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ একবার নাবী [সাঃআঃ] ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থায় তাহাঁর নিকট আসলেন এবং বলিতে লাগলেন, لاَ إِلهَ إِلاَّ اللهُ লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ। আরবের লোকেদের জন্য সেই অনিষ্টের কারণে ধ্বংস অনিবার্য বা নিকটবর্তী হয়েছে। আজ ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীর এ পরিমাণ খুলে গেছে। এ কথার বলার সময় তিনি তাহাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলির অগ্রভাগকে তার - [মাক্কাহ থেকে মদিনায় নাবী (সাঃ)-এর হিজরাতের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাক্কাহ-থেকে-মদিনায়-নাব/) - ১৮৯২. বারা ইবনি আযিব [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদা আবু বকর [রাদি.] আমার পিতার কাছে আমাদের বাড়িতে আসলেন। তিনি আমার পিতার কাছ হতে একটি হাওদা কিনলেন এবং আমার পিতাকে বললেন, তোমার ছেলে বারাকে আমার সঙ্গে হাওদাটি বয়ে নিয়ে যেতে বল। আমি হাওদাটি বয়ে তাঁর সঙ্গে চললাম। আমার পিতাও ওটার মূল্য নেয়ার জন্য আমাদের সঙ্গী - [কথা বলায় স্পষ্টতা অবলম্বন করা এবং ইলম লিখে রাখার হুকুম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কথা-বলায়-স্পষ্টতা-অবলম্/) - ১৮৯১. আয়িশাহ [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] এমনভাবে কথা বলতেন যে, কোন গণনাকারী গুণতে চাইলে তাঁর কথাগুলি গণনা করতে পারত। [বুখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ২৩ হাদীস নং ৩৫৬৭; মুসলিম ২৪৯৩; সংসারের প্রতি অনাসক্তি – এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [অধিক বয়স্ককে অগ্রগণ্য করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অধিক-বয়স্ককে-অগ্রগণ্য-ক/) - ১৮৯০. ইবনু উমার [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেনঃ আমি [স্বপ্নে] দেখলাম যে, আমি মিসওয়াক করছি। আমার নিকট দু ব্যক্তি এলেন। একজন অপরজন হতে বয়সে বড়। অতঃপর আমি তাদের মধ্যে কনিষ্ঠ ব্যক্তিকে মিসওয়াক দিতে গেলে আমাকে বলা হলো, বড়কে দাও। তখন আমি তাদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে দিলাম। [বুখারী পর্ব ৪ অধ্যায় ৭৪ হাদীস নং ২৪৬; - [কারো এত বেশি প্রশংসা করা নিষিদ্ধ যাতে প্রশংসার কারণে তার নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কারো-এত-বেশি-প্রশংসা-করা-ন/) - ১৮৮৮. আবু বাকর [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর সামনে এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির প্রশংসা করল। তখন রসূল [সাঃআঃ] বললেন, তোমার জন্য আফসোস! তুমি তো তোমার সাথীর গর্দান কেটে ফেললে, তুমি তো তোমার সাথীর গর্দান কেটে ফেললে। তিনি এ কথা কয়েকবার বললেন, অতঃপর তিনি বললেন, তোমাদের কেউ যদি তার ভাইয়ের প্রশংসা করতেই চায় - [একই খালে মুমিন দুবার দংশিত হয় না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/একই-খালে-মুমিন-দুবার-দংশি/) - ১৮৮৭. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ প্রকৃত মুমিন একই গর্ত (ভুলে) থেকে দুবার (দুইবার) দংশিত হয় না। [বুখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় ৮৩ হাদীস নং ৬১৩৩; মুসলিম ৫৩/১২, হাঃ ২৯৯৮]; সংসারের প্রতি অনাসক্তি – এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [ইঁদুর সম্পর্কে এবং তার রূপ পরিবর্তিত হয়েছে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইঁদুর-সম্পর্কে-এবং-তার-রূ/) - ১৮৮৬. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেন, বনী ইসরাঈলের একদল লোক নিখোঁজ হয়েছিল। কেউ জানে না তাদের কী হলো আর আমি তাদেরকে ইঁদুর বলেই মনে করি। কেননা তাদের সামনে যখন উটের দুধ রাখা হয়, তারা তা পান করে না, আর তাদের সামনে ছাগী দুগ্ধ রাখা হয় তারা তা পান করে [আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] - [হাঁচি দিলে আলহামদুলিল্লাহ বলা এবং হাই তোলার অপছন্দনীয়তা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাঁচি-দিলে-আলহামদুলিল্লা/) - ১৮৮৪. আনাস ইবনু মালিক [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ একদিন নাবী [সাঃআঃ] -এর সামনে দু ব্যক্তি হাঁচি দিল। তখন নাবী [সাঃআঃ] একজনের জবাব দিলেন। অপরজনের জবাব দিলেন না। তাকে এর কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃএই ব্যক্তি আলহামদুলিল্লাহ বলেছে। আর ঐ ব্যক্তি আলহামদুলিল্লাহ বলেনি। [তাই হাঁচির জবাব দেয়া হয়নি] [বুখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় ১২৩ হাদীস - [কারো পাপ প্রকাশ করা নিষিদ্ধ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কারো-পাপ-প্রকাশ-করা-নিষিদ/) - ১৮৮৩. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে বলতে শুনেছি যে, আমার সকল উম্মাত মাফ পাবে, তবে প্রকাশকারী ব্যতীত। আর নিশ্চয় এ বড়ই ধৃষ্টতা যে, কোন ব্যক্তি রাতে অপরাধ করল যা আল্লাহ গোপন রাখলেন। কিন্তু সে ভোর হলে বলে বেড়াতে লাগল, হে অমুক! আমি আজ রাতে এমন এমন কর্ম করেছি। অথচ সে - [যে ব্যক্তি ন্যায় কাজের নির্দেশ দেয় অথচ সে নিজেই তা করে না এবং অন্যায় কাজ থেকে নিষেধ করে অথচ সে নিজেই তা করে, তার শাস্তি।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-ন্যায়-কাজের-ন/) - ১৮৮২. আবু ওয়াইল [রহ.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, উসামাহ [রাদি.]-কে বলা হল, কত ভাল হত! যদি আপনি ঐ ব্যক্তির [উসমান [রাদি.]-এর নিকট যেতেন এবং তাঁর সঙ্গে আলোচনা করতেন। উত্তরে তিনি বললেন, আপনারা মনে করছেন যে আমি তাঁর সঙ্গে আপনাদেরকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলব। অথচ আমি তাঁর সঙ্গে [দাঙ্গা দমনের ব্যাপারে] গোপনে আলোচনা করছি, যেন আমি একটি - [বাক (কথা) সংযত করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বাক-কথা-সংযত-করা।/) - ১৮৮১. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-কে বলতে শুনেছেন যে, নিশ্চয় বান্দা এমন কথা বলে যার পরিণাম সে চিন্তা করে না, অথচ এ কথার কারণে সে নিক্ষিপ্ত হবে জাহান্নামের এমন গভীরে যার দূরত্ব মাশরিক-এর দূরত্বের চেয়ে অধিক। [বুখারী পর্ব ৮১ অধ্যায় ২৩ হাদীস নং ৬৪৭৭; মুসলিম ৫৩/৬, হাঃ ২৯৮৮]; সংসারের প্রতি অনাসক্তি – - [লোক দেখানো আমালের নিষিদ্ধতা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/লোক-দেখানো-আমালের-নিষিদ্/) - ১৮৮০. জুনদুব [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি লোক শোনানো ইবাদাত করে আল্লাহ্ তাআলা এর বিনিময়ে লোক-শোনানো দেবেন। আর যে ব্যক্তি লোক-দেখানো ইবাদাত করবে আল্লাহ্ এর বিনিময়ে লোক দেখানো দেবেন। [বুখারী পর্ব ৮১ অধ্যায় ৩৬ হাদীস নং ৬৪৯৯; মুসলিম ৫৩/৫, হাঃ ২৯৮৬]; সংসারের প্রতি অনাসক্তি – এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [মসজিদ নির্মাণের মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মসজিদ-নির্মাণের-মর্যাদা।/) - ১৮৭৯. উবাইদুল্লাহ খাওলানী [রহ.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি উসমান ইবনি আফ্ফান [রাদি.]-কে বলতে শুনেছেন, তিনি যখন মাসজিদে নববী নির্মাণ করেছিলেন তখন লোকজনের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেছিলেনঃতোমরা আমার উপর অনেক বাড়াবাড়ি করছ অথচ আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] -কে বলতে শুনেছিঃযে ব্যক্তি মাসজিদ নির্মাণ করে, বুকায়র [রহ.] বলেনঃ আমার মনে হয় রাবী আসিম [রহ.] তাঁর বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন, আল্লাহ্‌র - [বিধবা, দরিদ্র ও ইয়াতিমদের মঙ্গল সাধন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিধবা-দরিদ্র-ও-ইয়াতিমদে/) - ১৮৭৮. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ বিধবা ও মিসকীন-এর জন্য [খাদ্য যোগাতে] সচেষ্ট ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় মুজাহিদের মত অথবা রাত জেগে ইবাদতকারী ও দিনভর সিয়াম পালনকারীর মত। [বুখারী পর্ব ৫৯ অধ্যায় ১ হাদীস নং ৫৩৫৩; মুসলিম ৫৩/২, হাঃ ২৯৮২]; সংসারের প্রতি অনাসক্তি – এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [ক্রন্দনরত অবস্থা ব্যতীত নিজেদের আত্মার প্রতি যুলমকারী লোকেদের বসবাস এলাকায় প্রবেশ করো না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ক্রন্দনরত-অবস্থা-ব্যতীত/) - ১৮৭৬। আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমরা এসব আযাবপ্রাপ্ত সম্প্রদায়ের লোকালয়ে ক্রন্দনরত অবস্থা ব্যতীত প্রবেশ করবে না। কান্না না আসলে সেখানে প্রবেশ করো না, যেন তাদের উপর যা আপতিত হয়েছিল তা তোমাদের প্রতিও আসতে না পারে। [বুখারী পর্ব ৮ অধ্যায় ৫৩ হাদীস নং ৪৩৩; মুসলিম ৫৩/১ হাঃ ২৯৮]; সংসারের প্রতি - [সংসারের প্রতি অনাসক্তি ও অন্তরের কোমলতা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সংসারের-প্রতি-অনাসক্তি-ও/) - ১৮৬৫. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তিনটি জিনিস মৃত ব্যক্তির অনুসরণ করে থাকে। দুটি ফিরে আসে, আর একটি তার সঙ্গে থেকে যায়। তার পরিবারবর্গ, তার মাল ও তার আমাল তার অনুসরণ করে থাকে। তার পরিবারবর্গ ও তার মাল ফিরে আসে, পক্ষান্তরে তার আমাল তার সঙ্গে থেকে যায়। [বুখারী পর্ব - [নাবী (সাঃ)-কে রূহ সম্পর্কে ইয়াহূদীদের জিজ্ঞাসা ও আল্লাহ তাআলার বাণীঃ 'তারা তোমাকে রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে।' - সূরা বানী ইসরাঈল ১৭/৮৫](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃ-কে-রূহ-সম্পর্কে-ই/) - ১৭৮০. আবদুল্লাহ্ ইবনি মাসঊদ [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ একদা আমি নাবী [সাঃআঃ]-এর সাথে মাদীনার বসতিহীন এলাকা দিয়ে চলছিলাম। তিনি একখানি খেজুরের ডালে ভর দিয়ে একদল ইয়াহুদীর কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তারা একজন অন্যজনকে বলতে লাগল, তাঁকে রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস কর। আর একজন বলল, তাঁকে কোন প্রশ্ন করো না, হয়ত এমন কোন জবাব দিবেন যা - [দ্বীনের নাসীহাত ইত্যাদি প্রদানের ক্ষেত্রে মধ্যপন্থা অবলম্বন করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দ্বীনের-নাসীহাত-ইত্যাদি/) - ১৭৯৬. আবু ওয়াইল [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ ইবনি মাসঊদ [রাদি.] প্রতি বৃহস্পতিবার লোকদের নসীহত করতেন। তাঁকে একজন বলল, হে আবু আবদুর রহমান! আমার ইচ্ছে জাগে, যেন আপনি প্রতিদিন আমাদের নসীহত করেন। তিনি বললেনঃ এ কাজ থেকে আমাকে যা বাধা দেয় তা হচ্ছে, আমি তোমাদেরকে ক্লান্ত করতে পছন্দ করি না। আর আমি নসীহত করার ব্যাপারে - [বেশি বেশি সৎকর্ম ও ইবাদাতে প্রচেষ্টা করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বেশি-বেশি-সৎকর্ম-ও-ইবাদাত/) - ১৭৯৫. মুগীরাহ [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃ] রাত্রি জাগরণ করে সলাত আদায় করতেন; এমনকি তাঁর পদযুগল অথবা তাঁর দুপায়ের গোছা ফুলে যেত। তখন এ ব্যাপারে তাঁকে বলা হল, এত কষ্ট কেন করছেন? তিনি বলতেন, তাই বলে আমি কি একজন শুকরগুযার বান্দা হব না? [বুখারী পর্ব ১৯ অধ্যায় ৬ হাদীস নং ১১৩০; মুসলিম ৫০ - [কেউ তার সৎকর্ম দ্বারা জান্নাতে যাবে না বরং (যাবে) আল্লাহ তাআলার রহমতে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কেউ-তার-সৎকর্ম-দ্বারা-জান/) - ১৭৯৩. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ কস্মিনকালেও তোমাদের কাউকে নিজের আমাল নাজাত দেবে না। তাঁরা বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল [সাঃআঃ]! আপনাকেও না? তিনি বললেনঃ আমাকেও না। তবে আল্লাহ্ তাআলা আমাকে রহমত দিয়ে ঢেকে রেখেছেন। তোমারা যথারিথী আমাল করে নৈকট্য লাভ কর। তোমরা সকালে, বিকালে এবং রাতের শেষভাগে আল্লাহ্‌র ইবাদাত কর। - [মুমিনের দৃষ্টান্ত খেজুর গাছের দৃষ্টান্তের ন্যায়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুমিনের-দৃষ্টান্ত-খেজুর/) - ১৭৯২. ইবনি উমার [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল [সাঃআঃ] একদা বললেনঃ গাছগাছালির মধ্যে এমন একটি গাছ আছে যার পাতা ঝরে না। আর তা মুসলিমের উদাহরণ, তোমরা আমাকে অবগত কর সেটি কী গাছ? তখন লোকেরা জঙ্গলের বিভিন্ন গাছ-গাছালির নাম ধারণা করতে লাগল। আবদুল্লাহ [রাদি.] বলেন, আমার ধারণা হল, সেটা হবে খেজুর গাছ। কিন্তু আমি - [মুমিনের দৃষ্টান্ত হল সতেজ বৃক্ষের ন্যায়, কাফিরের দৃষ্টান্ত হল পাইন গাছের মত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুমিনের-দৃষ্টান্ত-হল-সতে/) - ১৭৯০. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ মুমিন ব্যক্তির উপমা হল, সে যেন শস্যক্ষেত্রের কোমল চারাগাছ। যে কোন দিক থেকেই তার দিকে বাতাস আসলে বাতাস তাকে নুইয়ে দেয়। আবার যখন বাতাসে প্রবাহ বন্ধ হয় তখন তা সোজা হয়ে দাঁড়ানো বৃক্ষের ন্যায়, যাকে আল্লাহ যখন ইচ্ছে করেন ভেঙ্গে দেন। [বুখারী পর্ব ৭৫ - [কাফিরদেরকে (কিয়ামতের দিন) মুখের ভরে একত্রিত করা হবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কাফিরদেরকে-কিয়ামতের-দি/) - ১৭৮৯. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহ্‌র নাবী [সাঃআঃ] ক্বিয়ামাতের দিন কাফেরদের মুখে ভর করে চলা অবস্থায় একত্রিত করা হবে? তিনি বললেন, যিনি এ দুনিয়ায় তাকে দুপায়ের উপর চালাতে পারছেন, তিনি কি ক্বিয়ামাতের দিন মুখে ভর করে তাকে চালাতে পারবেন না? ক্বাতাদাহ [রহ.] বলেন, নিশ্চয়ই, আমার রবের ইজ্জতের কসম! [বুখারী - [যমীন ভর্তি স্বর্ণ মুক্তিপণের বদলে কাফিরদের (জাহান্নাম থেকে মুক্তি) চাওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যমীন-ভর্তি-স্বর্ণ-মুক্তি/) - ১৭৮৮. আনাস [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ আল্লাহ তাআলা জাহান্নামবাসীদের মধ্যে সবচেয়ে সহজ আযাব ভোগকারীকে জিজ্ঞেস করবেন, যদি পৃথিবীর ধন-সম্পদ তোমার হয়ে যায়, তবে তুমি কি আযাবের বিনিময়ে তা দিয়ে দিবে? সে উত্তর দিবে, হাঁ। তখন আল্লাহ বলবেন, যখন তুমি আদাম [আ.]-এর পৃষ্ঠে ছিলে, তখন আমি তোমার নিকট এর থেকেও সহজ একটি জিনিস চেয়েছিলাম। সেটা হল, তুমি - [আঘাতে আল্লাহ তাআলার চেয়ে আর কেউ অধিক ধৈর্যশীল নয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আঘাতে-আল্লাহ-তাআলার-চেয়/) - ১৭৮৭. আবু মূসা [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ কষ্টের কথা শোনার পর আল্লাহ তাআলার চেয়ে অধিক ধৈর্যধারণকারী কেউ বা কোন কিছুই নেই। লোকেরা তাঁর জন্য সন্তান সাব্যস্ত করে; এরপরও তিনি তাদের বিপদ মুক্ত রাখেন এবং রিযক দান করেন। [বুখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় ৭১ হাদীস নং ৬০৯৯; মুসলিম ৫০ অধ্যায় ৯, হাঃ ২৮০৪], এই হাদীসটির - [চন্দ্র খণ্ডন (চাঁদ বিভাজন)](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/চন্দ্র-খণ্ডন-চাঁদ-বিভাজন/) - ১৭৮৪. আবদুল্লাহ ইবনি মাসঊদ [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর যুগে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল। তখন নাবী [সাঃআঃ] বললেন, তোমরা সাক্ষী থাক। [বুখারী পর্ব ৬১ অধ্যায় ২৭ হাদীস নং ৩৬৩৬; মুসলিম ৫০ অধ্যায় ৮ হাঃ ২৮০০], এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১৭৮৫. আনাস [ইবনি মালিক] [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ মাক্কাহবাসী কাফিররা আল্লাহর রাসূল [সাঃআঃ]-এর নিকট নিদর্শন - [ধোঁয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ধোঁয়া/) - ১৭৮৩. মাসরূক [রহ.] থেকে বর্ণিতঃ আবদুল্লাহ্ [রাদি.] বলেছেন, অবস্থা এ জন্য যে, কুরাইশরা যখন রাসূল [সাঃআঃ]-এর নাফরমানী করল, তখন তিনি তাদের বিরুদ্ধে এমন দুর্ভিক্ষের দুআ করলেন, যেমন দুর্ভিক্ষ হয়েছিল ইউসুফ [আ.]-এর সময়ে। তারপর তাদের উপর দুর্ভিক্ষ ও ক্ষুধার কষ্ট এমনভাবে আপতিত হল যে, তারা হাড্ডি খেতে আরম্ভ করল। তখন মানুষ আকাশের দিকে তাকালে ক্ষুধার তাড়নায় - [আল্লাহ তাআলার বাণীঃ 'আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দিবেন না যখন আপনি তাদের মধ্যে আছেন।' - সূরাহ আনফাল ৮/৩৩](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ-তাআলার-বাণীঃ-আল্ল/) - ১৭৮২. আনাস ইবনু মালিক [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ আবু জাহিল বলেছিল “হে আল্লাহ! যদি এ কুরআন তোমার পক্ষ থেকে সত্য হয় তাহলে আমাদের উপর আসমান থেকে প্রস্তর বর্ষণ কর অথবা দাও আমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।” এরপর অবতীর্ণ হল — وَمَا كَانَ اللهُ لِيُعَذِّبَهُمْ وَأَنْتَ فِيهِمْ وَمَا كَانَ اللهُ مُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُونَ وَمَا لَهُمْ أَنْ لاَ يُعَذِّبَهُمُ اللهُ - [জান্নাতীদের আপ্যায়ন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জান্নাতীদের-আপ্যায়ন।/) - ১৭৭৮. আবু সাঈদ খুদরী [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন সমস্ত যমীন একটি রুটি হয়ে যাবে। আর আল্লাহ্ তাআলা বেহেশতীদের মেহমানদারীর জন্য তাকে স্বহস্তে তুলে নেবেন। যেমন তোমাদের মাঝে কেউ সফরের সময় তার রুটি হতে তুলে নেয়। এমন সময় একজন ইয়াহূদী এলো এবং বলল, হে আবুল কাসিম! দয়াময় আপনাকে বারাকাত প্রদান করুন। কিযামতের - [পুনরুত্থান ও পুনর্জীবন এবং ক্বিয়ামাতের দিন যমীনের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পুনরুত্থান-ও-পুনর্জীবন-এ/) - ১৭৭৭. সাহ্‌ল ইবনি সাদ সাঈদ [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে বলতে শুনেছি যে, ক্বিয়ামাতের দিন মানুষকে এমন স্বচ্ছ শুভ্র সমতল যমীনের ওপর একত্রিত করা হবে সাদা গমের রুটি যেমন স্বচ্ছ-শুভ্র হয়ে থাকে। সাহ্‌ল বা অন্য কেউ বলেছেন, তার মাঝে কারও কোন কিছুর চিহ্ন বিদ্যমান থাকবে না। [বুখারী পর্ব ৮১ অধ্যায় ৪৪ হাদীস - [ক্বিয়ামাত, জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ক্বিয়ামাত-জান্নাত-ও-জাহ/) - ১৭৭৩. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেন, ক্বিয়ামাতের দিন একজন খুব মোটা ব্যক্তি আসবে; কিন্তু সে আল্লাহ্‌র কাছে মশার পাখার চেয়ে ক্ষুদ্র হবে। তারপর তিনি বলেন, পাঠ করো, “ক্বিয়ামাত দিবসে তাদের কাজের কোন গুরুত্ব দিব না। * পুণ্য মনে করে তারা যে সকল কর্ম করেছে, সেগুলো কোন কাজে আসবে না। [বুখারী পর্ব ৬৫ - [মুনাফিক ও তাদের হুকুম](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুনাফিক-ও-তাদের-হুকুম/) - ১৭৬৫. যায়দ ইবনি আরকাম [রাদি.] থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা কোন এক সফরে নাবী [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে বের হলাম। সফরে এক কঠিন অবস্থা লোকেদেরকে গ্রাস করে নিল। তখন আবদুল্লাহ্ ইবনি উবাই তার সাথী-সঙ্গীদেরকে বলল, “আল্লাহ্‌র রাসূলের সহচরদের জন্য তোমরা ব্যয় করবে না যতক্ষণ তারা সরে পড়ে যারা তার আশে পাশে আছে।” সে এও বলল, “আমরা মাদীনায় - [অন্যের বাড়িতে উঁকি মারা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অন্যের-বাড়িতে-উঁকি-মারা/) - ১৩৯৩. সাহ্‌ল ইবনি সাদ সাঈদী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ [সাঃআঃ]-এর কোন গৃহের দরজার এক ছিদ্র দিয়ে উঁকি মারল। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ [সাঃআঃ]-এর নিকট চিরুনি সদৃশ একখণ্ড লোহা ছিল। এ দ্বারা তিনি স্বীয়মাথা চুল্কাচ্ছিলেন। যখন রাসূলুল্লাহ্‌ [সাঃআঃ] তাকে দেখলেন তখন বললেনঃ যদি আমি নিশ্চিত হতাম যে, তুমি আমার দিকে তাকাচ্ছ তাহলে এ দ্বারা - [অনুমতি প্রার্থীকে যখন বলা হইবে আপনি কে তখন আমি বলা মাকরুহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অনুমতি-প্রার্থীকে-যখন-বল/) - ১৩৯২. জাবির ইবনি আব্দুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমার পিতার কিছু ঋণ ছিল। এ বিষয়ে আলোচনা করার জন্য আমি নাবী [সাঃআঃ]-এর কাছে এলাম এবং দরজায় করাঘাত করলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ কে? আমি বললামঃ আমি। তখন তিনি বললেনঃ আমি আমি, যেন তিনি তা অপছন্দ করিলেন। [বোখারী পর্ব ৭৯ অধ্যায় ১৭ হাদীস নং ৬২৫০; মুসলিম ৩৮/৮, - [(ঘরে ইত্যাদিতে প্রবেশের জন্য) অনুমতি চাওয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঘরে-ইত্যাদিতে-প্রবেশের-জ/) - ১৩৯১. আবু সাঈদ খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার আমি আনসারদের এক মজলিসে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় হঠাৎ আবু মূসা [রাদি.] ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে এসে বললেনঃ আমি তিনবার উমার [রাদি.]-এর নিকট অনুমতি চাইলাম, কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হলো না। তাই আমি ফিরে এলাম। উমার [রাদি.] তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমাকে ভেতরে প্রবেশ করিতে কিসে বাধা - [কোন সন্তান জন্মগ্রহণ করার সময় তাহনিক করা [কিছু চিবিয়ে মুখে দেয়া] এবং তাহনিক করার জন্য ভাল লোকের নিকট নিয়ে যাওয়া মুস্তাহাব। জন্মের দিন নাম রাখা জায়িয এবং আবদুল্লাহ, ইবরাহীম ও সমস্ত নাবী [সাঃআঃ]গণের নামে নাম রাখা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কোন-সন্তান-জন্মগ্রহণ-করা/) - ১৩৮৬. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আবু ত্বলহার এক ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়ল। আবু ত্বলহা বাইরে গেলেন, তখন ছেলেটি মারা গেল। আবু ত্বলহা [রাদি.] ফিরে এসে জিজ্ঞেস করলেনঃ ছেলেটি কী করছে? উম্মু সুলাইম বললেনঃ সে আগের চেয়ে শান্ত। তারপর তাঁকে রাতের খাবার দিলেন। তিনি আহার করিলেন। তারপর উম্মু সুলাইমের সঙ্গে যৌন সঙ্গম - [রাজাধিরাজ নাম রাখা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রাজাধিরাজ-নাম-রাখা-হারাম/) - ১৩৮৫. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি রাসূলুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলার নিকট সর্বাধিক নিকৃষ্ট নামধারী অথবা বলেছেন, সব নামের মধ্যে ঘৃণিত নাম হলো সে ব্যক্তি, যে রাজাধিরাজ নাম ধারণ করেছে । [বোখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় ১১৪ হাদীস নং ৬২০৫; মুসলিম ৩৮/৪, হাঃ ২১৪৩] আচার ব্যবহার -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [খারাপ নাম পরিবর্তন করে ভাল নাম রাখা এবং বাররাহ নাম পরিবর্তন করে যায়নাব জুয়াইরিয়াহ বা এ জাতীয় নাম রাখা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খারাপ-নাম-পরিবর্তন-করে-ভা/) - ১৩৮৪. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ যাইনাব [রাদি.]-এর নাম ছিল বাররাহ [নেককার]। তখন কেউ বললেনঃ এতে তিনি নিজের পবিত্রতা প্রকাশ করছেন। তখন রাসূলুল্লাহ তাহাঁর নাম রাখলেনঃ যাইনাব। [বোখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় ১০৭ হাদীস নং ৬১৯২; মুসলিম ৩৮/৩, হাঃ ২১৪১] আচার ব্যবহার -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [আবুল ক্বাসেম নামে কুনিয়াত বা উপনাম রাখা মাকরূহ এবং মুস্তাহাব নামসমূহের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আবুল-ক্বাসেম-নামে-কুনিয়/) - ১৩৮০. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক সাহাবী বাক্বী নামক স্থানে আবুল ক্বাসিম বলে [কাউকে] ডাক দিলেন। তখন নাবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] তার দিকে তাকালেন। তিনি বলিলেন, আমি আপনাকে উদ্দেশ্য করিনি। তখন তিনি [সাঃআঃ] বলিলেন, তোমরা আমার নামে নাম রাখ কিন্তু আমার কুনিয়াতে বা ডাকনামে কারো কুনিয়াত রেখ না। [বোখারী পর্ব ৩৪ অধ্যায় - [স্বপ্ন অধ্যায়](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/স্বপ্ন-অধ্যায়/) - ১৪৫৬. আবু ক্বাতাদাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছিঃ ভাল স্বপ্ন আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে হয়, আর মন্দ স্বপ্ন হয় শয়তানের পক্ষ থেকে। সুতরাং তোমাদের কেউ যদি এমন কিছু স্বপ্ন দেখে যা তার কাছে খারাপ মনে হয়, তা হলে সে যখন ঘুম থেকে জেগে ওঠে যেন তিনবার থুথু ফেলে এবং এর অনিষ্ট - [গোলাম আযাদ করার ফাযীলাত ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/গোলাম-আযাদ-করার-ফাযীলাত-।/) - ৯৬৪. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, কেউ কোন মুসলিম ক্রীতদাস মুক্ত করলে আল্লাহ্‌ সেই ক্রীতদাসের প্রত্যেক অঙ্গের বিনিময়ে তার এক একটি অঙ্গ [জাহান্নামের] আগুন হইতে মুক্ত করবেন। [বোখারী পর্ব ৪৯: /১, হাঃ ২৫১৭; মুসলিম ২০/৫, হাঃ ১৫০৯] এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [আযাদকৃত গোলামের জন্য আযাদকারী মনিব ছাড়া অন্যকে মনিব গণ্য করা নিষিদ্ধ ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আযাদকৃত-গোলামের-জন্য-আযা/) - ৯৬৩. ইবরাহীম তায়মী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমার পিতা বর্ণনা করিয়াছেন যে, একদা আলী [রাদি.] পাকা ইটে নির্মিত একটি মিম্বরে আরোহণ করে আমাদের উদ্দেশ্যে খুত্‌বা পাঠ করিলেন। তাহাঁর সঙ্গে একটি তরবারী ছিল, যার মাঝে একটি সহীফা ঝুলন্ত ছিল। তিনি বলিলেন, আল্লাহ্‌র কসম! আমাদের নিকট আল্লাহ্‌র কিতাব এবং যা এ সহীফাতে লিপিবদ্ধ আছে এ - [ওয়ালা বিক্রয় করা ও দান করা নিষিদ্ধ ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ওয়ালা-বিক্রয়-করা-ও-দান-ক/) - ৯৬২. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব বিক্রি করিতে এবং তা দান করিতে নিষেধ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৪৯: /১০, হাঃ ২৫৩৫; মুসলিম ২০/৩, হাঃ ১৫০৬] এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [ওয়ালার মালিক হইবে আযাদকারী ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ওয়ালার-মালিক-হইবে-আযাদক/) - ৯৬০. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ বারীরাহ [রাদি.] একবার তার মুকাতাবাতের ব্যাপারে সাহায্য চাইতে আসলেন। তখন পর্যন্ত তিনি মুকাতাবাতের অর্থ হইতে কিছুই আদায় করেননি। আয়েশা [রাদি.] তাকে বলিলেন, তুমি তোমার মালিকের কাছে ফিরে যাও। তারা সম্মত হলে আমি তোমার মুকাতাবাতের প্রাপ্য পরিশোধ করে দিব। আর তোমার ওয়ালার [অভিভাবকের] অধিকার আমার হইবে। বারীরাহ [রাদি.] কথাটি তার মালিকের - [গোলামকে মুক্তিপণের অর্থ উপার্জনের সুযোগ দান ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/গোলামকে-মুক্তিপণের-অর্থ/) - ৯৫৯. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, কেউ তার [শরীক] গোলাম হইতে অংশ আযাদ করে দিলে তার দায়িত্ব হয়ে পড়ে নিজস্ব অর্থে সেই গোলামকে পূর্ণ আযাদ করা। যদি তার প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকে, তাহলে গোলামের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করিতে হইবে। তারপর [অন্য শরীকদের অংশ পরিশোধের জন্য] তাকে উপার্জনে যেতে হইবে, তবে তার উপর - [ইতক](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইতক/) - ৯৫৮. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেন, কেউ যদি কোন ক্রীতদাস হইতে নিজের অংশ মুক্ত করে আর ক্রীতদাসের মূল্য পরিমাণ অর্থ তার কাছে থাকে, তবে তার উপর দায়িত্ব হইবে ক্রীতদাসের ন্যায্য মূল্য নির্ণয় করা। তারপর সে শরীকদেরকে তাহাদের প্রাপ্য অংশ পরিশোধ করিবে এবং ক্রীতদাসটি তার পক্ষ হইতে মুক্ত হয়ে যাবে, কিন্তু [সে - [ঐ ব্যক্তির অসীয়াত পরিত্যাগ করা যার কোন কিছু নেই যা সে অসিয়াত করিবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঐ-ব্যক্তির-অসীয়াত-পরিত্/) - ১০৫৭. ত্বলহা ইবনি মুসার্‌রিফ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ আমি আবদুল্লাহ্ ইবনি আবী আওফা [রাদি.]-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, নাবী [সাঃআঃ] কি অসীয়াত করেছিলেন? তিনি বলেন, না। আমি বললাম, তাহলে কিভাবে লোকদের উপর অসীয়াত ফার্‌য করা হলো, কিংবা ওয়াসিয়াতের নির্দেশ দেয়া হলো? তিনি বলিলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] আল্লাহ্‌র কিতাব মুতাবিক আমাল করার জন্য অসীয়াত করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব - [ওয়াক্‌ফ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ওয়াক্ফ/) - ১০৫৬. ইবনি উমার[রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ উমার উব্‌নু খাত্তাব [রাদি.] খায়বারে কিছু জমি লাভ করেন। তিনি এ জমির ব্যাপারে পরামর্শের জন্য আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর নিকট এলেন এবং বলিলেন, হে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]! আমি খায়বারে এমন উৎকৃষ্ট কিছু জমি লাভ করেছি যা ইতোপূর্বে আর কখনো পাইনি। আপনি আমাকে এ ব্যাপারে কী আদেশ দেন? আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলিলেন, - [সদাকার সওয়াব মৃত ব্যক্তির নিকট পৌছা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সদাকার-সওয়াব-মৃত-ব্যক্ত/) - ১০৫৫. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেন, আমার মায়ের আকস্মিক মৃত্যু ঘটে, কিন্তু আমার বিশ্বাস তিনি (মৃত্যুর পূর্বে) কথা বলতে সক্ষম হলে কিছু সাদাকা করে যেতেন। এখন আমি তার পক্ষ হতে সাদাকা করলে তিনি এর প্রতিফল পাবেন কি? তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। [বোখারী পর্ব ২৩ - [এক তৃতীয়াংশ অসীয়াত করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/এক-তৃতীয়াংশ-অসীয়াত-করা/) - ১০৫৩. সাদ ইবনি আবু ওয়াক্কাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, বিদায় হাজ্জে একটি কঠিন রোগে আমি আক্রান্ত হলে, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] আমার খোঁজ খবর নেয়ার জন্য আসতেন। একদা আমি তাহাঁর কাছে নিবেদন করলাম, আমার রোগ চরমে পৌঁছেছে আর আমি সম্পদশালী। একমাত্র কন্যা ছাড়া কেউ আমার উত্তরাধিকারী নেই। তবে আমি কি আমার সম্পদের দু তৃতীয়াংশ সদাকাহ - [অসীয়াত পর্ব](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অসীয়াত-পর্ব/) - ১০৫২. আবদুল্লাহ্ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]বলেছেন, কোন মুসলিম ব্যক্তির উচিত নয় যে, তার অসীয়াতযোগ্য কিছু [সম্পদ] রয়েছে, সে দুরাত কাটাবে অথচ তার নিকট তার অসীয়াত লিখিত থাকিবে না। [বোখারী, পর্ব ৫৫ : ওয়াসিয়াত, অধ্যায় ১, হাদীস নং ২৭৩৮; মুসলিম, পর্ব ২৫ : অসীয়াত, অধ্যায় আউয়ালুল কিতাব, হাঃ ১৬২৭] অসিয়ত নামা -এই - [উমরা [এমন দান যেখানে দানকারী ও দানগ্রহীতা পরস্পরের মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা করিবে যাতে তাহাদের একজন স্থায়ীভাবে বাড়িটির মালিক হয়ে যায়, উমরাকে রুকবাও বলা হয়] ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উমরা-এমন-দান-যেখানে-দানকা/) - ১০৫০. জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] উমরাহ [বস্তু] সম্পর্কে ফায়সালা দিয়েছেন, যাকে দান করা হয়েছে, সে-ই সেটার মালিক হইবে। [বোখারী পর্ব ৫১: /৩২, হাঃ ২৬২৫; মুসলিম ২৪/৪, হাঃ ১৬২৫] হেবা দান -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১০৫১. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, উমরা বৈধ। [বোখারী পর্ব ৫১ : /৩২, - [হেবার ক্ষেত্রে কোন কোন সন্তানকে প্রাধান্য দেয়া মাকরূহ ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হেবার-ক্ষেত্রে-কোন-কোন-সন/) - ১০৪৮. নুমান বাশীর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তার পিতা তাকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর নিকট এলেন এবং বলিলেন, আমি আমার এই পুত্রকে একটি গোলাম দান করেছি। তখন তিনি জিজ্ঞেস করিলেন, তোমার সব পুত্রকেই কি তুমি এরূপ দান করেছ? তিনি বলিলেন, না; তিনি [সাঃআঃ] বলিলেন, তবে তুমি তা ফিরিয়ে নাও। [বোখারী পর্ব ৫১: /১২, হাঃ ২৫৮৬; মুসলিম ২৪/৩, - [সদাকাহ গ্রহণকারীর হস্তগত হয়ে যাওয়া সদাকাহ ও হেবার মাল সদাকাহ্কারীর ফিরিয়ে নেয়া হারাম যদি না তা তার ছেলেকে বা অধস্তনকে হেবা করে থাকে ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সদাকাহ-গ্রহণকারীর-হস্তগত/) - ১০৪৭. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, দান করে তা ফেরত গ্রহণকারী ঐ কুকুরের মত, যে বমি করে এরপর তার বমি খায়। [বোখারী পর্ব ৫১: /১৪, হাঃ ২৫৮৯; মুসলিম ২৪/২, হাঃ ১৬২২] হেবা দান -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [সদাকাহ্‌কারীর জন্য তার সদাকাহ্‌কৃত বস্তু সদাকাহ গ্রহীতার নিকট থেকে ক্রয় করা ঘৃণিত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সদাকাহ্কারীর-জন্য-তার-স/) - ১০৪৫. উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমার একটি ঘোড়া আল্লাহ্‌র পথে দান করলাম। যার কাছে ঘোড়াটি ছিল সে এর হাক আদায় করিতে পারল না। তখন আমি তা ক্রয় করিতে চাইলাম এবং আমার ধারণা ছিল যে, সে সেটি কম মূল্যে বিক্রি করিবে। এ সম্পর্কে নাবী [সাঃআঃ]-কে আমি জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ তুমি ক্রয় করিবে না - [মসজিদে নববী (ﷺ) নির্মাণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাসজিদে-নাববী-সাঃআঃ-নির্/) - ৩০১. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ নাবী [সাঃআঃ] মাদীনায় পৌঁছে প্রথমে মাদীনার উচ্চ এলাকার অবস্থিত বানূ আমর ইবনি আওফ নামক গোত্রে উপনীত হন। তাহাদের সঙ্গে নাবী [সাঃআঃ] চৌদ্দ দিন [অপর বর্ণনায় চব্বিশ দিন] অবস্থান করেন। অতঃপর তিনি বানূ নাজ্জারকে ডেকে পাঠালেন। তারা কাঁধে তলোয়ার ঝুলিয়ে উপস্থিত হলো। আমি যেন এখনো সে দৃশ্য - [ছুটে যাওয়া সলাত আদায় করা এবং তা অবিলম্বে আদায় করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ছুটে-যাওয়া-সলাত-আদায়-কর/) - ৩৯৬. ইমরান ইবনি হুসাইন [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ এক সফরে তাঁরা নাবী [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে ছিলেন। সারা রাত পথ চলার পর যখন ভোর কাছাকাছি হল, তখন বিশ্রাম নেয়ার জন্য থেমে গেলেন এবং গভীর ঘুমে ঘুমিয়ে পড়লেন। অবশেষে সূর্য উদিত হয়ে অনেক উপরে উঠে গেল, {ইমরান [রাদি.] বলেন} যিনি সর্বপ্রথম ঘুম হইতে জাগলেন তিনি হলেন আবু বাক্র [রাদি.]। - [মুসলিমদের প্রতি কোন বিপদ পতিত হলে প্রত্যেক সলাতে কুনূতে নাযিলাহ পড়া মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুসলিমদের-প্রতি-কোন-বিপদ/) - ৩৯২. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রুকূ’ হতে মাথা উঠাতেন তখনঃ (سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ) বলতেন। আর কতিপয় লোকের নাম উল্লেখ করে তাঁদের জন্য দু’আ করতেন। দু’আয় তিনি বলতেন, ইয়া আল্লাহ্! ওয়ালীদ ইবনু ওয়ালীদ, সালামা ইবনু হিশাম, আইয়্যাস ইবনু আবূ রাবী’আ (রাযি.) এবং অপরাপর দুর্বল মুসলিমদেরকে - [ইমামাতের জন্য কে বেশি হকদার।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইমামাতের-জন্য-কে-বেশি-হকদ/) - ৩৯১. মালিক ইবনি হুয়াইরিস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আমার গোত্রের কয়েকজন লোকের সঙ্গে নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট এলাম এবং আমরা তাহাঁর নিকট বিশ রাত অবস্থান করলাম। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] অত্যন্ত দয়ালু ও বন্ধু বৎসল ছিলেন। তিনি যখন আমাদের মধ্যে নিজ পরিজনের নিকট ফিরে যাওয়ার আগ্রহ লক্ষ্য করিলেন, তখন তিনি আমাদের বললেনঃ তোমরা পরিজনের নিকট - [সলাতের জন্য হেঁটে যাওয়া পাপ মোচন করে ও মর্যাদা বৃদ্ধি করে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাতের-জন্য-হেঁটে-যাওয়া/) - ৩৮৯. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছেন, “বলত যদি তোমাদের কারো বাড়ির সামনে একটি নদী থাকে, আর সে তাতে প্রত্যহ পাঁচবার গোসল করে, তাহলে কি তার দেহে কোনো ময়লা থাকিবে? তারা বলিলেন, তার দেহে কোনোরূপ ময়লা বাকী থাকিবে না। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বললেনঃ এ হলো পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের উদাহরণ। এর - [দূর হইতে মাসজিদে আসার ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দূর-হইতে-মাসজিদে-আসার-ফায/) - ৩৮৮. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ [মসজিদ হইতে] যে যত অধিক দূরত্ব অতিক্রম করে সলাতে আসে, তার তত অধিক পুণ্য হইবে। আর যে ব্যক্তি ইমামের সঙ্গে সলাত আদায় করা পর্যন্ত অপেক্ষা করে, তার পুণ্য সে ব্যক্তির চেয়ে অধিক, যে একাকী সলাত আদায় করে ঘুমিয়ে যায়। [বোখারী পর্ব ১০ : /৩১ - [জামাআতে সলাতের ফাযীলাত এবং সলাতের জন্য অপেক্ষা করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জামাআতে-সলাতের-ফাযীলাত-এ-2/) - ৩৮৭. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ জামাআতের সাথে সলাত আদায় করলে ঘর বা বাজারে সলাত আদায় করার চেয়ে পঁচিশ গুণ সওয়াব বৃদ্ধি পায়। কেননা, তোমাদের কেউ যদি ভাল করে উযূ করে কেবল সলাতের উদ্দেশেই মাসজিদে আসে, সে মাসজিদে প্রবেশ করা পর্যন্ত যতবার কদম রাখে তার প্রতিটির বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা তার মর্যাদা ক্রমান¦য়ে - [নফল সলাত জামাআতবদ্ধভাবে আদায় করার বৈধতা এবং মাদুর, কাপড় ইত্যাদি পবিত্র জিনিসের উপর সলাত আদায় করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নফল-সলাত-জামাআতবদ্ধভাবে/) - ৩৮৬. মায়মূনাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] যখন সলাত আদায় করিতেন তখন হায়েয অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও আমি তাহাঁর বরাবর বসে থাকতাম। কখনো কখনো তিনি সাজদাহ করার সময় তাহাঁর কাপড় আমার গায়ে লাগতো। আর তিনি ছোট চাটাইয়ের উপর সলাত আদায় করিতেন। [বোখারী পর্ব ৮ : /১৯ হাঃ ৩৭৯, মুসলিম ৫/৪৮, হাঃ ৫১৩] নামাজের - [ওজরের কারণে জামাআত থেকে পিছিয়ে থাকার অনুমতি।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ওজরের-কারণে-জামাআত-থেকে-প/) - ৩৮৪. মাহমূদ ইবনি রাবী আনসারী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ ইতবান ইবনি মালিক [রাদি.], যিনি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী আনসারগণের অন্যতম, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর নিকট হাযির হয়ে আরয করলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পেয়েছে। আমি আমার গোত্রের লোকদের নিয়ে সলাত আদায় করি। কিন্তু বৃষ্টি হলে আমার ও তাহাদের বাসস্থানের মধ্যবর্তী নিম্নভূমিতে পানি - [জামাআতে সলাতের ফাযীলাত এবং তা থেকে পিছিয়ে থাকার ভয়াবহতার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জামাআতে-সলাতের-ফাযীলাত-এ/) - ৩৮০. আবু হুরাইরাহ্‌ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন যে, জামাআতের সালাত আমাদের কারো একাকী সালাত হতে পঁচিশ গুণ অধিক সওয়াব রাখে। আর ফজরের সালাতে রাতের ও দিনের মালাকগণ একত্রিত হয়। অতঃপর আবু হুরাইরাহ্ (রাযি.) বলতেন, তোমরা চাইলে (এর প্রমাণ স্বরূপ) (إِنْ شِئْتُمْ إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا) অর্থাৎ ’ফজরের - [ফাজ্‌রের সলাত প্রথম ওয়াক্তে পড়া মুস্তাহাব আর তা হচ্ছে গালাস এবং তাতে কিরাআতের পরিমাণের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফাজ্রের-সলাত-প্রথম-ওয়া/) - ৩৭৭. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, মুসলিম মহিলাগণ সর্বাঙ্গ চাদরে ঢেকে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে ফাজরের জামাআতে হাযির হইতেন। অতঃপর সলাত আদায় করে তারা যার যার ঘরে ফিরে যেতেন। আবছা আঁধারে কেউ তাঁদের চিনতে পারতো না। [বোখারী পর্ব ৯ : /২৭ হাঃ ৫৭৮, মুসলিম ৫/৪০ হাঃ ৬৪৫] নামাজের স্থান-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৩৭৮. - [ইশার সলাতের সময় এবং তা বিলম্ব করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইশার-সলাতের-সময়-এবং-তা-বি/) - ৩৭২. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক রাতে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] ইশার সলাত আদায় করিতে বিলম্ব করিলেন। এ হলো ব্যাপকভাবে ইসলাম প্রসারের পূর্বের কথা। [সালাতের জন্য] তিনি বেরিয়ে আসেননি, এমন কি উমার [রাদি.] বলিলেন, মহিলা ও শিশুরা ঘুমিয়ে পড়েছে। অতঃপর তিনি বেরিয়ে এলেন এবং মাসজিদের লোকদের লক্ষ্য করে বললেনঃ “তোমরা ব্যতীত যমীনের অধিবাসীদের কেউ - [সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় মাগরিবের সলাতের প্রথম ওয়াক্ত হওয়ার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সূর্য-অস্ত-যাওয়ার-সময়-ম/) - ৩৭০. সালামাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, সূর্য পর্দার আড়ালে ঢাকা পড়ে যাওয়ার সাথে সাথেই আমরা নাবী [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে মাগরিবের সলাত আদায় করতাম। [বোখারী পর্ব ৯ : /১৮ হাঃ ৫৬১, মুসলিম ৫/৩৮, হাঃ ৬৩৬] নামাজের স্থান-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৩৭১. রাফি ইবনি খাদীজ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা নাবী [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে মাগরিবের সলাত - [ফাজ্‌র ও আসরের সলাতের মর্যাদা এবং এ দু সলাতের প্রতি যত্নবান হওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফাজ্র-ও-আসরের-সলাতের-মর্/) - ৩৬৭. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ ফেরেশ্‌তামণ্ডলী পালা বদল করে তোমাদের মাঝে আগমন করেন; একদল দিনে, একদল রাতে। আসর ও ফাজরের সলাতে উভয় দল একত্র হন। অতঃপর তোমাদের মাঝে রাত যাপনকারী দলটি উঠে যান। তখন তাহাদের প্রতিপালক তাহাদের জিজ্ঞেস করেন, আমার বান্দাদের কোন্ অবস্থায় রেখে আসলে? অবশ্য তিনি নিজেই তাহাদের ব্যাপারে - [ঐ ব্যক্তির দলীল, যিনি বলেন- সলাতুল উসত্বা হচ্ছে আসরের সলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঐ-ব্যক্তির-দলীল-যিনি-বলেন/) - ৩৬৫. আলী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধের দিন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] দুআ করেন, আল্লাহ তাহাদের [মুশরিকদের] ঘর ও কবর আগুনে পূর্ণ করুন। কেননা তারা মধ্যম সলাত [তথা আসরের সলাত] থেকে আমাদেরকে ব্যস্ত করে রেখেছে, এমনকি সূর্য অস্তমিত হয়ে যায়। [বোখারী পর্ব ৫৬ : /৯৮ হাঃ ২৯৩১, মুসলিম ৫/৩৫ হাঃ ৬২৭] নামাজের স্থান-এই হাদীসটির - [আসরের সলাত ছুটে যাওয়ার ভয়াবহতা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আসরের-সলাত-ছুটে-যাওয়ার-ভ/) - ৩৬৪. আবদুল্লাহ্ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যদি কোন ব্যক্তির আসরের সলাত ছুটে যায়, তাহলে যেন তার পরিবার-পরিজন ও মাল-সম্পদ সব কিছুই ধ্বংস হয়ে গেল। আবু আবদুল্লাহ্ [ঈমাম বোখারী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, [আরবী পরিভাষায়] ………….. বাক্যটি ব্যবহার করা হয় যখন কেউ কাউকে হত্যা করে অথবা মাল-সম্পদ ছিনিয়ে নেয়। [বোখারী পর্ব ৯ - [আসরের সলাত প্রথম সময়ে পড়া উত্তম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আসরের-সলাত-প্রথম-সময়ে-পড/) - ৩৬১. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] আসরের সলাত আদায় করিতেন, আর সূর্য তখনও যথেষ্ট উপরে উজ্জ্বল অবস্থায় বিরাজমান থাকতো। সলাতের পর কোনো গমনকারী আওয়ালীর দিকে রওয়ানা হয়ে তাহাদের নিকট পৌঁছে যেতো, আর তখনও সূর্য উপরে থাকতো। আওয়ালীর কোন কোন অংশ ছিল মাদীনা হইতে চার মাইল বা তার কাছাকাছি দূরত্বে। - [গরমের তীব্রতা না থাকলে যুহরের সলাত নির্ধারিত সময়ের প্রারম্ভে পড়া মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/গরমের-তীব্রতা-না-থাকলে-যু/) - ৩৬০. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে আমরা আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে সলাত আদায় করতাম। আমাদের কেউ মাটিতে তার চেহারা [কপাল] স্থির রাখতে সক্ষম না হলে সে তার কাপড় বিছিয়ে তার উপর সাজদাহ্ করত। [বোখারী পর্ব ২১ : /৯ হাঃ ১২০৮, মুসলিম ৫/৩৩, হাঃ ৬২০] নামাজের স্থান-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ - [যুহরের সলাত প্রখর গরমের সময় ঠাণ্ডা করে পড়া মুস্তাহাব ঐ ব্যক্তির জন্য, যে ব্যক্তি জামাআতে যায় এবং রাস্তায় তাকে রৌদ্রের তাপ লাগে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যুহরের-সলাত-প্রখর-গরমের-স/) - ৩৫৭. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যখন গরম বেড়ে যায় তখন তোমরা তা কমে এলে [যুহরের] সলাত আদায় করো। কেননা, গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপের অংশ। [বোখারী পর্ব ৯ : /৯ হাঃ ৫৩৬, মুসলিম ৫/৩২, হাঃ ৬১৫] নামাজের স্থান-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৩৫৮. আবু যার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল - [পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের সময়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পাঁচ-ওয়াক্ত-সলাতের-সময়/) - ৩৫৪. বশীর ইবনি আবু মাসউদ হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি, একবার জিব্‌রীল [আ.] আসলেন, অতঃপর তিনি আমার ঈমামত করিলেন এবং তাহাঁর সঙ্গে সলাত আদায় করলাম। অতঃপর আমি তাহাঁর সঙ্গে সলাত আদায় করলাম। অতঃপরও আমি তাহাঁর সঙ্গে সলাত আদায় করলাম। অতঃপরও আমি তাহাঁর সঙ্গে সলাত আদায় করলাম। অতঃপর আমি তাহাঁর সঙ্গে - [যে ব্যক্তি কোন সলাতের এক রাকআত পেল সে যেন সে সলাতই পেল।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-কোন-সলাতের-এক-র/) - ৩৫৩. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেনঃ যে ব্যক্তি কোনো সলাতের এক রাকআত পায়, সে সলাত পেলো। [বোখারী পর্ব ৯ : /২৯ হাঃ ৫৮০, মুসলিম ৫/৩০, হাঃ ৬০৭] নামাজের স্থান-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [মানুষ সলাতের জন্য কখন দাঁড়াবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মানুষ-সলাতের-জন্য-কখন-দাঁ/) - ৩৫২. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ একবার সলাতের ইক্বামাত দেয়া হলে সবাই দাঁড়িয়ে কাতার সোজা করছিলেন, তখন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] আমাদের সামনে বেরিয়ে আসলেন। তিনি মুসাল্লায় দাঁড়ালে তাহাঁর মনে হলো যে, তিনি জানাবাত অবস্থায় আছেন। তখন তিনি আমাদের বললেনঃ স্ব স্ব স্থানে দাঁড়িয়ে থাক। তিনি ফিরে গিয়ে গোসল করে আবার আমাদের সামনে আসলেন - [সলাতের জন্য ধীরস্থির ও শান্তভাবে আসা মুস্তাহাব এবং দৌড়ে আসা অপছন্দনীয় হওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাতের-জন্য-ধীরস্থির-ও-শা/) - ৩৫০. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি, যখন সলাত শুরু হয়, তখন দৌড়িয়ে গিয়ে সলাতে যোগদান করিবে না, বরং হেঁটে গিয়ে সলাতে যোগদান করিবে। সলাতে ধীর-স্থিরভাবে যাওয়া তোমাদের জন্য অপরিহার্য। কাজেই জামাআতের সাথে সলাত যতটুকু পাও আদায় কর, আর যা ছুটে গেছে, পরে তা পূর্ণ করে নাও। [বোখারী - [তাকবীর তাহরীমা ও সূরাহ ফাতিহা পাঠের মধ্যে কী বলবে?](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তাকবীর-তাহরীমা-ও-সূরাহ-ফা/) - ৩৪৯. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] তাক্‌বীরে তাহ্‌রীমাহ ও কিরাআতের মধ্যে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকতেন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল ! আমার মাতাপিতা আপনার উপর কুরবান হোক, তাক্‌বীর ও কিরাআত এর মধ্যে চুপ থাকার সময় আপনি কী পাঠ করে থাকেন? তিনি বললেনঃ এ সময় আমি বলি- হে আল্লাহ আমার এবং - [সলাত আদায়ের পর দুআ পাঠ মুস্তাহাব এবং তার পদ্ধতি।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাত-আদায়ের-পর-দুআ-পাঠ-মু/) - ৩৪৭. ওয়ার্‌রাদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, মুগীরা ইবনি শুবা [রাদি.] আমাকে দিয়ে মুআবিয়াহ [রাদি.]-কে [এ মর্মে] একখানা পত্র লিখালেন যে, নাবী [সাঃআঃ] প্রত্যেক ফার্‌য সলাতের পর বলিতেনঃ اَ إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، اللهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلاَ - [সলাতে যে সকল জিনিস থেকে আশ্রয় চাইতে হইবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাতে-যে-সকল-জিনিস-থেকে-আশ/) - ৩৪৪.আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] কে তাহাঁর সলাতে দাজ্জালের ফিতনা হইতে আশ্রয় প্রার্থনা করিতেন করিতে শুনিয়াছি । [বোখারী পর্ব ১০ : /১৪৯ হাঃ ৮৩৩, মুসলিম ৫/২৫, হাঃ ৫৮৭] নামাজের স্থান-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৩৪৫. উরওয়াহ ইবনি যুবাইর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] সলাতে এ বলে দুআ করিতেনঃ “কবরের - [ক্ববরের আযাব বা শাস্তি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা বৈধ হওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ক্ববরের-আযাব-বা-শাস্তি-থে/) - নামাজের স্থান-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৩৪৩. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার আমার নিকট মাদীনাহ্‌র দুজন ইয়াহূদী বৃদ্ধা মহিলা এলেন। তাঁরা আমাকে বলিলেন যে, ক্ববরবাসীদের তাহাদের ক্ববরে আযাব দেয়া হয়ে থাকে। তখন আমি তাহাদের এ কথা মিথ্যা বলে অভিহিত করলাম। আমার বিবেক তাঁদের কথাটিকে সত্য বলে মানতে চাইল না। তাঁরা দুজন বেরিয়ে গেলেন। - [সলাতের পর পঠিতব্য যিক্‌র।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাতের-পর-পঠিতব্য-যিক্র/) - ৩৪২. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, তাক্‌বীর শুনে আমি বুঝতে পারতাম সলাত শেষ হয়েছে। আলী [রাদি.] বলেন, সুফইয়ান [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] সূত্রে বর্ণনা করেন যে, আবু মাবাদ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] ইবনি আব্বাস [রাদি.]-এর আযাদকৃত দাসসমূহের মধ্যে অধিক সত্যবাদী দাস ছিলেন। আলী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, তার নাম ছিল নাফিয। [বোখারী পর্ব ১০ : /১৫৫ হাঃ ৮৪২, - [কুরআন তিলাওয়াতের সাজদাহ্।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরআন-তিলাওয়াতের-সাজদাহ/) - ৩৩৮. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] একবার আমাদের সামনে এমন এক সূরাহ তিলাওয়াত করিলেন, যাতে সাজদাহ্‌র আয়াত রয়েছে। তাই তিনি সাজদাহ্ করিলেন এবং আমরাও সাজদাহ্ করলাম। ফলে অবস্থা এমন দাঁড়াল যে, আমাদের কেউ কেউ কপাল রাখার জায়গা পাচ্ছিলেন না। [বোখারী পর্ব ১৭ : /৮ হাঃ ১০৭৫, মুসলিম ৫/২০, হাঃ ৫৭৫ ] - [সলাতে ভুল-ভ্রান্তি হওয়া এবং তার জন্য সাজদাহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাতে-ভুল-ভ্রান্তি-হওয়া/) - ৩৩৪. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যখন সলাতের জন্য আযান দেয়া হয়, তখন শয়তান পিঠ ফিরিয়ে পালায় যাতে আযান শুনতে না পায় আর তার পশ্চাদ-বায়ু সশব্দে নির্গত হইতে থাকে। আযান শেষ হয়ে গেলে সে এগিয়ে আসে। আবার সলাতের জন্য ইক্বামাত দেয়া হলে সে পিঠ ফিরিয়ে পালায়। ইক্বামাত শেষ হয়ে - [রসুন, পিঁয়াজ অথবা ঐ জাতীয় জিনিস খেয়ে মাসজিদে গমন নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রসুন-পিঁয়াজ-অথবা-ঐ-জাতীয/) - ৩৩১. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] খায়বারের যুদ্ধের সময় বলেন, যে ব্যক্তি এই জাতীয় বৃক্ষ হইতে অর্থাৎ কাঁচা রসুন খায় সে যেন অবশ্যই আমাদের মাসজিদে না আসে। ইবনি আবদুল্লাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ কেউ যদি এ জাতীয় গাছ হইতে খায়, তিনি এ দ্বারা রসুন বুঝিয়েছেন, সে যেন আমাদের মাসজিদে - [খাবার উপস্থিত হলে সলাত অপছন্দনীয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খাবার-উপস্থিত-হলে-সলাত-অপ/) - ৩২৭. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যদি খাবার উপস্থিত হয়ে যায় আর সলাতের ইকামাত দেয়া হয়, তাহলে প্রথমে রাতের খাবার খাবে। [বোখারী পর্ব ৭০: /৫৮ হাঃ ৫৪৬৫, মুসলিম ৫/১৬, হাঃ ৫৫৭] নামাজের স্থান-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৩২৮. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ বিকেলের খাবার - [নক্‌শা বিশিষ্ট কাপড় পরে সলাত অপছন্দনীয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নক্শা-বিশিষ্ট-কাপড়-পরে/) - ৩২৬. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ একবার নাবী [সাঃআঃ] একটি নক্‌শা করা চাদর পরে সলাত আদায় করিলেন। সলাতের পরে তিনি বললেনঃ এ চাদরের কারুকার্য আমার মনকে নিবিষ্ট করে রেখেছিল। এটি আবু জাহমের নিকট নিয়ে যাও এবং এর পরিবর্তে একটি আম্বজানিয়্যাহ [নকশাবিহীন মোটা কাপড়] নিয়ে এসো। [বোখারী পর্ব ১০: /৯৩ হাঃ ৭৫২, মুসলিম ৫/১৫, হাঃ ৫৫৬] নামাজের - [জুতা পরে সলাত আদায় করা বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জুতা-পরে-সলাত-আদায়-করা-বৈ/) - ৩২৫. সাঈদ ইবনি ইয়াযীদ আল-আয্‌দী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ আমি আনাস ইবনি মালিক [রাদি.]-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, নাবী [সাঃআঃ] কি তাহাঁর নালাইন [চপ্পল] পরে সলাত আদায় করিতেন? তিনি বলিলেন, হাঁ। [বোখারী পর্ব ৮ : /২৪ হাঃ ৩৮৬, মুসলিম ৫/১৪, হাঃ ৫৫৫]নামাজের স্থান-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [সলাতে বা সলাতের বাইরে মাসজিদে থু থু ফেলা নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাতে-বা-সলাতের-বাইরে-মাস/) - ৩১৯. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রাসূল্ [সাঃআঃ] কিবলাহর দিকের দেয়ালে থুথু দেখে তা পরিষ্কার করে দিলেন। অতঃপর লোকদের দিকে ফিরে বললেনঃ যখন তোমাদের কেউ সলাত আদায় করে সে যেন তার সামনের দিকে থুথু না ফেলে। কেননা, সে যখন সলাত আদায় করে তখন তার সামনের দিকে আল্লাহ তাআলা থাকেন। [বোখারী পর্ব ৮ : - [সলাতে কঙ্কর স্পর্শ করা এবং মাটি সমান করা অপছন্দনীয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাতে-কঙ্কর-স্পর্শ-করা-এব/) - ৩১৮. মুআইকিব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] সে ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন, যে সাজদাহ্‌র স্থান হইতে মাটি সমান করে। তিনি বলেন, যদি তোমার একান্তই করিতে হয়, তবে একবার। [বোখারী পর্ব ২১ : /৮ হাঃ ১২০৭, মুসলিম ৫/১২, হাঃ ৫৪৬] নামাজের স্থান-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [সলাতাবস্থায় কোমরে হাত রাখা মাকরূহ (অপছন্দনীয়)](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাতাবস্থায়-কোমরে-হাত-র/) - ৩১৭. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, কোমরে হাত রেখে সলাত আদায় করিতে লোকদের নিষেধ করা হয়েছে। [বোখারী পর্ব ২১ : /১৭ হাঃ ১২২০, মুসলিম ৫/১১, হাঃ ৫৪৫] নামাজের স্থান-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [সলাতরত অবস্থায় দুএক পা আগ পিছ হওয়া বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাতরত-অবস্থায়-দুএক-পা-আ/) - ৩১৬. সাহল ইবনি সাদ আস সাঈদী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আবু হাযিম ইবনি দীনার [রাদি.] বলেছেন যে, [একদিন] কিছু লোক সাহল ইবনি সাদ সাঈদীর নিকট আগমন করে এবং মিম্বরটি কোন্ কাঠের তৈরি ছিল, এ নিয়ে তাহাদের মনে প্রশ্ন জেগে ছিল। তারা এ সম্পর্কে তাহাঁর নিকট জিজ্ঞেস করলে তিনি বলিলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আমি সম্যকরূপে অবগত - [সলাত আদায়কালে শিশুদেরকে বহন করা বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাত-আদায়কালে-শিশুদেরকে/) - ৩১৫. আবু কাতাদাহ্ আনসারী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] তাহাঁর মেয়ে যয়নবের গর্ভজাত ও আবুল আস ইবনি রাবীআহ ইবনি আবদ শামস [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর ঔরসজাত কন্যা উমামাহ [রাদি.]-কে কাঁধে নিয়ে সলাত আদায় করিতেন। তিনি যখন সাজদাহ্য় যেতেন তখন তাকে রেখে দিতেন আর যখন দাঁড়াতেন তখন তাকে তুলে নিতেন। [বোখারী পর্ব ৮ : /১০৬ হাঃ ৫১৬, - [সলাতের মধ্যে শয়তানকে অভিসম্পাত করা বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাতের-মধ্যে-শয়তানকে-অভ/) - ৩১৪. আবু হুরায়রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ গত রাতে একটা অবাধ্য জিন হঠাৎ আমার সামনে প্রকাশ পেল। রাবী বলেন, অথবা তিনি অনুরূপ কোন কথা বলেছেন, যাতে সে আমার সলাতে বাধা সৃষ্টি করে। কিন্তু আল্লাহ আমাকে তার উপর ক্ষমতা দিলেন। আমি ইচ্ছে করেছিলাম যে, তাকে মাসজিদের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখি, যাতে ভোর বেলা তোমরা - [সলাতে কথা বলা নিষিদ্ধ এবং তা [কথা বলা]র বৈধতা রহিত হওয়া প্রসঙ্গে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাতে-কথা-বলা-নিষিদ্ধ-এবং/) - ৩১১. আবদুল্লাহ্ ইবনি মাসউদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা নাবী [সাঃআঃ]-কে তাহাঁর সলাতরত অবস্থায় সালাম করতাম; তিনি আমাদের সালামের জওয়াব দিতেন। পরে যখন আমরা নাজাশীর নিকট হইতে ফিরে এলাম, তখন তাঁকে [সালাত আদায়রত অবস্থায়] সালাম করলে তিনি আমাদের সালামের জবাব দিলেন না এবং পরে ইরশাদ করলেনঃ সলাতে অনেক ব্যস্ততা ও নিমগ্নতা রয়েছে। [বোখারী পর্ব - [রুকূতে গিয়ে দু হাত হাঁটুতে রাখার নির্দেশ এবং তাত্‌বীক [দুহাত মিলিয়ে দু হাঁটুর মধ্যে রাখা] মানসুখ হওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রুকূতে-গিয়ে-দু-হাত-হাঁটু/) - ৩১০. মুসআব ইবনি সাদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার আমি আমার পিতার পাশে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করলাম। এবং [রুকুর সময়] দু হাত জোড় করে উভয় উরুর মাঝে রাখলাম। আমার পিতা আমাকে এরূপ করিতে নিষেধ করিলেন এবং বলিলেন, পূর্বে আমরা এরূপ করতাম; পরে আমাদেরকে এ হইতে নিষেধ করা হয়েছে এবং হাত হাঁটুর উপর রাখার আদেশ - [মাসজিদ নির্মাণের ফাযীলাত এবং এর প্রতি উৎসাহ প্রদান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাসজিদ-নির্মাণের-ফাযীলাত/) - ৩০৯. উবায়দুল্লাহ খাওলানী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি উসমান ইবনি আফ্‌ফান [রাদি.]-কে বলিতে শুনেছেন, তিনি যখন মাসজিদে নববী নির্মাণ করেছিলেন তখন লোকজনের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেছিলেনঃ তোমরা আমার উপর অনেক বাড়াবাড়ি করছ অথচ আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি মাসজিদ নির্মাণ করে, বুকায়র [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেনঃ আমার মনে হয় রাবী আসিম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] তাহাঁর - [ক্ববরের উপর মাসজিদ নির্মাণ নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ক্ববরের-উপর-মাসজিদ-নির্ম/) - ৩০৫,. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ উম্মু হাবীবাহ ও উম্মু সালামাহ [রাদি.] হাবশায় তাঁদের দেখা একটা গির্জার কথা বলেছিলেন, যাতে বেশ কিছু মূর্তি ছিল। তাঁরা উভয়ে বিষয়টি নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট বর্ণনা করিলেন। তিনি ইরশাদ করলেনঃ তাহাদের অবস্থা ছিল এমন যে, কোন সৎ লোক মারা গেলে তারা তার কবরের উপর মাসজিদ বানাতো। আর তার ভিতরে ঐ লোকের - [বাইতুল মুকাদ্দাস থেকে কাবার দিকে ক্বিবলা পরিবর্তন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বাইতুল-মুকাদ্দাস-থেকে-কা/) - ৩০২. বারাআ ইবনি আযিব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বায়তুল মুকাদ্দাসমুখী হয়ে ষোল বা সতের মাস সলাত আদায় করিয়াছেন। আর আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] কাবার দিকে কিবলাহ করা পছন্দ করিতেন। মহান আল্লাহ নাযিল করেনঃ قَدْ نَرَى تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ “আকাশের দিকে আপনার বারবার তাকানোকে আমি অবশ্য লক্ষ্য করছি”- [আল-বাক্বারাহঃ ১৪৪]। অতঃপর তিনি - [কোন মানুষের এ কথা বলা মাকরূহ- আমার আত্মা বিনষ্ট হয়ে গেছে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কোন-মানুষের-এ-কথা-বলা-মাকর/) - ১৪৫২. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ সাবধান! তোমাদের কেউ যেন এ কথা না বলে যে, আমার আত্মা খবীস হয়ে গেছে। তবে এ কথা বলিতে পারে যে, আমার আত্মা কলুষিত হয়ে গেছে। বোখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় ১০০ হাদীস নং ৬১৭৯; মুসলিম ৪০/৪০, হাঃ ২২৫০, সৌজন্যমূলক কথা -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১৪৫৩. সাহল [রাদি.] - [গোলাম, দাসী, মাওলা ও সাইয়েদ ইত্যাদি শব্দের সঠিক ব্যবহার।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/গোলাম-দাসী-মাওলা-ও-সাইয়ে/) - ১৪৫১. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এমন কথা না বলে “তোমার প্রভুকে আহার করাও” “তোমার প্রভুকে অযু করাও” “তোমার প্রভুকে পান করাও” আর যেন [দাস ও বাঁদীরা] এরূপ বলে, “আমার মনিব”, আমার অভিভাবক, তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে “আমার দাস, আমার দাসী”। বরং বলবে- আমার বালক, আমার বালিকা, - [আঙ্গুরের নাম কারাম বলা মাকরূহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আঙ্গুরের-নাম-কারাম-বলা-মা/) - ১৪৫০. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ লোকেরা [আঙ্গুরকে] কারম বলে, কিন্তু আসলে কারম হলো মুমিনের অন্তর। [বোখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় ১০২ হাদীস নং ৬১৮৩; মুসলিম ৪০/২ হাঃ ২২৪৬] এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [যুগকে গালি দেয়া নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যুগকে-গালি-দেয়া-নিষিদ্ধ/) - ১৪৪৯. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলছেন, আল্লাহ্ বলেন, আদাম সন্তানরা আমাকে কষ্ট দেয়। তারা যমানাকে গালি দেয়; অথচ আমিই যমানা। আমার হাতেই সকল ক্ষমতা; রাত ও দিন আমিই পরিবর্তন করি। বোখারী পর্ব ৬৫ সূরা [৪৫] আল জাসিয়াহ অধ্যায় ১ হাদীস নং ৪৮২৬; মুসলিম ৪০/১, হাঃ ২২৪৬} সৌজন্যমূলক কথা -এই হাদীসটির - [মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহের বর্ণনা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মসজিদ-ও-সালাতের-স্থানসমূ/) - ২৯৮. আবু যার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল ! পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কোন মাসজিদ তৈরী করা হয়েছে? তিনি বলিলেন, মাসজিদে হারাম। আমি বললাম, অতঃপর কোন্‌টি? তিনি বলিলেন, মাসজিদে আক্‌সা। আমি বললাম, উভয় মাসজিদের [তৈরীর] মাঝে কত ব্যবধান ছিল? তিনি বলিলেন, চল্লিশ বছর। অতঃপর তোমার যেখানেই সলাতের সময় হইবে, সেখানেই সলাত আদায় - [নাবী (ﷺ)-এর উযূ প্রসঙ্গে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সা-এর-উযূ-প্রসঙ্গে।/) - ১৩৬. আমর ইবনি আবু হাসান [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ আমর ইবনি আবু হাসান [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ্ ইবনি যায়দ [রাদি.]-কে নাবী [সাঃআঃ]-এর উযূ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি এক পাত্র পানি আনালেন এবং তাঁদের [দেখাবার] জন্য নাবী [সাঃআঃ]-এর মত উযূ করিলেন। তিনি পাত্র থেকে দুহাতে পানি ঢাললেন। তা দিয়ে হাত দুটি তিনবার ধুলেন। অতঃপর - [পেশাব অপবিত্র হওয়ার দলীল আর তার অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকার অপরিহার্যতা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পেশাব-অপবিত্র-হওয়ার-দলী/) - ১৬৭. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী [সাঃআঃ] একদা দুটি কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। এ সময় তিনি বললেনঃ এদের আযাব দেয়া হচ্ছে, কোন গুরুতর অপরাধের জন্য তাহাদের শাস্তি দেয়া হচ্ছে না। তাহাদের একজন পেশাব হইতে সতর্ক থাকত না। আর অপরজন চোগলখোরী করে বেড়াত। তারপর তিনি একখানি কাঁচা - [রক্তের অপবিত্রতা এবং তা ধৌত করার পদ্ধতি।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রক্তের-অপবিত্রতা-এবং-তা-ধ/) - ১৬৬. আসমা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আসমা [রাদি.] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈকা মহিলা নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট এসে বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল !] বলুন, আমাদের কারো কাপড়ে হায়যের রক্ত লেগে গেলে সে কী করিবে? তিনি বললেনঃ সে তা ঘষে ফেলবে, তারপর পানি দিয়ে রগড়াবে এবং ভাল করে ধুয়ে ফেলবে। অতঃপর সেই কাপড়ে সলাত আদায় করিবে। [বোখারী - [কাপড় থেকে মনী ধৌত করা এবং তা রগড়ানো।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কাপড়-থেকে-মনী-ধৌত-করা-এবং/) - ১৬৫. সুলায়মান ইবনি ইয়াসার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ সুলায়মান ইবনি ইয়াসার [রাদি.] হইতে বর্ণিত, আমি আয়েশা [রাদি.]-কে কাপড়ে লাগা বীর্য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর কাপড় হইতে তা ধুয়ে ফেলতাম। তিনি কাপড় ধোয়ার ভিজা দাগ নিয়ে সলাতে বের হইতেন। [বোখারী পর্ব ৪ : /৬৪ হাঃ ২৩০, মুসলিম ২/৩২ হাঃ ২৮৮] ওজু করার - [দুধপানকারী শিশুর পেশাবের বিধান এবং তা ধৌত করার পদ্ধতি।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দুধপানকারী-শিশুর-পেশাবের/) - ১৬৩. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর খিদমতে শিশুদের নিয়ে আসা হতো। তিনি তাঁদের জন্য দুআ করিতেন। একবার একটি শিশুকে আনা হলো। শিশুটি তাহাঁর কাপড়ের উপর পেশাব করে দিল। তিনি কিছু পানি আনালেন এবং তা তিনি কাপড়ের উপর ছিটিয়ে দিলেন আর তিনি কাপড় ধুলেন না। [বোখারী পর্ব ৮০ : - [মাসজিদে পেশাব ও অন্যান্য অপবিত্র দ্রব্যাদি ধৌত করার অপরিহার্যতা এবং মাটি না খুঁড়ে পানির সাহায্যে পরিষ্কার হয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাসজিদে-পেশাব-ও-অন্যান্য/) - ১৬২. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিত। একদা এক বেদুঈন মাসজিদে প্রস্রাব করলো। লোকেরা উঠে [তাকে মারার জন্য] তার দিকে গেল। আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বললেনঃ তার প্রস্রাব করা বন্ধ করো না। অতঃপর তিনি এক বালতি পানি আনালেন এবং পানি প্রস্রাবের উপর ঢেলে দেয়া হলো। [বোখারী পর্ব ৭৮ : /৩৫ - [আবদ্ধ পানিতে পেশাব করা নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আবদ্ধ-পানিতে-পেশাব-করা-নি/) - ১৬১. আবু হুরায়রাহ্‌ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আবু হুরায়রাহ্‌ [রাদি.] হইতে বর্ণিত। তিনি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] কে বলিতে শুনেছেন, তোমাদের কেউ যেন স্থির- যা প্রবাহিত নয় এমন পানিতে কখনো পেশাব না করে। [সম্ভবত] পরে সে আবার তাতে গোসল করিবে। [বোখারী পর্ব ৪ : /৬৮ হাঃ ২৩৯, মুসলিম ২/২৮, হাঃ ২৮২] ওজু করার নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ - [কুকুর কোন কিছু চাটলে তার হুকুম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুকুর-কোন-কিছু-চাটলে-তার-হ/) - ১৬০. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিত, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন তোমাদের কারো পাত্রে যদি কুকুর পান করে তবে তা যেন সাতবার ধুয়ে নেয়। [বোখারী পর্ব ৬০ : /৩৩ হাঃ ১৭২, মুসলিম ২/২৭, হাঃ ২৭৯] ওজু করার নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [দু মোজার উপর মাসাহ করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দু-মোজার-উপর-মাসাহ-করা।/) - ১৫৫. হাম্মাম ইবনি হারিস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ হাম্মাম ইবনি হারিস [রাদি.] হইতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি জারীর ইবনি আবদুল্লাহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-কে দেখলাম যে, তিনি পেশাব করিলেন। অতঃপর উযূ করিলেন আর উভয় মোজার উপরে মাসহ্ করিলেন। অতঃপর তিনি দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করিলেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ আমি নাবী [সাঃআঃ]-কেও এরূপ করিতে দেখেছি। ১৫৫. জারীর - [পেশাব-পায়খানায় পানি দ্বারা ইস্তিন্জা করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পেশাব-পায়খানায়-পানি-দ্/) - ১৫৩. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] যখন পায়খানায় যেতেন তখন আমি এবং একটি ছেলে পানির পাত্র এবং আনাযাহ নিয়ে যেতাম। তিনি পানি দ্বারা শৌচকার্য করিতেন। [বোখারী পর্ব ৪ : /১৭ হাঃ ১৫২, মুসলিম ২/২১, হাঃ ২৭১] ওজু করার নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ - [পবিত্রতা হাসিল ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ডান দিক থেকে শুরু করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পবিত্রতা-হাসিল-ও-অন্যান্/) - ১৫২. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী [সাঃআঃ] জুতা পরা, চুল আঁচড়ানো এবং পবিত্রতা অর্জন করা তথা প্রত্যেক কাজই ডান দিক হইতে আরম্ভ করিতে পছন্দ করিতেন। [বোখারী পর্ব ৪ : /২১ হাঃ ১৬৮, মুসলিম ২/১৯, হাঃ ১৬৮] ওজু করার নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [ডান হাত দ্বারা ইস্তিন্জা করা নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ডান-হাত-দ্বারা-ইস্তিন্জা/) - ১৫১. আবু কাতাদাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আবু কাতাদাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেন, তোমাদের কেউ যখন পান করে, তখন সে যেন পাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস না ছাড়ে। আর যখন শৌচাগারে যায় তখন তার পুরুষাঙ্গ যেন ডান হাত দিয়ে স্পর্শ না করে এবং ডান হাত দিয়ে যেন শৌচকার্য না করে। [বোখারী পর্ব ৪ - [পেশাব-পায়খানা করার সময় কাবার দিকে মুখ বা পিঠ না করার ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পেশাব-পায়খানা-করার-সময়/) - ১৪৮. আবু আইয়ূব আনসারী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আবু আইয়ূব আনসারী [রাদি.] হইতে বর্ণিত যে, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যখন তোমরা পায়খানা করিতে যাও, তখন কিবলাহর দিকে মুখ করিবে না কিংবা পিঠও দিবে না, বরং তোমরা পূর্ব দিকে অথবা পশ্চিম দিকে ফিরে বসবে। আবু আইয়ূব আনসারী [রাদি.] বলেনঃ আমরা যখন সিরিয়ায় এলাম তখন পায়খানাগুলো কিবলামুখী বানানো পেলাম। - [ফিতরাতের স্বভাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফিতরাতের-স্বভাব।/) - ১৪৫. আবু হুরায়রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আবু হুরায়রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ ফিতরাত [অর্থাৎ মানুষের সৃষ্টিগত স্বভাব] পাঁচটিঃ খাৎনা করা, ক্ষুর ব্যবহার করা [নাভির নীচে], বগলের পশম উপড়ে ফেলা, নখ কাটা ও গোঁফ ছোট করা। [বোখারী পর্ব ৭৭ : /৬৩ হাঃ ৫৮৮৯, মুসলিম ২/১৬ হাঃ ২৫৭] ওজু করার নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [মিসওয়াক](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মিসওয়াক/) - ১৪২.আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিত, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আমার উম্মাতের জন্য বা তিনি বলেছেন, লোকেদের জন্য যদি কঠিন মনে না করতাম, তাহলে প্রত্যেক সলাতের সাথে তাহাদের মিস্ওয়াক করার নির্দেশ দিতাম। [বোখারী পর্ব ১১ : /৮ হাঃ ৮৮৭, মুসলিম ২/১৫, হাঃ ২৫২] ওজু করার নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [উযূর ভেতর চমকানোর স্থানগুলো বৃদ্ধিকরা মুস্তাহাব এবং উযূর অঙ্গগুলো ঠিকভাবে ধৌত করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উযূর-ভেতর-চমকানোর-স্থানগ/) - ১৪১. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি, কিয়ামাতের দিন আমার উম্মাতকে এমন অবস্থায় আহ্বান করা হইবে যে, উযূর প্রভাবে তাহাদের হাত-পা ও মুখমণ্ডল উজ্জ্বল থাকিবে। তাই তোমাদের মধ্যে যে এ উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে নিতে পারে, সে যেন তা করে। [বোখারী পর্ব ৪ : /৩ - [পদদ্বয় পরিপূর্ণভাবে ধৌত করার আবশ্যকতা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পদদ্বয়-পরিপূর্ণভাবে-ধৌত/) - ১৩৯. আবদুল্লাহ ইবনি আমর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আবদুল্লাহ ইবনি আমর [রাদি.] হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন এক সফরে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] আমাদের পিছনে পড়ে গেলেন। পরে তিনি আমাদের নিকট পৌঁছলেন, এদিকে আমরা [আসরের] সলাত আদায় করিতে বিলম্ব করে ফেলেছিলাম এবং আমরা উযূ করছিলাম। আমরা আমাদের পা কোনমতে পানি দ্বারা ভিজিয়ে নিচ্ছিলাম। তিনি উচ্চৈস্বঃরে বললেনঃ পায়ের - [নাকে পানি দেয়া ও ঝাড়া এবং ইস্তিন্জায় বেজোড় ঢিলা-পাথর ব্যবহার করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাকে-পানি-দেয়া-ও-ঝাড়া-এব/) - ১৩৭. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আবু হুরাইরা [রাদি.]হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] এরশাদ করিয়াছেন, যে ব্যক্তি উযূ করে সে যেন নাকে পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করে। আর যে শৌচকার্য করে সে যেন বিজোড় সংখ্যক ঢিলা ব্যবহার করে [বোখারী পর্ব ৪ : /২৫ হাঃ ১৬১, মুসলিম ২/৮, হাঃ ২৩৭] ওজু করার নিয়ম -এই হাদীসটির - [ওযুর গুণাগুণ এবং তার পরিপূর্ণতা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ওযুর-গুণাগুণ-এবং-তার-পরিপ/) - ১৩৫. উসমান ইবনি আফ্ফান [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ উসমান ইবনি আফ্ফান [রাদি.]-এর উযুর পানি আনালেন। অতঃপর তিনি সে পাত্র হইতে উভয় হাতের উপর পানি ঢেলে তা তিনবার ধুলেন। অতঃপর তাহাঁর ডান হাত পানিতে ঢুকালেন। অতঃপর কুলি করিলেন এবং নাকে পানি দিয়ে নাক ঝাড়লেন। অতঃপর তাহাঁর মুখমণ্ডল তিনবার এবং উভয় হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধুলেন, অতঃপর মাথা - [সলাতের জন্য পবিত্রতা আবশ্যক।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাতের-জন্য-পবিত্রতা-আবশ/) - ১৩৪. আবু হুরায়রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আবু হুরায়রাহ [রাদি.] সূত্রে নাবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বায়ু নির্গত হবার পর ওযূ না করা পর্যন্ত আল্লাহ্ তোমাদের কারো সলাত কবুল করবেন না। [বোখারী পর্ব ৯০ : /২ হাঃ ৬৯৫৪, মুসলিম ২/১ হাঃ ২২৫] ওজু করার নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [লিআন বিষয়ক হাদিস](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/লিআন-স্বামী-তার-স্ত্রীর-ব/) - ৯৫২. সাহল ইবনু সা’দ সাঈদী (রাঃ) হতে বর্ণিত। উওয়াইমার আজলানী (রাঃ) ’আসিম ইবনু আদী আনসারী (রাঃ)-এর কাছে এসে বললেনঃ হে আসিম! কী বল, যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে অপর ব্যক্তিকে (ব্যভিচার-রত অবস্থায়) পায়, তবে সে কি তাকে হত্যা করবে? আর এতে তোমরাও কি তাকে হত্যা করবে? (যদি সে হত্যা না করে) তাহলে কী করবে? - [মাক্কাহ্‌তে সানীয়াহ উলিয়াহ দিয়ে প্রবেশ করা এবং এটা [মাক্কাহ] থেকে সানীয়াহ সুফলা দিয়ে বের হওয়া এবং দেশে বিপরীত রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাক্কাহ্‌তে-সানীয়াহ-উলি/) - ৭৮৭. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] [হাজ্জের সফরে] শাজারা নামক পথ দিয়ে গমন করিতেন এবং মুআররাস নামক পথ দিয়ে [মাদীনায়] প্রবেশ করিতেন। [বোখারী পর্ব ২৫/১৫ হাঃ ১৫৩৩, মুসলিম পর্ব ১৫/৩৭ হাঃ ১২৫৭] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৭৮৮. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] - [ইফরাদ হাজ্জকারী যে সময়ে হালাল হয় তার পূর্বে হাজ্জে কিরানকারী হালাল হইতে পারবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইফরাদ-হাজ্জকারী-যে-সময়ে/) - ৭৭০. নাবী সহধর্মিণী হাফসাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, হে আল্লাহর রসূল ! লোকদের কী হল, তারা উমরাহ শেষ করে হালাল হয়ে গেল, অথচ আপনি উমরাহ হইতে হালাল হচ্ছেন না? তিনি বললেনঃ আমি মাথায় আঠালো বস্তু লাগিয়েছি এবং কুরবানীর জানোয়ারের গলায় মালা ঝুলিয়েছি। কাজেই কুরবানী করার পূর্বে হালাল হইতে পারি না। [বোখারী পর্ব ২৫/৩৪ হাঃ - [পূর্ব পশ্চিমের বায়ু প্রসঙ্গে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পূর্ব-পশ্চিমের-বায়ু-প্র/) - ৫১৯. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আমাকে পূবালী হাওয়া দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে। আর আদজাতিকে পশ্চিমা বায়ু দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। [বোখারী পর্ব ১৫ : /২৬ হাঃ ১০৩৫, মুসলিম ৯/৪, হাঃ ৯০০] পানি প্রার্থনার সলাত-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [ঝড়ো হাওয়া ও মেঘ দেখে আল্লাহ তাআলার আশ্রয় প্রার্থনা করা ও বৃষ্টি দেখে আনন্দিত হওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঝড়ো-হাওয়া-ও-মেঘ-দেখে-আল্/) - ৫১৮. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] যখন আকাশে মেঘ দেখিতেন, তখন একবার সামনে আগাতেন, আবার পেছনে সরে যেতেন। আবার কখনও ঘরে প্রবেশ করিতেন, আবার বেরিয়ে যেতেন আর তাহাঁর মুখমণ্ডল মলিন হয়ে যেত। পরে যখন আকাশ বৃষ্টি বর্ষণ করত তখন তাহাঁর এ অবস্থা দূর হত। আয়েশা [রাদি.]-এর কারণ জানতে চাইলে নাবী [সাঃআঃ] বলেন, - [ইসতিস্কার সলাতে দুআ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইসতিস্কার-সলাতে-দুআ।/) - ৫১৭. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর যুগে একবার দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। সে সময় কোন এক জুমুআহর দিন নাবী [সাঃআঃ] খুত্‌বা দিচ্ছিলেন। তখন এক বেদুইন উঠে দাঁড়াল এবং আরয করিল, হে আল্লাহ্‌র রসূল ! [বৃষ্টির অভাবে] সম্পদ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। পরিবার পরিজনও অনাহারে রয়েছে। তাই আপনি আল্লাহ্‌র নিকট আমাদের জন্য দুআ - [ইসতিস্কা সলাতে দুআর সময় হস্তদ্বয় উত্তোলন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইসতিস্কা-সলাতে-দুআর-সময়/) - ৫১৬. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] ইসতিস্কা ব্যতীত অন্য কোথাও দুআর মধ্যে হাত উঠাতেন না। তিনি হাত এতটুকু উপরে উঠাতেন যে, তাহাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেত। [বোখারী পর্ব ১৫ : /২২ হাঃ ১০৩১, মুসলিম ৯/১, হাঃ ৮৯৫] এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [পানি প্রার্থনার সলাত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পানি-প্রার্থনার-সলাত/) - ৫১৫. আবদুল্লাহ্ ইবনি যায়িদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বৃষ্টির জন্য দুআ করেন এবং নিজের চাদর উল্টিয়ে দেন। [বোখারী পর্ব ১৫ : /৪ হাঃ ১০১১, মুসলিম পর্ব ৯ হাঃ ৪৯৮] পানি প্রার্থনার সলাত-এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [সূর্য গ্রহণের সলাতের জন্য আহ্বান হচ্ছেঃ আস্ সলাতু জামিআহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সূর্য-গ্রহণের-সলাতের-জন্/) - ৫২৬. আবদুল্লাহ্ ইবনি আমর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সময় যখন সূর্যগ্রহণ হয় তখন আস্-সালাতু জামিআতুন বলে ঘোষণা দেয়া হয়। নাবী তখন এক রাকাআতে দুবার রুকূ করেন, অতঃপর দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় রাকাআতেও দুবার রুকূ করেন অতঃপর বসেন আর ততক্ষণে সূর্যগ্রহণ মুক্ত হয়ে যায়। বর্ণনাকারী বলেন, আয়িশাহ্ [রাদি.] বলেছেন, এ সলাত ব্যতীত এত দীর্ঘ - [সূর্য গ্রহণের সলাতে নাবী [স]-কে জান্নাত ও জাহান্নাম সম্পর্কে যা দেখানো হয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সূর্য-গ্রহণের-সলাতে-নাবী/) - ৫২৪. আসমা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আমি আয়েশা [রাদি.]-র নিকট আসলাম, তিনি তখন সলাত রত ছিলেন। আমি বললাম, মানুষের কী হয়েছে? তিনি আকাশের দিকে ইঙ্গিত করিলেন [সূর্য গ্রহণ লেগেছে]। তখন সকল লোক [সলাতুল কুসূফ এর জন্য] দাঁড়িয়ে রয়েছে। আয়িশা [রাদি.] বলিলেন, সুবহানাল্লাহ! আমি বললাম, এটা কি কোন নিদর্শন ? তিনি মাথা দিয়ে ইঙ্গিত করিলেন, হ্যাঁ। অতঃপর - [সূর্য গ্রহণের সলাতে ক্ববরের আযাব হইতে আশ্রয় প্রার্থনার দুআ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সূর্য-গ্রহণের-সলাতে-ক্বব/) - ৫২২. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার সূর্যগ্রহণ হলো। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] [সালাতে] দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘ সূরা পাঠ করিলেন, অতঃপর রুকূ করিলেন, আর তা দীর্ঘ করিলেন। অতঃপর রুকূ হইতে মাথা তুলেন এবং অন্য একটি সূরা পাঠ করিতে শুরু করিলেন। পরে রুকূ সমাপ্ত করে সাজদাহ্ করিলেন। দ্বিতীয় রাকাআতেও এরূপ করিলেন। অতঃপর বললেনঃ এ দুটি [চন্দ্রগ্রহণ - [সূর্য গ্রহণের সলাত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সূর্য-গ্রহণের-সলাত/) - ৫২০. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সময় একবার সূর্যগ্রহণ হল। তখন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] লোকদের নিয়ে সলাত আদায় করেন। তিনি দীর্ঘ সময় কিয়াম করেন, অতঃপর দীর্ঘক্ষণ রুকূ করেন। অতঃপর পুনরায় [সালাতে] তিনি উঠে দাঁড়ান এবং দীর্ঘ কিয়াম করেন। অবশ্য তা প্রথম কিয়াম চেয়ে অল্পস্থায়ী ছিল। আবার তিনি রুকূ করেন এবং এ - [আল্লাহ তাআলার বাণীঃএ দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী দল [বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসীরা] তাহাদের প্রভুর ব্যাপারে পরস্পর বিবাদে লিপ্ত হয়। [সূরা হাজ্জ ২২/১৯]](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ-তাআলার-বাণীঃএ-দুট/) - ১৯০৬. কায়স [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেন, আমি আবু যার [রাদি.]-কে কসম করে বলিতে শুনিয়াছি যে, “এরা দুটি বিবদমান পক্ষ তারা তাহাদের প্রতিপালক সম্বন্ধে বিতর্ক করে” আয়াতটি বাদরের দিন পরস্পর যুদ্ধে লিপ্ত হামযাহ, আলী, উবাইদা ইবনিল হারিস, রাবীআর দু পুত্র উতবাহ ও শায়বাহ এবং ওয়ালীদ ইবনি উতবাহর সম্বন্ধে অবতীর্ণ হয়েছে। [বোখারী পর্ব ৬৪ অধ্যায় - [মাদকদ্রব্যের নিষিদ্ধতা সম্পর্কীয় বিধান অবতরণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাদকদ্রব্যের-নিষিদ্ধতা-স/) - ১৯০৫. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ উমার [রাদি.] মিম্বরের উপর দাঁড়িয়ে খুতবা দিতে গিয়ে বলিলেন, নিশ্চয় মদ হারাম সম্পর্কীয় আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। আর তা তৈরী হয় পাঁচটি বস্তু থেকেঃআঙ্গুর, খেজুর, গম, যব ও মধু। আর খামর [মদ] হল তা, যা বিবেক বিলোপ করে দেয়। আর তিনটি এমন বিষয় আছে যে, আমি চাইছিলাম যেন - [সূরাহ বারাআ [৯], সূরাহ আল-আনফাল [৮] ও সূরাহ আল-হাশর [৫৯]](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সূরাহ-বারাআ-৯-সূরাহ-আল-আনফ/) - ১৯০৪. সাঈদ ইবনি যুবায়র [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ইবনি আব্বাস [রাদি.]-কে সূরাহ তাওবাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলিলেন, এ তো লাঞ্ছনাকারী সূরা। অর্থাৎ তাহাদের একদল এই করেছে, আরেক দল ওই করেছে, এ বলে একাধারে এ সূরাহ অবতীর্ণ হইতে থাকলে লোকেরা ধারণা করিতে লাগলো যে, এ সূরায় উল্লেখ করা হইবে না, এমন কেউ আর - [আল্লাহ তাআলার বাণীঃতারা যাদেরকে ডাকে তারাই তো তাহাদের প্রতিপালকের নৈকট্য লাভের উপায় সন্ধান করে। [সূরাহ বানী ইসরাঈল ১৭/৫৭]](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ-তাআলার-বাণীঃতারা/) - ১৯০৩. আবদুল্লাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ إِلَى رَبِّهِمُ الْوَسِيلَةَ তিনি আয়াতটি সম্পর্কে বলেন, কিছু মানুষ কিছু জিনের ইবাদাত করত। সেই জিনেরা তো ইসলাম গ্রহণ করে ফেলল। আর ঐ লোকজন তাহাদের [পুরাতন] ধর্ম আঁকড়ে রইল। [বোখারী পর্ব ৬৫ সূরা [১৭] আল-ইসরা অধ্যায় ৭ হাদীস নং ৪৭১৪; মুসলিম ৫৪/৪, হাঃ ৩০৩০] তাফসীর -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [তাফসীর](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তাফসীর/) - ১৮৯৩. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, বনী ইসরাঈলকে আদেশ দেয়া হয়েছিল, তোমরা দরজা দিয়ে অবনত মস্তকে প্রবেশ কর আর মুখে বল, হিত্তাতুন [অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দাও।] কিন্তু তারা এ শব্দটি পরিবর্তন করে ফেলল এবং প্রবেশ দ্বারে যেন নতজানু হইতে না হয় সে জন্য তারা নিজ নিজ নিতম্বের - [কবিতা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কবিতা/) - ১৪৫৪. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, কবিরা যে সব কথা বলেছেন, তার মধ্যে কবি লাবীদের কথাটাই সবচেয়ে অধিক সত্য কথা। (তিনি বলেছেন) শোন! আল্লাহ ব্যতীত সব কিছুই বাতিল। তিনি আরও বলেছেন, কবি উমাইয়াহ ইবনু সাল্‌ত ইসলাম গ্রহণের কাছাকাছি হয়ে গিয়েছিল। (বুখারী পর্ব ৭৮ অধ্যায় ৯০ হাদীস নং ৬১৪৭; মুসলিম পর্ব ৪১/ হাঃ ২২৫৬) - [সালাতে 'সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ' ও 'রাব্বানা ওয়ালাকাল হামদ' এবং আমীন বলা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সালাতে-সামিআল্লাহু-লিমা/) - ২২৯. আবূ হুরায়রাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম যখনঃ (سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ) বলেন, তখন তোমরা (اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ) বলবে। কেননা, যার এ উক্তি মালাইকার (ফেরেশতাগণের) উক্তির সঙ্গে একই সময়ে উচ্চারিত হয়, তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০; আযান, অধ্যায় ১২৫, হাঃ - [যে ব্যক্তি বলে উচ্চেঃস্বরে `বিসমিল্লাহ` পড়তে হইবে না` তার দলীল।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-বলে-উচ্চঃস্বর/) - ২২৫. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর (রাযি.) এবং ’উমার (রাযি.) الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ দিয়ে সালাত শুরু করতেন। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০ : আযান, অধ্যায় ৮৯, হাঃ ৭৪৩; মুসলিম, পর্ব ৪ : সালাত, অধ্যায় ১৩, হাঃ ৩৯৯ - [উপবিষ্ট অবস্থায় ঘুমালে উযূ ভঙ্গ হয় না তার প্রমাণ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উপবিষ্ট-অবস্থায়-ঘুমালে-উ/) - ২১২. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) হয়ে গেছে তখনও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের এক পাশে এক ব্যক্তির সাথে একান্তে কথা বলছিলেন, অবশেষে যখন লোকদের ঘুম আসছিল তখন তিনি সালাতে দাঁড়ালেন। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০ আযান, অধ্যায় ২৭, হাঃ ৬৪২; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ৩৩, হাঃ ৩৭৬ - [যখন পায়খানায় প্রবেশ করবে তখন কী বলবে?](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যখন-পায়খানায়-প্রবেশ-করবে/) - ২১১. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন প্রকৃতির ডাকে শৌচাগারে যেতেন তখন বলতেন, اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ ’’হে আল্লাহ্! আমি মন্দ কাজ ও শয়তান থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি।)’’ সহীহুল বুখারী, পর্ব ৪: উযূ, 'অধ্যায় ৯, হাঃ ১৪২; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ৪২, হাঃ ৩৭৫ - [মুসলিম অপবিত্র হয় না এর দলীল](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুসলিম-অপবিত্র-হয়-না-এর-দল/) - ২১০. আবূ হুরায়রাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমার সাথে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাক্ষাত হলো, তখন আমি জুনুবী ছিলাম। তিনি আমার হাত ধরলেন, আমি তাঁর সাথে চললাম। এক স্থানে তিনি বসে পড়লেন। তখন আমি সরে পড়ে বাসস্থানে এসে গোসল করলাম। আবার তাঁর নিকট গিয়ে তাঁকে বসা অবস্থায় পেলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন আবূ হুরায়রাহ্! - [তায়াম্মুম](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তায়াম্মুম/) - ২০৬. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ’আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কোন সফরে বের হয়েছিলাম যখন আমরা ’বায়যা’ অথবা ’যাতুল জায়শ’ নামক স্থানে পৌঁছলাম তখন আমার একখানা হার হারিয়ে গেল। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে হারের খোঁজে থেমে গেলেন আর লোকেরাও তাঁর সঙ্গে থেমে গেলেন, অথচ - [দাবাগতের মাধ্যমে মৃত জন্তুর চামড়া পবিত্রকরণ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দাবাগতের-মাধ্যমে-মৃত-জন্/) - ২০৫. ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মায়মূনা (রাযি.) কর্তৃক আযাদকৃত জনৈকা দাসীকে সাদাকাস্বরূপ প্রদত্ত একটি বকরীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পেয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা এর চামড়া দিয়ে উপকৃত হও না কেন? তারা বললেনঃ এটা তো মৃত। তিনি বললেন, এটা কেবল ভক্ষণ হারাম করা হয়েছে। সহীহুল বুখারী, পর্ব ২৪; যাকাত, অধ্যায় ৬১, - [যে ব্যক্তি উযূ আছে বলে দৃঢ় বিশ্বাসী অতঃপর সে হাদাসের দ্বারা উযু ভঙ্গের সন্দেহে পতিত হয় সে পুনরায় উষ্ণু না করেই সালাত আদায় করে তার প্রমাণ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-উযূ-আছে-বলে-দৃঢ/) - ২০৪. ’আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ ইবনু ’আসিম আল-আনসারী (রাযি.) হতে বর্ণিত, একদা আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হল যে, তার মনে হয়েছিল যেন সালাতের মধ্যে কিছু হয়ে গিয়েছিল। তিনি বললেনঃ সে যেন ফিরে না যায়, যতক্ষণ না শব্দ শোনে বা দুর্গন্ধ পায়। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৪: উযু, অধ্যায় ৪, হাঃ ১৩৭; - [আগুনে রান্না করা খাবার খেলে পুনরায় উযূ করতে হবে না](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আগুনে-রান্না-করা-খাবার-খে/) - ২০০. ’আবদুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একদা আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বকরীর কাঁধের মাংস খেলেন। অতঃপর সালাত আদায় করলেন, কিন্তু উযূ করলেন না। সহীহুল বুখারী, পর্ব ৪: উযু, অধ্যায় ৫০, হাঃ ২০৭; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ২৪, হাঃ ৩৫৪ ২০১. উমাইয়াহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে একটি - [(মনী নির্গত হলে গোসল ফরয) এটি রহিত; দু যৌনাঙ্গের মিলনের দ্বারা গোসল ওয়াজিব](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মনী-নির্গত-হলে-গোসল-ফরয-এট/) - ১৯৯. আবূ হুরায়রাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি স্ত্রীর চার শাখার মাঝে বসে তার সাথে সংগত হলে, তার উপর গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়। সহীহুল বুখারী, পূর্ব ৫: গোল, অধ্যায় ২৮, হাঃ ২৯১; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ২২, হাঃ ৩৪৮ - [মনী নির্গত হলে গোসল অপরিহার্য (যা পরবর্তী অধ্যায়ে উল্লেখিত হাদীস দ্বারা রহিত হয়ে গেছে)।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মনী-নির্গত-হলে-গোসল-অপরিহ/) - ১৯৬. আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক আনসারীর নিকট লোক পাঠালেন। তিনি আসলেন। তখন তাঁর মাথা থেকে পানির ফোঁটা ঝরছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ’সম্ভবত আমরা তোমাকে তাড়াহুড়া করতে বাধ্য করেছি।’ তিনি বললেন, ’জী।’ আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যখন তাড়াহুড়ার কারণে মনী বের না হবে - [ভালভাবে সতর ঢাকার ব্যাপারে সতর্কতা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ভালভাবে-সতর-ঢাকার-ব্যাপা/) - ১৯৫. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নবুওয়াতের পূর্বে) কুরাইশদের সাথে কা’বার (মেরামতের) জন্যে পাথর তুলে দিচ্ছিলেন। তাঁর পরিধানে ছিল লুঙ্গি। তাঁর চাচা ’আব্বাস (রাযি.) তাঁকে বললেনঃ ভাতিজা! তুমি লুঙ্গি খুলে কাঁধে পাথরের নীচে রাখলে ভাল হ’ত। জাবির (রাযি.) বলেনঃ তিনি লুঙ্গি খুলে কাঁধে রাখলেন এবং তৎক্ষণাৎ বেহুঁশ - [নির্জনে উলঙ্গ হয়ে গোসল করা জায়িয](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নির্জনে-উলঙ্গ-হয়ে-গোসল-কর/) - ১৯৪. আবূ হুরায়রাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বনী ইসরাঈলের লোকেরা নগ্ন হয়ে একে অপরকে দেখা অবস্থায় গোসল করতো। কিন্তু মূসা (আঃ) একাকী গোসল করতেন। এতে বনী ইসরাঈলের লোকেরা বলাবলি করছিল, আল্লাহর কসম, মুসা (’আঃ) ’কোষবৃদ্ধি’ রোগের কারণেই আমাদের সাথে গোসল করেন না। একবার মূসা (আঃ) একটা পাথরের উপর কাপড় রেখে গোসল - [গোসলকারী কাপড় ইত্যাদি দ্বারা পর্দা করবে](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/গোসলকারী-কাপড়-ইত্যাদি-দ/) - ১৯৩. উম্মু হানী বিনতু আবূ তালিব (রাযি.) বলেনঃ আমি ফত্হে মক্কার বছর আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গিয়ে দেখলাম যে, তিনি গোসল করছেন আর তাঁর মেয়ে ফাতিমাহ (রাযি.) তাঁকে আড়াল করে রেখেছেন। তিনি বলেনঃ আমি তাঁকে সালাম প্রদান করলাম। তিনি জানতে চাইলেনঃ এ কে? আমি বললামঃ আমি উম্মু হানী বিনতু আবূ তালিব। তিনি - [সালাত ছাড়া হায়িযওয়ালী নারীর উপর সওম কাযা করা ওয়াজিব](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সালাত-ছাড়া-হায়িযওয়ালী/) - ১৯২. জনৈকা মহিলা ’আয়িশাহ (রাযি.)-কে বললেনঃ হায়যকালীন কাযা সালাত পবিত্র হওয়ার পর আদায় করলে আমাদের জন্য চলবে কি-না? ’আয়িশাহ (রাযি.) বললেনঃ তুমি কি হারূরিয়্যাহ? (খারিজীদের একদল যারা ঋতুবতী নারীদের সালাত কাযা করা ওয়াজিব মনে করে।) আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়ে ঋতুবতী হতাম কিন্তু তিনি আমাদের সালাত কাযার নির্দেশ দিতেন না। অথবা তিনি [’আয়িশাহ - [ইস্তিহাযা পীড়িত নারীর গোসল ও সালাত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইস্তিহাযা-পীড়িত-নারীর-গ/) - ১৯০. ’আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ফাতিমাহ বিনতু আবূ হুবায়শ (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললেন, ’হে আল্লাহর রসূল! আমি একজন রক্ত-প্রদর রোগগ্রস্তা (ইস্তিহাযাহ) মহিলা। আমি কখনো পবিত্র হতে পারি না। এমতাবস্থায় আমি কি সালাত পরিত্যাগ করবো?’ আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না, এতো শিরা হতে নির্গত রক্ত, হায়য নয়। - [হায়িয থেকে পবিত্রতা অর্জনকারিণী নারীর জন্য রক্ত মাখা গুপ্তাঙ্গে কস্তুরী মিশ্রিত নেকড়া দ্বারা মুছে ফেলা মুস্তাহাব](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হায়িয-থেকে-পবিত্রতা-অর্/) - ১৮৯. ’আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, জনৈকা মহিলা আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হায়যের গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি তাকে গোসলের নিয়ম বলে দিলেন যে, এক টুকরা কস্তুরী লাগানো নেকড়া নিয়ে পবিত্রতা হাসিল কর। মহিলা বললেনঃ কিভাবে পবিত্রতা হাসিল করব? আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা দিয়ে পবিত্রতা হাসিল কর। মহিলা (তৃতীয়বার) বললেনঃ কিভাবে? আল্লাহর - [মাথায় এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গে তিনবার পানি বইয়ে দেয়া মুস্তাহাব](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাথায়-এবং-শরীরের-অন্যান্/) - ১৮৭. জুবায়র ইবনু মুত’ইম (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তিনবার আমার মাথায় পানি ঢালি। এই বলে তিনি উভয় হাতের দ্বারা ইঙ্গিত করেন। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৫ : গোসল, অধ্যায় ৪, হাঃ ২৫৪; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ১১, হাঃ ৩২৭ ১৮৮. আবূ জা’ফর (রহ.) হতে বর্ণনা করেন যে, - [ফরয গোসলে কী পরিমাণ পানি ব্যবহার করা মুস্তাহাব](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফরয-গোসলে-কী-পরিমাণ-পানি-ব/) - ১৮৪. ’আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই পাত্র (কাদাহ) হতে (পানি নিয়ে) গোসল করতাম। সেই পাত্রকে ফারাক বলা হতো। সহীহুল বুখারী, পর্ব ৫ : গোসল, অধ্যায় ২, হাঃ ২৫০; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ১০, হাঃ ৩১৯ ১৮৫. আবূ সালামাহ (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি ও ’আয়িশাহ - [ফরয গোসলের বর্ণনা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফরয-গোসলের-বর্ণনা/) - ১৮১. ’আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানাবাতের গোসল করতেন, তখন প্রথমে তাঁর হাত দু’টো ধুয়ে নিতেন। অতঃপর সালাতের উযূর মত উযূ করতেন। অতঃপর তাঁর আঙ্গুলগুলো পানিতে ডুবিয়ে নিয়ে চুলের গোড়া খিলাল করতেন। অতঃপর তাঁর উভয় হাতের তিন আঁজলা পানি মাথায় ঢালতেন। তারপর তাঁর সারা দেহের উপর পানি ঢেলে দিতেন। সহীহুল - [মনী নির্গত হওয়ার দরুন নারীর উপর গোসল করা ওয়াজিব](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মনী-নির্গত-হওয়ার-দরুন-নার/) - ১৮০. উম্মু সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উম্মু সুলায়ম (রাযি.) এসে বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ্ হক কথা প্রকাশ করতে লজ্জাবোধ করেন না। মহিলাদের স্বপ্নদোষ হলে কি গোসল করতে হবে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ’হ্যাঁ, যখন সে বীর্য দেখতে পাবে।’ তখন উম্মু সালমা (লজ্জায়) তার মুখ - [জুনুবী ব্যক্তির ঘুমিয়ে থাকা বৈধ তবে তার জন্য উযূ করা মুস্তাহাব](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জুনুবী-ব্যক্তির-ঘুমিয়ে-থ/) - ১৭৬. ’আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানাবাতের অবস্থায় ঘুমাতে ইচ্ছে করতেন তখন তিনি লজ্জাস্থান ধুয়ে সালাতের উযূর মত উযূ করতেন। সহীহুল বুখারী, পর্ব ৫: গোসল, অধ্যায় ২৭, হাঃ ২৮৮; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ৬, হাঃ ৩০৫ ১৭৭. ’উমার ইবনু’ল-খাত্তাব (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে - [মযী প্রসঙ্গে](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মযী-প্রসঙ্গে/) - ১৭৫. মুহাম্মদ ইবনুল হানফিয়্যাহ (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ’আলী (রাযি.) বলেছেন, আমার অধিক পরিমাণে মযী বের হতো। কিন্তু আমি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে লজ্জাবোধ করছিলাম। তাই আমি মিকদাদ ইবনু আসওয়াদ (রাযি.)-কে অনুরোধ করলাম, তিনি যেন আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জিজ্ঞেস করেন। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি - [হায়িযওয়ালী নারী তার স্বামীর মাথা ধুয়ে দিতে এবং মাথার চুল আঁচড়ে দিতে পারবে](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হায়িযওয়ালী-নারী-তার-স্ব/) - ১৭২. নবী সহধর্মিণী ’আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে থাকাবস্থায় আমার দিকে মাথা বাড়িয়ে দিতেন আর আমি তা আঁচড়িয়ে দিতাম এবং তিনি যখন ই’তিকাফে থাকতেন তখন (প্রাকৃতিক) প্রয়োজন ব্যতীত ঘরে প্রবেশ করতেন না। সহীহুল বুখারী, পর্ব ৩০: সওম, অধ্যায় ৩, হাঃ ২৪৮; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ৯, হাঃ - [একই লেপের তলে হায়িযওয়ালী নারীর সাথে শয়ন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/একই-লেপের-তলে-হায়িযওয়া/) - ১৭০. উম্মু সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে একই চাদরের নীচে শুয়ে ছিলাম। হঠাৎ আমার হায়য দেখা দিলে আমি চুপি চুপি বেরিয়ে গিয়ে হায়যের কাপড় পরে নিলাম। তিনি বললেনঃ তোমার কি নিফাস দেখা দিয়েছে? আমি বললাম, ’হ্যাঁ’। তখন তিনি আমাকে ডাকলেন। আমি তাঁর সঙ্গে চাদরের ভেতর শুয়ে পড়লাম। সহীহুল - [লুঙ্গির উপর হায়িযওয়ালী নারীর সাথে শরীর মেশানো।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/লুঙ্গির-উপর-হায়িযওয়ালী/) - ১৬৮. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমাদের কেউ হায়য অবস্থায় থাকলে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] তাহাঁর সাথে মিশামিশি করিতে চাইলে তাকে প্রবল হায়যে ইযার পরার নির্দেশ দিতেন। তারপর তার সাথে মিশামিশি করিতেন। তিনি {আয়েশা [রাদি.]} বলেনঃ তোমাদের মধ্যে নাবী [সাঃআঃ]-এর মত কাম-প্রবৃত্তি দমন করার শক্তি রাখে কে? [বোখারী পর্ব ৬ : - [খাঁচার বা বেঁধে রাখা পশু তীর বা অন্য কিছু দ্বারা বিদ্ধ করা নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খাঁচার-বা-বেঁধে-রাখা-পশু-ত/) - ১২৭৮. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] জীবজন্তুকে বেঁধে তীর নিক্ষেপ করিতে নিষেধ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৭২ অধ্যায় ২৫ হাদীস নং ৫৫১৩; মুসলিম ৩৪/১২, হাঃ ১৯৫৬] জবেহ করার নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১২৭৯. সাঈদ ইবনি যুবায়র [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বললেনঃ আমি ইবনি উমার[রাদি.]-এর কাছে ছিলাম। এরপর আমরা একদল তরুণ কিংবা তিনি - [যে সব জিনিস দিয়ে শিকার করা হয় এবং শত্রুর পশ্চাদ্ধাবণ করা হয় সেগুলো ব্যবহার করা বৈধ কিন্তু পাথরের ব্যবহার নিন্দনীয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-সব-জিনিস-দিয়ে-শিকার-কর/) - ১২৭৭. আবদুল্লাহ ইবনি মুগাফ্‌ফাল [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি এক ব্যক্তিকে দেখলেন, সে ছোট ছোট পাথর নিক্ষেপ করছে। তখন তিনি তাকে বললেনঃ পাথর নিক্ষেপ করো না। কেননা, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] পাথর ছুঁড়তে নিষেধ করিয়াছেন অথবা রাবী বলেছেনঃ পাথর ছোঁড়াকে তিনি অপছন্দ করিতেন এবং নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ এর দ্বারা কোন প্রাণী শিকার করা হয় না এবং কোন শত্রুকেও - [খরগোশ খাওয়া বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খরগোশ-খাওয়া-বৈধ।/) - ১২৭৬. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, [মাক্কাহর অদূরে] মার্‌রায্ যাহরান নামক স্থানে আমরা একটি খরগোশ তাড়া করলাম। লোকেরা সেটার পিছনে ধাওয়া করে ক্লান্ত হয়ে পড়ল। অবশেষে আমি সেটাকে পেয়ে গেলাম এবং ধরে আবু ত্বলহা [রাদি.]-এর নিকট নিয়ে গেলাম। তিনি সেটাকে যব্‌হ করে তার পাছা অথবা রাবী বলেন, দু উরু রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর খিদমতে পাঠালেন। {শুবাহ - [টিড্ডি বা ফড়িং খাওয়া বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/টিড্ডি-বা-ফড়িং-খাওয়া-বৈ/) - ১২৭৫. ইবনি আবু আওফা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমরা নাবী [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে সাতটি কিংবা ছয়টি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। আমরা তাহাঁর সঙ্গে পঙ্গপাল খাই। [বোখারী পর্ব ৭২ অধ্যায় ১৩ হাদীস নং ৫৪৯৫; মুসলিম ৩৪/৮, হাঃ ১৯৫২] জবেহ করার নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [দব্ব বা গিরগিটি খাওয়া বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দব্ব-বা-গিরগিটি-খাওয়া-বৈ/) - ১২৭১. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ দব্ব* [মরু অঞ্চলের এক প্রকার প্রাণী] আমি খাই না, আর হারামও বলি না। [বোখারী পর্ব ৭২ অধ্যায় ৩৩ হাদীস নং ৫৫৩৬; মুসলিম ৩৪/৭, হাঃ ১৯৪৩] *দব্বঃ দব্ব হল মরুভূমিতে বিচরণশীল গিরগিটির ন্যায় এক প্রকার প্রাণী যা হালাল। জবেহ করার নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১২৭২. - [ঘোড়ার গোশ্‌ত খাওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঘোড়ার-গোশ্‌ত-খাওয়া।/) - ১২৬৯. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ. রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] খাইবারের যুদ্ধের দিন [গৃহপালিত] গাধার গোশত খেতে নিষেধ করিয়াছেন এবং ঘোড়ার গোশত খেতে অনুমতি দিয়েছেন। [বোখারী পর্ব ৬৪ অধ্যায় ৩৯ হাদীস নং ৪২১৯; মুসলিম ৩৪/৬, হাঃ ১৯৪১] জবেহ করার নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১২৭০. আসমা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর আমালে আমরা - [গৃহপালিত গাধার গোশ্‌ত খাওয়া হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/গৃহপালিত-গাধার-গোশ্‌ত-খা/) - ১২৬২. আলী ইবনি আবু ত্বলিব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] খাইবার যুদ্ধের দিন মহিলাদের মুতআহ [নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিয়ে] করা থেকে এবং গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৬৪ অধ্যায় ৩৯ হাদীস নং ৪২১৬; মুসলিম ৩৪/৪, হাঃ ১৪০৭] জবেহ করার নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১২৬৩. আবু সালাবা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি - [সাগরের মৃত [বৈধ] জন্তু খাওয়া বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সাগরের-মৃত-বৈধ-জন্তু-খাওয/) - ১২৬১. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আমাদের তিনশ সওয়ারীর একটি সৈন্যবাহিনীকে কুরাইশদের একটি কাফেলার উপর সুযোগ মতো আক্রমণ চালানোর জন্য পাঠিয়েছিলেন। আবু উবাইদাহ ইবনিল জাররাহ্ [রাদি.] ছিলেন আমাদের সেনাপতি। আমরা অর্ধমাস সমুদ্র তীরে অবস্থান করলাম। ভয়ানক ক্ষুধা আমাদেরকে পেয়ে বসল। ক্ষুধার জ্বালায় গাছের পাতা খেতে থাকলাম। এ জন্যই এ সৈন্যবাহিনীর - [প্রত্যেক বিষদাঁত বিশিষ্ট জন্তু ও প্রত্যেক নখর বিশিষ্ট পাখি খাওয়া হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রত্যেক-বিষদাঁত-বিশিষ্ট/) - ১২৬০. আবু সালাবা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] দাঁত বিশিষ্ট সর্বপ্রকার হিংস্র জন্তু খেতে নিষেধ করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৭২ অধ্যায় ২৯ হাদীস নং ৫৫৩০; মুসলিম ৩৪/৩, হাঃ ১৯৩২] জবেহ করার নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [প্রশিক্ষিত কুকুর দ্বারা শিকার করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রশিক্ষিত-কুকুর-দ্বারা/) - ১২৫৪. আদী ইবনি হাতিম [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]! আমরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরগুলোকে শিকারে পাঠিয়ে থাকি। তিনি বললেনঃ কুকুরগুলো তোমার জন্য যেটি ধরে রাখে সেটি খাও। আমি বললামঃ যদি ওরা হত্যা করে ফেলে? তিনি বললেনঃ যদি ওরা হত্যাও করে ফেলে। আমি বললামঃ আমরা তো ফলকের সাহায্যেও শিকার - [রমাযানের শেষ দশদিন [বিভিন্ন ইবাদাতের] যথাসাধ্য চেষ্টা করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রমাযানের-শেষ-দশদিন-বিভিন/) - ৭৩০. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন রমাযানের শেষ দশক আসত তখন নাবী [সাঃআঃ] তাহাঁর লুঙ্গি কষে নিতেন [বেশি বেশি ইবাদতের প্রস্তুতি নিতেন] এবং রাত্র জেগে থাকতেন ও পরিবার-পরিজনকে জাগিয়ে দিতেন। [বোখারী পর্ব ৩২: /৫ হাঃ ২০২৪, মুসলিম ১৪/৩, হাঃ ১১৭৪] ইতিকাফের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [যে ব্যক্তি ইতিকাফ করার ইচ্ছে করিল সে কখন ইতিকাফ করার স্থানে প্রবেশ করিবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-ইতিকাফ-করার-ইচ/) - ৭২৯. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রমাযানের শেষ দশকে নাবী [সাঃআঃ] ইতিকাফ করিতেন। আমি তাহাঁর তাঁবু তৈরি করে দিতাম। তিনি ফজরের সলাত আদায় করে তাতে প্রবেশ করিতেন। [নাবী-সহধর্মিণী] হাফসাহ্ [রাদি.] তাঁবু খাটাবার জন্য আয়িশাহ্ [রাদি.]-এর কাছে অনুমতি চাইলেন। তিনি তাঁকে অনুমতি দিলে হাফসাহ্ [রাদি.] তাঁবু খাটালেন। [নাবী-সহধর্মিনী] যায়নাব বিনতু জাহশ [রাদি.] তা দেখে আরেকটি - [রমাযানের শেষ দশদিন ইতিকাফ করা সম্পর্কে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রমাযানের-শেষ-দশদিন-ইতিকা/) - ৭২৭. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] রমাযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করিতেন। [বোখারী পর্ব ৩৩ : /১ হাঃ ২০২৫, মুসলিম কিতাবুল ইতিকাফ ১৪/১, হাঃ ১১৭১]ইতিকাফের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৭২৮. নাবী সহধর্মিণী আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] রমাযানের শেষ দশক ইতিকাফ করিতেন। তাহাঁর ওফাত পর্যন্ত এ নিয়মই - [স্ত্রীর যৌনাঙ্গের সামনের দিক দিয়ে ও পিছনের দিক দিয়ে মিলন করা বৈধ কিন্তু পায়ু পথ ব্যতীত ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/স্ত্রীর-যৌনাঙ্গের-সামনের/) - ৯১১. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়াহুদীরা বলত যে, যদি কেউ স্ত্রীর পেছন দিক থেকে সহবাস করে তাহলে সন্তান টেরা চোখের হয়। তখন (এর প্রতিবাদে)(نِسَاؤكُمْ حَرْثٌ لَكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ) আয়াত অবতীর্ণ হয়। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ২৫ হাজ্জ, অধ্যায় ৩৯, হাঃ ৪৫২৮; মুসলিম, পর্ব ১৬ : নিকাহ বা বিবাহ, অধ্যায় ১৯, হাঃ ১৪৩৫ - [দুনিয়ার (সম্পদের) প্রতি লোভ-লালসা অপছন্দনীয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দুনিয়ার-সম্পদের-প্রতি-ল/) - ৬২০. আবু হুরায়রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আমি রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, বৃদ্ধ লোকের অন্তর দুটি ব্যাপারে সর্বদা যুবক থাকে। এর একটি হল দুনিয়ার মুহাব্বাত, আরেকটি হল উচ্চাকাঙক্ষা। [বোখারী পর্ব ৮১ : /৫ হাঃ ৬৪২০, মুসলিম ১২/৩৮ হাঃ ১০৪৬] জাকাত ও খারিজিদের পরিচয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৬২১. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, - [চতুষ্পদ জন্তুর আঘাতে, খণিজ সম্পদ উদ্ধার করিতে ও কূপ খনন করিতে মারা গেলে রক্তপণ নেই।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/চতুষ্পদ-জন্তুর-আঘাতে-খণি/) - ১১১. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ চতুষ্পদ জন্তুর আঘাত দায়মুক্ত, কূপ [খননে শ্রমিকের মৃত্যুতে মালিক] দায়মুক্ত, খণি [খননে কেউ মারা গেলে মালিক] দায়মুক্ত। রিকাযে এক-পঞ্চমাংশ ওয়াজিব। [বোখারী পর্ব ২৪ অধ্যায় ৬৬ হাদীস নং ১৪৯৯; মুসলিম ২৯/১১, হাঃ ১৭১০] মুত্তাফাকুন আলাইহি -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [হাদ জারি করাই হচ্ছে অপরাধীর জন্য কাফ্‌ফারাহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাদ-জারি-করাই-হচ্ছে-অপরাধ/) - ১১১১. উবাদাহ ইবনিস সামিত [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর পাশে একজন সাহাবীর উপস্থিতিতে তিনি বলেনঃ তোমরা আমার নিকট এ মর্মে বায়আত গ্রহণ কর যে, আল্লাহ্‌র সঙ্গে কোন কিছুকে অংশীদার সাব্যস্ত করিবে না, চুরি করিবে না, ব্যভিচার করিবে না, তোমাদের সন্তানদের হত্যা করিবে না, কারো প্রতি মিথ্যা অপবাদ আরোপ করিবে না এবং সৎকাজে নাফরমানী করিবে - [সতর্ক করে দেয়ার জন্য বেত্রাঘাতের পরিমাণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সতর্ক-করে-দেয়ার-জন্য-বেত/) - ১১১০. আবু বুরদাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলিতেনঃ আল্লাহ্‌র নির্ধারিত হদসমূহের কোন হদ ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে দশ কশাঘাতের উর্ধ্বে দণ্ড প্রয়োগ করা যাবে না। [বোখারী পর্ব ৮৬ অধ্যায় ৪২ হাদীস নং ৬৮৪৮; মুসলিম ২৯/৯, হাঃ ১৭০৮] মুত্তাফাকুন আলাইহি -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [মদখোরের শাস্তি।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মদখোরের-শাস্তি।/) - ১১০৮. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] শরাব পান করার ক্ষেত্রে বেত্রাঘাত করিয়াছেন এবং জুতা মেরেছেন। আবু বকর [রাদি.] চল্লিশটি করে বেত্রাঘাত করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৮৬ অধ্যায় ৪ হাদীস নং ৬৭৭৬; মুসলিম ২৯/৮, হাঃ ১৭০৬] মুত্তাফাকুন আলাইহি -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১১০৯. আলী ইবনি আবু ত্বলিব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি - [ইয়াহূদী বা অন্য জিম্মিকে যিনার অপরাধে রজম করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইয়াহূদী-বা-অন্য-জিম্মিক/) - ১১০৪. উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ ইয়াহূদীরা আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর খিদমতে এসে বলিল, তাহাদের একজন পুরুষ ও একজন মহিলা ব্যভিচার করেছে। নাবী [সাঃআঃ] জিজ্ঞেস করিলেন, প্রস্তর নিক্ষেপে হত্যা করা সম্পর্কে তাওরাতে কী বিধান পেয়েছ? তারা বলিল, আমরা এদেরকে অপমানিত করব এবং তাহাদের বেত্রাঘাত করা হইবে। আবদুল্লাহ ইবনি সালাম [রাদি.] বলিলেন, তোমরা মিথ্যা বলছ। তাওরাতে প্রস্তর নিক্ষেপে - [যে নিজেই যিনা করার কথা স্বীকার করলো।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-নিজেই-যিনা-করার-কথা-স্ব/) - ১১০২. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-এর কাছে এল। তিনি তখন মাসজিদে ছিলেন। সে তাঁকে ডেকে বলিল, হে আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]। আমি যিনা করেছি। তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। এভাবে কথাটি সে চারবার পুনরাবৃত্তি করিল। যখন সে নিজের বিরুদ্ধে চারবার সাক্ষ্য প্রদান করিল তখন নাবী [সাঃআঃ] তাকে ডেকে জিজ্ঞেস - [বিবাহিত যিনাকারকে পাথর নিক্ষেপে হত্যা করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিবাহিত-যিনাকারকে-পাথর-ন/) - ১১০১. উমার ইবনি খাত্তাব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ্ মুহাম্মাদ [সাঃআঃ]-কে সত্য সহকারে পাঠিয়েছেন। আর তাহাঁর উপর কিতাব অবতীর্ণ করিয়াছেন। আর আল্লাহ্‌র অবতীর্ণ বিষয়াদির একটি ছিল রজমের আয়াত। আমরা সে আয়াত পড়েছি, বুঝেছি, আয়ত্ত করেছি। আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] পাথর মেরে হত্যা করিয়াছেন। আমরাও তাহাঁর পরে পাথর মেরে হত্যা করেছি। আমি আশংকা করছি যে, - [সম্ভ্রান্ত বা যে কোন বংশের চোরের হাত কাটা এবং হুদুদের ব্যাপারে সুপারিশ করার নিষিদ্ধতা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সম্ভ্রান্ত-বা-যে-কোন-বংশে/) - ১১০০. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ মাখযূম গোত্রের এক চোর নারীর ঘটনা কুরাইশের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন করে তুললো। এ অবস্থায় তারা বলাবলি করিতে লাগল এ ব্যাপারে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] -এর সঙ্গে কে আলাপ করিতে পারে? তারা বলিল, একমাত্র রসূল [সাঃআঃ] -এর প্রিয়তম ওসামা ইবনি যায়িদ এ ব্যাপারে আলোচনা করার সাহস করিতে পারেন। উসামা নাবী [সাঃআঃ] - [চুরির হাদ ও তার নিসাব (শাস্তি দানের জন্য অপরাধের সর্বনিম্ন পরিণাম)](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/চুরির-হাদ-ও-তার-নিসাব-শাস্/) - ১০৯৭. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেনঃ সিকি দীনার চুরি করায় হাত কাটা হইবে। [বোখারী পর্ব ৮৬ অধ্যায় ১৩ হাদীস নং ৬৭৯০; মুসলিম ২৯/১, হাঃ ১৬৮৪] মুত্তাফাকুন আলাইহি -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১০৯৮. উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] তিন দিরহাম মূল্যমানের ঢাল চুরি করার অপরাধে চোরের হাত কর্তন করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৮৬ - [যে ব্যক্তি সম্পদ ছেড়ে গেল তা তার উত্তরাধিকারের ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-সম্পদ-ছেড়ে-গে/) - ১০৪. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]-এর নিকট যখন কোন ঋণী ব্যক্তির জানাযা উপস্থিত করা হত তখন তিনি জিজ্ঞেস করিতেন, সে তার ঋণ পরিশোধের জন্য অতিরিক্ত মাল রেখে গেছে কি? যদি তাঁকে বলা হত যে, সে তার ঋণ পরিশোধের মতো মাল রেখে গেছে তখন তার জানাযার সালাত আদায় করিতেন। নতুবা বলিতেন, তোমাদের সাথীর - [কালালাহ- যে ব্যাপারে সর্বশেষ আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কালালাহ-যে-ব্যাপারে-সর্ব/) - ১০৪৩. আবু ইসহাক [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ আমি বারাআ [রাদি.]-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, সর্বশেষ নাযিলকৃত সূরাহ হচ্ছে “বারাআত” এবং সর্বশেষে নাযিলকৃত আয়াত হচ্ছে ….[আর-বি]….. [বোখারী পর্ব ৬৫: /২৭, হাঃ ৪৬০৫; মুসলিম ২৩/৩, হাঃ ১৬১৮] এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [কালালাহ এর উত্তরাধিকার [নিষ্প্রভতা] ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কালালাহ-এর-উত্তরাধিকার-ন/) - ১০৪২. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার আমি ভীষণভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লাম। তখন নাবী [সাঃআঃ] ও আবু বকর [রাদি.] পায়ে হেঁটে আমার খোঁজ খবর নেয়ার জন্য আমার নিকট আসলেন। তাঁরা আমাকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পেলেন। তখন নাবী [সাঃআঃ] অযূ করিলেন। তারপর তিনি তাহাঁর অবশিষ্ট পানি আমার গায়ের উপর ছিটিয়ে দিলেন। ফলে আমি সংজ্ঞা - [উত্তরাধিকারীদের দেয়ার পর অবশিষ্টে মৃতের পুরুষ আত্মীয়দের অগ্রাধিকার ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উত্তরাধিকারীদের-দেয়ার-প/) - ১০৪১. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ মীরাস তার হক্‌দারদেরকে পৌঁছিয়ে দাও। এরপর যা অবশিষ্ট থাকে, তা নিকটতম পুরুষের জন্য। [বোখারী পর্ব ৮৫: /৫, হা: ৬৭৩২; মুসলিম ২৩/১, হাঃ ১৬১৫] ফারায়েজ এর নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [জুমুআর সলাতে গোসল করা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জুমুআহর-বণনা/) - ৪৮৫. ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ জুমু‘আহ’র সলাতে আসলে (তার পূর্বে) সে যেন গোসল করে। (বুখারী পর্ব ১১: /২ হাঃ ৮৭৭, মুসলিম ৭/৭, হাঃ ৮৪৪) ৪৮৬. ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) জুমু‘আহ’র দিন দাঁড়িয়ে খুত্‌বা দিচ্ছিলেন, এ সময় নাবী (সাল্লাল্লাহু - [ইফক বা অপবাদ ও অপবাদ দানকারীদের তাওবা কবূল হওয়ার হাদীস।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইফক-বা-অপবাদ-ও-অপবাদ-দানকা/) - ১৭৬৩. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ যখন অপবাদ রটনাকারীগণ তাহাঁর প্রতি অপবাদ রটিয়েছিল। আয়েশা [রাদি.] বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] যখন সফরে যেতে ইচ্ছে করিতেন তখন তিনি তাহাঁর স্ত্রীগণের [নির্বাচনের জন্য] কোরা ব্যবহার করিতেন। এতে যার নাম উঠত তাকেই তিনি সঙ্গে নিয়ে সফরে যেতেন। আয়েশা [রাদি.] বলেন, এমনি এক যুদ্ধে তিনি আমাদের মাঝে কোরা ব্যবহার করেন, এতে - [কাব বিন মালিক ও তার সাথীদ্বয়ের তাওবা হাদীস।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কাব-বিন-মালিক-ও-তার-সাথীদ্/) - ১৭৬২. আবদুল্লাহ ইবনি কাব ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] যতগুলো যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন তার মধ্যে তাবূক যুদ্ধ ব্যতীত আমি আর কোন যুদ্ধ থেকে পেছনে থাকিনি। তবে আমি বদর যুদ্ধেও অংশগ্রহণ করিনি। কিন্তু উক্ত যুদ্ধ থেকে যাঁরা পেছনে পড়ে গেছেন, তাহাদের কাউকে ভর্ৎসনা করা হয়নি। রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কেবল কুরাইশ দলের সন্ধানে বের - [হত্যাকারীর তাওবা কবূল হওয়া, যদিও তার হত্যা অনেক হয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হত্যাকারীর-তাওবা-কবূল-হও/) - ১৭৬০. আবু সাঈদ খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, বানী ইসরাঈলের মাঝে এমন কোন ব্যক্তি ছিল যে, নিরানব্বইটি মানুষ হত্যা করেছিল। অতঃপর সে বের হয়ে একজন পাদরীকে জিজ্ঞেস করিল, আমার তাওবা কবুল হওয়ার আশা আছে কি? পাদরী বলিল, না। তখন সে পাদরীকেও হত্যা করিল। অতঃপর পুনরায় সে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে লাগল। তখন এক ব্যক্তি তাকে - [আল্লাহ তাআলার বাণী- নিশ্চয় সৎকর্ম অসৎকর্মকে মুছে দেয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ-তাআলার-বাণী-নিশ্চ/) - ১৭৫৮. আবদুল্লাহ্ ইবনি মাসউদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক ব্যক্তি এক মহিলাকে চুম্বন করে বসে। পরে সে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] -এর নিকট এসে বিষয়টি তাহাঁর গোচরীভূত করে। তখন আল্লাহ্ তাআলা আয়াত নাযিল করেনঃ أَقِمِ الصَّلاَةَ طَرَفَي النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنَ اللَّيْلِ إِنَّ الْحِسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ “দিনের দুপ্রান্তে-সকাল ও সন্ধ্যায় এবং রাতের প্রথম অংশে সলাত কায়েম - [আল্লাহ তাআলার গরিমা ও অশ্লীলতা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ-তাআলার-গরিমা-ও-অশ্/) - ১৭৫৫. আবদুল্লাহ ইবনি মাসউদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, নিষিদ্ধ কার্যে মুমিনদেরকে বাধা দানকারী আল্লাহ্‌র চেয়ে অধিক কেউ নেই, এজন্যই প্রকাশ্য অপ্রকাশ্য যাবতীয় অশ্লীলতা নিষিদ্ধ করিয়াছেন, আল্লাহ্‌র প্রশংসা প্রকাশ করার চেয়ে প্রিয় তাহাঁর কাছে অন্য কিছু নেই, সেজন্যেই আল্লাহ আপন প্রশংসা নিজেই করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৬৫ অধ্যায় ৬ হাদীস নং ৪৬৩৪; মুসলিম ৪৯ অধ্যায় - [পাপ থেকে তাওবাকরলে তাওবাহ কবূল হয় যদিও পাপ ও তাওবা বার বার হয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পাপ-থেকে-তাওবাকরলে-তাওবা/) - ১৭৫৪. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে এ কথা বলিতে শুনিয়াছি, এক বান্দা গুনাহ্ করিল। বর্ণনাকারী [আরবী] না বলে কখনো [আরবী] বলেছেন। তারপর সে বলিল, হে আমার প্রতিপালক! আমি তো গুনাহ্ করে ফেলেছি। বর্ণনাকারী [আরবী] এর স্থলে কখনো [আরবী] বলেছেন। তাই আমার গুনাহ্ ক্ষমা করে দাও। তার প্রতিপালক বললেনঃ আমার বান্দা - [আল্লাহ তাআলার দয়ার প্রশস্ততা এবং তা তাহাঁর রাগকে ছাড়িয়ে গেছে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ-তাআলার-দয়ার-প্রশ/) - ১৭৪৮. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা বান্দার তাওবা কারণে সেই লোকটির চেয়েও অধিক খুশী হন, যে লোকটি মরুভূমিতে তাহাঁর উট হারিয়ে পরে তা পেয়ে যায়। [বোখারী পর্ব ৮০ অধ্যায় ৪ হাদীস নং ৬৩০৯; মুসলিম ৪৯ অধ্যায় ১, হাঃ ২৭৪৭] তাওবা -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ১৭৪৯. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] - [তাওবা প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং তদ্বারা আনন্দিত হওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তাওবা-প্রতি-উৎসাহ-প্রদান/) - ১৭৪৬. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহ্ তাআলা ঘোষণা করেন, আমি সেরূপই, যেরূপ বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি তার সঙ্গে থাকি যখন সে আমাকে স্মরণ করে। যদি সে মনে মনে আমাকে স্মরণ করে; আমিও তাকে নিজে স্মরণ করি। আর যদি সে লোক-সমাবেশে আমাকে স্মরণ করে, তবে আমিও তাহাদের চেয়ে - [শেষ যমানায় ইলম উঠে যাওয়া ও বিলুপ্ত হওয়া এবং মূর্খতা ও ফিতনা প্রকাশ পাওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শেষ-যমানায়-ইলম-উঠে-যাওয়া-ও/) - ১৭০৯. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, কিয়ামতের কিছু ’আলমত হল ও ইলম হ্রাস পাবে, অজ্ঞতা প্রসার লাভ করবে, মদপানের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে এবং যেনা ব্যভিচার বিস্তার লাভ করবে। সহীহুল বুখারী, পর্ব ৩: ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান), অধ্যায় ২১, হাঃ ৮০; মুসলিম, পর্ব ৪৭: ইলম, অধ্যায় ৪, হাঃ ২৬৭১ - [ইয়াহুদী-খৃষ্টানদের রীতি-প্রথার অনুসরণ করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইয়াহুদী-খৃষ্টানদের-রীতি/) - ১৭০৮. আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেন, নিশ্চয় তোমরা তোমাদের পূর্ববর্তীদের আচার-আচরণকে বিঘতে বিঘতে, হাতে হাতে অনুকরণ করবে। এমনকি তারা যদি যব-এর গর্তেও প্রবেশ করে থাকে, তাহলে তোমরাও এতে তাদের অনুকরণ করবে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এরা কি ইয়াহুদী ও নাসারা? তিনি বললেনঃ আর কারা? সহীহুল বুখারী, - [খুবই ঝগড়াটে প্রসঙ্গে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খুবই-ঝগড়াটে-প্রসঙ্গে।/) - ১৭০৭. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর নিকট সেই লোক সবচেয়ে বেশী ঘৃণিত, যে অতি ঝগড়াটে। সহীহুল বুখারী, পর্ব ৪৬: অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন, অধ্যায় ১৫, হাঃ ২৪৫৭; মুসলিম, পর্ব ৪৭; ইলম, অধ্যায় ২, হাঃ ২৬৬৮ - [কুরআনের মুতাশাবিহ বাণী অনুসন্ধান করা নিষেধ এবং যারা তা করে তাহাদের প্রতি সতর্কতা এবং কুরআনে ইখতিলাফ করা নিষেধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরআনের-মুতাশাবিহ-বাণী-অ/) - ১৭০৫. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়াতটিঃ هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُحْكَمَاتٌ هُنَّ أُمُّ الْكِتَابِ وَأُخَرُ مُتَشَابِهَاتٌ فَأَمَّا الَّذِينَ فِي قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ فيَتَّبِعُون مَا تَشَابَهَ مِنْهُ ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ وَابْتِغَاءَ تَأْوِيلِهِ * إِلَى قَوْلِهِ * أُولُو الأَلْبَابِ “তিনিই তোমার প্রতি এ কিতাব অবতীর্ণ করেছেন যার কতক আয়াত সুস্পষ্ট, - [একটি মাত্র কাপড়ে সালাত আদায় করা এবং তা পরিধানের নিয়ম](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/একটি-মাত্র-কাপড়ে-সালাত-আ/) - ২৯৪. আবূ হুরায়রাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে একটি কাপড়ে সালাত আদায়ের মাসআলাহ জিজ্ঞেস করল। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেনঃ তোমাদের প্রত্যেকের কি দু’টি করে কাপড় রয়েছে? সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৮ : সালাত, অধ্যায় ৪, হাঃ ৩৫৮; মুসলিম, পর্ব ৪ সালাত, অধ্যায় ৫২, হাঃ ৫১৫ ২৯৫. আবূ হুরায়রাহ্ - [সালাত আদায়কারীর সামনে আড়াআড়িভাবে শোয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সালাত-আদায়কারীর-সামনে-আড/) - ২৮৮. ’আয়িশাহ (রাযি.) ’উরওয়াহ (রাযি.)-কে বলেন যে, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করতেন আর তিনি [’আয়িশাহ (রাযি.)] আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর কিবলাহর মধ্যে নিজেদের বিছানার উপর জানাযার মত আড়াআড়িভাবে শুয়ে থাকতেন। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৮ : সালাত, অধ্যায় ২২, হাঃ ৩৮৩; মুসলিম, পর্ব ৪ সালাত, অধ্যায় ৫১, হাঃ ৫১২ ২৮৯. - [সালাত আদায়কারীর সুতার কাছাকাছি দাঁড়ানো](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সালাত-আদায়কারীর-সুতার-কা/) - ২৮৫. সাহল ইবনু সা’দ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাতের স্থান ও দেয়ালের মাঝখানে একটা বকরী চলার মত ব্যবধান ছিল। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৮ : সালাত, অধ্যায় ৯১, হাঃ ৪৯৬; মুসলিম, পূর্ব ৪ : সালাত, অধ্যায় ৪৯, হাঃ ৫০৮ ২৮৬. সালামা (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ মসজিদের দেয়াল ছিল মিম্বারের - [সালাত আদায়কারীর সামনে দিয়ে অতিক্রম নিষিদ্ধ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সালাত-আদায়কারীর-সামনে-দি/) - ২৮৩. আবূ সালেহ আস্-সাম্মান (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাযি.)-কে দেখেছি। তিনি জুমু’আর দিন লোকদের জন্য সুতরা হিসেবে কোন কিছু সামনে রেখে সালাত আদায় করছিলেন। আবু মু’আইত গোত্রের এক যুবক তাঁর সামনে দিয়ে যেতে চাইল। আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাযি.) তার বুকে ধাক্কা মারলেন। যুবকটি লক্ষ্য করে দেখলো যে, তাঁর সামনে দিয়ে - [সালাত আদায়কারীর সুতরা বা (বেড়া দণ্ড) প্রসঙ্গে](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সালাত-আদায়কারীর-সুতরা-বা/) - ২৭৮. ইবনু ’উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিন যখন বের হতেন তখন তাঁর সম্মুখে ছোট নেযা (বল্লম) পুঁতে রাখতে নির্দেশ দিতেন। সেদিকে মুখ করে তিনি সালাত আদায় করতেন। আর লোকজন তাঁর পেছনে দাঁড়াতো। সফরেও তিনি তাই করতেন। এ হতে শাসকগণও এ পন্থা অবলম্বন করেছেন। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৮ : সালাত, - [সালাতের বৈশিষ্ট্য এবং যা দ্বারা সালাত আরম্ভ ও শেষ করা হয় তা একত্রিত করা হয়েছে](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সালাতের-বৈশিষ্ট্য-এবং-যা/) - ২৭৭. ’আবদুল্লাহ ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের সময় উভয় বাহু পৃথক রাখতেন। এমনকি তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেতো। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৮ : সালাত, অধ্যায় ২৭, হাঃ ৩৯০; মুসলিম, পর্ব ৪': সালাত, অধ্যায় ৪৫, হাঃ ৪৯৫ - [সিজদার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং চুল ও কাপড় গুটিয়ে না রাখা ও সালাতে চুল বেনি করা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সিজদার-অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ-এব/) - ২৭৬. ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাতটি অঙ্গের দ্বারা সিজদা্ করতে এবং চুল ও কাপড় না গুটাতে আদিষ্ট হয়েছিলেন। (অঙ্গ সাতটি হল) কপাল, দু’ হাত, দু’ হাঁটু ও দু’ পা। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০; আযান, অধ্যায় ১৩৩, হাঃ ৮০৯; মুসলিম, পর্ব ৪ : সালাত, অধ্যায় ৪৪, হাঃ ৪৯০ - [রুকূ’ ও সিজদায় কী বলবে?](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রুকূ-ও-সিজদায়-কী-বলবে/) - ২৭৫. ’আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর রুকূ’ ও সাজদায় অধিক পরিমাণেঃ سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ’’হে আল্লাহ্! হে আমাদের রব! আপনার প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আপনি আমাকে ক্ষমা করুন’’ পাঠ করতেন। এতে তিনি পবিত্র কুরআনের নির্দেশ পালন করতেন। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০ : আযান, অধ্যায় ১৩৯, - [ইমামের অনুসরণ করা এবং প্রতিটি কাজ ইমামের পরে পরে করা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইমামের-অনুসরণ-করা-এবং-প্র/) - ২৭৪. বারাআ ইবনু ’আযিব (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিছনে সালাত আদায় করতাম। তিনিঃ سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলার পর যতক্ষণ না কপাল মাটিতে স্থাপন করতেন, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কেউ সিজদার জন্য পিঠ ঝুঁকাত না। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০: আযান, অধ্যায় ১৩৩, হাঃ ৮১১; মুসলিম, পর্ব ৪ : সালাত, অধ্যায় ৩৯, হাঃ - [সালাতের রূকনগুলো মধ্যম পন্থায় আদায় করা এবং তা সংক্ষিপ্ত করা ও পূর্ণ করা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সালাতের-রূকনগুলো-মধ্যম-প/) - ২৭২. বারাআ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সালাতে দাঁড়ানো ও বসা অবস্থা ব্যতীত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রুকূ’ সিজদা্ এবং দু’ সাজদার মধ্যবর্তী সময় এবং রুকূ’ হতে উঠে দাঁড়ানো, এগুলো প্রায় সমপরিমাণ ছিল। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০ : আযান, অধ্যায় ১২১, হাঃ ৭৯২; মুসলিম, পর্ব ৪ সালাত, অধ্যায় ৩৮, হাঃ ৪৩১ ২৭৩. আনাস ইবনু মালিক - [ইমামদের প্রতি সালাত সংক্ষিপ্ত করতঃ পূর্ণ করার নির্দেশ দেয়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইমামদের-প্রতি-সালাত-সংক্/) - ২৬৭. আবূ মাস’ঊদ আনসারী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর শপথ! আমি অমুক ব্যক্তির কারণে ফজরের জামা’আতে উপস্থিত হই না। কেননা, তিনি আমাদেরকে নিয়ে দীর্ঘ সালাত আদায় করেন। আবূ মাস’ঊদ (রাযি.) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কোন ওয়াযে সে দিনের মত অধিক - [ইশার সালাতে উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইশার-সালাতে-উচ্চৈঃস্বরে/) - ২৬৬. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, মু’আয ইবনু জাবাল (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সালাত আদায় করতেন। পুনরায় তিনি নিজ কাওমের নিকট এসে তাদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। একবার তিনি তাদের নিয়ে সালাতে সূরা আল-বাক্বারাহ পড়লেন। তখন এক ব্যক্তি সালাত সংক্ষেপ করতে চাইল। সুতরাং সে (আলাদা হয়ে) সংক্ষেপে সালাত আদায় করলো। এ - [ফজরের ও মাগরিবের সালাতে কিরাআত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফজরের-ও-মাগরিবের-সালাতে-ক/) - ২৬২. আবূ বারযাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন সময় ফজরের সালাত আদায় করতেন, যখন আমাদের একজন তার পার্শ্ববর্তী অপরজনকে চিনতে পারতো। আর এ সালাতে তিনি ষাট হতে একশ’ আয়াত তিলাওয়াত করতেন এবং যুহরের সালাত আদায় করতেন যখন সূর্য পশ্চিম দিকে ঢলে পড়তো। তিনি ’আসরের সালাত আদায় করতেন এমন সময় যে, - [যুহরের ও আসরের সালাতে কিরাআত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যুহরের-ও-আসরের-সালাতে-কির/) - ২৬০. আবূ কাতাদাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের প্রথম দু’ রাক’আতে সূরা ফাতিহার সাথে আরও দু’টি সূরা পাঠ করতেন। প্রথম রাক’আতে দীর্ঘ করতেন এবং দ্বিতীয় রাক’আতে সংক্ষেপ করতেন। কখনো কোন আয়াত শুনিয়ে পড়তেন। আসরের সালাতেও তিনি সূরা ফাতিহার সাথে অন্য দু’টি সূরা পড়তেন। প্রথম রাক’আতে দীর্ঘ করতেন। ফজরের প্রথম রাক’আতেও - [ফাজ্বরের সালাতে উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত করা এবং জিনদের উপর কিরাত পাঠ করা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফাজ্বরের-সালাতে-উচ্চৈঃস্/) - ২৫৯. ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েকজন সাহাবীকে সঙ্গে নিয়ে উকায বাজারের উদ্দেশে রওয়ানা করেন। আর দুষ্ট জিননদের উর্ধ্বলোকের সংবাদ সংগ্রহের পথে প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয় এবং তাদের দিকে অগ্নিপিন্ড নিক্ষিপ্ত হয়। কাজেই শয়তানরা তাদের সম্প্রদায়ের নিকট ফিরে আসে। তারা জিজ্ঞেস করলো, তোমাদের কী হয়েছে? তারা বলল, আমাদের এবং আকাশের - [মনোযোগ সহকারে কিরাআত শ্ৰবণ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মনোযোগ-সহকারে-কিরাআত-শ্ৰ/) - ২৫৭. ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি আল্লাহর বাণীঃ (لاَ تُحَرِّكْ بِهِ لِسَانَكَ لِتَعْجَلَ بِهِ) এর ব্যাখ্যায় বলেন যে, জিবরীল (’আ.) যখন ওয়াহী নিয়ে আসতেন তখন রসূল তাঁর জিহ্বা ও ঠোঁট দু’টো দ্রুত নাড়তেন। এটা তাঁর জন্য কষ্টকর হত এবং তাঁর চেহারা দেখেই বোঝা যেত। তাই আল্লাহ্ তা’আলা (لاَ تُحَرِّكْ بِهِ لِسَانَكَ لِتَعْجَلَ بِهِ إِنَّ - [উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত বিশিষ্ট সালাতে উঁচু ও নিচুর মধ্যম অবস্থা অবলম্বন করা যদি উচ্চ আওয়াজে পড়লে ফাসাদের ভয় থাকে](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উচ্চৈঃস্বরে-কিরাআত-বিশিষ/) - ২৫৬. ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি কুরআনের নিম্নোক্ত আয়াতঃ ’’তুমি সালাতে স্বর উঁচু করবে না এবং অতিশয় ক্ষীণও করবে না....’’ (সূরা ইসরা ১৭/১১০)। এর তাফসীরে তিনি বলেন, এ আয়াতটি তখন অবতীর্ণ হয়, যখন রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় লুক্কায়িত ছিলেন। সুতরাং যখন তিনি তাঁর স্বর উঁচু করতেন তাতে মুশরিকরা শুনে গালমন্দ করতে কুরআনকে, কুরআন - [ফিতনার ভয় না থাকলে মহিলাদের মসজিদে গমন এবং মহিলারা সুগন্ধি মেখে বাইরে যাবে না](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফিতনার-ভয়-না-থাকলে-মহিলাদ/) - ২৫৩. ইবনু ’উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি তোমাদের কারো স্ত্রী মসজিদে যাবার অনুমতি চায়, তাহলে তাকে নিষেধ করো না। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৬৭: বিবাহ, অধ্যায় ১১৬, হাঃ ৫২৩৮; মুসলিম, পর্ব ৪ : সালাত, অধ্যায় ৩০, হাঃ ৪৪২ ২৫৪. ইবনু ’উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ’উমার (রাযি.)-এর স্ত্রী - [পুরুষদের পিছনে নামাজরত মহিলাদের প্রতি নির্দেশ যেন তারা পুরুষদের সাজদাহ থেকে মাথা উঠানোর পূর্বে মাথা না উঠায়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পুরুষদের-পিছনে-নামাজরত-ম/) - ২৫২. সাহল ইবনু সা`দ [রাঃআঃ] হতে বর্ণিতঃ সাহল ইবনু সা`দ [রাঃআঃ] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকেরা শিশুদের মত নিজেদের লুঙ্গি কাঁধে বেঁধে নামাজ আদায় করিতেন। আর মহিলাদের প্রতি নির্দেশ ছিল যে, তারা যেন পুরুষদের ঠিকমত বসে যাওয়ার পূর্বে সাজদাহ হতে মাথা না উঠায়। – হাদিসের তাহকিকঃসহীহ হাদিছ [বুখারী পর্ব ৮ : /৬ হাদিছ ৩৬২, মুসলিম - [কাতার সোজা ও ঠিক করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কাতার-সোজা-ও-ঠিক-করা।/) - ২৪৮. আনাস [রাঃআঃ] হতে বর্ণিতঃ আনাস [রাঃআঃ] হতে বর্ণিত। নবী [সাল্লাল্লাহু `আলাইহি ওয়া সাল্লাম] বলেনঃ তোমরা তোমাদের কাতারগুলো সোজা করে নিবে, কেননা, কাতার সোজা করা নামাজের সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত। – হাদিসের তাহকিকঃসহীহ হাদিছ [বুখারী পর্ব ১০ : /৭৪ হাদিছ ৭২৩, মুসলিম ৪/২৮, হাদিছ ৪৩৩] ২৪৯. আনাস [রাঃআঃ] হতে বর্ণিতঃ আনাস [রাঃআঃ] হতে বর্ণিত। নবী [সাল্লাল্লাহু `আলাইহি - [রুকূ সাজদাহ বা অনুরূপ কাজ মুক্তাদী ইমামের আগে করিবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রুকূ-সাজদাহ-বা-অনুরূপ-কাজ/) - ২৪৭. আবূ হুরাইরাহ্ [রাঃআঃ] হতে বর্ণিতঃ আবূ হুরাইরাহ্ [রাঃআঃ] হতে বর্ণিত। নবী [সাল্লাল্লাহু `আলাইহি ওয়া সাল্লাম] বলেন, তোমাদের কেউ যখন ইমামের পূর্বে মাথা উঠিয়ে ফেলে, তখন সে কি ভয় করে না যে, আল্লাহ্ তা`আলা তার মাথা গাধার মাথায় পরিণত করে দিবেন, তার আকৃতি গাধার আকৃতি করে দেবেন। – হাদিসের তাহকিকঃসহীহ হাদিছ [সহিহ বুখারী : পর্ব - [নামাজ সুন্দরভাবে পূর্ণভাবে আদায় করার এবং সলাতে বিনয়ী হওয়ার নির্দেশ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নামাজ-সুন্দরভাবে-পূর্ণভা/) - ২৪৫. আবূ হুরাইরাহ্ [রাঃআঃ] হতে বর্ণিতঃ আবূ হুরাইরাহ্ [রাঃআঃ] হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু `আলাইহি ওয়া সাল্লাম] বলেছেনঃ তোমরা কি মনে কর যে, আমার দৃষ্টি [কেবল] কিবলাহর দিকে? আল্লাহ্‌র কসম! আমার নিকট তোমাদের খূশু` [বিনয়] ও রুকূ` কিছুই গোপন থাকে না। অবশ্যই আমি আমার পেছন হতেও তোমাদের দেখিতে পাই। – হাদিসের তাহকিকঃসহীহ হাদিছ [সহিহ বুখারী - [সলাতে কোন কিছু হলে পুরুষদের `সুবহানাল্লাহ` বলা ও মহিলাদের [হাত দিয়ে রানের উপর] তালি দেয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাতে-কোন-কিছু-হলে-পুরুষদ/) - ২৪৪. আবূ হুরাইরাহ্ [রাঃআঃ] হতে বর্ণিতঃ আবূ হুরাইরাহ্ [রাঃআঃ] হতে বর্ণিত। নবী [সাল্লাল্লাহু `আলাইহি ওয়া সাল্লাম] ইরশাদ করেছেনঃ [ইমামের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য] পুরুষদের বেলায় তাস্‌বীহ্-সুবহানাল্লাহ্ বলা। তবে মহিলাদের বেলায় `তাসফীক` [এক হাতের তালু দিয়ে অন্য হাতের তালুতে মারা]। – হাদিসের তাহকিকঃসহীহ হাদিছ [সহিহ বুখারী : পর্ব ২১ : /৫ হাদিছ ১২০৩, মুসলিম ৪/২৩ হাদিছ ৪২২] - [জামা`আতের পক্ষ থেকে কাউকে নামাজ পড়ানোর জন্য সামনে পাঠানো যখন ইমাম বিলম্ব করিবে এবং সামনে পাঠানোতে বিশৃংখলার ভয় না করিবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জামাআতের-পক্ষ-থেকে-কাউকে/) - ২৪৩. সাহ্ল ইব্‌নু সা`দ সা`ঈদী [রাঃআঃ] হতে বর্ণিতঃ সাহ্ল ইব্‌নু সা`দ সা`ঈদী [রাঃআঃ] হতে বর্ণিত। একদা আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু `আলাইহি ওয়া সাল্লাম] `আমর ইব্‌নু আওফ গোত্রের এক বিবাদ মীমাংসার জন্য সেখানে যান। ইতোমধ্যে [আসরের] নামাজের সময় হয়ে গেলে, মুয়ায্‌যিন আবূ বকর [রাঃআঃ]-এর নিকট এসে বলিলেন, আপনি কি লোকদের নিয়ে নামাজ আদায় করে নেবেন? তা হলে - [অসুখের কারণে ও সফরে যাওয়ার কারণে বা অন্য যে কোন কারণে সঙ্গত ওযর উপস্থিত হলে সলাতে অন্যকে ইমামের স্থলাভিষিক্ত করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অসুখের-কারণে-ও-সফরে-যাওয়/) - ২৩৫. উবাইদুল্লাহ্ ইব্‌নু `আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু উত্‌বাহ [রহ.] হতে বর্ণিতঃ উবাইদুল্লাহ্ ইব্‌নু `আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু উত্‌বাহ [রহ.] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি `আয়িশাহ্ [রাঃআঃ]-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে বললাম, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু `আলাইহি ওয়া সাল্লাম]-এর [অন্তিম কালের] অসুস্থতা সম্পর্কে কি আপনি আমাকে কিছু শুনাবেন? তিনি বলিলেন, অবশ্যই। নবী [সাল্লাল্লাহু `আলাইহি ওয়া সাল্লাম] মারাত্মকভাবে রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লেন। আল্লাহর রাসূল - [মুক্তাদী ইমামের অনুসরণ করবে](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুক্তাদী-ইমামের-অনুসরণ-ক/) - ২৩২. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোড়া হতে পড়ে যান। ফলে তাঁর ডান পাঁজর আহত হয়ে পড়ে। আমরা তাঁর শুশ্রূষা করার জন্য সেখানে গেলাম। এ সময় সালাতের ওয়াক্ত হলো। তিনি আমাদের নিয়ে বসে সালাত আদায় করলেন, আমরাও বসেই আদায় করলাম। সালাতের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - [তাশাহ্‌হুদ পড়ার পর নবী (ﷺ) এর উপর দুরূদ পড়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তাশাহ্‌হুদ-পড়ার-পর-নবী-ﷺ-এ/) - ২২৭. কা’ব ইবনু ’উজরা (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি ’আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলা (রহ.) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, কা’ব ইবনু ’উজরাহ (রাযি.) আমার সঙ্গে দেখা করে বললেন, আমি কি আপনাকে এমন একটি হাদিয়া দেব না যা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছি? আমি বললাম, হ্যাঁ, আপনি আমাকে সে হাদিয়া দিন। তিনি বললেন, আমরা - [সালাতে তাশাহ্‌হুদ পড়া](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সালাতে-তাশাহ্‌হুদ-পড়া/) - ২২৬. ’আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যখন আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সালাত আদায় করলাম, তখন (বসা অবস্থায়) আমরা আল্লাহর প্রতি তাঁর বান্দাদের পক্ষ থেকে সালাম, জিবরীল (’আ.)-এর প্রতি সালাম, মীকাঈল (’আ.)-এর প্রতি সালাম এবং অমুকের প্রতি সালাম দিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত শেষ করলেন, তখন আমাদের দিকে চেহারা - [প্রত্যেক রাকআতে সূরাহ ফাতিহা পাঠ করা ওয়াজিব এবং যে ব্যক্তি সূরাহ ফাতিহা সুন্দর করে পড়তে পারে না ও সেটা শেখাও সম্ভব না হলে অন্য যা সহজ তা পড়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রত্যেক-রাকআতে-সূরাহ-ফা/) - `উবাদাহ ইব্‌নু সামিত [রাঃআঃ] হতে বর্ণিতঃ – হাদিসের তাহকিকঃহাসান হাদিছ `উবাদাহ ইব্‌নু সামিত [রাঃআঃ] হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ [সাল্লাল্লাহু `আলাইহি ওয়া সাল্লাম] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সলাতে সূরাহ আল-ফাতিহা পড়ল না তার নামাজ হলো না।* আল লুলু ওয়াল মারজানঃ ২২২ [সহিহ বুখারী : পর্ব ১০ : /৯৫ হাদিছ ৭৫৬, মুসলিম ৪/১১, হাদিছ ৩৯৪] আবূ হুরাইরাহ্ [রাঃআঃ] হতে - [নামাজের মধ্যে প্রত্যেক নিচু ও উঁচু হওয়ার সময় তাকবীর বলা শুধু রুকূ` থেকে মাথা উঠানোর সময় ব্যতীত, কেননা তখন `সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ` বলবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নামাজের-মধ্যে-প্রত্যেক-ন/) - আবূ সালামা ও আবূ হুরাইরাহ্ [রাঃআঃ] হতে বর্ণিতঃ আবূ সালামা ও আবূ হুরাইরাহ্ [রাঃআঃ] হতে বর্ণিত যে, তিনি তাহাদের সঙ্গে নামাজ আদায় করিতেন এবং প্রতিবার উঠা বসার সময় তাক্‌বীর বলিতে ন। নামাজ শেষ করে তিনি বলিলেন, তোমাদের মধ্যে আমার নামাজই আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু `আলাইহি ওয়া সাল্লাম]-এর নামাজের সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ। [সহিহ বুখারী : পর্ব ১০ - [তাকবীরে তাহরীমা বলার সময়, রুকূতে যাওয়ার সময় এবং রুকূ থেকে মাথা উত্তোলনের সময় দু` হাত কাঁধ বরাবর উঠানো মুস্তাহাব এবং সাজদাহ থেকে উঠার সময় হাত উঠাতে হইবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তাকবীরে-তাহরীমা-বলার-সময/) - আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু `উমার [রাঃআঃ] হতে বর্ণিতঃ `আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু `উমার [রাঃআঃ] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু `আলাইহি ওয়া সাল্লাম]-কে দেখেছি, তিনি যখন নামাজের জন্য দাঁড়াতেন তখন উভয় হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন। এবং যখন তিনি রুকূ`র জন্য তাক্‌বীর বলিতে ন তখনও এরূপ করিতেন। আবার যখন রুকূ` হতে মাথা উঠাতেন তখনও এরূপ করিতেন এবং [আরবি] - [আযানের ফাযীলাত এবং তা শুনে শয়তানের পলায়ন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আযানের-ফাযীলাত-এবং-তা-শুন/) - আবূ হুরাইরাহ্ [রাঃআঃ] হতে বর্ণিতঃ আবূ হুরাইরাহ্ [রাঃআঃ] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু `আলাইহি ওয়া সাল্লাম] বলেছেনঃ যখন নামাজের জন্য আযান দেয়া হয়, তখন শয়তান হাওয়া ছেড়ে পলায়ন করে, যাতে সে আযানের শব্দ না শোনে। যখন আযান শেষ হয়ে যায়, তখন সে আবার ফিরে আসে। আবার যখন নামাজের জন্য ইক্বামাত বলা হয়, তখন - [জানাযাহ্‌ সলাত আদায়কালে ঈমাম মৃত ব্যক্তির কোন বরাবর দাঁড়াবে?](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জানাযাহ্‌-সলাত-আদায়কালে/) - ৫৬৬. সামুরাহ ইবনি জুন্দাব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর পশ্চাতে আমি এমন এক স্ত্রীলোকের জানাযার সলাত আদায় করেছিলাম, যে নিফাসের অবস্থায় মারা গিয়েছিল। তিনি [সাঃআঃ] তার [স্ত্রীলোকটির] মাঝ বরাবর দাঁড়িয়েছিলেন । [বোখারী পর্ব ২৩ : /৬৩ হাঃ ১৩৩১, মুসলিম ১১/২৭, হাঃ ৯৬৪] জানাজা ও মৃতের জন্য করনীয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [জানাযাহ দেখলে দাঁড়ানো।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জানাযাহ-দেখলে-দাঁড়ানো।/) - ৫৬১. আমির ইবনি রাবীআহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, তোমরা জানাযা দেখলে তা তোমাদের পিছনে ফেলে যাওয়া পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকিবে। হুমাইদী আরও উল্লেখ করিয়াছেন, তা তোমাদের পশ্চাতে ফেলে যাওয়া বা মাটিতে নামিয়ে রাখা পর্যন্ত [বোখারী পর্ব ২৩ : /৪৭ হাঃ ১৩০৭, মুসলিম ১১/২৪, হাঃ ৯৫৮] জানাজা ও মৃতের জন্য করনীয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [ক্ববরের উপর [জানাযার] সলাত আদায়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ক্ববরের-উপর-জানাযার-সলাত/) - ৫৫৯. সুলাইমান আশ-শাইবানী হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি শাবী [রাদি.]-কে বলিতে শুনিয়াছি, তিনি বলেন, এমন এক ব্যক্তি আমাকে খবর দিয়েছেন, যিনি নাবী [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে একটি পৃথক কবরের নিকট গেলেন। নাবী [সাঃআঃ] সেখানে লোকদের ঈমামত করেন। লোকজন কাতারবন্দী হয়ে তাহাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে গেল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আবু আমর! কে আপনাকে এ হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন? তিনি - [জানাযাহ্‌র তাকবীর সংক্রান্ত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জানাযাহ্‌র-তাকবীর-সংক্রা/) - ৫৫৫. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাজাশী যেদিন মারা যান সেদিন-ই আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] তাহাঁর মৃত্যুর খবর দেন এবং জানাযাহ্র স্থানে গিয়ে লোকদের কাতারবন্দী করে চার তাক্‌বীর আদায় করিলেন। [বোখারী পর্ব ২৩ : /৪ হাঃ ১২৪৫, মুসলিম ১১/২২, হাঃ ৯৫১] জানাজা ও মৃতের জন্য করনীয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৫৫৬. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে - [যারা নিস্কৃতি পেয়েছে অথবা নিস্কৃতি দিয়েছে তাহাদের সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যারা-নিস্কৃতি-পেয়েছে-অথ/) - ৫৫৪. ক্বাতাদাহ ইবনি রিবঈ আনসারী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ একবার রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-এর পাশ দিয়ে একটি জানাযা নিয়ে যাওয়া হলো। তিনি তা দেখে বললেনঃ সে শান্তি প্রাপ্ত অথবা তার থেকে শান্তিপ্রাপ্ত। লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহ্‌র রসূল ! মুস্তারিহ ও মুস্তারাহ মিনহু-এর অর্থ কী? তিনি বললেনঃ মুমিন বান্দা মরে যাবার পর দুনিয়ার কষ্ট ও যন্ত্রণা থেকে মুক্তি - [যে মৃত সম্পর্কে প্রশংসা করা হয়েছে অথবা মন্দ বলা হয়েছে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-মৃত-সম্পর্কে-প্রশংসা-ক/) - ৫৫৩. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, কিছু সংখ্যক সাহাবী একটি জানাযার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন তাঁরা তার প্রশংসা করিলেন। তখন নাবী [সাঃআঃ] বললেনঃ ওয়াজিব হয়ে গেল। একটু পরে অপর একটি জানাযা অতিক্রম করিলেন। তখন তাঁরা তার নিন্দাসূচক মন্তব্য করিলেন। [এবারও] নাবী [সাঃআঃ] বললেনঃ ওয়াজিব হয়ে গেল। তখন উমার ইবনিল খাত্তাব [রাদি.] আরয - [জানাযার সলাত ও তার পিছে অনুগমনের ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জানাযার-সলাত-ও-তার-পিছে-অন/) - ৫৫১. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মৃতের জন্য সলাত আদায় করা পর্যন্ত জানাযায় উপস্থিত থাকিবে, তার জন্য এক কীরাত, আর যে ব্যক্তি মৃতের দাফন হয়ে যাওয়া পর্যন্ত উপস্থিত থাকিবে তার জন্য দু কীরাত। জিজ্ঞেস করা হল দু কীরাত কী? তিনি বলিলেন, দুটি বিশাল পর্বত সমতুল্য [সাওয়াব]। [বোখারী - [জানাযাহ দ্রুতসম্পন্ন করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জানাযাহ-দ্রুতসম্পন্ন-করা/) - ৫৫০. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, তোমরা জানাযা নিয়ে দ্রুতগতিতে চলবে। কেননা, সে যদি পুণ্যবান হয়, তবে এটা উত্তম, যার দিকে তোমরা তাকে এগিয়ে দিচ্ছ, আর যদি সে অন্য কিছু হয়, তবে সে একটি আপদ, যাকে তোমরা তোমাদের ঘাড় হইতে জলদি নামিয়ে ফেলছ। [বোখারী পর্ব ২৩ : /৫২ হাঃ ১৩১৫, মুসলিম ১১/১৬, হাঃ - [মাইয়্যিতকে আবৃত করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাইয়্যিতকে-আবৃত-করা।/) - ৫৪৯. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] যখন ইন্তিকাল করেন, তখন ইয়ামনী চাদর দ্বারা তাঁকে ঢেকে রাখা হয়। [বোখারী পর্ব ৭৭ : /১৮ হাঃ ৫৮১৪, মুসলিম ১১/১৪ হাঃ ৯৪২] জানাজা ও মৃতের জন্য করনীয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [মৃতের কাফন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মৃতের-কাফন।/) - ৫৪৭. খাব্বাব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম]-এর সঙ্গে মাদীনায় হিজরত করেছিলাম, এতে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি কামনা করেছিলাম। আমাদের প্রতিদান আল্লাহ্‌র দরবারে নির্ধারিত হয়ে আছে। অতঃপর আমাদের মধ্যে অনেকে শহীদ হয়েছেন। কিন্তু তাঁরা তাঁদের বিনিময়ের কিছুই ভোগ করে যাননি। তাঁদেরই একজন মুসআব ইবনি উমাইর [রাদি.] আর আমাদের মধ্যে অনেকে এমনও আছেন যাঁদের - [মৃতের গোসল।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মৃতের-গোসল।/) - ৫৪৪. উম্মু আতিয়্যাহ্ আনসারী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর কন্যা যায়নাব [রাদি.] ইন্তিকাল করলে তিনি [সাঃআঃ] আমাদের নিকট এসে বললেনঃ তোমরা তাকে তিনবার বা পাঁচবার বা প্রয়োজন মনে করলে তার চেয়ে অধিকবার বরই পাতাসহ পানি দিয়ে গোসল দাও। শেষবারে কর্পুর বা [তিনি বলেছেন] কিছু কর্পুর ব্যবহার করিবে। তোমরা শেষ করে আমাকে খবর দাও। আমরা - [জানাযার পিছনে নারীদের অনুগমন নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জানাযার-পিছনে-নারীদের-অন/) - ৫৪৩. উম্মু আতিয়্যাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমাদেরকে জানাযার পশ্চাদানুগমণ করিতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে আমাদের উপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়নি। [বোখারী পর্ব ২৩ : /৩০ হাঃ ১২৭৮, মুসলিম ১১/১১ হাঃ ৯৩৮] জানাজা ও মৃতের জন্য করনীয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [অধিক আর্তনাদ করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অধিক-আর্তনাদ-করা।/) - ৫৪০. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন [মুতা-র যুদ্ধ ক্ষেত্র হইতে] নাবী [সাঃআঃ]-এর খিদমতে [যায়দ] ইবনি হারিসা, জাফর ও ইবনি রাওয়াহা [রাদি.]-এর শাহাদাতের খবর পৌঁছল, তখন তিনি [এমনভাবে] বসে পড়লেন যে, তাহাঁর মধ্যে দুঃখের চিহ্ন ফুটে উঠেছিল। আমি [আয়েশা [রাদি.]} দরজার ফাঁক দিয়ে তা প্রত্যক্ষ করছিলাম। এক ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হয়ে জাফর [রাদি.]-এর পরিবারের - [মৃতের উপর পরিবার-পরিজনের ক্রন্দনের কারণে আযাব হয়ে থাকে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মৃতের-উপর-পরিবার-পরিজনের/) - ৫৩৪. উমার ইবনিল খাত্তাব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার পরিজনদের কান্নার কারণে আযাব দেয়া হয়। [বোখারী পর্ব ২৩ : /৩৪ হাঃ ১২৮৬, মুসলিম ১১/৯ হাঃ ৯২৭] জানাজা ও মৃতের জন্য করনীয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৫৩৫. আবু মূসা আশআরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন উমার [রাদি.] - [মৃত ব্যক্তির জন্য কান্নাকাটি করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মৃত-ব্যক্তির-জন্য-কান্না/) - ৫৩১. উসামাহ ইবনি যায়দ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর জনৈকা কন্যা [যায়নাব] তাহাঁর [সাঃআঃ] নিকট লোক পাঠালেন যে, আমার এক পুত্র মরণাপন্ন অবস্থায় রয়েছে, তাই আপনি আমাদের নিকট আসুন। তিনি বলে পাঠালেন, [তাঁকে] সালাম দিবে এবং বলবেঃ আল্লাহ্‌রই অধিকারে যা কিছু তিনি নিয়ে যান আর তাহাঁরই অধিকারে যা কিছু তিনি দান করেন। তাহাঁর - [ঈদাইন বা দু ঈদের সলাত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঈদাইন-বা-দু-ঈদের-সলাত/) - ৫০৫. ইবনি জুরাইজ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ হাসান ইবনি মুসলিম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] তাউস [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] এর মাধ্যমে ইবনি আববাস [রাদি.]বর্ণনা করিয়াছেন, আমি নাবী [সাঃআঃ], আবু বাক্র, উমার ও উসমান [রাদি.]-এর সঙ্গে ঈদুল ফিত্‌রে উপস্থিত ছিলাম। তাঁরা খুত্‌বাহ্‌র পূর্বে সলাত আদায় করিতেন, পরে খুত্‌বাহ দিতেন। নাবী [সাঃআঃ] বের হলেন, আমি যেন দেখিতে পাচ্ছি তিনি হাতের ইঙ্গিতে - [ঈদের দিনে খেলাধূলার ব্যাপারে ছাড় দেয়া হয়েছে যেগুলোতে অপরাধ নেই।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঈদের-দিনে-খেলাধূলার-ব্যা/) - ৫১২. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, [একদিন আমার ঘরে] আবু বকর [রাদি.] এলেন তখন আমার নিকট আনসারী দুটি মেয়ে বুআস যুদ্ধের দিন আনসারীগণ পরস্পর যা বলেছিলেন সে সম্পর্কে গান গাইছিল। তিনি বলেন, তারা কোন পেশাধারী গায়িকা ছিল না। আবু বাকর [রাদি.] বলিলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর ঘরে শয়তানী বাদ্যযন্ত্র। আর এটি ছিল ঈদের দিন। তখন - [দু ঈদে ঈদের মাঠে মহিলাদের গমন এবং পুরুষ থেকে দূরে থেকে খুত্‌বাহ শ্রবণ করার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দু-ঈদে-ঈদের-মাঠে-মহিলাদের/) - ৫১১. উম্মু আতিয়্যাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ নাবী [সাঃআঃ] ঈদের দিবসে ঋতুবতী এবং পর্দানশীন নারীদের বের করে আনার আদেশ দিলেন, যাতে তারা মুসলমানদের জামাআত ও দুআয় অংশ গ্রহণ করিতে পারে। অবশ্য ঋতুবতী নারীগণ সলাতের জায়গা হইতে দূরে অবস্থান করিবে। এক মহিলা বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল ! আমাদের কারো কারো ওড়না নেই। তিনি বললেনঃ তার - [কুবা মাসজিদ ও সেখানে সালাত আদায়ের ফাযীলাত এবং তা যিয়ারাত করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুবা-মাসজিদ-ও-সেখানে-সালা/) - ৮৮৩. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] আরোহণ করে কিংবা পায়ে হেঁটে কুবা মাসজিদে আসতেন। [বোখারী পর্ব ২০/৪ হাঃ ১১৯৪, মুসলিম পর্ব ১৫/৯৭ হাঃ ১৩৯৯] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [তিন মাসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও সফরের প্রস্তুতি নেবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তিন-মাসজিদ-ছাড়া-অন্য-কোথ/) - ৮৮২. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি নাবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, মাসজিদুল হারাম, মাসজিদুর রসূল এবং মাসজিদুল আক্‌সা [বায়তুল মাক্‌দিস] তিনটি মাসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মাসজিদে [যিয়ারতের] উদ্দেশে হাওদা বাঁধা যাবে না। [বোখারী পর্ব ২০/১ হাঃ ১১৮৯, মুসলিম পর্ব ১৫/৯৫ হাঃ ১৩৯৭] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [মাক্কাহ ও মাদীনাহ্‌র দু মাসজিদে সালাতের ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাক্কাহ-ও-মাদীনাহ্‌র-দু-ম/) - ৮৮১. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ মাসজিদুল হারাম ব্যতীত আমার এ মাসজিদে সালাত আদায় করা অপরাপর মাসজিদে এক হাজার সালাতের চেয়ে উত্তম। [বোখারী পর্ব ২০/১ হাঃ ১১৯০, মুসলিম পর্ব ১৫/৯৩, হাঃ ১৩৯৪] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [উহূদ পাহাড় আমাদেরকে ভালভাসে এবং আমরা তাকে ভালবাসি।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উহূদ-পাহাড়-আমাদেরকে-ভাল/) - ৮৮০. আবু হুমাইদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা নাবী [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে তাবূক যুদ্ধ থেকে প্রত্যাবর্তন করে মাদীনাহ্‌র নিকটবর্তী হলে তিনি বলিলেন, এই মাদীনাহ্‌র অপর নাম ত্বাবা [পবিত্র] এবং এই উহূদ পাহাড় আমাদের ভালবাসে আর আমরাও তাকে ভালবাসি। [বোখারী পর্ব ৬৪/৮১ হাঃ ৪৪২২, মুসলিম পর্ব ১৫/৯৩ হাঃ ১৩৯২] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ - [কবর ও মিম্বারের মধ্যবর্তী স্থান হচ্ছে জান্নাতের বাগিচাসমূহের একটি বাগিচা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কবর-ও-মিম্বারের-মধ্যবর্ত/) - ৮৭৮. আবদুল্লাহ্ ইবনি যায়দ-মাযিনী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আমার ঘর ও মিম্বর-এর মধ্যবর্তী স্থানটুকু জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান । [বোখারী পর্ব ২০/৫ হাঃ ১১৯৫, মুসলিম ১৫/৯২, হাঃ ১৩৯০] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৮৭৯. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের - [মাদীনাহ্র অধিবাসীরা যখন মাদীনাহ্‌কে পরিত্যাগ করিবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাদীনাহ্র-অধিবাসীরা-যখন/) - ৮৭৭. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি, তোমরা উত্তম অবস্থায় মাদীনাহকে রেখে যাবে। আর জীবিকা অন্বেষণে বিচরণকারী অর্থাৎ পশু-পাখি ছাড়া আর কেউ একে আচ্ছন্ন করে নিতে পারবে না। সবশেষে যাদের মাদীনাহ্‌তে একত্রিত করা হইবে তারা হল মুযায়না গোত্রের দুজন রাখাল। তারা তাহাদের বকরীগুলোকে হাঁক-ডাক দিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশেই - [বিভিন্ন শহর বিজিত হলেও মাদীনায় থাকার প্রতি উৎসাহ প্রদান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিভিন্ন-শহর-বিজিত-হলেও-মা/) - ৮৭৬. সুফইয়ান ইবনি আবু যুহায়র [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছিঃ ইয়ামান বিজিত হইবে, তখন একদল লোক নিজেদের সওয়ারী তাড়িয়ে এসে স্বীয় পরিবার-পরিজন এবং অনুগত লোকদেরকে উঠিয়ে নিয়ে যাবে। অথচ মাদীনাহ তাহাদের জন্য উত্তম ছিল, যদি তারা বুঝত। সিরিয়া বিজিত হইবে, তখন একদল লোক নিজেদের সওয়ারী তাড়িয়ে এসে স্বীয় পরিবার-পরিজন - [যে ব্যক্তি মাদীনাহ্‌বাসীর অনিষ্ট কামনা করিবে আল্লাহ তাআলা তাকে কষ্ট দিবেন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-মাদীনাহ্‌বাসী/) - ৮৭৫. সাদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছিঃ যে কেউ মাদীনাবাসীর সাথে ষড়যন্ত্র বা প্রতারণা করিবে, সে লবণ যেভাবে পানিতে গলে যায়, সেভাবে গলে যাবে। [বোখারী পর্ব ২৯/৭ হাঃ ১৮৭৭, মুসলিম পর্ব ১৫/৮৯, হাঃ ১৩৮৭] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [মাদীনাহ তার ক্ষতিকর ও যাবতীয় মন্দকে পরিষ্কার করে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাদীনাহ-তার-ক্ষতিকর-ও-যাব/) - ৮৭২. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেনঃ আমি এমন এক জনপদে হিজরাত করার জন্য আদিষ্ট হয়েছি, যে জনপদ অন্য সকল জনপদের উপর জয়ী হইবে। লোকেরা তাকে ইয়াসরিব বলে থাকে। এ হল মাদীনাহ। তা অবাঞ্ছিত লোকদেরকে এমনভাবে বহিষ্কার করে দেয়, যেমনভাবে কামারের অগ্নিচুলা লোহার মরিচা দূর করে দেয়। [বোখারী পর্ব ২৯/২ - [মহামারী ও দাজ্জালের প্রবেশ থেকে মাদীনাহ সংরক্ষিত হওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মহামারী-ও-দাজ্জালের-প্রব/) - ৮৭১. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ মাদীনাহ্‌র প্রবেশ পথসমূহে ফেরেশতা পাহারায় নিয়োজিত আছে। তাই প্লেগ রোগ এবং দাজ্জাল মাদীনায় প্রবেশ করিতে পারবে না। [বোখারী পর্ব ২৯/৯ হাঃ ১৮৮০, মুসলিম পর্ব ১৫/৮৭, হাঃ ১৩৭৯] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [মাদীনার অবস্থান প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং সেখানে বিপদাপদে ধৈর্য্য ধারণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাদীনার-অবস্থান-প্রতি-উৎ/) - ৮৭০. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] দুআ করিতেনঃ হে আল্লাহ! আপনি যেভাবে মাক্কাহ্‌কে আমাদের জন্য প্রিয় করে দিয়েছেন, মাদীনাহ্‌কেও সেভাবে অথবা এর চেয়ে অধিক আমাদের কাছে প্রিয় করে দিন। আর মাদীনাহ্‌র জ্বর জুহফা নামক স্থানের দিকে সরিয়ে দিন। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাপের ও ওযনের পাত্রে বারকাত দিন। [বোখারী পর্ব ৮০/৪৩ হাঃ - [মাদীনাহ্‌র মর্যাদা, সেখানকার মাল সম্পদে বারাকাতের জন্য নাবী [সাঃআঃ]-এর দুআ, সে স্থান হারাম হওয়া, সেখানে শিকার করা, বৃক্ষ কর্তন করা নিষিদ্ধ এবং এর হারামের সীমারেখা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাদীনাহ্‌র-মর্যাদা-সেখা/) - ৮৬৩. আবদুল্লাহ ইবনি যায়দ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেন, ইবরাহীম [আ.] মাক্কাহ্‌কে হারাম ঘোষণা করিয়াছেন ও তার জন্য দুআ করিয়াছেন। আমি মাদীনাহ্‌কে হারাম ঘোষণা করেছি, যেমন ইবরাহীম [আ.] মাক্কাহ্‌কে হারাম ঘোষণা করিয়াছেন এবং আমি মাদীনাহ্‌র মুদ ও সাআ এর জন্য দুআ করেছি। যেমন ইবরাহীম [আ.] মাক্কাহ্‌র জন্য দুআ করেছিলেন। [বোখারী পর্ব ৩৪/৫৩ হাঃ ২১২৯, - [ইহরাম অবস্থায় ছাড়া মাক্কায় প্রবেশ বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইহরাম-অবস্থায়-ছাড়া-মাক/) - ৮৬২. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ মাক্কাহ্ বিজয়ের বছর আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] লৌহ শিরস্ত্রাণ পরিহিত অবস্থায় [মাক্কাহ] প্রবেশ করেছিলেন। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] শিরস্ত্রাণটি মাথা হইতে খোলার পর এক ব্যক্তি এসে তাঁকে বলিলেন, ইবনি খাতাল কাবার গিলাফ ধরে আছে। তিনি বললেনঃ তাকে তোমরা হত্যা কর। [বোখারী পর্ব ২৮/১৮ হাঃ ১৮৪৬, মুসলিম পর্ব ১৫/৮৪, হাঃ ১৩৫৭] - [মাক্কাহ্ হারাম হওয়া, সেখানে শিকার করা, সেখানকার লতা ও বৃক্ষ কাটা নিষিদ্ধ এবং প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয়া ছাড়া সেখানকার পড়ে থাকা জিনিস উঠানো নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাক্কাহ্-হারাম-হওয়া-সেখ/) - ৮৫৯. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, মাক্কাহ বিজয়ের দিন নাবী [সাঃআঃ] বলেছিলেনঃ এখন হইতে আর হিজরত নেই, রয়েছে কেবল জিহাদ এবং নিয়ত। সুতরাং যখন তোমাদেরকে জিহাদের জন্য ডাকা হইবে, এ ডাকে তোমরা সাড়া দিবে। আসমান-যমীন সৃষ্টির দিন হইতেই আল্লাহ তাআলা এ শহরকে হারম [মহাসম্মানিত] করে দিয়েছেন। আল্লাহ কর্তৃক সম্মানিত করার কারণেই কিয়ামাত পর্যন্ত - [মাক্কাহ্ থেকে হিজরাতকারী ব্যক্তির হাজ্জ ও উমরাহ্ সম্পন্ন করার পর প্রবাসী ব্যক্তির জন্য অনুর্ধ তিনদিন মাক্কায় অবস্থান করা বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাক্কাহ্-থেকে-হিজরাতকারী/) - ৮৫৮. আলা ইবনিল হাযরামী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলিলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেন, মুহাজিরদের জন্য তাওয়াফে সদর* আদায় করার পর তিন দিন মাক্কায় থাকার অনুমতি আছে।* [বোখারী পর্ব ৬৩/৪৭ হাঃ ৩৯৩৩, মুসলিম পর্ব ১৫/৮১, হাঃ নং ১৩৫২] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [হাজ্জকারীর মাক্কায় অবস্থান ও তার গৃহের উত্তরাধিকার হওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাজ্জকারীর-মাক্কায়-অবস্/) - ৮৫৭. উসামাহ ইবনি যায়দ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলিলেন, হে আল্লাহর রসূল ! আপনি মাক্কায় অবস্থিত আপনার বাড়ির কোন্ স্থানে অবস্থান করবেন? তিনি [সাঃআঃ] বললেনঃ আকীল কি কোন সম্পত্তি বা ঘর-বাড়ি অবশিষ্ট রেখে গেছে? আকীল এবং তালিব আবু তালিবের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়েছিলেন, জাফর ও আলী [রাদি.] হননি। কেননা তাঁরা দুজন ছিলেন মুসলমান। আকীল ও তালিব - [হাজ্জ, উমরাহ ও আরাফাহ্‌র দিনের ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাজ্জ-উমরাহ-ও-আরাফাহ্‌র-দ/) - ৮৫৫. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ এক উমরাহর পর আর এক উমরাহ উভয়ের মধ্যবর্তী সময়ের [গুনাহের] জন্য কাফফারা। আর জান্নাতই হলো হাজ্জে মাবরূরের প্রতিদান। [বোখারী পর্ব ২৬/১ হাঃ ১৭৭৩, মুসলিম পর্ব ১৫/৭৯, হাঃ ১৩৪৯] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৮৫৬. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর - [কোন মুশরিক হাজ্জ করিবে না ও উলঙ্গ অবস্থায় কেউ বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করিবে না এবং হাজ্জে আকবার দিনের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কোন-মুশরিক-হাজ্জ-করিবে-না/) - ৮৫৪. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, বিদায় হাজ্জের পূর্বে যে হাজ্জে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] আবু বকর [রাদি.]-কে আমীর নিযুক্ত করেন, সে হাজ্জে কুরবানীর দিন {আবু বকর [রাদি.]} আমাকে একদল লোকের সঙ্গে পাঠালেন, যারা লোকদের কাছে ঘোষণা করিবে যে, এ বছরের পর হইতে কোন মুশরিক হাজ্জ করিবে না এবং উলঙ্গ হয়ে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করিবে - [হাজ্জ ও উমরাহ্ থেকে ফেরার পথে জুল হুলাইসলামিক ফাউন্ডেশনয় অবস্থান করা এবং সেখানে সালাত আদায়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাজ্জ-ও-উমরাহ্-থেকে-ফেরার/) - ৮৫২. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] যুল-হুলাইসলামিক ফাউন্ডেশনর বাত্হা নামক উপত্যকায় উট বসিয়ে সালাত আদায় করেন। [রাবী নাফি বলেন] ইবনি উমার [রাদি.]-ও তাই করিতেন। [বোখারী পর্ব ২৫/১৪ হাঃ ১৫৩২, মুসলিম পর্ব ১৫/৩৭, হাঃ ১২৫৭] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৮৫৩. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ যুল-হুলাইসলামিক ফাউন্ডেশনহ - [হাজ্জ বা অন্য সফর থেকে ফেরার পথে কী বলবে?](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাজ্জ-বা-অন্য-সফর-থেকে-ফের/) - ৮৫১. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] যখন যুদ্ধ, হাজ্জ কিংবা উমরাহ থেকে ফিরতেন, তখন প্রতিটি উঁচু জায়গার উপর তিনবার আল্লাহু আকবার বলিতেন। অতঃপর বলিতেনঃ “আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই। তিনি এক, তাহাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব, হাম্‌দও তাহাঁরই জন্য, তিনি সব কিছুর উপর সর্বশক্তিমান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাহ্‌কারী, ইবাদাতকারী, আপন প্রতিপালকের - [মুহরিম [যাদের সাথে বিবাহ নিষিদ্ধ] ব্যক্তির সাথে মহিলাদের হাজ্জের জন্য বা অন্য কারণে সফর করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুহরিম-যাদের-সাথে-বিবাহ-ন/) - ৮৪৭. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ কোন মহিলাই যেন মাহরাম পুরুষকে সঙ্গে না নিয়ে তিন দিনের সফর না করে। [বোখারী পর্ব ১৮/৪ হাঃ ১০৮৬, মুসলিম পর্ব ১৫/৭৪ হাঃ ১৩৩৮] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৮৪৮. আবু সাঈদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, চারটি বিষয় যা আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] - [জীবনে হাজ্জ একবার ফার্‌য।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জীবনে-হাজ্জ-একবার-ফার্‌য/) - ৮৪৬. আবু হুরায়রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেনঃ তোমরা আমাকে প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাক, যতক্ষণ না আমি তোমাদের কিছু বলি। কেননা, তোমাদের পূর্বে যারা ছিল, তারা তাহাদের নাবীদের অধিক প্রশ্ন করা ও নাবীদের সাথে মতবিরোধ করার কারণেই ধ্বংস হয়েছে। তাই আমি যখন তোমাদের কোন বিষয়ে নিষেধ করি, তখন তা থেকে বেঁচে থাক। আর যদি - [অক্ষম, বৃদ্ধ ও মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে হাজ্জ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অক্ষম-বৃদ্ধ-ও-মৃত-ব্যক্তি/) - ৮৪৪. আবদুল্লাহ ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, ফযল ইবনি আব্বাস [রাদি.] একই বাহনে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর পিছনে আরোহণ করেছিলেন। এরপর খাশআম গোত্রের এক মহিলা উপস্থিত হল। তখন ফযল [রাদি.] সেই মহিলার দিকে তাকাতে থাকে এবং মহিলাটিও তার দিকে তাকাতে থাকে। আর আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] ফযলের চেহারা অন্যদিকে ফিরিয়ে দিতে থাকেন। মহিলাটি বললো, হে - [কাবা ঘরের দেয়াল ও তার দরজা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কাবা-ঘরের-দেয়াল-ও-তার-দরজ/) - ৮৪৩. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ]-কে প্রশ্ন করলাম, [হাতীমের] দেয়াল কি বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত, তিনি বললেনঃ হাঁ। আমি বললাম, তাহলে তারা বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করিল না কেন? তিনি বললেনঃ তোমার গোত্রের [অর্থাৎ কুরাইশের কাবা নির্মাণের] সময় অর্থ নিঃশেষ হয়ে যায়। আমি বললাম, কাবার দরজা এত উঁচু হওয়ার কারণ কী? তিনি বললেনঃ তোমার কওমতো এ - [কাবা গৃহ ভেঙ্গে ফেলা ও তার পুনর্নির্মাণ করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কাবা-গৃহ-ভেঙ্গে-ফেলা-ও-তার/) - ৮৪১. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] আমাকে বললেনঃ যদি তোমার গোত্রের যুগ কুফরীর নিকটবর্তী না হত তা হলে অবশ্যই কাবা ঘর ভেঙ্গে ইব্রাহীম [আ]-এর ভিত্তির উপর তা পুনর্নির্মাণ করতাম। কেননা কুরায়শগণ এর ভিত্তি সঙ্কুচিত করে দিয়েছে। আর আমি আরো একটি দরজা করে দিতাম। [বোখারী পর্ব ২৫/৪২ হাঃ ১৫৮৫, মুসলিম পর্ব ১৫/৬৯ - [হাজী ও অন্যদের কাবায় প্রবেশ করা, সেখানে সালাত আদায় ও তার প্রত্যেক প্রান্তে দুআ করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাজী-ও-অন্যদের-কাবায়-প্র/) - ৮৩৮. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] আর উসামা ইবনি যায়দ, বিলাল এবং উসমান ইবনি তালহা হাজাবী [রাদি.] কাবায় প্রবেশ করিলেন। নাবী [সাঃআঃ]-এর প্রবেশের সাথে সাথে উসমান [রাদি.] কাবার দরজা বন্ধ করে দিলেন। তাঁরা কিছুক্ষণ ভিতরে ছিলেন। বিলাল [রাদি.] বের হলে আমি তাঁকে বললামঃ নাবী [সাঃআঃ] কী করিলেন? তিনি বললেনঃ একটা খুঁটি - [তাওয়াফে বিদা [শেষ তাওয়াফ] ওয়াজিব ও ঋতুবতী মহিলার জন্য এ হুকুম বিলুপ্ত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তাওয়াফে-বিদা-শেষ-তাওয়া/) - ৮৩৫. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, লোকেদের আদেশ দেয়া হয় যে, তাহাদের শেষ কাজ যেন হয় বাইতুল্লাহর তাওয়াফ। তবে এ হুকুম ঋতুবতী মহিলাদের জন্য শিথিল করা হয়েছে। [বোখারী পর্ব ২৫/১৪৪ হাঃ ১৭৫৫, মুসলিম পর্ব ১৫/৬৭, হাঃ ১৩২৮] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৮৩৬. নাবী [সাঃআঃ]-এর স্ত্রী আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ - [হাজ্জে গমনকারীর জন্য কুরবানীর উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া বুদনার উপর প্রয়োজনে আরোহণ করা জায়িয।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাজ্জে-গমনকারীর-জন্য-কুর/) - ৮৩৩. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] এক ব্যক্তিকে কুরবানীর উট হাঁকিয়ে নিতে দেখে বলিলেন, এর পিঠে আরোহণ কর। সে বলিল, এ তো কুরবানীর উট। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলিলেন, এর পিঠে সওয়ার হয়ে চল। এবারও লোকটি বলিল, এ-তো কুরবানীর উট। এরপরও আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলিলেন, এর পিঠে আরোহণ কর, তোমার সর্বনাশ! এ কথাটি - [যে ব্যক্তি নিজে যাবে না তার কুরবানী হারাম শরীফে পাঠিয়ে দেয়া মুস্তাহাব এবং এতে মুস্তাহাব হল [কুরবানীর প্রাণীর গলায়] রশি পাকিয়ে ঝুলিয়ে দেয়া এবং এতে প্রেরণকারী মুহরিম হইবে না ও তার উপর কোন কিছু নিষিদ্ধও হইবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-নিজে-যাবে-না-তা/) - ৮৩১. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নিজ হাতে নাবী [সাঃআঃ]-এর কুরবানীর পশুর কিলাদা পাকিয়ে দিয়েছি। এরপর তিনি তাকে কিলাদা পরিয়ে ইশআর করার পর পাঠিয়ে দিয়েছেন এবং তাহাঁর জন্য যা হালাল ছিল এতে তা হারাম হয়নি। [বোখারী পর্ব ২৫/১০৬ হাঃ ১৬৯৬, মুসলিম পর্ব ১৫/৬৪, হাঃ ১৩২১] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [বুদনা [উট] বেঁধে দাঁড়ান অবস্থায় নাহার করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বুদনা-উট-বেঁধে-দাঁড়ান-অব/) - ৮৩০. যিয়াদ ইবনি জুবাইর [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ইবনি উমার [রাদি.]-কে দেখেছি যে, তিনি আসলেন এমন এক ব্যক্তির নিকট, যে তার নিজের উটটিকে নহর করার জন্য বসিয়ে রেখেছিল। ইবনি উমার [রাদি.] বলিলেন, সেটি উঠিয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় বেঁধে নাও। [এটা] মুহাম্মদ [সাঃআঃ]-এর সুন্নাত। [বোখারী পর্ব ২৫/১১৮ হাঃ ১৭১৩, মুসলিম পর্ব ১৫/৬৩ হাঃ ১৩২০] - [কুরবানীর প্রাণীর গোশ্‌ত, চামড়া ও তার শীতাবরণ সদাকাহ করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরবানীর-প্রাণীর-গোশ্‌ত/) - ৮২৯. আলী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তাঁকে নাবী [সাঃআঃ] তাহাঁর নিজের কুরবানীর জানোয়ারের পাশে দাঁড়াতে আর এগুলোর সমুদয় গোশ্‌ত, চামড়া এবং পিঠের আবরণসমূহ বিতরণ করিতে নির্দেশ দেন এবং তা হইতে যেন কসাইকে পারিশ্রমিক হিসেবে কিছুই না দেয়া হয়। [বোখারী পর্ব ২৫/১২১ হাঃ ১৭১৭, মুসলিম পর্ব ১৫/৬১ হাঃ ১৩১৭] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [আইয়ামে তাশরীকের রাত্রিগুলো মীনায় অতিবাহিত করা ওয়াজিব তবে যারা [হাজীদের] পানি পান করায় তাহাদের জন্য এ ব্যাপারে শিথিলতা আছে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আইয়ামে-তাশরীকের-রাত্রিগ/) - ৮২৮. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আব্বাস ইবনি আবদুল মুত্তালিব [রাদি.] আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর নিকট হাজীদের পানি পান করানোর উদ্দেশে মিনায় অবস্থানের রাতগুলো মাক্কায় কাটানোর অনুমতি চাইলে তিনি তাঁকে অনুমতি দেন। [বোখারী পর্ব ২৫/৭৫ হাঃ ১৬৩৪, মুসলিম পর্ব ১৫/৬০, হাঃ ১৩১৫] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [প্রস্থান করার দিন মুহাস্‌সাবে অবতরণ করা এবং সালাত আদায় করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রস্থান-করার-দিন-মুহাস্/) - ৮২৫. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, তা হল একটি মানযিল মাত্র, যেখানে নাবী [সাঃআঃ] অবতরণ করিতেন, যাতে বেরিয়ে যাওয়া সহজতর হয় অর্থাৎ এর দ্বারা আবতাহ বুঝানো হয়েছে। [বোখারী পর্ব ৩৫/১৪৭ হাঃ ১৭৬৫, মুসলিম পর্ব ১৫/৫৯, হাঃ ১৩১১] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৮২৬. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, মুহাস্‌সাবে - [কুরবানীর দিন ত্বওয়াফে ইসলামিক ফাউন্ডেশনযাহ করা মুস্তাহাব হওয়ার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরবানীর-দিন-ত্বওয়াফে-ই/) - ৮২৪. আবদুল আযীয ইবনি রুফাই [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনি মালিক [রাদি.]-কে জিজ্ঞেস করলাম, নাবী [সাঃআঃ] সম্পর্কে আপনি যা উত্তমরূপে স্মরণ রেখেছেন তার কিছুটা বলুন। বলুন, যিলহাজ্জ মাসের আট তারিখে যুহর ও আসরের সালাত তিনি কোথায় আদায় করিতেন? তিনি বলিলেন, মিনায়। আমি বললাম, মিনা হইতে ফিরার দিন আসরের সালাত তিনি কোথায় - [যে ব্যক্তি কুরবানী করার পূর্বেই মাথা মুণ্ডন করিল অথবা কঙ্কর নিক্ষেপ করার পূর্বেই।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-কুরবানী-করার-প/) - ৮২২. আবদুল্লাহ ইবনি আমর বিন আস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ বিদায় হাজ্জের সময় আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] [সাওয়ারীতে] অবস্থান করছিলেন, তখন সাহাবীগণ তাঁকে জিজ্ঞেস করিতে লাগলেনঃ একজন জিজ্ঞেস করিলেন, আমি জানতাম না, তাই কুরবানী করার আগেই [মাথা] কামিয়ে ফেলেছি। তিনি ইরশাদ করলেনঃ তুমি কুরবানী করে নাও, কোন দোষ নেই। অতঃপর অপর একজন এসে বলিলেন, আমি না জেনে - [কুরবানীর দিন সুন্নাত কাজ হল সর্বপ্রথম কঙ্কর নিক্ষেপ করা, অতঃপর কুরবানী করা, অতঃপর মাথা মুণ্ডন করা এবং মাথার চুল মুণ্ডন করার ক্ষেত্রে ডান দিক থেকে শুরু করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরবানীর-দিন-সুন্নাত-কাজ/) - ৮২১. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] তাহাঁর মাথা মুণ্ডন করলে আবু তলহা [রাদি.]-ই প্রথমে তাহাঁর চুল সংগ্রহ করেন। [বোখারী পর্ব ৪/৩৩ হাঃ ১৭১, মুসলিম পর্ব ১৫/৫৬, হাঃ ১৩০৫] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [চুল ছাঁটার উপর মাথা মুণ্ডন করাকে প্রাধান্য দেয়া এবং চুল ছাঁটার বৈধতা প্রসঙ্গে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/চুল-ছাঁটার-উপর-মাথা-মুণ্ড/) - ৮১৮. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] হাজ্জের সময় তাহাঁর মাথা কামিয়েছিলেন। [বোখারী পর্ব ২৫/১২৭ হাঃ ১৭২৬, মুসলিম পর্ব ১৫/৫৫, হাঃ ১৩০৪] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৮১৯. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ اللهُمَّ ارْحَمِ الْمُحَلِّقِينَ হে আল্লাহ! মাথা মুণ্ডনকারীদের প্রতি রহম করুন। সাহাবীগণ বলিলেন, - [বাতনে ওয়াদী থেকে জামরাতুল আকাবাতে কঙ্কর নিক্ষেপ কালে মাক্কাহ্‌কে বাম দিকে রাখা এবং প্রত্যেকবার কঙ্কর নিক্ষেপ করার সময় তাকবীর বলা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বাতনে-ওয়াদী-থেকে-জামরাত/) - ৮১৬. আবদুর রহমান ইবনি ইয়াযীদ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আবদুল্লাহ [রাদি.] বাতন ওয়াদী হইতে কঙ্কর মারেন। তখন আমি তাঁকে বললাম, হে আবু আবদুর রহমান! লোকেরা তো এর উচ্চস্থান হইতে কঙ্কর মারে। তিনি বলিলেন, সে সত্তার কসম! যিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, এটা সে স্থান, যেখানে সূরা আল-বাকারাহ নাযিল হয়েছে। [বোখারী পর্ব ২৫/১৩৫ হাঃ - [রাত্রির শেষভাগে লোকেদের ভিড়ের পূর্বে দুর্বল এবং বয়স্ক মহিলা ও অন্যদের মুজদালিফা থেকে মিনায় পাঠিয়ে দেয়া মুস্তাহাব এবং অন্যান্যদের ফাজ্‌রের সালাত আদায় পর্যন্ত মুজদালিফায় অবস্থান করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রাত্রির-শেষভাগে-লোকেদের/) - ৮১২. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা মুযদালিফায় অবতরণ করলাম। মানুষের ভিড়ের আগেই রওয়ানা হওয়ার জন্য সওদা [রাদি.] নাবী [সাঃআঃ]-এর কাছে অনুমতি চাইলেন। আর তিনি ছিলেন ধীরগতি মহিলা। নাবী [সাঃআঃ] তাঁকে অনুমতি দিলেন। তাই তিনি লোকের ভিড়ের আগেই রওয়ানা হলেন। আর আমরা সকাল পর্যন্ত সেখানেই রয়ে গেলাম। এরপর আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] রওয়ানা হলেন, আমরা - [কুরবানীর দিন মুজদালিফায় ফাজ্‌রের সালাত বেশী অন্ধকারে পড়া মুস্তাহাব। ফাজ্‌র উদিত হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পর এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করাটাও মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরবানীর-দিন-মুজদালিফায়/) - ৮১১. আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে দুটি সালাত ব্যতীত আর কোন সালাত তার নির্দিষ্ট সময় ব্যতীত আদায় করিতে দেখিনি। তিনি মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করিয়াছেন এবং ফাজরের সালাত তার ওয়াক্তের আগে আদায় করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ২৫/৯৯ হাঃ ১৬৮২, মুসলিম পর্ব ১৫/৪৮, হাঃ ১২৮৯] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ - [আরাফাহ্ থেকে মুজদালিফা গমন এবং সেই রাত্রিতে মুজদালিফায় মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে পড়া মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আরাফাহ্-থেকে-মুজদালিফা-গ/) - ৮০৭. উসামাহ ইবনি যায়দ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] আরাফাহর ময়দান হইতে রওনা হলেন এবং উপত্যকায় পৌঁছে নেমে তিনি পেশাব করিলেন। অতঃপর উযূ করিলেন কিন্তু উত্তমরূপে উযূ করিলেন না। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল ! সালাত আদায় করবেন কি? তিনি বললেনঃ সালাতের স্থান তোমার সামনে। অতঃপর তিনি আবার সওয়ার হলেন। অতঃপর মুযদালিফায় - [আরাফাহ্র দিন মীনা থেকে আরাফাহ্র ময়দানে যাওয়ার সময় তালবীয়াহ ও তাকবীর পাঠ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আরাফাহ্র-দিন-মীনা-থেকে-আর/) - ৮০৬. মুহাম্মদ ইবনি আবু বাক্‌র সাকাফী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা সকাল বেলা মিনা হইতে যখন আরাফাতের দিকে যাচ্ছিলাম, তখন আনাস ইবনি মালিক [রাদি.]-এর নিকট তালবিয়াহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনারা নাবী [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে কিরূপ করিতেন? তিনি বলিলেন, তাল্বিয়াহ পাঠকারী তালবিয়াহ পড়ত, তাকে নিষেধ করা হতো না। তাক্বীর পাঠকারী তাক্বীর পাঠ করত, তাকেও নিষেধ - [হাজীদের জন্য তালবিয়া পাঠ জারী রাখা মুস্তাহাব এবং কুরবানীর দিন জামরায়ে আকাবায় পাথর নিক্ষেপ পর্যন্ত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাজীদের-জন্য-তালবিয়া-পা/) - ৮০৫. উসামাহ ইবনি যায়দ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আরাফাহ হইতে সওয়ারীতে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর পেছনে আরোহণ করলাম। মুযদালিফার নিকটবর্তী বামপার্শ্বের গিরিপথে পৌঁছলে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] তাহাঁর উটটি বসালেন। এরপর পেশাব করে আসলেন। আমি তাঁকে উযূর পানি ঢেলে দিলাম। আর তিনি হালকাভাবে উযূ করে নিলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল ! সালাত? তিনি বললেনঃ - [সাফা এবং মারওয়ায় সাঈ [দৌড়াদৌড়ি] করা হাজ্জের রুকন্- এটা পালন না করলে হাজ্জ বিশুদ্ধ না হওয়ার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সাফা-এবং-মারওয়ায়-সাঈ-দৌ/) - ৮০২. উরওয়াহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি বাল্যকালে একদা নাবী [সাঃআঃ]-এর সহধর্মিণী আয়িশাহ্ [রাদি.]-কে বললাম, আল্লাহর বাণীঃ “সাফা ও মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কাবা গৃহের হাজ্জ কিংবা উমরাহ সম্পন্ন করে এ দুটির মধ্যে সায়ী করিতে চায়, তার কোন গুনাহ্ নেই”- [আল-বাকারাহঃ ১৫৮]। তাই সাফা-মারওয়াহ্‌র সায়ী না করা আমি কারো পক্ষে অপরাধ - [উট বা অন্যান্য যানবাহনে আরোহণ করে তাওয়াফ করা এবং আরোহণকারীর জন্য লাঠি বা অন্য কিছুর মাধ্যমে কালো পাথর স্পর্শ করা বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উট-বা-অন্যান্য-যানবাহনে-আ/) - ৮০০. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, বিদায় হাজ্জের সময় নাবী [সাঃআঃ]-এর উটের পিঠে আরোহণ করে তাওয়াফ করার সময় ছড়ির মাধ্যমে হাজ্‌রে আসওয়াদ চুম্বন করেন। [বোখারী পর্ব ২৫/৫৮ হাঃ ১৬০৭, মুসলিম পর্ব ১৫/৪২, হাঃ ১২৭২] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৮০১. উম্মু সালামাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহর রসূল - [ত্বওয়াফকালে কালো পাথরে চুম্বন দেয়া মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ত্বওয়াফকালে-কালো-পাথরে/) - ৭৯৯. উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি হাজ্‌রে আসওয়াদের কাছে এসে তা চুম্বন করে বলিলেন, আমি অবশ্যই জানি যে, তুমি একখানা পাথর মাত্র, তুমি কারো কল্যাণ বা অকল্যাণ করিতে পার না। নাবী [সাঃআঃ]-কে তোমায় চুম্বন করিতে না দেখলে কখনো আমি তোমাকে চুম্বন করতাম না। [বোখারী পর্ব ২৫/৫০ হাঃ ১৫৯৭, মুসলিম পর্ব ১৫/৪১, হাঃ ১২৭০] ওমরা হজের - [ত্বওয়াফ করার সময় রুকনে ইয়ামানীদ্বয়কে স্পর্র্শ করা এবং অপর দুটি রুকন স্পর্শ না করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ত্বওয়াফ-করার-সময়-রুকনে/) - ৭৯৭. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন হইতে রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-কে [তাওয়াফ করার সময়] এ দুটি রুকন ইসতিলাম [চুমু] করিতে দেখেছি, তখন হইতে ভীড় থাকুক বা নাই থাকুক কোন অবস্থাতেই এ দু-এর ইসতিলাম [চুমু] করা বাদ দেইনি। [বোখারী পর্ব ২৫/৫৭ হাঃ ১৬০৬, মুসলিম পর্ব ১৫/৪০, হাঃ ১২৬৮, আহমাদ ৪৮৮৭] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির - [উমরার ও ত্বওয়াফে এবং হাজ্জের প্রথম ত্বওয়াফে রমল করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উমরার-ও-ত্বওয়াফে-এবং-হাজ/) - ৭৯৪. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বায়তুল্লাহ পৌঁছে প্রথম তাওয়াফ করার সময় প্রথম তিন চক্করে রামল করিতেন এবং পরবর্তী চার চক্করে স্বাভাবিক গতিতে হেঁটে চলতেন। সাফা ও মারওয়ায় সাঈ করার সময় উভয় টিলার মধ্যবর্তী নিচু স্থানটুকু দ্রুতগতিতে চলতেন। [বোখারী পর্ব ২৫/৬৩ হাঃ ১৬১৭, মুসলিম পর্ব ১৫/৩৯ হাঃ ১২৬১] ওমরা হজের নিয়ম -এই - [মাক্কাহ্‌তে প্রবেশের ইচ্ছে করলে যী-তুয়া উপত্যকায় রাত্রি যাপন করা এবং গোসল করে প্রবেশ করা এবং দিনের বেলায় প্রবেশ করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাক্কাহ্‌তে-প্রবেশের-ইচ্/) - ৭৯১. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] ভোর পর্যন্ত যী-তুয়ায় রাত যাপন করেন, অতঃপর মাক্কাহয় প্রবেশ করেন। [রাবী নাফি বলেন] ইবনি উমার [রাদি.]-ও এরূপ করিতেন। [বোখারী পর্ব ২৫/৩৯ হাঃ ১৫৭৪, মুসলিম পর্ব ১৫/৩৮ হাঃ ১২৫৯] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৭৯২. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] - [রমাযান মাসে উমরাহ পালনের ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রমাযান-মাসে-উমরাহ-পালনের/) - ৭৮৬. ইবনি আ.স [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূল [সাঃআঃ] এক আনসারী মহিলাকে বললেনঃ আমাদের সঙ্গে হাজ্জ করিতে তোমার বাধা কিসের? ইবনি আব্বাস [রাদি.] মহিলার নাম বলেছিলেন কিন্তু আমি ভুলে গেছি। মহিলা বলিল, আমাদের একটি পানি বহনকারী উট ছিল। কিন্তু তাতে অমুকের পিতা ও তার পুত্র [অর্থাৎ মহিলার স্বামী ও ছেলে] আরোহণ করে চলে গেছেন। - [নাবী [সাঃআঃ]-এর উমরাহ আদায়ের সংখ্যা এবং তা আদায় করার সময়ের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃআঃ-এর-উমরাহ-আদায়/) - ৭৮২. হাম্মাম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] চারটি উমরাহ করিয়াছেন। তন্মধ্যে হাজ্জের মাসে যে উমরাহ করিয়াছেন তা ছাড়া বাকী সব উমরাহই যুল-কাদা মাসে করিয়াছেন। অর্থাৎ হুদাইবিয়াহ্‌র উমরাহ, পরবর্তী বছরের উমরাহ, জিরানার উমরাহ, যেখানে তিনি হুনাইনের মালে গনীমত বণ্টন করেছিলেন এবং হাজ্জের মাসে আদায়কৃত উমরাহ। [বোখারী পর্ব ২৬/৩ হাঃ ১৭৮০, মুসলিম পর্ব ১৫/৩৫ হাঃ - [নাবী [সাঃআঃ]-এর ইহরাম বাঁধা এবং তাহাঁর কুরবানী।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃআঃ-এর-ইহরাম-বাঁধা/) - ৭৮১. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আলী [রাদি.] ইয়ামান হইতে এসে নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি প্রশ্ন করলেনঃ তুমি কী প্রকার ইহ্‌রাম বেঁধেছ? আলী [রাদি.] বলিলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর অনুরূপ। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বললেনঃ আমার সঙ্গে কুরবানীর পশু না থাকলে আমি হালাল হয়ে যেতাম। [বোখারী পর্ব ২৫/৩২ হাঃ ১৫৫৮, মুসলিম পর্ব ১৫/৩৪ - [উমরাহ্তে চুল ছাঁটা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উমরাহ্তে-চুল-ছাঁটা।/) - ৭৮০. ইবনি আব্বাস [রাদি.] ও মুআবিয়াহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি একটি কাঁচি দিয়ে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর চুল ছোট ছোট করে দিয়েছিলাম। [বোখারী পর্ব ২৫/১২৭ হাঃ ১৭৩০, মুসলিম পর্ব ১৫/৩৩, হাঃ ১২৪৬] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [ইহরামের সময় কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা ঝুলানো এবং কোন চিহ্ন দিয়ে দেয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইহরামের-সময়-কুরবানীর-পশ/) - ৭৭৯. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ মুহরিম ব্যক্তি যখন বাইতুল্লাহ তওয়াফ করিল তখন সে তাহাঁর ইহ্‌রাম থেকে হালাল হয়ে গেল। আমি [ইবনি জুরাইজ] জিজ্ঞেস করলাম যে, ইবনি আব্বাস [রাদি.] এ কথা কী করে বলিতে পারেন? রাবী আত্বা [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] উত্তরে বলেন, আল্লাহ তাআলার এ কালামের দলীল থেকে যে, এরপর তার হালাল হওয়ার স্থল হচ্ছে বাইতুল্লাহ - [হাজ্জের মাসগুলোতে উমরাহ করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাজ্জের-মাসগুলোতে-উমরাহ/) - ৭৭৭. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] এবং তাহাঁর সাহাবীগণ [যুল হিজ্জার] ৪র্থ তারিখ সকালে [মাক্কায়] আগমন করেন এবং তাঁরা হাজ্জের জন্য তালবীয়া পাঠ করিতে থাকেন। অতঃপর তিনি তাঁদের হাজ্জকে উমরাহ্য় রূপান্তরিত করার নির্দেশ দিলেন। তবে যাঁদের সঙ্গে হাদী[হাজীদের যবহের জন্যে জানোয়ার] ছিল তাঁরা এ নির্দেশের অন্তর্ভুক্ত নন। [বোখারী পর্ব ১৮/৩ হাঃ - [যে ব্যক্তি হাজ্জের ইহরাম বেঁধে মাক্কায় আসল তার জন্য ত্বওয়াফ ও সায়ীতে কী করা অপরিহার্য।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-হাজ্জের-ইহরাম-2/) - ৭৭৫. মুহাম্মদ ইবনি আবদুর রহমান ইবনি নাওফাল কুরাশী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি উরওয়া ইবনি যুবাইর [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-কে নাবী [সাঃআঃ]-এর হাজ্জ বিষয়ে জিজ্ঞেস করিলেন। তিনি বলিলেন, নাবী [সাঃআঃ]-এর হাজ্জ-এর বিষয়টি আয়িশাহ্ [রাদি.] আমাকে এরূপে বর্ণনা দিয়েছেন যে, নাবী [সাঃআঃ] মাক্কায় উপনীত হয়ে সর্বপ্রথম উযূ করে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করেন। তা উমরাহর তাওয়াফ ছিল না। পরে আবু - [যে ব্যক্তি হাজ্জের ইহরাম বাঁধল তার জন্য কী কী করা অপরিহার্য, অতঃপর তাওয়াফ ও সায়ীর জন্য মাক্কায় আসল।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-হাজ্জের-ইহরাম/) - ৭৭৪. আমর ইবনি দীনার [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ আমরা ইবনি উমার [রাদি.]-কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম- যে ব্যক্তি উমরাহর ন্যায় বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করেছে কিন্তু সাফা-মারওয়ায় সাঈ করে নি, সে কি তার স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করিতে পারবে? তিনি জবাব দিলেন, নাবী [সাঃআঃ] এসে সাতবার বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করিয়াছেন, মাকামে ইবরাহীমের নিকট দুরাকআত সালাত আদায় করিয়াছেন আর - [হাজ্জ ও উমরাহ্তে কিরান ও ইফরাদ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাজ্জ-ও-উমরাহ্তে-কিরান-ও-ই/) - ৭৭৩. বাক্‌র [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ ইবনি উমার [রাদি.]-এর কাছে এ কথা উল্লেখ করা হল, আনাস [রাদি.] লোকদের কাছে বর্ণনা করিয়াছেন যে, নাবী [সাঃআঃ] হাজ্জ ও উমরার জন্য ইহ্‌রাম বেঁধেছিলেন। তখন ইবনি উমার [রাদি.] বলিলেন, নাবী [সাঃআঃ] হাজ্জের জন্য ইহ্‌রাম বেঁধেছেন, তাহাঁর সাথে আমরাও হাজ্জের জন্য ইহ্‌রাম বাঁধি। যখন আমরা মাক্কায় পৌঁছলাম তিনি বলিলেন, তোমাদের - [বাধা প্রাপ্ত ব্যক্তি ইহরাম থেকে হালাল হয়ে যাবে এবং হাজ্জে কিরানের বৈধতা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বাধা-প্রাপ্ত-ব্যক্তি-ইহর/) - ৭৭১. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ [মাক্কাহ মুকার্‌রামায়] গোলযোগ চলাকালে উমরাহ্র নিয়ত করে তিনি যখন মাক্কাহর দিকে রওয়ানা হলেন, তখন বলিলেন, বাইতুল্লাহ হইতে যদি আমি বাধাপ্রাপ্ত হই তাহলে তাই করব যা করেছিলাম আমরা আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে। তাই তিনি উমরাহ্র ইহরাম বাঁধলেন। কারণ, নাবী [সাঃআঃ]-ও হুদাইবিয়ার বছর উমরাহ্র ইহরাম বেঁধেছিলেন। অতঃপর আবদুল্লাহ ইবনি উমার - [হাজ্জ তামাত্তুকারীর উপর কুরবানী করা অপরিহার্য এবং এটা না করিতে পারলে হাজ্জ পালন করা অবস্থায় তিন দিন এবং বাড়ীতে ফিরার পর সাতদিন সওম পালন করিতে হইবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাজ্জ-তামাত্তুকারীর-উপর/) - ৭৬৮. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, বিদায় হাজ্জের সময় আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] হাজ্জ ও উমরাহ একসাথে পালন করিয়াছেন। তিনি হাদী পাঠান অর্থাৎ যুল-হুলাইসলামিক ফাউন্ডেশন হইতে কুরবানীর জানোয়ার সাথে নিয়ে নেন। অতঃপর আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] প্রথমে উমরাহর ইহ্‌রাম বাঁধেন, এরপর হাজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধেন। সাহাবীগণ তাহাঁর সঙ্গে উমরাহর ও হাজ্জের নিয়্যাতে তামাত্তু করিলেন। সাহাবীগণের কতেক - [হাজ্জে তামাত্তু করা বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাজ্জে-তামাত্তু-করা-বৈধ।/) - ৭৬৭. ইমরান ইবনি হুসাইন [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, তামাত্তু এর আয়াত আল্লাহ্‌র কিতাবে অবতীর্ণ হয়েছে। এরপর আমরা নাবী [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে তা করছি এবং এর নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কুরআনের কোন আয়াত অবতীর্ণ হয়নি এবং নাবী [সাঃআঃ] ইন্তিকাল পর্যন্ত তা থেকে নিষেধও করেননি। এ ব্যাপারে এক ব্যক্তি নিজের ইচ্ছেনুযায়ী মতামত ব্যক্ত করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ৬৫/৩৩ হাঃ - [ইহরাম থেকে হালাল হয়ে যাওয়ার বিধান রহিত এবং তা পরিপূর্ণ করার নির্দেশ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইহরাম-থেকে-হালাল-হয়ে-যাও/) - ৭৬৬. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি বাতহা নামক স্থানে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর নিকট গেলাম। তিনি বললেনঃ হাজ্জ সমাধা করেছ? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেনঃ কিসের জন্য ইহরাম বেঁধেছিলে? আমি বললাম, নাবী [সাঃআঃ]-এর মত ইহরাম বেঁধে আমি তালবিয়া পাঠ করেছি। তিনি বললেনঃ ভালই করেছ। যাও বায়তুল্লাহর তাওয়াফ কর এবং সাফা-মারওয়ার সায়ী কর। এরপর - [আরাফাহ্‌তে অবস্থান করা এবং আল্লাহ তাআলার বাণীঃ “তখন ঐ স্থান থেকে যাত্রা কর লোকেরা যেখান থেকে যাত্রা করে।” [সূরাহ আল-বাক্বারাহ ২/১১৯]](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আরাফাহ্‌তে-অবস্থান-করা-এ/) - ৭৬৪. উরওয়াহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ জাহিলী যুগে হুমস ব্যতীত অন্য লোকেরা উলঙ্গ অবস্থায় [বাইতুল্লাহর] তাওয়াফ করত। আর হুমস্ হলো কুরায়শ এবং তাহাদের ঔরসজাত সন্তান-সন্ততি। হুমসরা লোকেদের সেবা করে সওয়াবের আশায় পুরুষ পুরুষকে কাপড় দিত এবং সে তা পরে তাওয়াফ করত। আর স্ত্রীলোক স্ত্রীলোককে কাপড় দিত এবং এ কাপড়ে সে তাওয়াফ করত। হুমসরা যাকে কাপড় - [ইহরামের প্রকারভেদ, আর তা হাজ্জে ইফরাদ এবং তামাত্তু এবং ক্বিরান এবং হাজ্জ ও উমরাহ্‌কে যুক্ত করা বৈধ এবং হাজ্জ ক্বারেন আদায়কারী কখন তার ইহরাম থেকে হালাল হইবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইহরামের-প্রকারভেদ-আর-তা-হ/) - ৭৫৫. আয়িশাহ্ [রাদি.] নাবী [সাঃআঃ]-এর সহধর্মিণী হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা বিদায় হাজ্জের সময় নাবী [সাঃআঃ]-এর সাথে বের হয়ে উমরাহর নিয়্যাতে ইহরাম বাঁধি। নাবী বললেনঃ যার সঙ্গে কুরবানীর পশু আছে সে যেন উমরাহর সাথে হাজ্জের ইহ্‌রামও বেঁধে নেয়। অতঃপর সে উমরাহ ও হাজ্জ উভয়টি সম্পন্ন না করা পর্যন্ত হালাল হইতে পারবে না। {আয়েশা [রাদি.] বলেন} - [অসুখ বা অন্য কোন কারণে মুহরিম ব্যক্তির ইহরাম খুলে ফেলার শর্ত করা বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অসুখ-বা-অন্য-কোন-কারণে-মুহ/) - ৭৫৪. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] যুবাআহ বিনতে যুবায়র-এর নিকট গিয়ে জিজ্ঞেস করিলেন- তোমার হাজ্জে যাওয়ার ইচ্ছে আছে কি? সে উত্তর দিল, আল্লাহ্‌র কসম! আমি খুবই অসুস্থ বোধ করছি [তবে হাজ্জে যাবার ইচ্ছে আছে] তার উত্তরে বলিলেন, তুমি হাজ্জের নিয়্যতে বেরিয়ে যাও এবং আল্লাহ্‌র কাছে এই শর্তারোপ করে বল, হে আল্লাহ্! যেখানেই - [মুহরিম ব্যক্তি মারা গেলে কী করা হইবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুহরিম-ব্যক্তি-মারা-গেলে/) - ৭৫৩. আবদুল্লাহ্ ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আরাফাতে ওয়াকূফ অবস্থায় অকস্মাৎ তার উটনী হইতে পড়ে যায়। এতে তাহাঁর ঘাড় মটকে গেল অথবা রাবী বলেছেন, তাহাঁর ঘাড় মটকে দিল। [যাতে সে মারা গেল]। তখন নাবী [সাঃআঃ] বললেনঃ তাঁকে বরই পাতাসহ পানি দিয়ে গোসল দাও এবং দু কাপড়ে তাঁকে কাফন দাও। তাঁকে সুগন্ধি - [মুহরিম ব্যক্তির মাথা এবং শরীর ধৌত করা বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুহরিম-ব্যক্তির-মাথা-এবং/) - ৭৫২. আবু আইউব আনসারী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আবদুল্লাহ ইবনি হুনায়ন [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আব্ওয়া নামক জায়গায় আবদুল্লাহ ইবনি আব্বাস [রাদি.] এবং মিসওয়ার ইবনি মাখরামাহ [রাদি.]-এর মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিল। আবদুল্লাহ ইবনি আব্বাস [রাদি.] বলিলেন, মুহরিম ব্যক্তি তার মাথা ধুতে পারবে আর মিসওয়ার [রাদি.] বলিলেন, মুহরিম তার মাথা ধুতে পারবে না। এরপর আবদুল্লাহ - [মুহরিম ব্যক্তির শিঙ্গা লাগানো বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুহরিম-ব্যক্তির-শিঙ্গা-ল/) - ৭৫১. ইবনি বুহাইনাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] ইহরাম অবস্থায় লাহইয়ে জামাল নামক স্থানে তাহাঁর মাথার মধ্যখানে সিঙ্গা লাগিয়েছিলেন। [বোখারী পর্ব ২৮/১১ হাঃ ১৮৩৬, মুসলিম পর্ব ১৫/১১, হাঃ ১২০৩ ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [হারাম শরীফের আওতার ভিতর এবং আওতার বাইরে মুহরিম এবং অন্যান্যদের জন্য যে সমস্ত প্রাণী হত্যা করার অনুমতি আছে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হারাম-শরীফের-আওতার-ভিতর-এ/) - ৭৪৬.আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ পাঁচ প্রকার প্রাণী এত ক্ষতিকর যে, এগুলোকে হারামের মধ্যেও হত্যা করা যেতে পারে। [যেমন] কাক, চিল, বিচ্ছু, ইঁদুর ও হিংস্র কুকুর। [বোখারী পর্ব ২৮ : /৭ হাঃ ১৮২৯, মুসলিম ১৫/৯, হাঃ ১১৯৮] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৭৪৭. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ - [মুহরিম ব্যক্তির জন্য শিকার করা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুহরিম-ব্যক্তির-জন্য-শিক/) - ৭৪২. সাআব ইবনি জাস্সামাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি [সাআব ইবনি জাস্সামা] রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-এর জন্য একটি বন্য গাধা হাদিয়া পাঠালেন। রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] তখন আবওয়া কিংবা ওয়াদ্দান নামক স্থানে ছিলেন। তিনি হাদিয়া ফেরত পাঠালেন। পরে তার বিষন্ন মুখ দেখে বলিলেন, শুন! আমরা ইহরাম অবস্থায় না থাকলে তোমার হাদিয়া ফেরত দিতাম না। [বোখারী পর্ব ২৮ : /৬ হাঃ - [ইহরাম বাঁধার সময় মুহরিম ব্যক্তির সুগন্ধি ব্যবহার।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইহরাম-বাঁধার-সময়-মুহরিম/) - ৭৩৯. নাবী সহধর্মিণী আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, ইহরাম বাঁধার সময়* আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর গায়ে সুগন্ধি মেখে দিতাম এবং বায়তুল্লাহ তাওয়াফের পূর্বে ইহরাম খুলে ফেলার সময়ও। [বোখারী পর্ব ২৫ : /১৮ হাঃ ১৫৩৯, মুসলিম ১৫/৭, হাঃ ১১৮৯] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৭৪০. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমি - [পশুবাহন যাত্রার প্রস্তুতি নিলে তালবীয়াহ পাঠ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পশুবাহন-যাত্রার-প্রস্তুত/) - ৭৩৮. উবায়দ ইবনি জুরাইজ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি আবদুল্লাহ্ ইবনি উমার [রাদি.]-কে বলিলেন, হে আবু আবদুর রহমান! আমি আপনাকে এমন চারটি কাজ করিতে দেখি, যা আপনার অন্য কোন সাথীকে দেখি না। তিনি বলিলেন, ইবনি জুরায়জ, সেগুলো কী? তিনি বলিলেন, আমি দেখি, [১] আপনি তাওয়াফ করার সময় দু রুকনে ইয়ামানী ব্যতীত অন্য রুকন স্পর্শ করেন - [মাদীনাহবাসীদের জন্য মাসজিদে যুল হুলাইসলামিক ফাউন্ডেশনর নিকট থেকে ইহরাম বাঁধার নির্দেশ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাদীনাহবাসীদের-জন্য-মাসজ/) - ৭৩৭. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] যুল-হুলাইসলামিক ফাউন্ডেশনর মাসজিদের নিকট হইতে ইহরাম বেঁধেছেন। [বোখারী পর্ব ২৫ : /২০ হাঃ ১৫৪১, মুসলিম ১৫/৪, হাঃ ১১৮৬] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [তালবীয়াহ পাঠের গুণাগুণ এবং তার সময়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তালবীয়াহ-পাঠের-গুণাগুণ/) - ৭৩৬. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর তালবিয়া নিম্নরূপঃ [অর্থ] আমি হাযির হে আল্লাহ, আমি হাযির, আমি হাযির; আপনার কোন অংশীদার নেই, আমি হাযির। নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা ও সকল নিআমত আপনার এবং কর্তৃত্ব আপনারই, আপনার কোন অংশীদার নেই। [বোখারী পর্ব ২৫: /২৬ হাঃ ১৫৪৯, মুসলিম হাঃ] ওমরা হজের নিয়ম -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ - [হাজ্জ ও উমরাহর মীকাতসমূহ](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হাজ্জ-ও-উমরাহর-মীকাতসমূহ/) - ৭৩৪. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] ইহ্রাম বাঁধার স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছেন, মাদীনাহবাসীদের জন্য যুল-হুলাইসলামিক ফাউন্ডেশন, সিরিয়াবাসীদের জন্য জুহ্ফা, নজদবাসীদের জন্য ক্বারনুল-মানাযিল, ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম। উল্লিখিত স্থানসমূহ হাজ্জ ও উমরাহর নিয়্যাতকারী সেই অঞ্চলের অধিবাসী এবং ঐ সীমারেখা দিয়ে অতিক্রমকারী অন্যান্য অঞ্চলের অধিবাসীদের জন্য ইহরাম বাঁধার স্থান এবং মীকাতের ভিতরে স্থানের - [মুহরিম ব্যক্তির জন্য হাজ্জ অথবা উমরাহ্‌তে কী কী বৈধ আর কী কী অবৈধ এবং তার জন্য সুগন্ধি জাতীয় জিনিস ব্যবহার করা হারাম হওয়ার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুহরিম-ব্যক্তির-জন্য-হাজ/) - ৭৩১. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ এক ব্যক্তি বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! মুহরিম লোক কী কী পোশাক পরবে? আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বললেনঃ তোমরা [ইহরাম অবস্থায়] জামা, পাগড়ী, পায়জামা, টুপি ও মোজা পরবে না। তবে যে ব্যক্তির জুতা নেই, সে কেবল মোজা পরতে পারবে, কিন্তু উভয় মোজা টাখনুর নীচ থেকে কেটে ফেলবে। আর যাফরান ও - [সদাকাহ দানকারীর জন্য দুআ করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সদাকাহ-দানকারীর-জন্য-দুআ/) - ৬৫১. আবদুল্লাহ বিন আবু আওফা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন নাবী [সাঃআঃ] এর নিকট কোন গোত্র থেকে সদাকাহ আসত তখন তিনি দুআ করে বলিতেন, اللهُمَّ صَلِّ عَلَى آلِ فُلاَنٍ হে আল্লাহ তুমি রহমত বর্ষণ কর, আর যখন আমার পিতা সদাকাহ নিয়ে আসতেন, তখন দুআ করে বলিতেন, اللهُمَّ صَلِّ عَلَى آلِ أَبِي أَوْفَى হে আল্লাহ - [নাবী [সাঃআঃ] হাদিয়া গ্রহণ করিতেন আর সদাকাহ ফিরিয়ে দিতেন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃআঃ-হাদিয়া-গ্রহণ/) - ৬৫০. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-এর খিদমতে কোন খাবার আনা হলে তিনি জানতে চাইতেন, এটা হাদিয়া, না সদাকাহ? যদি বলা হত সদাকাহ, তাহলে সহাবীদের তিনি বলিতেন, তোমরা খাও। কিন্তু তিনি খেতেন না। আর যদি বলা হত হাদিয়া, তাহলে তিনিও হাত বাড়াতেন এবং তাহাদের সঙ্গে খাওয়ায় শরীক হইতেন। [বোখারী পর্ব ৫১ : - [নাবী [সাঃআঃ] বানী হাশিম ও বানী মুত্তালিবের জন্য হাদিয়া গ্রহণ করা বৈধ, যদিও হাদিয়াদাতা সদাকাহর মাধ্যমে ঐ মালের মালিক হয়ে থাকে এবং ঐ জিনিসের বর্ণনা যে, সদাকাহ গ্রহীতা যখন তা গ্রহণ করে তখন সেটা সদাকাহর হুকুম হইতে মুক্ত হয়ে যায় এবং তা প্রত্যেক ঐ ব্যক্তির জন্য হালাল হয়ে যায় যাদের জন্য সদাকাহ গ্রহণ করা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাঃআঃ-বানী-হাশিম-ও-বা/) - ৬৪৮. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ বারীরাহ [রাদি.]-কে সদাকাহকৃত গোশতের কিছু আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে দেয়া হল। তিনি বলিলেন, তা বারীরাহর জন্য সদাকাহ এবং আমাদের জন্য হাদিয়া। [বোখারী পর্ব ২৪ : /৬২ হাঃ ১৪৯৫, মুসলিম ১২/৫২, হাঃ ১০৭৪] জাকাত ও খারিজিদের পরিচয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৬৪৯. উম্মু আতিয়্যাহ আনসারীয়াহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী - [রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] এবং তাহাঁর বংশধরদের জন্য যাকাত [গ্রহণ] হারাম। তারা হচ্ছে বানু হাশিম ও বানু মুত্তালিব। এছাড়া অন্যরা নয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রসূলুল্লাহ-সাঃআঃ-এবং-তাহ/) - ৬৪৫. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, খেজুর কাটার মৌসুমে রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-এর কাছে [সদাকাহর] খেজুর আনা হতো। অমুকে তার খেজুর নিয়ে আসতো, অমুকে এর খেজুর নিয়ে আসতো। এভাবে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর কাছে খেজুর স্তূপ হয়ে গেলো। হাসান ও হুসাইন [রাদি.] সে খেজুর নিয়ে খেলতে লাগলেন, তাহাদের একজন একটি খেজুর নিয়ে তা মুখে দিলেন। আল্লাহর - [খারিজীরা সৃষ্টি ও স্বভাবের দিক দিয়ে নিকৃষ্ট।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খারিজীরা-সৃষ্টি-ও-স্বভাব/) - ৬৪৪. ইউসায়র ইবনি আমর [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি সাহ্ল ইবনি হুনায়ফ [রাদি.]-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি নাবী [সাঃআঃ]-কে খারিজীদের সম্পর্কে কিছু বলিতে শুনেছেন কি? তিনি বলিলেন, আমি তাকে বলিতে শুনিয়াছি, আর তখন তিনি তাহাঁর হাত ইরাকের দিকে বাড়িয়েছিলেন যে, সেখান থেকে এমন একটি কওম বের হইবে যারা কুরআন পড়বে সত্য, কিন্তু তা তাহাদের - [খারেজীদেরকে হত্যার ব্যাপারে উৎসাহিত করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খারেজীদেরকে-হত্যার-ব্যাপ/) - ৬৪৩. আলী [রাযিঃ] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি যখন তোমাদের নিকট আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর কোন হাদীস বর্ণনা করি, তখন আমার এমন অবস্থা হয় যে, তাহাঁর উপর মিথ্যারোপ করার চেয়ে আকাশ হইতে পড়ে ধ্বংস হয়ে যাওয়া আমার নিকট বেশি পছন্দনীয় এবং আমরা নিজেরা যখন আলোচনা করি তখন কথা হল এই যে, যুদ্ধ ছল-চাতুরী মাত্র। আমি নাবী - [খারিজীদের বর্ণনা ও তাহাদের বৈশিষ্ট্য।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খারিজীদের-বর্ণনা-ও-তাহাদ/) - ৬৩৮. জাবির ইবনি আবদুল্লাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] জিয়রানা নামক জায়গায় গানীমাতের মাল বণ্টন করছিলেন, তখন এক ব্যক্তি বলিল, ইনসাফ করুন। তখন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলিলেন, আমি যদি ইনসাফ না করি, তবে তুমি হইবে হতভাগা। [বোখারী পর্ব ৫৭ : /১৫ হাঃ ৩১৩৭, মুসলিম ১২/৪৭ হাঃ ১০৬৩] জাকাত ও খারিজিদের পরিচয় - [ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করার জন্য প্রদান এবং যাদের ঈমান শক্ত তাহাদের ধৈর্য ধারণ করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইসলামের-দিকে-আকৃষ্ট-করার/) - ৬৩২. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ যখন আল্লাহ্ তাআলা আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে হাওয়াযিন গোত্রের মাল থেকে যা দান করার তা দান করিলেন। আর তিনি কুরাইশ গোত্রের লোকদের একশ করে উট দিতে লাগলেন। তখন আনসারদের হইতে কিছু সংখ্যক লোক বলিতে লাগল, আল্লাহ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-কে ক্ষমা করুন। তিনি কুরাইশদেরকে দিচ্ছেন, আমাদেরকে দিচ্ছেন না। অথচ আমাদের - [ঐ ব্যক্তিকে প্রদান যার ঈমান নষ্ট হয়ে যাবার ভয় রয়েছে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঐ-ব্যক্তিকে-প্রদান-যার-ঈম/) - ৬৩১. সাদ ইবনি আবু ওক্কাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] একদল লোককে কিছু দান করিলেন। আমি তাহাদের মধ্যে উপবিষ্ট ছিলাম। নাবী [সাঃআঃ] তাহাদের মধ্য হইতে এক ব্যক্তিকে কিছুই দিলেন না। অথচ সে ছিল আমার বিবেচনায় তাহাদের মধ্যে সবচাইতে উত্তম। আমি আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর কাছে গিয়ে চুপে চুপে বললাম, অমুক সম্পর্কে আপনার কী - [ঐ ব্যক্তিকে প্রদান যে চায় অশ্লীল ও কঠোরভাবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঐ-ব্যক্তিকে-প্রদান-যে-চায/) - ৬২৯. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে চলছিলাম। এ সময় তাহাঁর পরিধানে চওড়া পাড় বিশিষ্ট একটি নাজরানী ডোরাদার চাদর ছিল। একজন বেদুঈন তাহাঁর কাছে এলো। সে তাহাঁর চাদর ধরে খুব জোরে টান দিল। এমন কি আমি দেখিতে পেলাম আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]-এর কাঁধে চাদরের পাড়ের দাগ পড়ে গেছে। অতঃপর - [অল্পে তুষ্ট থাকা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অল্পে-তুষ্ট-থাকা।/) - ৬২৮. আবু হুরায়রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] দুআ করিতেনঃ arbi اللهُمَّ ارْزُقْ آلَ مُحَمَّدٍ قُوتًا হে আল্লাহ্! মুহাম্মাদ [সাঃআঃ]-এর পরিবারকে প্রয়োজনীয় জীবিকা দান করুন। [বোখারী পর্ব ৮১ : /১৭ হাঃ ৬৪৬০, মুসলিম ১২/৪৩ হাঃ ১০৫৫] জাকাত ও খারিজিদের পরিচয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [যাচঞ্চা থেকে বিরত থাকা ও ধৈর্য ধারণের ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যাচঞ্চা-থেকে-বিরত-থাকা-ও-ধ/) - ৬২৭. আবু সাঈদ খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ কিছু সংখ্যক আনসারী সহাবী আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]-এর নিকট কিছু চাইলে তিনি তাঁদের দিলেন, পুনরায় তাঁরা চাইলে তিনি তাঁদের দিলেন। এমনকি তাহাঁর নিকট যা ছিল সবই শেষ হয়ে গেল। এরপর তিনি বললেনঃ আমার নিকট যে মাল থাকে তা তোমাদের না দিয়ে আমার নিকট জমা রাখি না। তবে যে চাওয়া - [দুনিয়ার চাকচিক্য থেকে যা বেরিয়ে আসবে সে ব্যাপারে ভয় করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দুনিয়ার-চাকচিক্য-থেকে-য/) - ৬২৫. আবু সাঈদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহ্ তাআলা তোমাদের জন্য যমীনের বরকতসমূহ প্রকাশিত করে দেবেন, আমি তোমাদের জন্য এ ব্যাপারেই সর্বাধিক আশংকা করছি। জিজ্ঞেস করা হলো, যমীনের বরকতসমূহ কী? তিনি বললেনঃ দুনিয়ার জাঁকজমক। তখন এক ব্যক্তি তাহাঁর কাছে বলিলেন, ভাল কি মন্দ নিয়ে আসবে? তখন নাবী [সাঃআঃ] কিছুক্ষণ নীরব থাকলেন, - [অধিক ধন-সম্পদ থাকলেই ধনী নয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অধিক-ধন-সম্পদ-থাকলেই-ধনী-ন/) - ৬২৪. আবু হুরায়রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ বৈষয়িক প্রাচুর্য ঐশ্বর্য নয় বরং প্রকৃত ঐশ্বর্য হল অন্তরের ঐশ্বর্য। [বোখারী পর্ব ৮১ : /১৫ হাঃ ৬৪৪৬, মুসলিম হাঃ] জাকাত ও খারিজিদের পরিচয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [বানী আদামের যদি দুটি উপত্যকা থাকে তাহলে সে তৃতীয়টি চাইবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বানী-আদামের-যদি-দুটি-উপত্/) - ৬২২. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেনঃ যদি আদাম সন্তানের স্বর্ণ পরিপূর্ণ একটা উপত্যকা থাকে, তথাপি সে তার জন্য দুটি উপত্যকার কামনা করিবে। তার মুখ একমাত্র মাটি ব্যতীত অন্য কিছুই ভরতে পারবে না। অবশ্য যে ব্যক্তি তাওবাহ করে, আল্লাহ্ তাআলা তার তাওবাহ কবূল করেন। [বোখারী পর্ব ৮১ : /১০ হাঃ ৬৪৩৯, মুসলিম - [যাচঞ্চা বা লোভ করা ব্যতীত যা দেয়া হয় তা গ্রহণ করা বৈধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যাচঞ্চা-বা-লোভ-করা-ব্যতীত/) - ৬১৯. উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] আমাকে কিছু দান করিতেন, তখন আমি বলতাম, যে আমার চেয়ে বেশি অভাবগ্রস্ত, তাকে দিন। তখন আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলিতেনঃ তা গ্রহণ কর। যখন তোমার কাছে এসব মালের কিছু আসে অথচ তার প্রতি তোমার অন্তরে লোভ নেই এবং তার জন্য তুমি প্রার্থী নও, তখন তা তুমি - [মানুষের নিকট যাচঞ্চা করা অপছন্দনীয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মানুষের-নিকট-যাচঞ্চা-করা/) - ৬১৭. আবদুল্লাহ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সব সময় মানুষের কাছে চেয়ে থাকে, সে কিয়ামাতের দিন এমনভাবে উপস্থিত হইবে যে, তার মুখমণ্ডলে কোন গোশ্ত থাকিবে না। [বোখারী পর্ব ৩৪ : /৫২ হাঃ ১৪৭৫, মুসলিম ১২/৩৫ হাঃ ১০৪০] জাকাত ও খারিজিদের পরিচয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৬১৮. আবু - [প্রকৃত মিসকীন সেই ব্যক্তি যার এতটুকু সম্পদ নেই যাতে প্রয়োজন মিটতে পারে আর তার অবস্থা দেখে বোঝাও যায় না যে তাকে সদাকাহ করা যাবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রকৃত-মিসকীন-সেই-ব্যক্ত/) - ৬১৬. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, প্রকৃত মিসকীন সে নয় যে মানুষের কাছে ভিক্ষার জন্য ঘুরে বেড়ায় এবং এক-দু লোকমা অথবা এক-দুটি খেজুর পেলে ফিরে যায় বরং প্রকৃত মিসকীন সেই ব্যক্তি, যার এতটুকু সম্পদ নেই যাতে তার প্রয়োজন মিটতে পারে এবং তার অবস্থা সেরূপ বোঝা যায় না যে, তাকে দান খয়রাত করা - [ভিক্ষাবৃত্তি নিষিদ্ধ হওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ভিক্ষাবৃত্তি-নিষিদ্ধ-হওয/) - ৬১৫. হুমায়দ ইবনি আবদুর রহমান [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমি মুআবিয়াহ [রাদি.]-কে খুৎবায় বলিতে শুনিয়াছি, তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি, আল্লাহ্ যার মঙ্গল চান, তাকে দ্বীনের ইলম দান করেন। আমি তো বিতরণকারী মাত্র, আল্লাহ্ই [জ্ঞান] দাতা। সর্বদাই এ উম্মাত কিয়ামাত পর্যন্ত আল্লাহ্‌র হুকুমের উপর কায়েম থাকিবে, বিরোধিতাকারীরা তাহাদের কোন ক্ষতি করিতে - [উপরের হাত নিচের হাত অপেক্ষা উত্তম। উপরের হাত হল দানকারী এবং নিচের হাত যাচঞ্চাকারী।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/উপরের-হাত-নিচের-হাত-অপেক্/) - ৬১২. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] একদা মিম্বারের উপর থাকা অবস্থায় সদাকাহ করা ও ভিক্ষা করা হইতে বেঁচে থাকা ও ভিক্ষা করা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেনঃ উপরের হাত নীচের হাত অপেক্ষা উত্তম। উপরের হাত দাতার, আর নীচের হাত হলো ভিক্ষুকের। [বোখারী পর্ব ২৪ : /১৮ হাঃ ১৪২৯, মুসলিম ১২/৩২, হাঃ ১০৩৩] জাকাত - [গোপনে সদাকাহ করার ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/গোপনে-সদাকাহ-করার-ফাযীলা/) - ৬১০. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে দিন আল্লাহর [আরশের] ছায়া ব্যতীত কোন ছায়া থাকিবে না সে দিন আল্লাহ তাআলা সাত প্রকার মানুষকে সে ছায়ায় আশ্রয় দিবেন। [১] ন্যায়পরায়ণ শাসক। [২] যে যুবক আল্লাহর ইবাদতের ভিতর গড়ে উঠেছে। [৩] যার অন্তরের সম্পর্ক সর্বদা মাসজিদের সাথে থাকে। [৪] আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে যে - [সদাকাহর প্রতি উৎসাহ প্রদান যদিও তা অল্প পরিমাণে হয়। অল্পকে তুচ্ছ মনে করে বিরত না থাকা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সদাকাহর-প্রতি-উৎসাহ-প্রদ/) - ৬০৯. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, হে মুসলিম নারীগণ! কোন মহিলা প্রতিবেশিনী যেন অপর মহিলা প্রতিবেশিনীর হাদিয়া তুচ্ছ মনে না করে, এমনকি তা ছাগলের সামান্য গোশতযুক্ত হাড় হলেও। [বোখারী পর্ব ৫১ : /১ হাঃ ২৫৬৬, মুসলিম ১২/২৯ হাঃ ১০৩০] জাকাত ও খারিজিদের পরিচয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [দান করার প্রতি উৎসাহ প্রদান ও [সম্পদ] গণনা করা অপছন্দনীয় হওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দান-করার-প্রতি-উৎসাহ-প্রদ-2/) - ৬০৮. আসমা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ খরচ কর, আর হিসাব করিতে যেওনা, তাহলে আল্লাহ তোমার বেলায় হিসাব করে দিবেন। লুকিয়ে রেখ না, নইলে আল্লাহও তোমার ব্যাপারে লুকিয়ে রাখবেন। [বোখারী পর্ব ৫১ : /১৫ হাঃ ২৫৯১, মুসলিম ১২/২৮ হাঃ ১০২৯] জাকাত ও খারিজিদের পরিচয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [যে ব্যক্তি এক সঙ্গে সদাকাহ ও উত্তম আমালসমূহ করিল।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-এক-সঙ্গে-সদাকা/) - ৬০৬. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে কেউ আল্লাহর পথে জোড়া জোড়া ব্যয় করিবে তাকে জান্নাতের দরজাসমূহ হইতে ডাকা হইবে, হে আল্লাহর বান্দা! এটাই উত্তম। অতএব যে সলাত আদায়কারী, তাকে সলাতের দরজা হইতে ডাকা হইবে। যে মুজাহিদ, তাকে জিহাদের দরজা হইতে ডাকা হইবে। যে সিয়াম পালনকারী, তাকে রাইয়্যান দরজা হইতে ডাকা - [বিশ্বস্ত খাজাঞ্চীর এবং ঐ মহিলা যে সৎ উদ্দেশে তার স্বামীর গৃহ হইতে স্পষ্ট বা অস্পষ্ট অনুমতি সাপেক্ষে সদাকাহ করে, বিনষ্ট করার উদ্দেশে নয় তার প্রতিদান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিশ্বস্ত-খাজাঞ্চীর-এবং-ঐ/) - ৬০২. আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ যে বিশ্বস্ত মুসলিম খাজাঞ্চী [আপন মালিক কর্তৃক] নির্দেশিত পরিমাণ সদাকাহর সবটুকুই নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সানন্দচিত্তে আদায় করে, কোন কোন সময় তিনি …………..[বাস্তবায়িত করে] শব্দের স্থলে …………. [আদায় করে] শব্দ বলেছেন, সে খাজাঞ্চীও নির্দেশদাতার ন্যায় সদাকাহ দানকারী হিসেবে গণ্য। [বোখারী পর্ব ২৪ : /২৫ হাঃ ১৪৩৮, মুসলিম ১২/২৫, হাঃ - [সদাকাহ প্রদানকারীর সওয়াব বহাল থাকিবে যদিও তা অযোগ্য লোকের হাতে পড়ে যায়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সদাকাহ-প্রদানকারীর-সওয়া/) - ৬০১. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ [পূর্ববর্তী উম্মাতের মধ্যে] এক ব্যক্তি বলিল, আমি কিছু সদাকাহ করব। সদাকাহ নিয়ে বের হয়ে [ভুলে] সে এক চোরের হাতে তা দিয়ে দিলো। সকালে লোকেরা বলাবলি করিতে লাগলো, চোরকে সদাকাহ দেয়া হয়েছে। এতে সে বললো, হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা আপনারই, আমি অবশ্যই সদাকাহ করবো। সদাকাহ নিয়ে - [দানকারী ও কৃপণতাকারীর দৃষ্টান্ত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দানকারী-ও-কৃপণতাকারীর-দৃ/) - ৬০০. আবু হুরায়রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] একবার কৃপণ ও দানশীল ব্যক্তিকে এমন দুব্যক্তির সাথে তুলনা করেন, যাদের পরিধানে লোহার দুটি বর্ম আছে। তাহাদের দুটি হাতই বুক ও ঘাড় পর্যন্ত পৌঁছে আছে। দানশীল ব্যক্তি যখন দান করে তখন তার বর্মটি এমনভাবে প্রশস্ত হয় যে, তার পায়ের আঙ্গুলের মাথা পর্যন্ত ঢেকে ফেলে - [মানীহা এর ফাযীলাত [দুগ্ধপানের জন্য দুগ্ধবতী উট-ছাগল-ভেড়া সাময়িকভাবে দান]](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মানীহা-এর-ফাযীলাত-দুগ্ধপ/) - ৫৯৯. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেন, মানীহা হিসাবে অধিক দুগ্ধবতী উটনী ও অধিক দুগ্ধবতী বকরী কতই না উত্তম, যা সকাল বিকাল পাত্র ভর্তি দুধ দেয়। [বোখারী পর্ব ৫১ : /৩৫ হাঃ ২৬২৯, মুসলিম ১২/২২ হাঃ ১০১৯] জাকাত ও খারিজিদের পরিচয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [মুটে মজুর সদাকাহ করিতে পারে এবং অল্প পরিমাণ সদাকাহ্কারীকে দোষারোপ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুটে-মজুর-সদাকাহ-করিতে-পা/) - ৫৯৮. আবু মাসউদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন আমাদের সদাকাহ প্রদানের নির্দেশ দেয়া হল, তখন আমরা পরিশ্রমিকের বিনিময়ে বোঝা বহন করতাম। একদা আবু আকীল [রাদি.] অর্ধ সা খেজুর [দান করার উদ্দেশে] নিয়ে আসলেন এবং অন্য এক ব্যক্তি [আবদুর রহমান ইবনি আউফ] তার চেয়ে অধিক মালামাল [একই উদ্দেশে] নিয়ে উপস্থিত হলেন। [এগুলো দেখে] মুনাফিকরা সমালোচনা - [সদাকাহ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান যদিও তা খেজুরের একটু অংশ অথবা উত্তম কথা হয় এবং এটা জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষাকারী ঢাল।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সদাকাহ-করার-প্রতি-উৎসাহ-প/) - ৫৯৬. আদী ইবনি হাতিম [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি, তোমরা জাহান্নাম হইতে আত্মরক্ষা কর এক টুকরা খেজুর সদাকাহ করে হলেও। [বোখারী পর্ব ২৪ : /১০ হাঃ ১৪১৭, মুসলিম ১২/২০ হাঃ ১০১৬] জাকাত ও খারিজিদের পরিচয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৫৯৭. আদী ইবনি হাতিম [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী - [সৎ উপায়ে অর্জিত সম্পদ থেকে সদাকাহ গৃহীত হওয়া এবং তার বৃদ্ধি সাধন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সৎ-উপায়ে-অর্জিত-সম্পদ-থে/) - ৫৯৫. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি হালাল কামাই থেকে একটি খেজুর পরিমাণ সদাকাহ করিবে, [আল্লাহ তা কবূল করবেন] এবং আল্লাহ কেবল পবিত্র মাল কবূল করেন আর আল্লাহ তাহাঁর ডান হাত দিয়ে তা কবূল করেন। এরপর আল্লাহ দাতার কল্যাণার্থে তা প্রতিপালন করেন যেমন তোমাদের কেউ অশ্ব শাবক প্রতিপালন - [সদাকাহ করার প্রতি উৎসাহ ঐ সময় আসার পূর্বে যখন সদাকাহ গ্রহীতা পাওয়া যাবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সদাকাহ-করার-প্রতি-উৎসাহ-ঐ/) - ৫৯২. হারিসাহ্ ইবনি অহ্‌ব [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি, তোমরা সদাকাহ কর, কেননা তোমাদের ওপর এমন যুগ আসবে যখন মানুষ আপন সদাকাহ নিয়ে ঘুরে বেড়াবে কিন্তু তা গ্রহণ করার মত কাউকে পাবে না। [যাকে দাতা দেয়ার ইচ্ছে করিবে সে] লোকটি বলবে, গতকাল পর্যন্ত নিয়ে আসলে আমি গ্রহণ করতাম। আজ আমার - [দানকারী ও কৃপণতাকারী।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দানকারী-ও-কৃপণতাকারী।/) - ৫৯১. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ প্রতিদিন সকালে দুজন ফেরেশতা অবতরণ করেন। তাঁদের একজন বলেন, হে আল্লাহ! দাতাকে তার দানের উত্তম প্রতিদান দিন আর অপরজন বলেন, হে আল্লাহ! কৃপণকে ধ্বংস করে দিন। [বোখারী পর্ব ২৪ : /২৭ হাঃ ১৪৪২, মুসলিম ১২/১৭, হাঃ ১০১০] জাকাত ও খারিজিদের পরিচয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [প্রত্যেক সৎ কাজকে সদাকাহ নামে অভিহিত করার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রত্যেক-সৎ-কাজকে-সদাকাহ/) - ৫৮৯. আবু মূসা আশআরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ প্রত্যেক মুসলিমেরই সদাকাহ করা আবশ্যক। উপস্থিত লোকজন বললঃ যদি সে সদাকাহ করার মত কিছু না পায়। তিনি বললেনঃ তাহলে সে নিজের হাতে কাজ করিবে। এতে সে নিজেও উপকৃত হইবে এবং সদাকাহ করিবে। তারা বললঃ যদি সে সক্ষম না হয় অথবা বলেছেনঃ যদি সে - [মৃত ব্যক্তির নামে খরচ করলে তার নিকট সওয়াব পৌঁছা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মৃত-ব্যক্তির-নামে-খরচ-করল/) - ৫৮৮. আয়িশাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নাবী [সাঃআঃ]-কে বলিলেন, আমার মায়ের আকস্মিক মৃত্যু ঘটে, কিন্তু আমার বিশ্বাস তিনি [মৃত্যুর পূর্বে] কথা বলিতে সক্ষম হলে কিছু সদাকাহ করে যেতেন। এখন আমি তাহাঁর পক্ষ হইতে সদাকাহ করলে তিনি এর প্রতিফল পাবেন কি? তিনি {নাবী [সাঃআঃ]} বলিলেন, হ্যাঁ। [বোখারী পর্ব ২৩ : /৯৫ হাঃ ১৩৮৮, - [নিকটাত্মীয়, পরিবার, সন্তান-সন্ততির উপর খরচ করা ও সদাকাহ করার মর্যাদা যদিও তারা মুশরিক হয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নিকটাত্মীয়-পরিবার-সন্ত/) - ৫৮২. আনাস বিন মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, মাদীনার আনসারীগণের মধ্যে আবু তালহা [রাদি.] সবচাইতে বেশী খেজুর বাগানের মালিক ছিলেন। মাসজিদে নাববীর নিকটবর্তী বায়রুহা নামক বাগানটি তাহাঁর কাছে অধিক প্রিয় ছিল। আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] তাহাঁর বাগানে প্রবেশ করে এর সুপেয় পানি পান করিতেন। আনাস [রাদি.] বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ لَنْ تَنَالُوا الْبِرَّ - [দান করার প্রতি উৎসাহ প্রদান ও গোপনে দানকারীর জন্য সুসংবাদ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দান-করার-প্রতি-উৎসাহ-প্রদ/) - ৫৮০. আবু হুরায়রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেন, তুমি খরচ কর। আমি তোমাকে দান করব এবং {আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]} বলিলেন, আল্লাহ তাআলার হাত পরিপূর্ণ। [তোমার] রাতদিন অবিরাম খরচেও তা কমবে না। তিনি বলেন, তোমরা কি দেখ না, যখন থেকে [আল্লাহ] আসমান ও যমীন সৃষ্টি করিয়াছেন, তখন থেকে কী পরিমাণ খরচ - [যারা ধন-সম্পদ কুক্ষিগত করে তাহাদের শাস্তির ভয়াবহতা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যারা-ধন-সম্পদ-কুক্ষিগত-কর/) - ৫৭৯. আহনাফ ইবনি কায়স [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদা আমি কুরাইশ গোত্রীয় একদল লোকের সাথে বসেছিলাম, এমন সময় রুক্ষ্ম চুল, মোটা কাপড় ও খসখসে শরীর বিশিষ্ট এক ব্যক্তি তাহাদের নিকট এসে সালাম দিয়ে বললো, যারা সম্পদ জমা করে রাখে তাহাদেরকে এমন গরম পাথরের সংবাদ দাও, যা তাহাদেরকে শাস্তি প্রদানের জন্য জাহান্নামের আগুনে উত্তপ্ত - [সদাকাহ দেয়ার জন্য উৎসাহ দান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সদাকাহ-দেয়ার-জন্য-উৎসাহ/) - ৫৭৭. যায়দ ইবনি ওয়াহ্ব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র কসম! আবু যার [রাদি.] রাবাযাহ নামক স্থানে আমাদের কাছে বর্ণনা করেন যে, একদা আমি নাবী [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে এশার সময় মাদীনায় হাররা নামক স্থান দিয়ে পায়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। তখন আমরা উহুদ পাহাড়ের সম্মুখীন হলে তিনি আমাকে বললেনঃ হে আবু যার! আমি এটা পছন্দ করি না যে, আমার - [যে ব্যক্তি যাকাত আদায় করে না তার শাস্তির ভয়াবহতা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-যাকাত-আদায়-কর/) - ৫৭৫. আবু যর গিফারী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদা আমি নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট গেলাম। তখন তিনি কাবা গৃহের ছায়ায় বসে বলেছিলেনঃ কাবাগৃহের রবের কসম! তারা ক্ষতিগ্রস্ত। কাবাগৃহের রবের কসম! তারা ক্ষতিগ্রস্ত। আমি বললাম, আমার অবস্থা কী? আমার মাঝে কি কিছু [ত্রুটি] পরিলক্ষিত হয়েছে? তিনি বলছিলেন, এমন অবস্থায় আমি তাহাঁর কাছে বসে পড়লাম। আমি তাঁকে - [যাকাত অমান্যকারীর গুনাহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যাকাত-অমান্যকারীর-গুনাহ।/) - ৫৭৪. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, ঘোড়া তিন শ্রেণীর লোকের জন্য। একজনের জন্য পুরস্কার; একজনের জন্য আবরণ এবং একজনের জন্য [পাপের] বোঝা। যার জন্য পুরস্কার, সে হলো, ঐ ব্যক্তি যে আল্লাহ্‌র রাস্তায় ঘোড়া বেঁধে রাখে এবং রশি কোন চারণভূমি বা বাগানে লম্বা করে দেয়, আর ঘোড়াটি সে চারণভূমি বা বাগানে ঘাস - [মুসলিমদের উপর যাকাতুল ফিত্‌র হিসাবে খেজুর ও যব প্রদান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুসলিমদের-উপর-যাকাতুল-ফি/) - ৫৭০. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ মুসলিমদের প্রত্যেক আযাদ, গোলাম পুরুষ ও নারীর পক্ষ হইতে সদাকাতুল ফিত্র হিসেবে খেজুর অথবা যব-এর এক সাআ পরিমাণ* আদায় করা আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] ফারয করিয়াছেন। [বোখারী পর্ব ২৪ : /৭১ হাঃ ১৫০৪, মুসলিম ১২/২, হাঃ ৯৮৩] জাকাত ও খারিজিদের পরিচয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৫৭১. আবদুল্লাহ ইবনি উমার - [অগ্রিম যাকাত আদায় করা ও যাকাত না দেয়ার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অগ্রিম-যাকাত-আদায়-করা-ও-য/) - ৫৬৯. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ] যাকাত দেয়ার নির্দেশ দিলে বলা হলো, ইবনি জামীল, খালিদ ইবনি ওয়ালীদ ও আব্বাস ইবনি আবদুল মুত্তালিব [রাদি.] যাকাত প্রদানে অস্বীকার করছে। নাবী [সাঃআঃ] বললেনঃ ইবনি জামীলের যাকাত না দেয়ার কারণ এ ছাড়া কিছু নয় যে, সে দরিদ্র ছিল, পরে আল্লাহর অনুগ্রহে ও তাহাঁর রসূলের - [মুসলিমের উপর গোলাম এবং ঘোড়ার যাকাত নেই।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুসলিমের-উপর-গোলাম-এবং-ঘো/) - ৫৬৮. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ মুসলিমের উপর তার ঘোড়া ও গোলামের কোন যাকাত নেই। [বোখারী পর্ব ২৪ : /৪৫ হাঃ ১৪৬৩, মুসলিম ১২/২, হাঃ ৯৮২] জাকাত ও খারিজিদের পরিচয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [যাকাত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যাকাত/) - ৫৬৭. আবু সাঈদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ পাঁচ উকিয়ার কম সম্পদের উপর যাকাত [ফারয] নেই এবং পাঁচটি উটের কমের উপর যাকাত নেই। পাঁচ ওয়াসাক* এর কম উৎপন্ন দ্রব্যের উপর যাকাত নেই। [বোখারী পর্ব ২৪ : /৪ হাঃ ১৪০৫, মুসলিম ১২/১, হাঃ ৯৭৯] জাকাত ও খারিজিদের পরিচয় -এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [আযল এর বিধান ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আযল-এর-বিধান-।/) - ৯১৩. আবু সাঈদ খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে বানূ মুসতালিকের যুদ্ধে যোগদান করেছিলাম। এ যুদ্ধে আরবের বহু বন্দী আমাদের হস্তগত হয়। মহিলাদের প্রতি আমাদের মনে আসক্তি জাগে এবং নিকাহ-শাদী ব্যতীত এবং স্ত্রী-হীন অবস্থা আমাদের জন্য কষ্টকর অনুভূত হয়। তাই আমরা আযল করা পছন্দ করলাম এবং তা করিতে মনস্থ করলাম। - [স্ত্রীর জন্য স্বামীর বিছানা হইতে বিচ্ছিন্ন থাকা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/স্ত্রীর-জন্য-স্বামীর-বিছ/) - ৯১২. আবু হুরায়রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ নাবী [সাঃআঃ] বলেন, যদি কোন স্ত্রী তার স্বামীর শয্যা ছেড়ে অন্যত্র রাত্রি যাপন করে এবং যতক্ষণ না সে তার স্বামীর শয্যায় ফিরে আসে, ততক্ষণ ফেরেশতারা তার ওপর লানত বর্ষণ করিতে থাকে। [বোখারী পর্ব ৬৭: /৮৫, হাঃ ৫১৯৪; মুসলিম ১৬/২০, হাঃ ১৪৩৬]। এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস - [স্ত্রী মিলনের সময় কী বলা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/স্ত্রী-মিলনের-সময়-কী-বলা/) - ৯১০. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যখন স্ত্রী-যৌন সঙ্গম করে, তখন যেন সে বলে, বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা জান্নিবনিশ শায়তানা ওয়া জান্নিবিশ শায়তানা মা রাযাকতানা- আল্লাহ্‌র নামে শুরু করছি, হে আল্লাহ্! আমাকে তুমি শয়তান থেকে দূরে রাখ এবং আমাকে তুমি যা দান করিবে তা থেকে শয়তানকে দূরে রাখ। এরপরে - [তিনবার ত্বলাক দেয়ার পর ত্বলাক দাতার জন্য ত্বলাকপ্রাপ্তা স্ত্রী বৈধ নয় যতক্ষণ না তাকে অন্য স্বামী নিকাহ করে, দৈহিক মিলনের পর তাকে ছেড়ে দেয় ও তার ইদ্দাত পূর্ণ হয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তিনবার-ত্বলাক-দেয়ার-পর-ত/) - ৯০৮. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রিফাআ কুরাযীর স্ত্রী নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট এসে বলিল, আমি রিফাআর স্ত্রী ছিলাম। কিন্তু সে আমাকে বায়েন তালাক দিয়ে দিল। পরে আমি আবদুর রহমান ইবনি যুবাইরকে বিয়ে করলাম। কিন্তু তার সঙ্গে রয়েছে কাপড়ের আঁচলের মতো নরম কিছু [অর্থাৎ তার পুরুষত্ব নাই]। তখন নাবী [সাঃআঃ] বলিলেন, তবে কি তুমি রিফাআর - [দাওয়াত দাতার দাওয়াত গ্রহণের আদেশ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দাওয়াত-দাতার-দাওয়াত-গ্/) - ৯০৬. আবদুল্লাহ্ ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেন, তোমাদের কাউকে ওয়ালীমাহর দাওয়াত করলে তা অবশ্যই গ্রহণ করিবে। [বোখারী পর্ব ৬৭: /৭১, হাঃ ৫১৭৩; মুসলিম ১৬/১৬, হাঃ ১৪২৯]। এই হাদীসটির তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস ৯০৭. আবু হুরায়রাহ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যে ওয়ালীমায় শুধুমাত্র ধনীদেরকে দাওয়াত করা হয় এবং গরীবদেরকে দাওয়াত করা - [যায়নাব বিনতে জাহাশ (রাঃ) শাদী ও পর্দার আয়াত অবতীর্ণ এবং বিবাহের ওয়ালীমার প্রমাণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যায়নাব-বিনতে-জাহাশ-রাঃ-শা/) - ৯০২. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন শাদী করেন, তখন ওয়ালীমা করেন, কিন্তু যাইনাব (রাঃ)-এর শাদীর সময় যে পরিমাণ ওয়ালীমার ব্যবস্থা করেছিলেন, তা অন্য কারো বেলায় করেননি। সেই ওয়ালীমাহ ছিল একটি ছাগল দিয়ে। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৬৭: বিবাহ, অধ্যায় ৬৮, হাঃ ৫১৬৮; মুসলিম, পর্ব ১৬ : নিকাহ বা বিবাহ, - [দাসী মুক্ত করা এবং মুনিব কর্তৃক তাকে বিবাহ করার ফযীলত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দাসী-মুক্ত-করা-এবং-মুনিব-ক/) - ৯০০. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বার অভিযানে বের হয়েছিলেন। সেখানে আমরা খুব ভোরে ফজরের সালাত আদায় করলাম। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওয়ার হলেন। আবু তালহা (রাঃ)-ও সওয়ার হলেন, আর আমি আবু তালহার পিছনে উপবিষ্ট ছিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সওয়ারীকে খায়বরের পথে চালিত করলেন। আমার হাঁটু - [মাহর- ৫০০ দিরহাম নির্ধারণ করা মুস্তাহাব যে অন্যের ক্ষতি করতে চায় না। এটা কুরআন শিক্ষা, লোহার আংটি ইত্যাদি অল্প মূল্যের ও বেশী মূল্যের হওয়া জায়িয।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাহর-৫০০-দিরহাম-নির্ধারণ/) - ৮৯৮. সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদা জনৈকা মহিলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার জীবনকে আপনার জন্য দান করতে এসেছি। এরপর নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে তাকিয়ে তার আপাদমস্তক অবলোকন করে মাথা নিচু করলেন। মহিলাটি যখন দেখল যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন ফয়সালা দিচ্ছেন না তখন - [ছোট কুমারী মেয়ের পিতা কর্তৃক বিবাহ প্রদান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ছোট-কুমারী-মেয়ের-পিতা-কর্/) - ৮৯৭. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আমাকে বিবাহ করেন, তখন আমার বয়স ছিল ছয় বছর। তারপর আমরা মদীনায় এলাম এবং বনু হারিস গোত্রে অবস্থান করলাম। সেখানে আমি জ্বরে আক্রান্ত হলাম। এতে আমার চুল পড়ে গেল। পরে যখন আমার মাথার সামনের চুল জমে উঠল, সে সময় আমি একদিন আমার বান্ধবীদের - [নিকাহর ক্ষেত্রে সায়েবা (বিবাহিতা মহিলা)’র সম্মতি হচ্ছে কথা বলা আর কুমারীর সম্মতি হচ্ছে চুপ থাকা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নিকাহর-ক্ষেত্রে-সায়েবা-ব/) - ৮৯৫. আবু সালামাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। আবু হুরায়রাহ (রাঃ) তাদের কাছে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন বিধবা নারীকে তার সম্মতি ব্যতীত শাদী দেয়া যাবে না এবং কুমারী মহিলাকে তার অনুমতি ব্যতীত শাদী দিতে পারবে না। লোকরা জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! কেমন করে তার অনুমতি নেব। তিনি বললেন, তার চুপ করে - [নিকাহ্‌র শর্তসমূহ পূর্ণ করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নিকাহ্‌র-শর্তসমূহ-পূর্ণ/) - ৮৯৪. ’উকবাহ ইবনু ’আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, শর্তসমূহের মধ্যে যা পূর্ণ করার সর্বাধিক দাবী রাখে তা হল সেই শর্ত যার দ্বারা তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের হালাল করেছ। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৫৪ ; শর্তাবলী, অধ্যায় ৬, হাঃ ২৭২১; মুসলিম, পর্ব ১৬ : নিকাহ বা বিবাহ, অধ্যায় ৮, হাঃ ১৪১৮ - [শিগার বিবাহ হারাম ও তা বাতিল হওয়ার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শিগার-বিবাহ-হারাম-ও-তা-বাত/) - ৮৯৩. ইবনু ’উমার (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশ্‌শিগার নিষিদ্ধ করেছেন। ’আশ্‌শিগার’ হলোঃ কোন ব্যক্তি নিজের কন্যাকে অন্য এক ব্যক্তির পুত্রের সাথে বিবাহ দিবে এবং তার কন্যা নিজের পুত্রের জন্য আনবে এবং এক্ষেত্রে কোন কনেই মোহর পাবে না। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৬৭: বিবাহ, অধ্যায় ২৭, হাঃ ৫১১২; মুসলিম, পর্ব ১৬ : নিকাহ - [কোন ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব দেয়া হারাম যতক্ষণ না সে অনুমতি দেয় অথবা পরিত্যাগ করে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কোন-ভাইয়ের-বিবাহের-প্রস্/) - ৮৯২. ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাউকে এক ভাই কোন জিনিসের দাম করছে এমতাবস্থায় অন্যকে তার দরদাম করতে নিষেধ করেছেন এবং এক মুসলিম ভাইয়ের শাদী প্রস্তাবের ওপরে অন্য ভাইকে প্রস্তাব দিতে নিষেধ করেছেন, যতক্ষণ না প্রথম প্রস্তাবকারী তার প্রস্তাব উঠিয়ে নেবে বা তাকে অনুমতি দেবে। সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬৭: - [ইহরামের অবস্থায় নিকাহ হারাম ও প্রস্তাব দেয়া মাকরূহ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইহরামের-অবস্থায়-নিকাহ-হা/) - ৮৯১. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত রয়েছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় মায়মূনাহ (রাঃ)-কে বিবাহ করেছেন। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ২৮ : ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা, অধ্যায় ১২, হাঃ ১৮৩৭; মুসলিম, পৰ্ব ১৬ : নিকাহ বা বিবাহ, অধ্যায় ৫, হাঃ ১৪১০ - [কোন মহিলাকে তার ফুফু অথবা তার খালার সাথে একত্রে নিকাহ করা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কোন-মহিলাকে-তার-ফুফু-অথবা/) - ৮৯০. আবু হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ যেন ফুফু ও তার ভাতিজীকে এবং খালা এবং তার বোনঝিকে একত্রে শাদী না করে। সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬৭: বিবাহ, অধ্যায় ২৭, হাঃ ৫১০৯; মুসলিম, পর্ব ১৬ : নিকাহ বা বিবাহ, অধ্যায় ৪, হাঃ ১৪০৮ - [মুতয়াহ নিকাহ এবং তার হুকুম বৈধ হওয়া, অতঃপর রহিত হওয়া আবার বৈধ হওয়া ও রহিত হওয়া এবং কিয়ামত পর্যন্ত তার নিষিদ্ধতা স্থায়ী হওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুতয়াহ-নিকাহ-এবং-তার-হুকু/) - ৮৮৭. আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে যুদ্ধে বের হতাম, তখন আমাদের সাথে স্ত্রীগণ থাকত না, তখন আমরা বলতাম আমরা কি খাসি হয়ে যাৰ না? তিনি আমাদেরকে এ থেকে নিষেধ করলেন এবং কাপড়ের বিনিময়ে হলেও মহিলাদেরকে বিয়ে করার অর্থাৎ নিকাহে মুত’আর অনুমতি দিলেন এবং পাঠ - [নিকাহ ( বিয়ে )](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নিকাহ-বিয়ে/) - ৮৮৪. আলক্বামাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আমি আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম, উসমান (রাঃ) তার সাথে মিনাতে দেখা করে বলেন, হে ’আবদুর রহমান! আপনার কাছে আমার কিছু প্রয়োজন আছে। এরপর তারা উভয়েই এক পার্শ্বে গেলেন। অতঃপর ’উসমান (রাঃ) বললেন, হে আবু আবদুর রহমান! আমি আপনার সাথে এমন একটি কুমারী মেয়ের শাদী দিব, যে আপনাকে - [মেহমানদারী ও এতদসংক্ৰান্ত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মেহমানদারী-ও-এতদসংক্ৰান্/) - ১১২৬. আবূ শুরায়হ ’আদাবী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কথা বলেছিলেন, তখন আমার দু’কান (সে কথা) শুনছিল ও আমার দুচোখ (তাঁকে) দেখছিল। তিনি বলছিলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে সম্মান করে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর বিশ্বাস করে সে যেন - [কোন চতুষ্পদ জন্তুর দুধ মালিকের বিনা অনুমতিতে দোহন করা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কোন-চতুষ্পদ-জন্তুর-দুধ-মা/) - ১১২৫. আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অনুমতি ব্যতীত কারো পশু কেউ দোহন করবে না। তোমাদের কেউ এটা কি পছন্দ করবে যে, তার (তোশাখানায়) ভান্ডারে কোন ব্যক্তি এসে ভাণ্ডার ভেঙ্গে ফেলে এবং ভাণ্ডারের শস্য নিয়ে যায়। তাদের পশুগুলোর স্তন তাদের খাদ্য সংরক্ষিত রাখে। কাজেই কারো পশু তার অনুমতি ব্যতীত কেউ - [কুড়িয়ে পাওয়া বস্তু](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুড়িয়ে-পাওয়া-বস্তু/) - ১১২৩. যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ’আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে পড়ে থাকা জিনিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। তিনি বললেন, থলেটি এবং তার মুখের বন্ধনটি চিনে রাখ। তারপর এক বছর পর্যন্ত তা ঘোষণা করতে থাক। যদি তার মালিক এসে যায় তো ভাল। তা না হলে সে ব্যাপারে তুমি - [স্বামী মারা গেলে মহিলার জন্য ইদ্দাত পর্যন্ত শোক পালন করা ওয়াজিব এবং অন্যদের তিনদিনের বেশি শোক পালন নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/স্বামী-মারা-গেলে-মহিলার-জ/) - ৯৫০. যাইনাব বিনত আবু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মু হাবীবার পিতা আবূ সুইয়ান ইবনু হারব (রাঃ) মৃত্যুবরণ করলে আমি তার কাছে উপস্থিত হই। উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) জাফরান ইত্যাদি মিশ্রিত হলদে রং এর খুশবু নিয়ে আসতে বললেন। তিনি এক বালিকাকে এ থেকে কিছু মাখালেন। এরপর তাঁর নিজের চেহারার উভয় - [বিধবা স্ত্রী বা অন্যদের সন্তান প্রসবের মাধ্যমে ইদ্দাত পূর্ণ করার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিধবা-স্ত্রী-বা-অন্যদের-স/) - ৯৪৮. সুবায়’আহ বিনতুল হারিস বর্ণিত হাদীস। তিনি বলেন, তিনি বানু আমির ইবনু লুয়াই গোত্রের সাদ ইবনু খাওলার স্ত্রী ছিলেন, সা’দ (রাঃ) বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ছিলেন। তিনি বিদায় হজ্জের বছর মারা যান। তখন তাঁর স্ত্রী গর্ভবতী ছিলেন। তার ইন্তিকালের কিছুদিন পরেই তিনি সন্তান প্রসব করলেন। এরপর নিফাস থেকে পবিত্র হয়েই তিনি বিবাহের পয়গাম দাতাদের উদ্দেশ্যে সাজসজ্জা - [তিন ত্বলাকপ্রাপ্তা মহিলার খরচ বা ব্যয় ভার নেই।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তিন-ত্বলাকপ্রাপ্তা-মহিলা/) - ৯৪৬. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ফাতিমার কী হল? সে কেন আল্লাহকে ভয় করছে না অর্থাৎ তার এ কথায় যে, ত্বলাক (তালাক)প্রাপ্তা নারী (তার স্বামীর থেকে) খাদ্য ও বাসস্থান কিছুই পাবে না। সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬৮ : ত্বালাক (বিবাহ বিচ্ছেদ), অধ্যায় ৪১, হাঃ ৫৩২৪; মুসলিম, পর্ব ১৮: ত্বলাক, অধ্যায় ৬, হাঃ ১৪৮১ ৯৪৭. কাসিম - [ঈলা ও স্ত্রী সংসৰ্গ হতে দূরে থাকা এবং তাদেরকে ইখতিয়ার দেয়া এবং আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ “যদি তার বিরুদ্ধে তোমরা একে অপরকে সাহায্য কর।” (সুরাহ আল বাক্বারাহ ২/২২৬)](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঈলা-ও-স্ত্রী-সংসৰ্গ-হতে-দূ/) - ৯৪৪. আবদুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে এ আয়াতের ব্যাখ্যা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য আমি এক বছর অপেক্ষা করেছি। কিন্তু তাঁর ব্যক্তি প্রভাবের ভয়ে আমি তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে সক্ষম হইনি। অবশেষে তিনি হজ্জের উদ্দেশে রওয়ানা হলে, আমিও তাঁর সঙ্গে গেলাম। প্রত্যাবর্তনের সময় আমরা যখন কোন একটি রাস্তা - [যদি কেউ তার স্ত্রীকে ত্বলাকের ইখতিয়ার দেয় তাহলে সেটা ত্বলাক হবে না নিয়্যাত করা ব্যতীত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঐ-ব্যক্তির-উপর-কাফফারাহ-ও-2/) - ৯৪১. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী ’আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর সহধর্মিণীদের ব্যাপারে ইখতিয়ার দেয়ার নির্দেশ দেয়া হল, তখন তিনি প্রথমে আমাকে বললেন, তোমাকে একটি বিষয় সম্পর্কে বলব। তাড়াহুড়াে না করে তুমি তোমার আব্বা ও আম্মার সঙ্গে পরামর্শ করে নিবে। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তিনি অবশ্যই জানতেন, আমার আব্বা-আম্মা তার থেকে বিচ্ছিন্ন - [ঐ ব্যক্তির উপর কাফফারাহ ওয়াজিব যে তার স্ত্রীকে হারাম করলে যদিও সে ত্বলাকের নিয়্যাত করেনি।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/১৮৩-ঐ-ব্যক্তির-উপর-কাফফার/) - ৯৩৮. ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এরূপ হারাম করে নেয়ার ক্ষেত্রে কাফফারা দিতে হবে। ইবন আব্বাস (রাঃ) এ-ও বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মাঝে রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম নমুনা। সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৬৫; তাফসীর, অধ্যায় ৬৬, হাঃ ৪৯১১; মুসলিম, পর্ব ১৮ ; ত্বলাক, অধ্যায় ৩, হাঃ ১৪৭৩ ৯৩৯. ’আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। - [কোন ঋতুবতী মহিলাকে তার বিনা অনুমতিতে ত্বলাক দেয়া হারাম, যদি কেউ তার বিপরীত করে তাহলে ত্বলাক হয়ে যাবে এবং তাকে তা ফিরিয়ে নিতে আদেশ করতে হবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/১৮১-কোন-ঋতুবতী-মহিলাকে-তা/) - ৯৩৬. আবদুল্লাহ্ ইবন ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে তাঁর স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) দেন। উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাকে নির্দেশ দাও, সে যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনে এবং নিজের কাছে রেখে দেয় যতক্ষণ না - [আখেরাতের দিক দিয়ে শহীদগণের আর একটি দল যাদেরকে গোসল দেয়া হবে নামাযও কায়েম করা হবে, তবে এরা কাফিরদের বিপক্ষে জেহাদ করে শহীদ হননি](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আখেরাতের-দিক-দিয়ে-শহীদগ/) - ১৩৫৪. হযরত আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (স)ইরশাদ করেছেন, শহীদ ৫প্রকার। ১। মহামারীতে মৃত্যুবরণকারী ২। কলেরায় মৃত্যুবরণকারী, ৩। পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণকারী, ৪। দেয়াল চাপা পড়ে মৃত্যুবরণকারী এবং ৫। আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করে মৃত্যুবরণকারী। (বুখারী ও মুসলিম) ১৩৫৫. হযরত আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (স)ইরশাদ করেছেন, তোমরা নিজেদের - [দাস-দাসীর স্বাধীন করার গুরুত্ব](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দাস-দাসীর-স্বাধীন-করার-গু/) - মহান আল্লাহ্‌ ইরশাদ করেছেন, "সে ব্যক্তি দ্বীনের উপত্যকার মধ্য দিয়ে বের হলো। আর তুমি কি জান, উপত্যকা কি? কোন ঘাড়কে দাসত্ব মুক্ত করা। (সূরা বালাদঃ ১১) ১৩৫৯. হযরত আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) আমাকে বললেন, যে ব্যক্তি নিজের মুসলিম দাসকে স্বাধীন করে দেবে, আল্লাহ্‌ সেই বান্দার প্রতিটি অঙ্গের বিনিময়ে তার - [ক্রয়-বিক্রয় ও বাণিজ্যের ব্যাপারে কোমল নীতি করায়ত্ত করার গুরুত্ব আর উত্তমরূপে প্রাপ্য আদায় ও গ্রহণ করা এবং সঠিকভাবে ওজন ও পরিমাপ করা ও তাতে কম না করা, উপরন্তু ধনী-গরীব উভয়কে সুযোগ দেয়া এবং তাদের নিকটে প্রাপ্য কম করা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ক্রয়-বিক্রয়-ও-বাণিজ্যে/) - মহান আল্লাহ্‌ ইরশাদ করেছেন, "যে কোন কল্যাণকর কর্মই তোমরা করবে, আল্লাহ্‌ সে সম্পর্কে অবগত আছে।" (সূরা বাকারাঃ ২১৫) তিনি আরো ইরশাদ করেছেন, "পরিমাপ ও ওজনে যারা কম করে তাদের জন্য ধ্বংস নিধারিত, তারা যখনি লোকদের হতে জেদের প্রাপ্য নেয় তখনন পুরোপুরি নেয় আর যখন মানবদেরকে পরিমাপ বা ওজন করে দেয় তখন কম করে দেয়। তারা - [বালা-মসিবত ও কঠিন পরিস্থিতিতে আল্লাহ্‌র ইবাদাত বন্দেগী করা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বালা-মসিবত-ও-কঠিন-পরিস্থি/) - ১৩৬৭. হজরত মা'কাল ইবনে ইয়াসার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (স) ইরশাদ করেছেন, কঠিন পরিস্থিতিতে ইবাদাত করা আমার দিকে হিজরত করে আগমন করার মত। (মুসলিম) - [যে দাস আল্লাহ্ ও তার মনিবের অধিকার কায়েম করে তার গুরুত্ব](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-দাস-আল্লাহ্-ও-তার-মনিবে/) - ১৩৬৩. হযরত আবদুল্লাহ ইব্‌নে ওমর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) ইরশাদ করেছেন, দাস যখন তার মনিবের সেবা সুচারুরূপে করে এবং সুষ্ঠুভাবে আল্লাহ্‌র ইবাদাত করে তখন সে দ্বিগুণ পুণ্য হাসিল করে। (বুখারী ও মুসলিম) ১৩৬৪. হযরত আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (স)ইরশাদ করেছেন, "ইবাদাতগুযার ও প্রভুর কল্যাণকামী দাসের জন্য রয়েছে দ্বিগুণ প্রতিদান।" - [দাসের সঙ্গে সু-আচরণ করার গুরুত্ব](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দাসের-সঙ্গে-সু-আচরণ-করার-গ/) - মহান আল্লাহ্‌ ইরশাদ করেছেন, "আর আল্লাহ্‌র ইবাদত কর এবং তাঁর সাথে শরীক করোনা। আর পিতা-মাতার সাথে আচরণ কর। আর নিকট আত্মীয়দের সাথে, ইয়াতীমদের সাথে, মিস্‌কিদের সাথে এবং নিকট প্রতিবেশির সাথে ও দূরের প্রতিবেশীদের সাথে, আর যারা সহযাত্রী তাদের সাথে এবং পথিকরদের সাথে ও তোমাদের মালিকানাধীন যারা আছে আদের সাথেও ভালো আচরণ কর।" (সূরা নিসাঃ ৩৬) - [‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’, ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা ও দু‘আর ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/লা-ইলা-হা-ইল্লাল্লাহ-স/) - ৪৮/১০. ১৭২৪. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে লোক একশ বার এ দু‘আটি পড়বেঃ আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই; রাজত্ব একমাত্র তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও একমাত্র তাঁরই জন্য, আর তিনি সকল বিষয়ের ওপর ক্ষমতাবান তাহলে দশটি গোলাম আযাদ করার সমান সাওয়াব তার - [তিন গুহাবাসীর ঘটনা ও সৎকর্ম দ্বারা ওয়াসীলা বানানো।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/তিন-গুহাবাসীর-ঘটনা-ও-সৎকর/) - ৪৮/২৭. ১৭৪৫. ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদা তিন ব্যক্তি হেঁটে চলছিল। এমন সময় প্রবল বৃষ্টি শুরু হলে তারা এক পাহাড়ের গুহায় প্রবেশ করে। হঠাৎ একটি পাথর গড়িয়ে তাদের গুহার মুখ বন্ধ করে দেয়। তাদের একজন আরেকজনকে বলল; তোমরা যে সব ‘আমল করেছ, তার মধ্যে উত্তম আমলের ওয়াসীলা করে আল্লাহর কাছে দু‘আ কর। - [জান্নাতের অধিক অধিবাসী দরিদ্র এবং জাহান্নামের অধিক অধিবাসী মহিলা এবং মহিলার ফিতনার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জান্নাতের-অধিক-অধিবাসী-দ/) - ৪৮/২৬. ১৭৪৩. উসামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি জান্নাতের দরজায় দাঁড়িয়ে দেখতে পেলাম, যারা জান্নাতে প্রবেশ করেছে তাদের অধিকাংশই গরীব-মিসকীন; অথচ ধনবানগণ আটকা পড়ে আছে। অন্যদিকে জাহান্নামীদের জাহান্নামে নিক্ষেপ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমি জাহান্নামের প্রবেশ দ্বারে দাঁড়ালাম এবং দেখলাম যে, অধিকাংশই নারী। [বূখারী পর্ব ৬৭, অধ্যায় ৮৮ হাদীস নং - [দু‘আকারী যদি ‘আমি দু‘আ করেছি কিন্তু আমার দু‘আ কবূল হয়নি, বলে তাড়াহুড়া না করে তাহলে তার দু‘আ কবূল করা হয়](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দুআকারী-যদি-আমি-দুআ-কর/) - ৪৮/২৫. ১৭৪২. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের প্রত্যেকের দু‘আ কবূল হয়ে থাকে যদি সে তাড়াহুড়া না করে। আর বলে যে, আমি দু‘আ করলাম। কিন্তু আমার দু‘আ তো কবূল হলো না। (বুখারী পর্ব ৮০ অধ্যায় ২২ হাদীস নং ৬৩৪০; মুসলিম ৪৮ অধ্যায় ২৪, হাঃ ২৭৩৫) - [বিপদের দু‘আ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/বিপদের-দুআ।/) - ৪৮/২১. ১৭৪১. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ সংকটের সময় নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু‘আ পড়তেনঃ “আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, যিনি অতি উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ও অশেষ ধৈর্যশীল আরশে আযীমের প্রভু। আল্লাহ ব্যতীত আর কোন মাবূদ নেই। আসমান যমীনের প্রতিপালক ও সম্মানিত আরশের মালিক। আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই।” (বুখারী পর্ব ৮০ অধ্যায় - [মোরগের ডাকের সময় দু‘আ বলা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মোরগের-ডাকের-সময়-দুআ-বলা/) - ৪৮/২০. ১৭৪০. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যখন তোমরা মোরগের ডাক শুনবে তখন তোমরা আল্লাহর নিকট তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা করে দু‘আ কর। কেননা এ মোরগ ফেরেশতাদের দেখে আর যখন গাধার আওয়াজ শুনবে তখন শয়তান হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইবে, কেননা এ গাধাটি শয়তান দেখেছে।’ (বুখারী পর্ব ৫৯ অধ্যায় ১৫ - [সকালে ও ঘুমানোর সময় তাসবীহ পড়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সকালে-ও-ঘুমানোর-সময়-তাসবী/) - ৪৮/১৯. ১৭৩৯. ‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ফাতিমাহ (রাঃ) যাঁতা চালানোর কষ্ট সম্পর্কে একদা অভিযোগ প্রকাশ করলেন। এপর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কিছু সংখ্যক যুদ্ধবন্দী আসল। ফাতিমাহ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলেন। কিন্তু তাঁকে না পেয়ে, ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট তাঁর কথা বলে আসলেন। নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ঘরে আসলেন - [যে সমস্ত খারাপ কাজ কেউ করেছে বা করেনি তা থেকে আশ্রয় চাওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-সমস্ত-খারাপ-কাজ-কেউ-করে/) - ৪৮/১৮. ১৭৩৬. ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথা বলে দু‘আ করতেনঃ আমি আপনার ইযযতের আশ্রয় চাচ্ছি, আপনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই। আর আপনার কোন মৃত্যু নেই। অথচ জ্বিন ও মানুষ সবই মরণশীল। (বুখারী পর্ব ৯৭ অধ্যায় ৭ হাদীস নং ৭৩৮৩; মুসলিম ৪৮ অধ্যায় ১৮, হাঃ ২৭১৭) ১৭৩৭. আবূ মূসা (রাঃ) - [শয্যাগ্রহণ ও ঘুমানোর সময় কী বলবে?](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শয্যাগ্রহণ-ও-ঘুমানোর-সময়/) - ৪৮/১৭. ১৭৩৪. বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তুমি বিছানায় যাবে তখন সালাতের উযূর মতো উযূ করে নেবে। তারপর ডান পাশে শুয়ে বলবেঃ “হে আল্লাহ! আমার জীবন তোমার নিকট সমর্পণ করলাম। আমার সকল কাজ তোমার নিকট অর্পণ করলাম এবং আমি তোমার আশ্রয় গ্রহণ করলাম তোমার প্রতি আগ্রহ - [খারাপ পরিণতি ও ধ্বংসের মুখে পতিত হওয়া ইত্যাদি থেকে আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় গ্রহণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/খারাপ-পরিণতি-ও-ধ্বংসের-মু/) - ৪৮/১৬. ১৭৩৩. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বালা মুসীবতের কঠোরতা, দুর্ভাগ্যে নিপতিত হওয়া, নিয়মিত অশুভ পরিণাম এবং দুশমনের খুশী হওয়া থেকে পানাহ চাইলেন। (বুখারী পর্ব ৮০ অধ্যায় ২৮ হাদীস নং ৬৩৪৭; মুসলিম ৪৮ অধ্যায় ১৬, হাঃ ২৭০৭) - [অক্ষমতা ও অলসতা থেকে আশ্রয় চাওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অক্ষমতা-ও-অলসতা-থেকে-আশ্র/) - ৪৮/১৫. ১৭৩২. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রায়ই বলতেনঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার আশ্রয় চাইছি অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা এবং অতিরিক্ত বার্ধক্য থেকে। আরও আশ্রয় চাইছি, ক্ববরের আযাব থেকে। আর আশ্রয় চাইছি জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে। (বুখারী পর্ব ৮০ অধ্যায় ৩৮ হাদীস নং ৬৩৬৭; মুসলিম ৪৮ অধ্যায় ১৫ - [ফিতনা ইত্যাদির ক্ষয়-ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফিতনা-ইত্যাদির-ক্ষয়-ক্ষত/) - ৪৮/১৪. ১৭৩১. ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু‘আ পাঠ করতেনঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে দোযখের সংকট, দোযখের আযাব, ক্ববরের সংকট, ক্ববরের আযাব, প্রাচুর্যের ফিত্-না ও অভাবের ফিত্-না থেকে পানাহ চাই। হে আল্লাহ! আমার অন্তরকে বরফ ও শীতল পানি দিয়ে ধুয়ে দিন। আর আমার অন্তর গুনাহ থেকে - [যিকরের আওয়াজ আস্তে করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যিকরের-আওয়াজ-আস্তে-করা-মু/) - ৪৮/১৩. ১৭২৮. আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন খাইবার যুদ্ধের জন্য বের হলেন কিংবা রাবী বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন খাইবারের দিকে যাত্রা করলেন, তখন সাথী লোকজন একটি উপত্যকায় পৌঁছে এই বলে উচ্চৈঃস্বরে তাকবীর দিতে শুরু করল-আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু। (আল্লাহ মহান, - [“হে আল্লাহ! এ দুনিয়ার কল্যাণ দান কর, আখিরাতের কল্যাণ দান কর এবং জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর” এ দু‘আর ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হে-আল্লাহ-এ-দুনিয়ার-কল্য/) - ৪৮/৯. ১৭২৩. আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিকাংশ সময়ই এ দু‘আ পড়তেনঃ “হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দাও এবং আখিরাতেও কল্যাণ দাও এবং আমাদের অগ্নিযন্ত্রণা থেকে রক্ষা কর” (সূরা আল-বাকারাহ ২/২০১)। (বুখারী পর্ব ৮০ অধ্যায় ৫৫ হাদীস নং ৬৩৮৯; মুসলিম ৪৮ অধ্যায় ৯, হাঃ ২৬৯০) - [যিকিরের মাজলিসের ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যিকিরের-মাজলিসের-ফাযীলাত/) - ৪৮/৮. ১৭২২. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র একদল ফেরেশতা আছেন, যাঁরা আল্লাহ্‌র যিকরে রত লোকদের তালাশে রাস্তায় রাস্তায় ঘোরাফেরা করেন। যখন তাঁরা কোথাও আল্লাহ্‌র যিকরে রত লোকদের দেখতে পান, তখন তাঁদের একজন অন্যজনকে ডাকাডাকি করে বলেন, তোমরা নিজ নিজ কর্তব্য সম্পাদনের জন্য এদিকে চলে এসো। তখন তাঁরা সবাই এসে তাঁদের ডানাগুলো দিয়ে - [যিকির আযকার, দু‘আ ও আল্লাহ তা‘আলার নৈকট্য লাভের ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যিকির-আযকার-দুআ-ও-আল্লাহ/) - ৪৮/৬. ১৭২১. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা ঘোষণা করেন, আমি সেরূপই, যেরূপ বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি তার সঙ্গে থাকি যখন সে আমাকে স্মরণ করে। যদি সে মনে মনে আমাকে স্মরণ করে; আমিও তাকে নিজে স্মরণ করি। আর যদি সে লোক-সমাবেশে আমাকে স্মরণ করে, - [যে আল্লাহ তা‘আলার সাক্ষাৎকে পছন্দ করবে আল্লাহ তা‘আলা তার সাক্ষাৎকে পছন্দ করবেন আর যে আল্লাহ তা‘আলার সাক্ষাৎকে অপছন্দ করবে আল্লাহ তা‘আলা তার সাক্ষাৎকে অপছন্দ করবেন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-আল্লাহ-তাআলার-সাক্ষা/) - ৪৮/৫. ১৭১৯. ‘উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র সাক্ষাৎ লাভ করা ভালবাসে, আল্লাহ্ তা‘আলাও তার সাক্ষাৎ লাভ করা ভালবাসেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র সাক্ষাৎ লাভ করা পছন্দ করে না, আল্লাহ্ তা‘আলাও তার সাক্ষাৎ লাভ করা পছন্দ করেন না। (বুখারী পর্ব ৮১ অধ্যায় ৪১ হাদীস নং ৬৫০৭; - [কোন বিপদে পড়ে মৃত্যু কামনা না করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কোন-বিপদে-পড়ে-মৃত্যু-কামন/) - ৪৮/৪. ১৭১৭. আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কোন বিপদের কারণে মৃত্যু কামনা করবে না। আর যদি কেউ এমন অবস্থাতে পতিত হয় যে, তাকে মৃত্যু কামনা করতেই হয়, তবে সে (মৃত্যু কামনা না করে) দু‘আ করবেঃ হে আল্লাহ! যতদিন পর্যন্ত বেঁচে থাকা আমার জন্য মঙ্গলজনক হয়, ততদিন - [দু‘আ কবূলে দৃঢ় আশা রাখা এবং এ কথা না বলা “তুমি যদি চাও”।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দুআ-কবূলে-দৃঢ়-আশা-রাখা-এব/) - ৪৮/৩. ১৭১৫. আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ দু‘আ করলে দু‘আর সময় ইয়াকীনের সঙ্গে দু‘আ করবে এবং এ কথা বলবে না হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে কিছু দান করুন। কারণ আল্লাহ্-কে বাধ্য করার মত কেউ নেই। (বুখারী পর্ব ৮০ অধ্যায় ২১ হাদীস নং ৬৩৩৮; মুসলিম ৪৫ - [আল্লাহ তা‘আলার নামসমূহ এবং যে তা আয়ত্ব করলো তার মর্যাদা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ-তাআলার-নামসমূহ-এ/) - ৪৮/২. ১৭১৪. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলার নিরানব্বই নাম আছে (এক কম একশ’ নাম)। যে ব্যক্তি এগুলোর হিফাযত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আল্লাহ্ তা‘আলা বেজোড়। তাই তিনি বেজোড়ই পছন্দ করেন। (বুখারী পর্ব ৫৪ ও ৮০ অধ্যায় ৮১ ও ৬৮ হাদীস নং ৬৪১০; মুসলিম ৪৮ অধ্যায় ২ হাঃ ২৬৭৭) - [আল্লাহ তা‘আলার যিকিরের প্রতি উৎসাহ প্রদান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ-তাআলার-যিকিরের-প/) - ৪৮/১. ১৭১৩. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা ঘোষণা করেন, আমি সেরূপই, যেরূপ বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি তার সঙ্গে থাকি যখন সে আমাকে স্মরণ করে। যদি সে মনে মনে আমাকে স্মরণ করে, আমিও তাকে নিজে স্মরণ করি। আর যদি সে লোক-সমাবেশে আমাকে স্মরণ করে, - [ফারা‘আ ও ‘আতিরার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফারাআ-ও-আতিরার-বর্ণনা।/) - ৩৫/৬. ১২৯১. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, (ইসলামে) ফারা‘ বা ‘আতীরাহ্ নেই। ফারা‘ হল উটের সে প্রথম বাচ্চা, যা তারা তাদের দেব-দেবীর নামে যবহ করত। (বুখারী পর্ব ৭১ অধ্যায় ৩ হাদীস নং ৫৪৭৩; মুসলিম ৩৫/৬, হাঃ ১৯৭৬) - [ইসলামের প্রথম যুগে কুরবানীর গোশ্‌ত তিনদিনের অতিরিক্ত খাওয়া নিষিদ্ধ ছিল ও সে বিধান রহিত হয়ে যাওয়া এবং তা বৈধ হয়ে যাওয়া যে চায় তার জন্য।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইসলামের-প্রথম-যুগে-কুরবা/) - ৩৫/৫. ১২৮৭. আব্দল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহিওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কুরবানীর গোশ্‌ত তোমরা তিন দিন পর্যন্ত খাও। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) মিনা থেকে প্রত্যাবর্তনকালে কুরবানীর গোশ্‌ত থেকে বিরত থাকার কারণে যায়তুন খাদ্য গ্রহণ করতেন। (বুখারী পর্ব ৭৩ অধ্যায় ১৬ হাদীস নং ৫৫৭৪; মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ ১৯৭০) ১২৮৮. আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, মাদীনায় - [রক্ত প্রবাহিত করে এমন বস্তু দিয়ে যব্‌হ করা জায়িয তবে দাঁত, নখ ও হাড় ব্যতীত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রক্ত-প্রবাহিত-করে-এমন-বস্/) - ৩৫/৪. ১২৮৫. রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমরা আগামী দিন শত্রুর সম্মুখীন হব, অথচ আমাদের কাছে কোন ছুরি নেই। নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি ত্বরানিত করবে কিংবা তিনি বলেছেনঃ তাড়াতাড়ি (যবহ্) করবে। যা রক্ত প্রবাহিত করে এবং এতে আল্লাহ্‌র নাম নেয়া - [কুরবানীর জন্তু কারো মাধ্যম ছাড়া নিজ হাতে যব্‌হ করা মুস্তাহাব এবং যব্‌হ করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলা ও ‘আল্লাহু আকবার’ বলা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরবানীর-জন্তু-কারো-মাধ্/) - ৩৫/৩. ১২৮৪. আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’টি সাদা-কালো বর্ণের শিং বিশিষ্ট ভেড়া কুরবানী করেন। তিনি ভেড়া দু’টির পার্শ্বদেশ তাঁর পায়ে স্থাপন করে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে নিজ হাতেই সেই দু’টিকে যবহ্ করেন। (বুখারী পর্ব ৮৩ অধ্যায় ১৪ হাদীস নং ৫৫৬৫; মুসলিম ৩৫/৩, হাঃ ১৯৬৬) - [কুরবানীর সময়](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কুরবানীর-সময়/) - ৩৫/১. ১২৮০. জুন্‌দাব ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন সলাত আদায় করেন, অতঃপর খুত্‌বা দেন। অতঃপর যবেহ্ করেন এবং তিনি বলেনঃ সলাতের পূর্বে যে ব্যক্তি যবেহ্ করবে তাকে তার স্থলে আর একটি যবেহ্ করতে হবে এবং যে যবেহ্ করেনি, আল্লাহ্‌র নামে তার যবেহ্ করা উচিত। (বুখারী পর্ব ১৩ অধ্যায় - [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্বপ্ন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নবী-সাল্লাল্লাহু-আলাইহ-2/) - ৪২/৪. ১৪৬৩. ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি (স্বপ্নে) দেখলাম যে, আমি মিসওয়াক করছি। আমার নিকট দু’ ব্যক্তি এলেন। একজন অপরজন হতে বয়সে বড়। অতঃপর আমি তাদের মধ্যে কনিষ্ঠ ব্যক্তিকে মিসওয়াক দিতে গেলে আমাকে বলা হলো, ‘বড়কে দাও’। তখন আমি তাদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে দিলাম। আবূ ‘আবদুল্লাহ বলেন, ‘নু‘আয়ম, - [স্বপ্নের ব্যাখ্যা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/স্বপ্নের-ব্যাখ্যা।/) - ৪২/৩. ১৪৬২. ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, আমি গত রাতে স্বপ্নে একখণ্ড মেঘ দেখতে পেলাম, যা থেকে ঘি ও মধু ঝরছে। আমি লোকদেরকে দেখলাম তারা তা থেকে তুলে নিচ্ছে। কেউ অধিক পরিমাণ আবার কেউ কম পরিমাণ। আর দেখলাম, একটা রশি যমীন থেকে আসমান - [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীঃ যে স্বপ্নে আমাকে দেখল সে প্রকৃতপক্ষেই আমাকে দেখল।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নবী-সাল্লাল্লাহু-আলাইহ/) - ৪২/১. ১৪৬১. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখবে সে অচিরেই জাগ্রতাবস্থায়ও আমাকে দেখবে। কেননা শয়তান আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না। (বুখারী পর্ব ৯১ অধ্যায় ১০ হাদীস নং ৬৯৯৩; মুসলিম ৪২/১, হাঃ ২২৬৬) - [প্রত্যেক শিশু ইসলামের সত্য বিশ্বাস নিয়ে জন্মলাভ করে এবং কাফির ও মুসলিমদের শিশু মারা যাওয়ার হুকুম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রত্যেক-শিশু-ইসলামের-সত/) - ৪৬/৬. ১৭০২. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ প্রত্যেক নবজাতকই ফিতরাতের উপর জন্মলাভ করে। অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইয়াহূদী, নাসারা বা মাজূসী (অগ্নিপূজারী) রূপে গড়ে তোলে। যেমন, চতুষ্পদ পশু একটি পূর্ণাঙ্গ বাচ্চা জন্ম দেয়। তোমরা কি তাকে কোন (জন্মগত) কানকাটা দেখতে পাও? অতঃপর আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) - [যিনা বা এ জাতীয় অপকর্মের যে অংশ আদাম সন্তানের উপর নির্ধারিত আছে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যিনা-বা-এ-জাতীয়-অপকর্মের-য/) - ৪৬/৫. ১৭০১. আবূ হুইরারাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা বানী আদামের জন্য যিনার একটা অংশ নির্ধারিত রেখেছেন। সে তাতে অবশ্যই জড়িত হবে। চোখের যিনা হলো তাকানো, জিহ্বার যিনা হলো কথা বলা, কুপ্রবৃত্তি কামনা ও খাহেশ সৃষ্টি করে এবং যৌনাঙ্গ তা সত্য মিথ্যা প্রমাণ করে। (বুখারী পর্ব - [আদাম ও মূসা (‘আ.)-এর মাঝে কথা কাটাকাটি।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আদাম-ও-মূসা-আ-এর-মাঝে-কথা-ক/) - ৪৬/২. ১৭০০. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আদাম ও মূসা (‘আ.) (পরস্পরে) কথা কাটাকাটি করেন। মূসা (‘আ.) বলেন, হে আদাম, আপনি তো আমাদের পিতা। আপনি আমাদেরকে বঞ্চিত করেছেন এবং আমাদেরকে জান্নাত থেকে বের করেছেন। আদাম (‘আ.) মূসা (‘আ.) কে বললেন, হে মূসা! আপনাকে তো আল্লাহ্ তা‘আলা স্বীয় কালামের মাধ্যমে সম্মানিত করেছেন এবং আপনার - [মানুষ তার মায়ের পেটে সৃষ্টির পদ্ধতি, তার রিযক, আয়ু, কর্ম এবং তার দুর্ভাগ্য ও সৌভাগ্য লেখা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মানুষ-তার-মায়ের-পেটে-সৃষ্/) - ৪৬/১. ১৬৯৫. যায়দ ইব্‌নু ওয়াহ্ব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, সত্যবাদী হিসেবে গৃহীত আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, নিশ্চয় তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টির উপাদান নিজ নিজ মায়ের পেটে চল্লিশ দিন পর্যন্ত বীর্যরূপে অবস্থান করে, অতঃপর তা জমাট বাঁধা রক্তে পরিণত হয়। ঐভাবে চল্লিশ দিন অবস্থান করে। অতঃপর - [লাইলাতুল ক্বাদর এর ফাযীলাত এবং তার অন্বেষণে উৎসাহ দান, তার তারিখ ও স্থানের বর্ণনা, তা অন্বেষণ করার উপযুক্ত সময়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/লাইলাতুল-ক্বাদর-এর-ফাযীল/) - ১৩/৪০. ৭২৩. ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতিপয় সাহাবীকে স্বপ্নের মাধ্যমে রমাযানের শেষের সাত রাত্রে লাইলাতুল ক্বাদর দেখানো হয়। (এ শুনে) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমাকেও তোমাদের স্বপ্নের অনুরূপ দেখানো হয়েছে। (তোমাদের দেখা ও আমার দেখা) শেষ সাত দিনের ক্ষেত্রে মিলে গেছে। অতএব যে ব্যক্তি এর সন্ধান - [শা’বান মাসে আনন্দের সওম করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শাবান-মাসে-আনন্দের-সওম-ক/) - ১৩/৩৭. ৭২২. ‘ইমরান ইব্‌নু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে অথবা (রাবী বলেন) অন্য এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করেন এবং ‘ইমরান (রাঃ) তা শুনছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে অমুকের পিতা!! তুমি কি এ মাসের শেষভাগে সওম পালন করনি? (রাবী) বলেন, আমার মনে হয় (আমার ওস্তাদ) বলেছেন, অর্থাৎ রমাযান। লোকটি - [সওম দাহর (একাধারে এক যুগ) সওম করা ঐ ব্যক্তির জন্য নিষিদ্ধ, যার এর মাধ্যমে ক্ষতি হবে অথবা এর মাধ্যমে অন্যের হক নষ্ট হবে অথবা দু’ ঈদে সওম ভঙ্গ না করা এবং তাশরীকের দিনগুলোতে সওম ভঙ্গ না করা এবং একদিন বিরতি দিয়ে সওম করার ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সওম-দাহর-একাধারে-এক-যুগ-সও/) - ১৩/৩৫. ৭১৪. ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমার সম্পর্কে এ কথা পৌঁছে যায় যে, আমি বলেছি, আল্লাহর কসম, আমি যতদিন বেঁচে থাকব ততদিন সওম পালন করব এবং রাতভর সলাত আদায় করব। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করায় আমি বললাম, আপনার উপর আমার পিতা-মাতা কুরবান হোন! আমি এ - [রমাযান মাস ছাড়া নাবী (স)-এর সওম পালন করা এবং প্রত্যেক মাসে সওম করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রমাযান-মাস-ছাড়া-নাবী-স-এর-স/) - ১৩/৩৪. ৭১১. ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাধারে (এত অধিক) সওম পালন করতেন যে, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর সওম পরিত্যাগ করবেন না। (আবার কখনো এত বেশি) সওম পালন না করা অবস্থায় একাধারে কাটাতেন যে, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর (নফল) সওম পালন করবেন না। আমি আল্লাহর রসূল - [ভুল করে খেলে, পানি পান করলে ও স্ত্রী সঙ্গম করলে সওম ভঙ্গ হবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ভুল-করে-খেলে-পানি-পান-করলে/) - ১৩/৩৩. ৭১০. আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সওম পালনকারী ভুলক্রমে যদি আহার করে বা পান করে ফেলে, তাহলে সে যেন তার সওম পুরা করে নেয়। কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন। (বুখারী পর্ব ৩০ : /২৬ হাঃ ১৯৩৩, মুসলিম ১৩/৩৩, হাঃ ১১৫৫) - [যে ব্যক্তি কোন কষ্ট এবং অন্যের হক্ক নষ্ট না করে আল্লাহ্‌র জন্য সওম পালন করল তার ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-কোন-কষ্ট-এবং-অন/) - ১৩/৩১. ৭০৯. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় এক দিনও সিয়াম পালন করে, আল্লাহ্ তার মুখমণ্ডলকে জাহান্নামের আগুন হতে সত্তর বছরের রাস্তা দূরে সরিয়ে নেন। (বুখারী পর্ব ৫৬ : /৩৬ হাঃ ২৮৪০, মুসলিম ১৩/৩১ হাঃ ১১৫৩) - [সওমের ফাযীলাত](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সওমের-ফাযীলাত/) - ১৩/৩০. ৭০৭. আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, সওম ব্যতীত আদম সন্তানের প্রতিটি কাজই তার নিজের জন্য, কিন্তু সিয়াম আমার জন্য। তাই আমি এর প্রতিদান দেব। সিয়াম ঢাল স্বরূপ। তোমাদের কেউ যেন সিয়াম পালনের দিন অশ্লীলতায় লিপ্ত না হয় এবং ঝগড়া-বিবাদ না করে। যদি - [সায়িমের জবান হিফাযত করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সায়িমের-জবান-হিফাযত-করা।/) - ১৩/২৯. ৭০৬. আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সিয়াম ঢাল স্বরূপ। সুতরাং অশ্লীলতা করবে না এবং মূর্খের মত কাজ করবে না। যদি কেউ তার সাথে ঝগড়া করতে চায়, তাকে গালি দেয়, তবে সে যেন দু’বার বলে, আমি সওম পালন করছি। ঐ সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, অবশ্যই সওম পালনকারীর - [মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কাযা সওম আদায় করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মৃত-ব্যক্তির-পক্ষ-থেকে-কা/) - ১৩/২৭. ৭০৪. ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সওমের কাযা যিম্মায় রেখে যদি কোন ব্যক্তি মারা যায় তাহলে তার অভিভাবক তার পক্ষ হতে সওম আদায় করবে। (বুখারী পর্ব ৩০: /৪২ হাঃ ১৯৫২, মুসলিম ১৩/২৭, হাঃ ১১৪৭) ৭০৫. ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট - [শা‘বান মাসে রমাযানের বাকী সওম আদায় করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শাবান-মাসে-রমাযানের-বাক/) - ১৩/২৬. ৭০৩. ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমার উপর রমাযানের যে কাযা হয়ে যেত তা পরবর্তী শা‘বান ব্যতীত আমি আদায় করতে পারতাম না। (বুখারী পর্ব ৩০: /৪০ হাঃ ১৯৫০, মুসলিম ১৩/২৬, হাঃ ১১৪৬) - [আল্লাহ তা‘আলার ঐ বাণী রহিত করণের বর্ণনা- (সওম পালনে) যাদের কষ্ট হয় তারা ফিদিয়া দিবে- (সূরাহ আল-বাক্বারাহ ২/১৮৪) এ বাণীর দ্বারা যারা রমাযান মাস পাবে তাদেরকে এ মাসের সওম পালন করতে হবে- (সূরাহ আল-বাক্বারাহ ২/১৮৫)।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ-তাআলার-ঐ-বাণী/) - ১৩/২৫. ৭০২. সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ এ আয়াত অবতীর্ণ হল- এবং যারা সওম পালনের সামর্থ্য রাখে তারা একজন মিসকীনকে ফিদ্য়াহ স্বরূপ আহার্য দান করবে- তখন যে ইচ্ছে সওম ভঙ্গ করত এবং তার পরিবর্তে ফিদয়া প্রদান করত। এরপর পরবর্তী আয়াত অবতীর্ণ হয় এবং পূর্বোক্ত আয়াতের হুকুম - [শুধু জুমু‘আহ্‌র দিনে সওম পালন অপছন্দনীয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শুধু-জুমুআহ্‌র-দিনে-সওম/) - ১৩/২৪. ৭০০. মুহাম্মাদ ইব্‌নু ‘আব্বাদ (রহ.) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি জুমু‘আহ্‌র দিনে (নফল) সওম পালন করতে নিষেধ করেছেন? উত্তরে তিনি বললেন, হাঁ। (বুখারী পর্ব ৩০ : /৬৩ হাঃ ১৯৮৪, মুসলিম ১৩/২৩, হাঃ ১১৪৩) ৭০১. আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, - [ঈদুল ফিতর এবং কুরবানীর দিন সওম পালন নিষিদ্ধ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঈদুল-ফিতর-এবং-কুরবানীর-দি/) - ১৩/২২. ৬৯৭. বনূ আয্হারের আযাদকৃত গোলাম আবূ ‘উবাইদ (রহ.) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি একদা ঈদে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম, তখন তিনি বললেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু’ দিনে সওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। (ঈদুল ফিত্রের দিন) যে দিন তোমরা তোমাদের সওম ছেড়ে দাও। আরেক দিন, যেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর - [যে ব্যক্তি আশুরার দিন খেল, তার উচিত সে দিনের অবশিষ্ট অংশে খাদ্যগ্রহণ না করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-আশুরার-দিন-খেল/) - ১৩/২১. ৬৯৫. সালমাহ ইব্‌নু আকওয়া‘ (রহ.) থেকে বর্ণিতঃ ‘আশূরাহর দিন নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ব্যক্তিকে এ বলে লোকদের মধ্যে ঘোষণা দেয়ার জন্য পাঠালেন যে, যে ব্যক্তি খেয়ে ফেলেছে সে যেন পূর্ণ করে নেয় অথবা বলেছেন, সে যেন সওম আদায় করে নেয় আর যে এখনো খায়নি সে যেন আর না খায়। (বুখারী পর্ব ৩০ : /২১ - [আশুরা বা মহররম মাসের দশ তারিখের সওম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আশুরা-বা-মহররম-মাসের-দশ-তা/) - ১৩/১৯. ৬৮৮. ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ জাহিলী যুগে কুরায়শগণ ‘আশূরাহর দিন সওম পালন করত। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও পরে এ সওম পালনের নির্দেশ দেন। অবশেষে রমাযানের সিয়াম ফারয হলে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যার ইচ্ছে ‘আশূরার সিয়াম পালন করবে এবং যার ইচ্ছে সে সওম পালন করবে না। (বুখারী পর্ব ৩০: /১ - [‘আরাফাহর দিনে আরাফাহর মাঠে হাজ্জ পালনকারীর জন্য সওম ভঙ্গ করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আরাফাহর-দিনে-আরাফাহর-মা/) - ১৩/১৮. ৬৮৬. উম্মুল ফাযল বিনত হারিস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ কিছু সংখ্যক লোক ‘আরাফাতের দিনে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সওম পালন সম্পর্কে তাঁর কাছে সন্দেহ প্রকাশ করে। তাদের কেউ বলল, তিনি সওম পালন করেছেন। আর কেউ বলল, না, তিনি করেননি। এতে উম্মুল ফাযল (রাঃ) এক পেয়ালা দুধ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট - [সফরে সওম পালন করা এবং ভঙ্গ করার ব্যাপারে স্বাধীনতা প্রদান করা সম্পর্কে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সফরে-সওম-পালন-করা-এবং-ভঙ্গ/) - ১৩/১৭. ৬৮৪. নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ হামযাহ ইব্‌নু ‘আমর আসলামী (রাঃ) অধিক সওম পালনে অভ্যস্ত ছিলেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন, আমি সফরেও কি সওম পালন করতে পারি? তিনি বললেনঃ ইচ্ছে করলে তুমি সওম পালন করতে পার, আবার ইচ্ছে করলে নাও করতে পার। (বুখারী পর্ব ৩০ : - [সফরে যে ব্যক্তি সওম পালন করছে না তার প্রতিদান যদি সে নিজের স্কন্ধে কাজের ভার তুলে নেয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সফরে-যে-ব্যক্তি-সওম-পালন-ক/) - ১৩/১৬. ৬৮৩. আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা এক সফরে আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। আমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তির ছায়াই ছিল সর্বাধিক যে তার চাদর দ্বারা ছায়া গ্রহণ করছিল। তাই যারা সিয়াম পালন করছিল তারা কোন কাজই করতে পারছিল না। যারা সিয়াম রত ছিল না, তারা উটের দেখাশুনা করছিল, খিদমতের দায়িত্ব - [অন্যায় কাজে গমনের উদ্দেশ্য ছাড়া রমাযান মাসে মুসাফিরের জন্য সওম রাখা বা ভঙ্গ করা বৈধ হবে যদি তার সফরের দূরত্বের পরিমাণ দু’ মারহালা বা তার অধিক হয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অন্যায়-কাজে-গমনের-উদ্দেশ/) - ১৩/১৫. ৬৮০. ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় কোন এক রমাযানে মাক্কাহর পথে যাত্রা করলেন। কাদীদ নামক স্থানে পৌঁছার পর তিনি সওম ভঙ্গ করে ফেললে লোকেরা সকলেই সওম ভঙ্গ করলেন। (বুখারী পর্ব ৩০ : /৩৪ হাঃ ১৯৪৪, মুসলিম ১৩/১৫, হাঃ ১১১৩) ৬৮১. জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ - [রমাযান মাসে দিনের বেলায় সওমকারীর সহবাস করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এই ক্ষেত্রে বড় কাফফারা ওয়াজিব হওয়ার বর্ণনা এবং এটা সচ্ছল ও অসচ্ছলের জন্য আদায় করা অপরিহার্য আর অসচ্ছল ব্যক্তি এটা আদায় না করা পর্যন্ত তার স্কন্ধে এর বোঝা চেপে থাকা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রমাযান-মাসে-দিনের-বেলায়-স/) - ১৩/১৪. ৬৭৮. আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, এই হতভাগা স্ত্রী সহবাস করেছে রমাযানে। তিনি বললেনঃ তুমি কি একটি গোলাম আযাদ করতে পারবে? লোকটি বলল, না। তিনি বললেনঃ তুমি কি ক্রমাগত দু’ মাস সিয়াম পালন করতে পারবে? লোকটি বলল, না। তিনি বললেনঃ তুমি কি - [যে ব্যক্তি জুনুবী অবস্থায় ফাজর করল তার সওমের কোন ক্ষতি হবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-জুনুবী-অবস্থা/) - ১৩/১৩. ৬৭৭. আবূ বকর ইব্‌নু ‘আবদুর রাহমান (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি এবং আমার পিতা ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) এবং উম্মে সালামাহ (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। (অপর বর্ণনায়) আবুল ইয়ামান (রহ.)...মারওয়ান (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) এবং উম্মু সালামাহ (রাঃ) তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, নিজ স্ত্রীর সাথে মিলনজনিত জুনূবী অবস্থায় আল্লাহর রসূল সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফাজরের সময় - [রোযা অবস্থায় (স্ত্রীকে) চুম্বন দেয়া হারাম নয়, যদি কেউ কামাবেগে উত্তেজিত না হয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রোযা-অবস্থায়-স্ত্রীকে-চু/) - ১৩/১২. ৬৭৫. ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, সায়িম অবস্থায় নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর কোন কোন স্ত্রীকে চুমু খেতেন। (এ কথা বলে) ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হেসে দিলেন। (বুখারী পর্ব ৩০: /২৪ হাঃ ১৯২৮, মুসলিম হাঃ) ৬৭৬. ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওমের অবস্থায় চুমু খেতেন এবং গায়ে গা লাগাতেন। তবে তিনি - [সওমে বিসাল (বিরামহীন রোযা) এর নিষিদ্ধতা প্রসঙ্গে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সওমে-বিসাল-বিরামহীন-রোযা/) - ১৩/১১. ৬৭০. ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমে বেসাল হতে নিষেধ করলেন। লোকেরা বললো, আপনি যে সওমে বিসাল পালন করেন! তিনি বললেনঃ আমি তোমাদের মত নই, আমাকে পানাহার করানো হয়। (বুখারী পর্ব ৩০ : /৪৮ হাঃ ১৯৬২, মুসলিম হাঃ) ৬৭১.আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, - [সওম ভঙ্গ করার সময় এবং দিবাভাগের অবসান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সওম-ভঙ্গ-করার-সময়-এবং-দিবা/) - ১৩/১০. ৬৬৮. ‘উমার ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন রাত্র সে দিক হতে ঘনিয়ে আসে ও দিন এ দিক হতে চলে যায় এবং সূর্য ডুবে যায়, তখন সায়িম ইফতার করবে। (বুখারী পর্ব ৩০: /৪৩ হাঃ ১৯৫৪, মুসলিম ১৩/১০, হাঃ ১১০০) ৬৬৯. ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু আবূ ‘আওফা (রাঃ) - [ফাজর উদিত হওয়ার সাথে সাথে সওম শুরু হয়, ফাজর উদিত হওয়া পর্যন্ত পানাহার ও অন্যান্য কাজ চলবে এবং ফাজরের ব্যাখ্যা যা সওমে প্রবেশের আহকামের সাথে সম্পৃক্ত এবং ফাজর সলাতের শুরু ইত্যাদির বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ফাজর-উদিত-হওয়ার-সাথে-সাথে/) - ১৩/৮. ৬৬০. ‘আদী ইব্‌নু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ ..............“তোমরা পানাহার কর (রাত্রির) কাল রেখা হতে (ভোরের) সাদা রেখা যতক্ষণ স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়” তখন আমি একটি কাল এবং একটি সাদা রশি নিলাম এবং উভয়টিকে আমার বালিশের নিচে রেখে দিলাম। রাতে আমি এগুলোর দিকে বারবার তাকাতে থাকি। - [সাহারীর ফাযীলাত এবং তা গ্রহণের প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী দেরি করে খাওয়া এবং ইফতার জলদি করা মুস্তাহাব।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সাহারীর-ফাযীলাত-এবং-তা-গ্/) - ১৩/৯. ৬৬৫. আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা সাহারী খাও, কেননা সাহারীতে বারাকাত নিহিত। (বুখারী পর্ব ৩০ : /১০ হাঃ ১৯২৩, মুসলিম ১৩/৯ হাঃ ১০৯৫) ৬৬৬. যায়দ ইব্‌নু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, তাঁরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাহারী খেয়েছেন, অতঃপর ফাজরের সলাতে - [দু’ ঈদের মাসই কম হয় না নাবী (স)-এর এ কথা বলার অর্থ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/দু-ঈদের-মাসই-কম-হয়-না-নাবী/) - ৬৫৯. ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দু’টি মাস কম হয় না। তা হল ঈদের দু’মাস- রমাযানের মাস ও যুলহাজ্জের মাস। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহ.) বলেছেন, আহমাদ ইব্‌নু হাম্বল (রহ.) বলেন, রমাযান ঘাটতি হলে যুলহাজ্জ পূর্ণ হবে। আর যুলহাজ্জ ঘাটটি হলে রমাযান পূর্ণ হবে। আবুল হাসান (রহ.) বলেন, - [রমাযানের একদিন বা দু’দিন পূর্বে সওম পালন করবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রমাযানের-একদিন-বা-দুদিন/) - ১৩/৩. ৬৫৭. আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কেউ রমাযানের একদিন কিংবা দু’দিন আগে হতে সওম শুরু করবে না। তবে কেউ যদি এ সময় সিয়াম পালনে অভ্যস্ত থাকে তাহলে সে সেদিন সওম পালন করতে পারবে। (বুখারী পর্ব ৩০ : /১৪ হাঃ ১৯১৪, মুসলিম হাঃ ১৩/৩, হাঃ ১০৮২) - [মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মাস-ঊনত্রিশ-দিনেও-হয়।/) - ১৩/৪. ৬৫৮. উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শপথ গ্রহণ করেন যে, এক মাসের মধ্যে তাঁর কতিপয় বিবির নিকট তিনি গমন করবেন না; কিন্তু যখন ঊনত্রিশ দিন অতিবাহিত হল তখন তিনি সকালে কিংবা বিকালে তাঁদের কাছে গেলেন। কোন একজন তাঁকে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি শপথ করেছেন এক - [চাঁদ দেখে রমাযানের সওম রাখা এবং চাঁদ দেখে ছেড়ে দেয়া অপরিহার্য এবং যদি প্রথমে বা শেষে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে, তাহলে ত্রিশ দিনে মাস পূর্ণ করবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/চাঁদ-দেখে-রমাযানের-সওম-রা/) - ১৩/২. ৬৫৩. ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযানের কথা আলোচনা করে বললেনঃ চাঁদ না দেখে তোমরা সওম পালন করবে না এবং চাঁদ না দেখে ইফ্তার করবে না। যদি মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে তার সময় (ত্রিশ দিন) পরিমাণ পূর্ণ করবে। (বুখারী পর্ব ৩০ : /১১ হাঃ ১৯০৬, মুসলিম হাঃ) ৬৫৪. - [রমাযান মাসের ফাযীলাত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/রমাযান-মাসের-ফাযীলাত।/) - ১৩/১. ৬৫২. আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলতেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রমাযান আসলে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানগুলোকে শিকলবন্দী করে দেয়া হয়। (বুখারী পর্ব ৩০ : /৫ হাঃ ১৮৯৯, মুসলিম হাঃ) - [হিসাবের (পুনরুত্থান দিবসে) প্রমাণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/হিসাবের-পুনরুত্থান-দিবস/) - ১৮২৭. ইব্‌নু আবূ মুলায়কাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) কোন কথা শুনে না বুঝলে বার বার প্রশ্ন করতেন। একদা নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “(কিয়ামতের দিন) যার কাছ থেকে হিসেব নেয়া হবে তাকে শাস্তি দেয়া হবে।” ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেনঃ আমি জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ্ তা‘আলা কি ইরশাদ করেননি, - [মৃত ব্যক্তিকে জান্নাতে বা জাহান্নামে তার স্থান দেখানো হয়, ক্ববরের শাস্তির প্রমাণ এবং তাত্থেকে আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মৃত-ব্যক্তিকে-জান্নাতে-ব/) - ৫১/১৭. ১৮২২. ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ মারা গেলে অবশ্যই তার সামনে সকাল ও সন্ধ্যায় তার অবস্থান স্থল উপস্থাপন করা হয়। যদি সে জান্নাতী হয়, তবে (অবস্থান স্থল) জান্নাতীদের মধ্যে দেখানো হয়। আর সে জাহান্নামী হলে, তাকে জাহান্নামীদের (অবস্থান স্থল দেখানো হয়) আর তাকে বলা - [পুনরুত্থান দিবসের বর্ণনা, আল্লাহ যেন আমাদেরকে তার ভয়-ভীতি থেকে রক্ষা করেন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পুনরুত্থান-দিবসের-বর্ণনা/) - ৫১/১৫. ১৮২০. ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ “যেদিন সব মানুষ জগতসমূহের প্রতিপালকের সামনে দাঁড়াবে।” (সূরাহ মুতাফ্ফিফীন ৮৩/৬) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, সেদিন প্রত্যেক ব্যক্তির কানের লতা পর্যন্ত ঘামে ডুবে যাবে। [বুখারী পর্ব ৬৫ সূরা (৮৩) ওয়াইলুল লিল মুতাফ্ফিফীন অধ্যায় হাদীস নং ৪৯৩৮; মুসলিম ৫১/১৫, হাঃ ২৮৬২] ১৮২১. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) - [পৃথিবীর ধ্বংস এবং পুনরুত্থান দিবসে মানুষের একত্র সমাবেশ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/পৃথিবীর-ধ্বংস-এবং-পুনরুত/) - ৫১/১৪. ১৮১৭. ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানুষকে হাশরের ময়দানে উঠানো হবে খালি পা, উলঙ্গ ও খাতনাবিহীন অবস্থায়। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তখন তো পুরুষ ও নারীগণ একে অপরের প্রতি দৃষ্টিপাত করবে। তিনি বললেনঃএরূপ ইচ্ছে করার চেয়েও কঠিন হবে তখনকার - [অত্যাচারী ও উদ্ধতরা জাহান্নামের আগুনে এবং দুর্বল ও বিনীতরা জান্নাতে প্রবেশ করবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/অত্যাচারী-ও-উদ্ধতরা-জাহা/) - ৫১/১৩. ১৮০৯. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জান্নাত ও জাহান্নাম পরস্পর বিতর্ক করে। জাহান্নাম বলে দাম্ভিক ও পরাক্রমশালীদের দ্বারা আমাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। জান্নাত বলে, আমার কী হলো? আমাতে কেবল মাত্র দুর্বল এবং নিরীহ ব্যক্তিরাই প্রবেশ করছে। তখন আল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা‘আলা জান্নাতকে বলবেন, তুমি আমার রহমত। তোমার দ্বারা - [জাহান্নামের আগুনের উত্তাপ, তার গভীরতা এবং এর ভিতরে শাস্তি।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জাহান্নামের-আগুনের-উত্তা/) - ৫১/১২. ১৮০৮. হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের আগুন জাহান্নামের আগুনের সত্তর ভাগের একভাগ মাত্র। বলা হল, ‘হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! জাহান্নামীদেরকে শাস্তি দেয়ার জন্য দুনিয়ার আগুনই তো যথেষ্ট ছিল।’ তিনি বললেন, ‘দুনিয়ার আগুনের উপর জাহান্নামের আগুনের তাপ আরো ঊনসত্তর গুণ বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে, প্রত্যেক অংশে - [কতক লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে যাদের অন্তর হবে পাখীর অন্তরের মত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কতক-লোক-জান্নাতে-প্রবেশ-ক/) - ৫১/১১. ১৮০৭. হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ তা‘আলা আদাম (আঃ)-কে সৃষ্টি করলেন। তাঁর দেহের দৈর্ঘ্য ছিল ষাট হাত। অতঃপর তিনি (আল্লাহ) তাঁকে (আদমকে) বললেন, যাও, ঐ ফেরেশতা দলের প্রতি সালাম কর এবং তাঁরা তোমার সালামের জওয়াব কিভাবে দেয় তা মনোযোগ দিয়ে শোন। কারণ এটাই হতে তোমার এবং তোমার সন্তানদের - [জান্নাতের তাঁবুসমূহ এবং ওগুলোতে বসবাসরতা বিশ্বাসীদের স্ত্রীগণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জান্নাতের-তাঁবুসমূহ-এবং/) - ৫১/৯. ১৮০৬. মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘গুণসম্পন্ন মোতির তাঁবু থাকবে যার উচ্চতা ত্রিশ মাইল। এর প্রতিটি কোণে মু’মিনদের জন্য এমন স্ত্রী থাকবে যাদেরকে অন্যরা কখনো দেখেনি।’ (বুখারী পর্ব ৫৯ অধ্যায় ৮ হাদীস নং ৩২৪৩; মুসলিম ৫১/৯ হাঃ ২৮৩৮) - [যে দলটি জান্নাতে প্রথমে প্রবেশ করবে তারা পূর্ণিমার চাঁদের ন্যায় জ্বলজ্বল করবে, তাদের ও তাদের স্ত্রীদের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-দলটি-জান্নাতে-প্রথমে-প/) - ৫১/৬. ১৮০৫. হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সর্বপ্রথম যে দল জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল হবে পূর্ণিমার রাতের চন্দ্রের মত উজ্জ্বল। অতঃপর যে দল তাদের অনুগামী হবে তাদের মুখমণ্ডল হবে আকাশের সর্বাধিক দীপ্তিমান উজ্জ্বল তারকার ন্যায়। তারা পেশাব করবে না, পায়খানা করবে না। তাদের থুথু ফেলার প্রয়োজন হবে - [জান্নাতবাসীরা বিশেষ বাসস্থানের লোকেদের সেভাবে দেখবে যেমন তোমরা আকাশে তারকা দেখে থাক।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জান্নাতবাসীরা-বিশেষ-বাসস/) - ৫১/৩. ১৮০৩. সাহল বিন সা’দ(রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন জান্নাতীরা জান্নাতে বালাখানাগুলো দেখতে পাবে,যেমন তোমরা আকাশে তারকাগুলো দেখতে পাও।(সানাদে অন্তর্ভুক্ত) রাবী ‘আবদুল ‘আযীয বলেন, আমার পিতা বলেছেন যে, আমি এ হাদীসটি নু‘মান ইব্‌নু আবূ আইয়্যাশকে বলেছি। অতঃপর তিনি বলেছেন, আমি এ মর্মে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, অবশ্যই আবূ সা‘ঈদকে এ হাদীস বর্ণনা করতে আমি শুনেছি এবং - [জান্নাতবাসীদের উপর আল্লাহ্‌র রেজামন্দি ও সন্তুষ্টি এবং তিনি কখনও কোনদিন তাদের উপর রাগান্বিত হবেন না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জান্নাতবাসীদের-উপর-আল্লা/) - ৫১/২. ১৮০২. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা জান্নাতীগণকে সম্বোধন করে বলবেন, হে জান্নাতীগণ! তারা জবাবে বলবে, হে আমাদের প্রভু! হাযির, আমরা আপনার সমীপে হাযির। এরপর আল্লাহ্ তা‘আলা বলবেন, তোমরা কি সন্তুষ্ট হয়েছ? তারা বলবে, আপনি আমাদেরকে এমন বস্তু দান করেছেন যা আপনার মাখলুকাতের ভিতর - [জান্নাতে এক বৃক্ষ আছে যার ছায়ায় কোন আরোহী শত বছর চললেও তা অতিক্রম করতে পারবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জান্নাতে-এক-বৃক্ষ-আছে-যার/) - ৫১/১. ১৭৯৯. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেন, জান্নাতের মধ্যে এমন একটি বৃক্ষ আছে, যার ছায়ায় একজন সওয়ারী একশত বছর চলতে থাকবে, তবুও সে এ ছায়া অতিক্রম করতে পারবে না। [বুখারী পর্ব ৬৫ অধ্যায় ১ হাদীস নং ৪৮৮১; মুসলিম ৫১ অধ্যায় ১ হাঃ ২৮২৬) ১৮০০. সাহ্‌ল ইব্‌নু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেনঃ জান্নাতের মাঝে - [মুয়ায্‌যিনের অনুরূপ শব্দ বলা যে তা শ্রবণ করে, অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর দরূদ পাঠ করা এরপর তার নিকট ওয়াসীলা চাওয়া।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুয়ায্‌যিনের-অনুরূপ-শব/) - ২১৫. আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমরা আযান শুনতে পাও তখন মুয়ায্‌যিন যা বলে তোমরাও তার অনুরূপ বলবে। (বুখারী পর্ব ১০ : /৭ হাঃ ৬১১, মুসলিম ৪/৭ হাঃ ৩৮৩) - [আযানের শব্দগুলো দু’বার এবং ইক্বামাতের শব্দগুলো একবার উচ্চারণ করার নির্দেশ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আযানের-শব্দগুলো-দুবার/) - ২১৪. আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (জামা‘আতে সলাত আদায়ের জন্য) সাহাবা-ই কিরাম (রাঃ) আগুন জ্বালানো অথবা নাকূস বাজানোর কথা আলোচনা করেন। আবার এগুলোকে (যথাক্রমে) ইয়াহুদী ও নাসারাদের প্রথা বলে উল্লেখ করা হয়। অতঃপর বিলাল (রাঃ)-কে আযানের বাক্য দু’বার ক’রে ও ইকামাতের বাক্য বেজোড় ক’রে বলার নির্দেশ দেয়া হয়।* (বুখারী পর্ব - [জাহিলী যুগের কর্মকাণ্ডের কারণে কি মানুষকে পাকড়াও করা হবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জাহিলী-যুগের-কর্মকাণ্/) - ৭৫. ইবনু মাস্‘উদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ইবনু মাস্‘উদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমরা কি জাহিলী যুগের কৃতকর্মের জন্য পাকড়াও হবো? তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি ইসলামী যুগে সৎ কাজ করবে সে জাহিলী যুগের কৃতকর্মের জন্য পাকড়াও হবে না। আর যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণের পর অসৎ কাজ করবে, সে প্রথম - [জুমু‘আহ্‌র দিন সুগন্ধি লাগানো ও মেসওয়াক করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জুমুআহ্‌র-দিন-সুগন্ধি/) - ৪৯০. ‘আমর ইব্‌নু সুলাইম আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আবূ সা‘ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) হতে বর্ণিত, আমি এ মর্মে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জুমু‘আহ’র দিন প্রত্যেক বালিগের জন্য গোসল করা ওয়াজিব। আর মিস্ওয়াক করবে এবং সুগন্ধি পাওয়া গেলে তা ব্যবহার করবে। (বুখারী পর্ব ১১: /৩ হাঃ ৮৮০, মুসলিম ৭/১, - [জুমু‘আহ্‌র দিন প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্কের উপর গোসল ওয়াজিব এবং এ ব্যাপারে যা নির্দেশ দেয়া হয়েছে তার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জুমুআহ্‌র-দিন-প্রত্যে/) - ৪৮৭. আবূ সা‘ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, জুমু‘আহ’র দিন প্রত্যেক সাবালকের (মুসলিমের) গোসল করা ওয়াজিব। (বুখারী পর্ব ১০ : /১৬১ হাঃ ৮৫৮, মুসলিম ৭/১, হাঃ ৮৪৬) ৪৮৮. ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, লোকজন তাদের বাড়ি ও উঁচু এলাকা হতেও জুমু‘আহ’র সলাতের জন্য পালাক্রমে আসতেন। আর - [জুমু‘আহ্‌র দিন খুৎবাহ চলাকালীন চুপ থাকা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জুমুআহ্‌র-দিন-খুৎবাহ-চ/) - ৪৯৪. আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জুমু‘আহ’র দিন যখন তোমার পাশের মুসল্লীকে চুপ থাক বলবে, অথচ ইমাম খুত্‌বা দিচ্ছেন, তা হলে তুমি একটি বেহুদা কথা বললে। (বুখারী পর্ব ১১ : /৩৬ হাঃ ৯৩৪, মুসলিম ৭/৩, হাঃ ৮৫১) - [জুমু‘আহ্‌র দিনে (দু‘আ কবূল হওয়ার) নির্দিষ্ট একটি সময়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জুমুআহ্‌র-দিনে-দুআ-কব/) - ৪৯৫. আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমু‘আহ’র দিন সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং বলেন, এ দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যে কোন মুসলিম বান্দা যদি এ সময় সলাতে দাঁড়িয়ে আল্লাহ্‌র নিকট কিছু প্রার্থনা করে, তবে তিনি তাকে অবশ্যই তা দিয়ে থাকেন এবং তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে বুঝিয়ে দিলেন যে, - [জুমু‘আহ্‌র দিনে; এ উম্মাতকে পথের নির্দেশ দান](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/জুমুআহ্‌র-দিনে-এ-উম্মা/) - ৪৯৬. আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, পৃথিবীতে আমাদের আগমন সবশেষে হলেও কিয়ামাত দিবসে আমরা অগ্রগামী। কিন্তু, অন্যান্য উম্মাতগণকে কিতাব দেয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে, আর আমাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের পরে। অতঃপর এ দিন তারা মতবিরোধ করেছে। তাই ইয়াহূদীদের মনোনীত শনিবার, খ্রিস্টানদের মনোনীত রবিবার। (বুখারী পর্ব ৬০ : /৫৪ হাঃ - [সূর্য ঢলে যাওয়ার সাথে সাথেই জুমু‘আহ্‌র সলাতের সময়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সূর্য-ঢলে-যাওয়ার-সাথে-সা/) - ৪৯৭. সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি আরো বলেছেন, জুমু‘আহ (সালাতের) পরই আমরা কায়লূলা (দুপুরের শয়ন ও হাল্কা নিদ্রা) এবং দুপুরের আহার্য গ্রহণ করতাম। (বুখারী পর্ব ১১ : /৪০ হাঃ ৯৩৯, মুসলিম ৭/৯, হাঃ ৮৫৯) ৪৯৮. ইয়াস ইবনু সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ (রহ.) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে জুমু‘আহ্‌র - [সলাতের পূর্বে দু’ খুতবাহ্‌র বর্ণনা এবং এ দুয়ের মাঝে বসা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাতের-পূর্বে-দু-খুতব/) - ৪৯৯. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে খুত্‌বাহ দিতেন। অতঃপর বসতেন এবং পুনরায় দাঁড়াতেন। যেমন তোমরা এখন করে থাক। (বুখারী পর্ব ১১: /২৭ হাঃ ৯২০, মুসলিম ৭/১০, হাঃ ৮৬১) - [আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ “যখন তারা দেখল ব্যবসায় ও কৌতুক তখন তারা তোমাকে দাঁড়ান অবস্থায় রেখে তার দিকে ছুটে গেল।” (সূরাহ জুমু‘আহ ৬২/১১)](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ-তাআলার-বাণীঃ/) - ৫০০. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে (জুমু‘আর) সলাত আদায় করছিলাম। এমন সময় খাদ্য দ্রব্য বহনকারী একটি উটের কাফিলা হাযির হল এবং তারা (মুসল্লীগণ) সে দিকে এত অধিক মনোযোগী হলেন যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে মাত্র বারোজন মুসল্লী অবশিষ্ট ছিলেন। তখন এ আয়াত - [সলাত ও খুৎবাহ সংক্ষিপ্ত করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সলাত-ও-খুৎবাহ-সংক্ষিপ্/) - ৫০১. ইয়া‘লা (রাঃ) এর পিতা থেকে বর্ণিতঃ তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে তিলাওয়াত করতে শুনেছেন, “আর তারা ডাকবে, হে মালিক।” (যুখরুফ : ৭৭) (বুখারী পর্ব ৫৯ : /৭ হাঃ ৩২৬৬, মুসলিম ৭/১৩ হাঃ ৮৭১) - [ইমামের খুৎবাহ চলাকালীন তাহিয়াতুল মাসজিদ আদায় করা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইমামের-খুৎবাহ-চলাকালী/) - ৫০২. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক জুমু‘আহ’র দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুত্‌বাহ দেয়ার সময় এক ব্যক্তি প্রবেশ করলে তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, সলাত আদায় করেছ কি? সে বলল, না, তিনি বললেনঃ উঠ, দু’ রাক‘আত সলাত আদায় কর।(বুখারী পর্ব ১১ : /৩৩ হাঃ ৯৩১, মুসলিম ৭/১৪ হাঃ ৮৭৫) ৫০৩. জাবির - [আযানের সূচনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আযানের-সূচনা।/) - ২১৩. নাফি‘ (রহ.) থেকে বর্ণিতঃ নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) বলতেন যে, মুসলিমগণ যখন মাদীনায় আগমন করেন, তখন তাঁরা সলাতের সময় অনুমান করে সমবেত হতেন। এর জন্য কোন ঘোষণা দেয়া হতো না। একদা তাঁরা এ বিষয়ে আলোচনা করলেন। কয়েকজন সাহাবী বললেন, নাসারাদের ন্যায় নাকূস বাজানোর ব্যবস্থা করা হোক। আর কয়েকজন বললেন, - [ঐ ব্যক্তির ঈমানের অবস্থা যে জ্ঞাতসারে তার পিতাকে বর্জন করে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঐ-ব্যক্তির-ঈমানের-অবস্/) - ৪০. আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ যার (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছে, কোন ব্যক্তি জেনে শুনে অন্যকে পিতা বলে দাবী করলে সে কুফরী করল। এবং যে ব্যক্তি অন্য বংশের দিকে নিজেকে সম্বোধন করল সে যেন তার ঠিকানা জাহান্নামে বানিয়ে নেয়। (বুখারী পর্ব ৬১ : /৫ হাঃ ৩৫০৮, মুসলিম ১/২৭ হাঃ ৬১ - [নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উক্তিঃ কোন মুসলিমকে গালি দেয়া পাপাচার আর তাকে হত্যা করা কুফরী।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাল্লাল্লাহু-আল-2/) - ৪৩. আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন মুসলিমকে গালি দেয়া ফাসিকি এবং তাদের সাথে যুদ্ধ করা কুফরী। (বুখারী পর্ব ২ : /৩৬ হাঃ ৪৮) - [আমার পর তোমরা একে অপরের গলা কেটে কুফরীতে ফিরে যেও না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আমার-পর-তোমরা-একে-অপরের/) - ৪৪. জারীর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ জারীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, বিদায় হাজ্জের সময় নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি লোকদেরকে চুপ করিয়ে দাও, তারপর তিনি বললেনঃ ‘আমার পরে তোমরা একে অপরের গর্দান কাটাকাটি করে কাফির হয়ে যেও না।’ (বুখারী পর্ব ৩ : /৪৩ হাঃ ১২১, (মুসলিম ১/২৯, হাঃ ৬৫, আহমাদ ১৯২৩৭) ৪৫. ইবনু - [ঐ ব্যক্তি কুফরী করল যে বলল অমুক নক্ষত্রের কারণে বৃষ্টি হয়েছে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঐ-ব্যক্তি-কুফরী-করল-যে-ব/) - ৪৬. যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রহ.) থেকে বর্ণিতঃ যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে বৃষ্টি হবার পর হুদায়বিয়াতে আমাদের নিয়ে ফাজরের সলাত আদায় করলেন। সলাত শেষ করে তিনি লোকদের দিকে ফিরে বললেনঃ তোমরা কি জান, তোমাদের পরাক্রমশালী ও মহিমাময় প্রতিপালক কী বলেছেন? তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ্ - [আনসারগণকে ভালবাসা ঈমানের অন্তর্ভুক্ত তার প্রমাণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আনসারগণকে-ভালবাসা-ঈমা/) - ৪৭. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ ঈমানের আলামত হল আনসারকে ভালবাসা এবং মুনাফিকীর চিহ্ন হল আনসারের প্রতি শত্রুতা পোষণ করা। (বুখারী পর্ব ২ : /১০ হাঃ ১৭, মুসলিম ১/৩৩ হাঃ ৭৪) ৪৮. বারা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ বারা (রাঃ) বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু - [আনুগত্যে অবহেলার মাধ্যমে ঈমানের হ্রাসপ্রাপ্তির বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আনুগত্যে-অবহেলার-মাধ্/) - ৪৯. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত, একবার ঈদুল আযহা অথবা ঈদুল ফিতরের সলাত আদায়ের জন্য আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদগাহের দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি মহিলাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেনঃ হে মহিলা সমাজ! তোমরা সাদকা করতে থাক। কারণ আমি দেখেছি জাহান্নামের অধিবাসীদের মধ্যে তোমরাই অধিক। তাঁরা জিজ্ঞেস - [শিরক সবচেয়ে নিকৃষ্ট গুনাহ এবং তার পরবর্তী বড় গুনাহর বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/শিরক-সবচেয়ে-নিকৃষ্ট-গু/) - ৫৩. ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘ঊদ) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, কোন্ গুনাহ আল্লাহ্‌র কাছে সবচেয়ে বড়? তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র জন্য অংশীদার দাঁড় করান। অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি বললাম, এতো সত্যিই বড় গুনাহ। আমি বললাম, অতঃপর কোন্ গুনাহ? তিনি উত্তর - [আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনয়ন সর্বোত্তম কাজ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহ্‌র-প্রতি-ঈমান-আ/) - ৫০. আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হল, ‘কোন ‘আমলটি উত্তম?’ তিনি বললেনঃ ‘আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করা।’ জিজ্ঞেস করা হলো, ‘অতঃপর কোনটি?’ তিনি বললেনঃ ‘আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করা।’ প্রশ্ন করা হল, ‘অতঃপর কোনটি?’ তিনি বললেনঃ ‘মাকবূল হাজ্জ সম্পাদন করা।’‘ - [কাবীরা গোনাহের বর্ণনা এবং তন্মধ্যে যেটি সবচেয়ে বড়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কাবীরা-গোনাহের-বর্ণনা/) - ৫৪. আবূ বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ বকর (রাঃ) বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি কি তোমাদেরকে সবচেয়ে বড় পাপের কথা জানিয়ে দেব না? এ কথাটি তিন বার বললেন। সাহাবাগণ বললেন, অবশ্যই হে আল্লাহ্‌র রাসূল! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ্‌র সাথে শিরক্ করা ও পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া। রাসূলুল্লাহ হেলান - [যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র ‘ইবাদাতে কোন কিছুকে শারীক না করে মৃত্যুবরণ করল সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-ব্যক্তি-আল্লাহ্‌র/) - ৫৮. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে আল্লাহ্‌র সঙ্গে শিরক করা অবস্থায় মারা যায়, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। এবং আমি বললাম, যে আল্লাহ্‌র সঙ্গে কোন কিছুকে শিরক না করা অবস্থায় মারা যায়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (বুখারী পর্ব ২৩ - [‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ বলেছে এমন কাফিরকে হত্যা করা হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/লা-ইলা-হা-ইল্লাল্লাহ/) - ৬১. মিক্বদাদ বিন আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ মিক্বদাদ বিন আসওয়াদ (রাঃ) (তিনি হলেন মিক্বদাদ ইবনু ‘আমর আলকিন্দী) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাকে বলুন, কোন কাফিরের সঙ্গে আমার যদি (যুদ্ধক্ষেত্রে) সাক্ষাৎ হয় এবং আমি যদি তার সঙ্গে লড়াই করি আর সে যদি তলোয়ারের আঘাতে আমার একখানা - [নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উক্তিঃ যে আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করল সে আমাদের দলভুক্ত নয়।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/নাবী-সাল্লাল্লাহু-আল/) - ৬৩. ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি উম্মাতে মুহাম্মাদীর উপর অস্ত্র উঠালো, সে আমার উম্মাতের অন্তর্ভুক্ত নয়। (বুখারী পর্ব ৯২ : /৭ হাঃ ৭০৭০,) ৬৪. আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ মূসা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি - [গালে আঘাত করা, কাপড়চোপড় ছেঁড়া এবং জাহিলী যুগের (রীতি-প্রথার প্রতি) আহ্বান জানানো হারাম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/গালে-আঘাত-করা-কাপড়চোপড়/) - ৬৫. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ যারা শোকে গালে চপেটাঘাত করে, জামার বক্ষ ছিন্ন করে ও জাহিলী যুগের মত চিৎকার দেয়, তারা আমাদের দলভুক্ত নয়। (বুখারী পর্ব ২৩ : /৩৯ হাঃ ১২৯৬) ৬৬. আবূ বুরদাহ ইবনু আবূ মূসা (রাঃ) - [চোগলখোরী কঠোরভাবে নিষিদ্ধ হওয়ার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/চোগলখোরী-কঠোরভাবে-নিষ/) - ৬৭. হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ হুযাইফাহ (রাঃ) বলেন, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট বলতে শুনেছি তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, চোগলখোর ব্যক্তি (যে একে অন্যের পরনিন্দা করে) জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (বুখারী পর্ব ৭৮ : /৫০ হাঃ ৬০৫৬,) - [কাপড় ঝুলিয়ে পরা, দান করে খোঁটা দেয়া, ব্যবসায়ে মিথ্যা কসম খাওয়া এবং ঐ তিন ব্যক্তি যাদের সাথে আল্লাহ তা‘আলা ক্বিয়ামাত দিবসে কথা বলবেন না তাদেরকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি- এ সব বিষয়ে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ হওয়ার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কাপড়-ঝুলিয়ে-পরা-দান-করে/) - ৬৮. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কিয়ামতের দিন তিন শ্রেণীর লোকের প্রতি আল্লাহ তা‘আলা দৃষ্টিপাত করবেন না এবং তাদের পবিত্র করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। এক ব্যক্তি- যার নিকট প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি আছে, অথচ সে মুসাফিরকে তা দিতে অস্বীকার করে। - [আত্মহত্যা কঠোরভাবে হারাম হওয়ার বর্ণনা, আর যে ব্যক্তি যা দ্বারা আত্মহত্যা করবে তার দ্বারা জাহান্নামে তাকে শাস্তি দেয়া হবে, মুসলিম ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আত্মহত্যা-কঠোরভাবে-হা/) - ৬৯. আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পাহাড়ের উপর থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করে, সে জাহান্নামের আগুনে পুড়বে, চিরদিন সে জাহান্নামের মধ্যে অনুরূপভাবে লাফিয়ে পড়তে থাকবে। যে ব্যক্তি বিষপান করে আত্মহত্যা করবে, তার বিষ জাহান্নামের আগুনের মধ্যে তার হাতে থাকবে, চিরকাল - [গনীমতের মাল আত্মসাৎ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ হওয়ার বর্ণনা আর মু’মিন ছাড়া কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/গনীমতের-মাল-আত্মসাৎ-কঠ/) - ৭৪. আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, খাইবার যুদ্ধে আমরা জয়ী হয়েছি কিন্তু গনীমত হিসেবে আমরা সোনা, রূপা কিছুই পাইনি। আমরা গানীমাত হিসেবে পেয়েছিলাম গরু, উট, বিভিন্ন দ্রব্য-সামগ্রী এবং ফলের বাগান। (যুদ্ধ শেষে) আমরা আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ওয়াদিউল কুরা পর্যন্ত ফিরে এলাম। তাঁর [নাবী (সাল্লাল্লাহু - [‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ বলা ঈমানের প্রথম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/লা-ইলা-হা-ইল্লাল্লাহ-ব/) - ১৬. মুসায়্যিব ইবনু হাযন্ থেকে বর্ণিতঃ মুসায়্যিব ইবনু হাযন্ বলেন, যখন আবূ তালেবের মৃত্যু ঘণিয়ে আসে তার নিকট রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন এবং তার নিকট আবূ জাহল বিন হিশাম ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ উমাইয়াহ ইবনু মুগীরাকে পেলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ তালিবকে বললেন, হে চাচা! কালিমা লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহ বল, আমি তোমার জন্য - [কোন ব্যক্তির তার পরিবার-পরিজন, সন্তান-সন্ততি, পিতা-মাতা এবং সকল লোকের চেয়ে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বেশী ভালবাসা আবশ্যক হওয়ার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কোন-ব্যক্তির-তার-পরিবা/) - ২৭. আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ প্রকৃত মু’মিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার নিকট তার পিতা, তার সন্তান ও সব মানুষের অপেক্ষা অধিক প্রিয় হই। (বুখারী পর্ব ২ : /৮ হাঃ ১৫, মুসলিম ১/১৬ হাঃ ৪৪, আহমাদ ১২৮১৪) - [কোন ব্যক্তি তার নিজের জন্য যা ভালবাসবে সেটা তার ভাইয়ের জন্যও ভালবাসা ঈমানের বৈশিষ্ট্যের অন্যতম তার প্রমাণ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কোন-ব্যক্তি-তার-নিজের-জ/) - ২৮. আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ প্রকৃত মু‘মিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য সেটাই পছন্দ করবে, যা তার নিজের জন্য পছন্দ করে। (বুখারী পর্ব ২ : /৭ হাঃ ১৩, মুসলিম ১/১৭ হাঃ ৪৫, আহমাদ ১২৮০১, ১৩৮৭৫) - [প্রতিবেশী ও মেহমানকে সম্মান করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান এবং ভাল কথা বলা অথবা চুপ থাকার আবশ্যকতা আর এগুলোর প্রতিটি ঈমানের অন্তর্ভুক্ত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/প্রতিবেশী-ও-মেহমানকে-স/) - ২৯. আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলা ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। এবং যে আল্লাহ তা‘আলা ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসস্থাপন করে সে যেন তার মেহমানের সম্মান করে এবং যে আল্লাহ তা‘আলা ও পরকালের প্রতি - [ঈমানদারগণের একের অপরের উপর মর্যাদা এবং এ ব্যাপারে ইয়েমেনবাসীদের প্রাধান্য।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঈমানদারগণের-একের-অপরে/) - ৩১. ‘উকবাহ ইবনু ‘উমার ও আবূ মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ‘উকবাহ ইবনু ‘উমার ও আবূ মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ হাত দ্বারা ইয়ামানের দিকে ইশারা করে বলেন, “ঈমান তো ওদিকে ইয়ামানের মধ্যে। কঠোরতা ও মনের কাঠিন্য এমন সব বেদুইনদের মধ্যে যারা তাদের উট নিয়ে ব্যস্ত থাকে এবং ধর্মের প্রতি মনোযোগী - [কল্যাণ কামনা করা ঈমানের অন্তর্ভুক্ত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/কল্যাণ-কামনা-করা-ঈমান/) - ৩৫. জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তাঁর কথা শোনা ও তাঁর আনুগত্য করা ও প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনার ব্যাপারে বায়‘আত গ্রহণ করলাম। তিনি আমাকে এ কথা বলতে শিখিয়ে দিলেন যে, আমার সাধ্যানুযায়ী বিষয়ে। (বুখারী পর্ব ৯৩ : - [মুনাফিকের স্বভাবের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মুনাফিকের-স্বভাবের-বর/) - ৩৭. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ চারটি স্বভাব যার মধ্যে বিদ্যমান সে হবে খাঁটি মুনাফিক। যার মধ্যে এর কোন একটি স্বভাব থাকবে, তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকের একটি স্বভাব থেকে যায়। ১. আমানত রাখা হলে খিয়ানত করে; ২. কথা - [যে তার মুসলিম ভাইকে বলল, হে কাফির! তার ঈমানের অবস্থার বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-তার-মুসলিম-ভাইকে-বলল/) - ৩৯. আব্দূল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আব্দূল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন লোক তার কোন ভাইকে ‘হে কাফির’ বলে সম্বোধন করলে তাদের একজন কুফরীর শিকার হল। (বুখারী পর্ব ৭৮ : /৭৩ হাঃ ৬১০৩, মুসলিম হাঃ) - [সে সকল গুণাবলী যেগুলো দ্বারা গুণান্বিত হলে কেউ ঈমানের স্বাদ পাবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/সে-সকল-গুণাবলী-যেগুলো-দ/) - ২৬. আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনটি গুণ যার মধ্যে রয়েছে, সে ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করতে পারেঃ ১। আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল তার নিকট অন্য সকল কিছু হতে অধিক প্রিয় হওয়া; ২। কাউকে একমাত্র আল্লাহ্‌র জন্যই ভালবাসা; ৩। কুফরীতে প্রত্যাবর্তনকে আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়ার মত অপছন্দ করা। - [ইসলামের ফাযীলাতের বর্ণনা এবং তার কোন্ কাজটি সর্বোত্তম।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ইসলামের-ফাযীলাতের-বর্/) - ২৪. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করল, ইসলামের কোন জিনিসটি উত্তম? তিনি বললেন, তুমি খাদ্য খাওয়াবে ও চেনা অচেনা সকলকে সালাম দিবে। (বুখারী পর্ব ২ : /৬ হাঃ ১২, মুসলিম ১/১৪ হাঃ ৪২) ২৫. আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ - [ঈমানের শাখা-প্রশাখা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঈমানের-শাখা-প্রশাখা।/) - ২১. আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ঈমানের ষাটেরও অধিক শাখা রয়েছে। আর লজ্জা হচ্ছে ঈমানের একটি শাখা। (বুখারী পর্ব ২ : /৩ হাঃ ৯, মুসলিম ১/১২ হাঃ ৩৫) ২২. ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, একদা আল্লাহর রাসূল - [যে ব্যক্তি নিঃসন্দেহ ঈমান সহকারে আল্লাহ্‌র সাথে মিলিত হবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং জাহান্নাম তার জন্য হারাম করে দেয়া হবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/১০-যে-ব্যক্তি-নিঃসন্দেহ-ঈ/) - ১৭. ‘উবাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ‘উবাদাহ (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দিল- আল্লাহ্ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই আর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রাসূল আর নিশ্চয়ই ‘ঈসা (‘আ.) আল্লাহ্‌র বান্দা ও তাঁর রাসূল এবং তাঁর সেই কালিমাহ - [যে পর্যন্ত লোকেরা “আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র রাসূল” না বলবে ততক্ষণ তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যাওয়ার নির্দেশ।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/যে-পর্যন্ত-লোকেরা-আল্ল/) - ১৩. আবূ বকর ও ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ বকর ও ‘উমার (রাঃ)-এর হাদীস। আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ইনতিকাল করলেন এবং আবূ বকর (রাঃ) খিলাফত লাভ করলেন। আরবদের মধ্য হতে যারা কাফির হওয়ার হলো তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, কেমন করে তুমি মানুষদের সাথে যুদ্ধ করবে? অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি - [আল্লাহ ও তদীয় রসূলের প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ, দ্বীনের শারী‘আত এবং তার প্রতি আহ্বান।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/৭-আল্লাহ-ও-তদীয়-রসূলের-প্র/) - ১০. আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, যখন আবদুল কায়েস-এর একটি প্রতিনিধি দল আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আগমন করলেন তখন তিনি বললেনঃ তোমরা কোন্ গোত্রের? কিংবা বললেন, কোন্ প্রতিনিধি দলের? তারা বলল, ‘রাবী‘আহ গোত্রের।’ তিনি বললেনঃ স্বাগতম সে গোত্র বা সে প্রতিনিধি দলের প্রতি, যারা অপদস্থ - [নাবী (সাল্লাল্লাহু‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উক্তিঃ ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/৬-নাবী-সাল্লাল্লাহুআলা/) - ৯. ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, ইসলামের স্তম্ভ হচ্ছে পাঁচটি। ১. আল্লাহ্ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই এবং নিশ্চয়ই মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রাসূল-এ কথার সাক্ষ্য প্রদান। ২. সলাত কায়িম করা। ৩. যাকাত আদায় করা। ৪. হাজ্জ সম্পাদন - [ঈমানের বর্ণনা যার মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ করবে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/৫-ঈমানের-বর্ণনা-যার-মাধ্য/) - ৭. আবূ আইউব আনসারী থেকে বর্ণিতঃ আবূ আইউব আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি বললোঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমাকে এমন একটি ‘আমাল শিক্ষা দিন, যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে। উপস্থিত লোকজন বললঃ তার কী হয়েছে? তার কী হয়েছে? আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার একটি বিশেষ প্রয়োজন আছে। এরপর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া - [সলাতের বর্ণনা যা ইসলামের অন্যতম রুকন।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/৩-সলাতের-বর্ণনা-যা-ইসলামে/) - ৬. তালহাহ ইবনু ‘উবায়দুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক নাজদবাসী আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলো। তার মাথার চুল ছিল এলোমেলো। আমরা তার কথার মৃদু আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম, কিন্তু সে কী বলছিল, আমরা তা বুঝতে পারছিলাম না। এভাবে সে নিকটে এসে ইসলাম সম্পর্কে প্রশ্ন করতে লাগল। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - [ঈমান কী এবং তার বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/ঈমান/) - ১/১. ঈমান কী এবং তার বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা। ৫. আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনসমক্ষে উপবিষ্ট ছিলেন, এমন সময় তাঁর নিকট এক ব্যক্তি এসে জিজ্ঞেস করলেন ‘ঈমান কী?’ তিনি বললেনঃ ‘ঈমান হল, আপনি বিশ্বাস রাখবেন আল্লাহ্‌র প্রতি, তাঁর ফেরেশতাগণের প্রতি, (কিয়ামাতের দিন) তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রতি এবং - [ইসলাম তার পূর্বের মন্দ কর্মকাণ্ডকে বিনষ্ট করে, অনুরূপভাবে হিজরাত এবং হাজ্জও।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/৫২-ইসলাম-তার-পূর্বের-মন্দ/) - ৭৬. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুশরিকদের কিছু লোক অত্যধিক হত্যা করে এবং অত্যধিক ব্যভিচারে লিপ্ত হয়। অতঃপর তারা মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এল এবং বলল, আপনি যা বলেন এবং আপনি যেদিকে আহ্বান করেন, তা অতি উত্তম। আমাদের যদি জানিয়ে দিতেন যে, আমরা যা করেছি, তার - [কাফিরের ভাল ‘আমালের বিধান যখন সে পরবর্তীতে ইসলাম গ্রহণ করে।](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/৫৩-কাফিরের-ভাল-আমালের-বি/) - ৭৭. হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! ঈমান আনয়নের পূর্বে (সওয়াব লাভের উদ্দেশে) আমি সদাকাহ প্রদান, দাসমুক্ত করা ও আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার ন্যায় যত কাজ করেছি সেগুলোতে সওয়াব হবে কি? তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যে সব - [মজলিস ত্যাগ করার সময়](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/মজলিস-ত্যাগ-করার-সময়/) - একত্রিত হওয়ার পর ভূল-ত্রুটি মিটিয়ে দেয়ার জন্য পাঠ করুন- অর্থঃ ‘হে আল্লাহ! সমস্ত অসম্পূর্নতা থেকে আপনি বহু দূরে (আপনি পবিত্র) এবং আমি আপনার প্রশংসা করছি। আমি স্বাক্ষ্য দিচ্ছি আপনি ছাড়া আর কোন ইবাদতযোগ্য ইলাহ নেই। আমি আপনার ক্ষমা প্রার্থণা করছি এবং আপনার নিকটই প্রত্যাবর্তন করি।’১৮০ একজন মুসলিম দিনে-রাতে বহু মজলিসে একত্রিত হয়, যেমন- * খাওয়ার - [আল্লাহকে সর্বদা স্মরণ করা](https://riyadussaliheenbd.com/knowledge-search/আল্লাহকে-সর্বদা-স্মরণ-কর/) - আল্লাহর যিকরের ব্যাপারে লক্ষ্যনীয় বিষয়সমূহঃ ১। আল্লাহর স্মরণ হচ্ছে ইবাদতের ভিত্তি। সকল অবস্থা এবং সময়ে এটি ইবাদতকারীদের আল্লাহর সাথে সম্পর্ক করে দেয়। আয়িশা (রা) বলেন, আল্লাহর রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বদা আল্লাহর স্মরণ করতেন।১৮৩ আল্লাহর সাথে এই সম্পর্ক হচ্ছে জীবন, তাঁর নৈকট্য হচ্ছে সফলতা এবং সন্তুষ্টি এবং পথভ্রষ্টতা এবং বিপর্যয় থেকে বহু দূরে থাকার ## Categories - [Uncategorized](https://riyadussaliheenbd.com/category/uncategorized/) - [Announcements](https://riyadussaliheenbd.com/category/announcements/) - [News](https://riyadussaliheenbd.com/category/news/) - [Links](https://riyadussaliheenbd.com/category/links/) - [Books](https://riyadussaliheenbd.com/category/books/) ## Article Category - [রিয়াযুস সালেহীন](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/riyadus-salihin/) - [প্রথম খন্ড](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/rus-chapter-1/) - [দ্বিতীয় খন্ড](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/দ্বিতীয়-খন্ড/) - [তৃতীয় খন্ড](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/তৃতীয়-খন্ড/) - [চতুর্থ খন্ড](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/চতুর্থ-খন্ড/) - [দাওয়াত](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/দাওয়াত/) - [নিষিদ্ধ কার্য পর্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/নিষিদ্ধ-কার্য-পর্ব/) - [বিবিধ ও আকর্ষণীয় বিষয়ক হাদীস](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/বিবিধ-ও-আকর্ষণীয়-বিষয়ক/) - [ক্ষমা প্রার্থনা পর্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ক্ষমা-প্রার্থনা-পর্ব/) - [শিষ্টাচার পর্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/শিষ্টাচার-পর্ব/) - [আহারের শিষ্টাচার পর্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/আহারের-শিষ্টাচার-পর্ব/) - [পোশাক পরিচ্ছদ পর্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/পোশাক-পরিচ্ছদ-পর্ব/) - [ঘুমের শিষ্টাচার পর্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ঘুমের-শিষ্টাচার-পর্ব/) - [সালাম পর্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/সালাম-পর্ব/) - [রোগীর সেবাশুশ্রূষা](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/রোগীর-সেবাশুশ্রূষা/) - [ভ্রমণের (সফরের) শিষ্টাচার পর্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ভ্রমণের-সফরের-শিষ্টাচার/) - [ফযীলত পর্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ফযীলত-পর্ব/) - [ইতেকাফ পর্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ইতেকাফ-পর্ব/) - [হজ্জ অধ্যায়](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/হজ্জ-অধ্যায়/) - [জেহাদ পর্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/জেহাদ-পর্ব/) - [ইল্‌ম তথা জ্ঞান পর্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ইল্‌ম-তথা-জ্ঞান-পর্ব/) - [আল্লাহ্‌র প্রশংসা ও তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ পর্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/আল্লাহ্‌র-প্রশংসা-ও-তাঁর/) - [রাসূলুল্লাহ (স)-এর উপর দরূদ ও সালাম পর্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/রাসূলুল্লাহ-স-এর-উপর-দরূদ/) - [যিক্‌র আয্‌কার](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/যিক্‌র-আয্‌কার/) - [সহীহ হাদীসে কুদসী](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/hadith-qudsi/) - [ইমাম আন-নববীর চল্লিশ হাদীস](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/forty-hadith/) - [প্রতি দিবা ও রাত্রিতে রাসুল (সঃ)-এর কথা ও আমল](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/necessary-sunnah/) - [মুহাম্মাদ (স:) এর বিদায় হজ্জের ভাষণ](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/prophet_last_sermon/) - [ঈমান](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/আল-লুলু-ওয়াল-মারজান-ঈমান/) - [পবিত্রতা](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/পবিত্রতা/) - [হায়িয (রক্তস্রাব)](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/হায়িয/) - [সালাত](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/সলাত/) - [মাসজিদ ও সলাতের স্থানসমূহের বর্ণনা](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/মাসজিদ-ও-সলাতের-স্থানসমূ/) - [মুসাফির ব্যক্তির নামাজ ও তা ক্বসর করার বর্ণনা](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/মুসাফির-ব্যক্তির-নামাজ/) - [জুমু‘আহ্‌র বর্ণনা](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/জুমুআহর-বণনা/) - [ঈদাইন বা দুই ঈদের সলাত](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ঈদাইন-বা-দুই-ঈদের-সলাত/) - [পানি প্রার্থনার সলাত](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/পানি-প্রার্থনার-সলাত/) - [সূর্য গ্রহণের সলাত](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/সূর্য-গ্রহণের-সলাত/) - [জানাযা](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/জানাযা/) - [যাকাত](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/যাকাত/) - [সাওম বা রোজা](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/রোজা/) - [ইতিকাফ](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ইতিকাফ/) - [হাজ্জ](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/হাজ্জ/) - [নিকাহ (বিবাহ বা বিয়ে শাদী)](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/নিকাহ-বা-বিবাহ/) - [দুগ্ধপান](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/দুগ্ধপান/) - [তালাক (বিবাহ বিচ্ছেদ)](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ত্বলাক/) - [লি'আন (স্বামী,স্ত্রী একে অপরের উপর অভিসম্পাত)](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/লিআন/) - [ইতক (মুক্তি)](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ইতক-মুক্তি/) - [ক্রয়-বিক্রয়](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ক্রয়-বিক্রয়/) - [পানি সিঞ্জন](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/পানি-সিঞ্জন/) - [ফারায়েজ (উত্তরাধিকার)](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ফারায়েজ/) - [হেবা (সম্পত্তি দান)](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/হেবা/) - [অসীয়াত](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/অসীয়াত/) - [নাযর](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/নাযর/) - [কসম](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/কসম/) - [হুদূদ (চুরির হাদ ও তার নিসাব)](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/হুদূদ/) - [বিচার-ফায়সালা](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/বিচার-ফায়সালা/) - [কুড়িয়ে পাওয়া বস্তু](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/কুড়িয়ে-পাওয়া-বস্তু/) - [জিহাদ](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/জিহাদ/) - [ইমারাত বা নেতৃত্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ইমারাত-বা-নেতৃত্ব/) - [শিকার, যবহ ও কোন প্রকার জন্তু খাওয়া যায়](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/শিকার-যবহ-ও-কোন-প্রকার-জন/) - [কুরবানী](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/কুরবানী/) - [পানীয় (মাদকদ্রব্য)](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/পানীয়/) - [পোষাক ও অলঙ্কার](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/পোষাক-ও-অলঙ্কার/) - [আচার-ব‍্যবহার](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/আচার-ব্যবহার/) - [সালাম](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/সালাম/) - [সৌজন্যমূলক কথা বলা ইত্যাদি](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/সৌজন্যমূলক-কথা-বলা-ইত্যা/) - [কবিতা](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/কবিতা/) - [স্বপ্ন](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/স্বপ্ন/) - [ফাযায়েল](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ফাযায়েল/) - [সহাবাগণের মর্যাদা](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/সহাবাগণের-মযাদা/) - [সদাচরণ, আত্মীয়তার সম্পক ও শিষ্টাচার, অধ‍্যায়](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/সদাচরণ-আত্মীয়তার-সম্পক-ও/) - [ক্বাদর বা ভাগ‍্য](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ক্বাদর-বা-ভাগ‍্য/) - [ইলম (জ্ঞান ও শিক্ষা) অধ্যায়](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ইলম/) - [যিকর আযকার, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/যিকর-আযকার-দুআ-তাওবাহ-ক্ষ/) - [তাওবাহ (ক্ষমা প্রার্থনা)](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/তাওবাহ/) - [মুনাফিক ও তাদের হুকুম](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/মুনাফিক-ও-তাদের-হুকুম/) - [জান্নাত, তার বিবরণ, আনন্দ-উপভোগ ও তার বাসিন্দা](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/জান্নাত-তার-বিবরণ-আনন্দ-উ/) - [ফিতনা এবং তার অশুভ আলামতসমূহ](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/ফিতনা-এবং-তার-অশুভ-আলামতস/) - [সংসারের প্রতি অনাসক্তি ও অন্তরের কোমলতা](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/সংসারের-প্রতি-অনাসক্তি-ও/) - [তাফসীর](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/তাফসীর/) - [বিষয়সূচী](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/আল-লুলু-ওয়াল-মারজান/) - [হিসনুল মুসলিম](https://riyadussaliheenbd.com/article-categories/হিসনুল-মুসলিম/) ## Article Tags - [4](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4/) - [1:4](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/14/) - [5](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/5/) - [1:5](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/15/) - [6](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/6/) - [1:6](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/16/) - [7](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/7/) - [1:7](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/17/) - [1:8](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/18/) - [8](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/8/) - [9](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/9/) - [1:9](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/19/) - [10](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/10/) - [1:10](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/110/) - [সৃষ্টি সহস্য](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/সৃষ্টি-সহস্য/) - [পৃথিবীর নশ্বরতা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/পৃথিবীর-নশ্বরতা/) - [পরকালের ভয়াবহতা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/পরকালের-ভয়াবহতা/) - [পরকাল](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/পরকাল/) - [পরিচ্ছেদঃ ৯](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/পরিচ্ছেদঃ-৯/) - [52](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/52/) - [৫৩](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/৫৩/) - [2:53](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/253/) - [54](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/54/) - [1:54](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/154/) - [55](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/55/) - [1:55](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/155/) - [56](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/56/) - [2:56](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/256/) - [57](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/57/) - [2:57](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/257/) - [2:55](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/255/) - [2:54](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/254/) - [2:52](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/252/) - [2](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2/) - [2:49](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/249/) - [50](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/50/) - [51](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/51/) - [2:51](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/251/) - [49](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/49/) - [11](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/11/) - [1:11](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/111/) - [12](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/12/) - [1:12](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/112/) - [13](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/13/) - [1:13](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/113/) - [1:14](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/114/) - [1:15](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/115/) - [1:16](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/116/) - [1:17](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/117/) - [1:18](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/118/) - [1:19](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/119/) - [20](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/20/) - [1:20](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/120/) - [1](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1/) - [1_1](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_1/) - [1_2](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_2/) - [ধৈর্যশীলতা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/ধৈর্যশীলতা/) - [সবর](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/সবর/) - [কাজ](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/কাজ/) - [একনিষ্ঠতা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/একনিষ্ঠতা/) - [কথা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/কথা/) - [নিয়তে বিশুদ্ধতা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/নিয়তে-বিশুদ্ধতা/) - [4_1](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_1/) - [4_253](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_253/) - [4_254](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_254/) - [4_256](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_256/) - [4_257](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_257/) - [258](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/258/) - [4_258](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_258/) - [259](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/259/) - [4_259](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_259/) - [260](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/260/) - [4_260](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_260/) - [146](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/146/) - [3_146](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_146/) - [144](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/144/) - [3_144](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_144/) - [145](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/145/) - [3_145](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_145/) - [148](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/148/) - [3_148](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_148/) - [149](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/149/) - [3_149](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_149/) - [2_49](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_49/) - [2_50](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_50/) - [21](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/21/) - [1_21](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_21/) - [22](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/22/) - [1_22](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_22/) - [23](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/23/) - [1_23](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_23/) - [24](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/24/) - [1_24](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_24/) - [25](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/25/) - [1_25](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_25/) - [26](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/26/) - [1_26](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_26/) - [27](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/27/) - [1_27](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_27/) - [28](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/28/) - [1_28](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_28/) - [29](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/29/) - [1_29](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_29/) - [30](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/30/) - [1_30](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_30/) - [31](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/31/) - [1_31](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_31/) - [32](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/32/) - [1_32](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_32/) - [33](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/33/) - [1_33](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_33/) - [34](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/34/) - [1_34](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_34/) - [35](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/35/) - [1_35](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_35/) - [36](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/36/) - [1_36](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_36/) - [37](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/37/) - [1_37](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_37/) - [38](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/38/) - [1_38](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_38/) - [39](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/39/) - [1_39](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_39/) - [40](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/40/) - [1_40](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_40/) - [41](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/41/) - [1_41](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_41/) - [42](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/42/) - [1_42](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_42/) - [43](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/43/) - [1_43](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_43/) - [44](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/44/) - [1_44](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_44/) - [45](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/45/) - [1_45](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_45/) - [46](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/46/) - [1_46](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_46/) - [47](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/47/) - [1_47](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_47/) - [48](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/48/) - [1_48](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_48/) - [58](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/58/) - [2_58](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_58/) - [59](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/59/) - [2_59](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_59/) - [60](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/60/) - [2_60](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_60/) - [2_61](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_61/) - [2_62](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_62/) - [2_63](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_63/) - [2_64](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_64/) - [2_65](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_65/) - [2_66](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_66/) - [2_67](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_67/) - [2_68](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_68/) - [2_69](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_69/) - [2_70](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_70/) - [2_71](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_71/) - [2_72](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_72/) - [2_73](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_73/) - [2_74](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_74/) - [2_75](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_75/) - [2_76](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_76/) - [2_77](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_77/) - [2_78](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_78/) - [2_79](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_79/) - [2_80](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_80/) - [2_81](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_81/) - [2_82](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_82/) - [2_83](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_83/) - [84](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/84/) - [2_84](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_84/) - [85](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/85/) - [2_85](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_85/) - [86](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/86/) - [2_86](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_86/) - [87](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/87/) - [2_87](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_87/) - [2_88](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_88/) - [88](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/88/) - [89](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/89/) - [2_89](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_89/) - [90](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/90/) - [2_90](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_90/) - [91](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/91/) - [2_91](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_91/) - [2_92](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_92/) - [92](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/92/) - [93](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/93/) - [2_93](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_93/) - [94](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/94/) - [2_94](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_94/) - [95](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/95/) - [2_95](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_95/) - [96](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/96/) - [2_96](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_96/) - [97](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/97/) - [2_97](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_97/) - [98](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/98/) - [2_98](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_98/) - [99](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/99/) - [2_99](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_99/) - [100](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/100/) - [2_100](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_100/) - [101](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/101/) - [2_101](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_101/) - [102](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/102/) - [2_102](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_102/) - [103](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/103/) - [2_103](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_103/) - [104](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/104/) - [2_104](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_104/) - [105](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/105/) - [2_105](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_105/) - [106](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/106/) - [2_106](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_106/) - [107](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/107/) - [2_107](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_107/) - [108](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/108/) - [2_108](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_108/) - [109](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/109/) - [2_109](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_109/) - [2_110](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_110/) - [2_111](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_111/) - [2_112](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_112/) - [2_113](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_113/) - [2_114](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_114/) - [2_115](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_115/) - [2_116](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_116/) - [2_117](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_117/) - [2_118](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_118/) - [2_119](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_119/) - [2_120](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_120/) - [121](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/121/) - [2_121](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_121/) - [122](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/122/) - [2_122](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_122/) - [123](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/123/) - [2_123](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_123/) - [124](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/124/) - [2_124](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_124/) - [2_125](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_125/) - [125](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/125/) - [126](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/126/) - [2_126](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_126/) - [127](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/127/) - [2_127](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_127/) - [128](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/128/) - [2_128](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_128/) - [129](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/129/) - [2_129](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_129/) - [130](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/130/) - [2_130](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_130/) - [131](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/131/) - [2_131](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_131/) - [2_132](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_132/) - [132](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/132/) - [133](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/133/) - [2_133](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_133/) - [134](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/134/) - [2_134](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_134/) - [135](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/135/) - [2_135](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_135/) - [136](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/136/) - [2_136](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_136/) - [137](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/137/) - [2_137](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_137/) - [138](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/138/) - [2_138](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_138/) - [2_139](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_139/) - [139](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/139/) - [140](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/140/) - [2_140](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_140/) - [141](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/141/) - [2_141](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_141/) - [142](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/142/) - [2_142](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_142/) - [143](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/143/) - [2_143](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/2_143/) - [3](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3/) - [3_233](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_233/) - [233](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/233/) - [3_232](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_232/) - [232](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/232/) - [3_241](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_241/) - [241](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/241/) - [242](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/242/) - [3_242](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_242/) - [3_243](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_243/) - [243](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/243/) - [3_234](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_234/) - [234](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/234/) - [244](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/244/) - [3_244](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_244/) - [61](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/61/) - [62](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/62/) - [63](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/63/) - [64](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/64/) - [65](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/65/) - [66](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/66/) - [67](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/67/) - [68](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/68/) - [69](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/69/) - [70](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/70/) - [71](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/71/) - [72](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/72/) - [73](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/73/) - [74](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/74/) - [75](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/75/) - [76](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/76/) - [77](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/77/) - [78](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/78/) - [79](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/79/) - [80](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/80/) - [81](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/81/) - [82](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/82/) - [83](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/83/) - [সহীহ হাদীসে কুদসী](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/সহীহ-হাদীসে-কুদসী/) - [150](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/150/) - [3_150](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_150/) - [3_151](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_151/) - [151](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/151/) - [152](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/152/) - [3_152](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_152/) - [3_153](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_153/) - [153](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/153/) - [3_154](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_154/) - [3_155](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_155/) - [156](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/156/) - [3_156](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_156/) - [157](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/157/) - [3_157](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_157/) - [3_158](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_158/) - [158](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/158/) - [159](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/159/) - [3_159](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_159/) - [3_160](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_160/) - [160](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/160/) - [161](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/161/) - [3_161](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_161/) - [162](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/162/) - [3_162](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_162/) - [3_163](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_163/) - [163](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/163/) - [164](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/164/) - [3_164](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_164/) - [3_165](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_165/) - [165](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/165/) - [167](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/167/) - [3_167](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_167/) - [168](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/168/) - [3_168](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_168/) - [169](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/169/) - [3_169](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_169/) - [170](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/170/) - [3_170](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_170/) - [171](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/171/) - [3_171](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_171/) - [172](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/172/) - [3_172](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_172/) - [173](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/173/) - [3_173](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_173/) - [174](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/174/) - [3_174](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_174/) - [175](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/175/) - [3_175](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_175/) - [176](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/176/) - [3_176](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_176/) - [177](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/177/) - [3_177](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_177/) - [178](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/178/) - [3_178](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_178/) - [179](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/179/) - [3_179](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_179/) - [180](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/180/) - [3_180](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_180/) - [181](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/181/) - [3_181](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_181/) - [182](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/182/) - [3_182](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_182/) - [183](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/183/) - [3_183](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_183/) - [184](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/184/) - [3_184](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_184/) - [185](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/185/) - [3_185](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_185/) - [186](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/186/) - [3_186](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_186/) - [187](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/187/) - [3_187](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_187/) - [188](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/188/) - [3_188](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_188/) - [189](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/189/) - [3_189](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_189/) - [190](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/190/) - [3_190](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_190/) - [191](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/191/) - [3_191](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_191/) - [192](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/192/) - [3_192](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_192/) - [193](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/193/) - [3_193](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_193/) - [194](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/194/) - [3_194](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_194/) - [195](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/195/) - [3_195](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_195/) - [196](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/196/) - [3_196](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_196/) - [197](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/197/) - [3_197](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_197/) - [198](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/198/) - [3_198](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_198/) - [199](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/199/) - [3_199](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_199/) - [200](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/200/) - [3_200](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_200/) - [201](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/201/) - [3_201](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_201/) - [202](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/202/) - [3_202](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_202/) - [203](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/203/) - [3_203](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_203/) - [204](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/204/) - [3_204](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_204/) - [205](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/205/) - [3_205](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_205/) - [206](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/206/) - [3_206](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_206/) - [207](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/207/) - [3_207](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_207/) - [208](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/208/) - [3_208](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_208/) - [209](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/209/) - [3_209](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_209/) - [210](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/210/) - [3_210](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_210/) - [211](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/211/) - [3_211](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_211/) - [212](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/212/) - [3_212](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_212/) - [213](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/213/) - [3_213](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_213/) - [214](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/214/) - [3_214](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_214/) - [215](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/215/) - [3_215](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_215/) - [216](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/216/) - [3_216](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_216/) - [217](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/217/) - [3_217](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_217/) - [218](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/218/) - [3_218](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_218/) - [219](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/219/) - [3_219](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_219/) - [220](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/220/) - [3_220](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_220/) - [221](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/221/) - [3_221](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_221/) - [222](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/222/) - [3_222](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_222/) - [223](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/223/) - [3_223](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_223/) - [224](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/224/) - [3_224](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_224/) - [225](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/225/) - [3_225](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_225/) - [226](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/226/) - [3_226](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_226/) - [227](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/227/) - [3_227](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_227/) - [228](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/228/) - [3_228](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_228/) - [229](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/229/) - [3_229](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_229/) - [230](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/230/) - [3_230](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_230/) - [231](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/231/) - [3_231](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_231/) - [235](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/235/) - [3_235](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_235/) - [236](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/236/) - [3_236](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_236/) - [237](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/237/) - [3_237](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_237/) - [238](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/238/) - [3_238](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_238/) - [239](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/239/) - [3_239](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_239/) - [240](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/240/) - [3_240](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_240/) - [245](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/245/) - [3_245](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_245/) - [246](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/246/) - [3_246](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_246/) - [247](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/247/) - [3_247](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_247/) - [248](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/248/) - [3_248](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_248/) - [3_249](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/3_249/) - [4_255](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_255/) - [261](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/261/) - [4_261](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_261/) - [262](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/262/) - [4_262](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_262/) - [263](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/263/) - [4_263](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_263/) - [264](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/264/) - [4_264](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_264/) - [265](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/265/) - [4_265](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_265/) - [266](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/266/) - [4_266](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_266/) - [267](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/267/) - [4_267](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_267/) - [268](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/268/) - [4_268.](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_268/) - [269](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/269/) - [4_269](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_269/) - [270](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/270/) - [4_270](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_270/) - [271](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/271/) - [4_271](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_271/) - [272](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/272/) - [4_272](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_272/) - [273](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/273/) - [4_273](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_273/) - [4_274](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_274/) - [274](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/274/) - [275](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/275/) - [4_275](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_275/) - [276](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/276/) - [4_276](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_276/) - [277](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/277/) - [4_277](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_277/) - [278](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/278/) - [4_278](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_278/) - [279](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/279/) - [4_279](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_279/) - [280](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/280/) - [4_280](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_280/) - [281](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/281/) - [4_281](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_281/) - [282](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/282/) - [4_282](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_282/) - [283](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/283/) - [4_283](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_283/) - [284](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/284/) - [4_284](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_284/) - [285](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/285/) - [4_285](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_285/) - [286](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/286/) - [4_286](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_286/) - [287](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/287/) - [4_287](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_287/) - [288](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/288/) - [4_288](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_288/) - [289](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/289/) - [4_289](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_289/) - [290](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/290/) - [4_290](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_290/) - [291](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/291/) - [4_291](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_291/) - [292](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/292/) - [4_292](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_292/) - [293](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/293/) - [4_293](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_293/) - [294](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/294/) - [4_294](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_294/) - [295](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/295/) - [4_295](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_295/) - [296](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/296/) - [4_296](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_296/) - [297](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/297/) - [4_297](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_297/) - [298](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/298/) - [4_298](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_298/) - [299](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/299/) - [4_299](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_299/) - [300](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/300/) - [4_300](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_300/) - [301](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/301/) - [4_301](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_301/) - [302](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/302/) - [4_302](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_302/) - [303](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/303/) - [4_303](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_303/) - [304](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/304/) - [4_304](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_304/) - [305](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/305/) - [4_305](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_305/) - [306](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/306/) - [4_306](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_306/) - [307](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/307/) - [4_307](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_307/) - [308](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/308/) - [4_308](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_308/) - [309](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/309/) - [4_309](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_309/) - [310](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/310/) - [4_310](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_310/) - [311](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/311/) - [4_311](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_311/) - [312](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/312/) - [4_312](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_312/) - [313](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/313/) - [4_313](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_313/) - [314](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/314/) - [4_314](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_314/) - [315](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/315/) - [4_315](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_315/) - [316](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/316/) - [4_316](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_316/) - [317](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/317/) - [4_317](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_317/) - [318](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/318/) - [4_318](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_318/) - [319](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/319/) - [4_319](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_319/) - [320](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/320/) - [4_320](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_320/) - [321](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/321/) - [4_321](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_321/) - [322](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/322/) - [4_322](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_322/) - [323](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/323/) - [4_323](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_323/) - [324](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/324/) - [4_324](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_324/) - [325](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/325/) - [4_325](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_325/) - [326](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/326/) - [4_326](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_326/) - [327](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/327/) - [4_327](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_327/) - [328](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/328/) - [4_328](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_328/) - [329](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/329/) - [4_329](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_329/) - [330](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/330/) - [4_330](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_330/) - [331](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/331/) - [4_331](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_331/) - [332](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/332/) - [4_332](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_332/) - [333](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/333/) - [4_333](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_333/) - [334](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/334/) - [4_334](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_334/) - [335](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/335/) - [4_335](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_335/) - [336](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/336/) - [4_336](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_336/) - [337](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/337/) - [4_337](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_337/) - [338](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/338/) - [4_338](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_338/) - [339](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/339/) - [4_339](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_339/) - [340](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/340/) - [4_340](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_340/) - [341](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/341/) - [4_341](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_341/) - [342](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/342/) - [4_342](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_342/) - [4_343](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_343/) - [343](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/343/) - [344](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/344/) - [4_344](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_344/) - [345](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/345/) - [4_345](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_345/) - [346](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/346/) - [4_346](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_346/) - [347](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/347/) - [4_347](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_347/) - [348](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/348/) - [4_348](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_348/) - [349](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/349/) - [4_349](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_349/) - [350](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/350/) - [4_350](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_350/) - [351](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/351/) - [4_351](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_351/) - [352](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/352/) - [4_352](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_352/) - [353](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/353/) - [4_353](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_353/) - [354](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/354/) - [4_354](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_354/) - [355](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/355/) - [4_355](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_355/) - [356](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/356/) - [4_356](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_356/) - [357](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/357/) - [4_357](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_357/) - [358](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/358/) - [4_358](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_358/) - [359](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/359/) - [4_359](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_359/) - [360](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/360/) - [4_360](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_360/) - [361](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/361/) - [4_361](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_361/) - [362](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/362/) - [4_362](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_362/) - [363](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/363/) - [4_363](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_363/) - [364](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/364/) - [4_364](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_364/) - [365](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/365/) - [4_365](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_365/) - [366](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/366/) - [4_366](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_366/) - [367](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/367/) - [4_367](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_367/) - [368](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/368/) - [4_368](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_368/) - [369](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/369/) - [4_369](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_369/) - [370](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/370/) - [4_370](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_370/) - [371](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/371/) - [4_371](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_371/) - [372](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/372/) - [4_372](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/4_372/) - [1_10](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/1_10/) - [ফলাফল](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/ফলাফল/) - [নিয়্যত](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/নিয়্যত/) - [দুনিয়া](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/দুনিয়া/) - [পার্থিব বস্তু](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/পার্থিব-বস্তু/) - [বিয়ে](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/বিয়ে/) - [চল্লিশ হাদীস](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/চল্লিশ-হাদীস/) - [১৪](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/১৪/) - [গুরুত্বপূর্ণ](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/my_important/) - [মুহাররম মাস](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/মুহাররম-মাস/) - [জুমআর](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/জুমআর/) - [নামায](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/নামায/) - [যিকির](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/যিকির/) - [রোযা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/রোযা/) - [40 হাদিস](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/40-হাদিস/) - [রমযান](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/রমযান/) - [দু‘আ](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/দুআ/) - [ফাযীলাত](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/ফাযীলাত/) - [ফাযীলত](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/ফাযীলত/) - [স্ত্রীক](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/স্ত্রীক/) - [ঋতুবতী](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/ঋতুবতী/) - [হায়িয](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/হায়িয/) - [দাওয়াত](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/দাওয়াত/) - [স্বপ্ন](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/স্বপ্ন/) - [মুনাফিক](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/মুনাফিক/) - [কোমলতা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/কোমলতা/) - [অন্তর](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/অন্তর/) - [সংসার](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/সংসার/) - [অনাসক্তি](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/অনাসক্তি/) - [মাতাপিতা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/মাতাপিতা/) - [সদাচরণ](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/সদাচরণ/) - [খিলাফাত](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/খিলাফাত/) - [নেতৃত্ব](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/নেতৃত্ব/) - [প্রতিনিধি](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/প্রতিনিধি/) - [শাসন ক্ষমতা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/শাসন-ক্ষমতা/) - [শহীদ](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/শহীদ/) - [জান্নাত](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/জান্নাত/) - [শরাব পান](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/শরাব-পান/) - [মদ](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/মদ/) - [মাতাল](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/মাতাল/) - [সর্বশেষ নাবী](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/সর্বশেষ-নাবী/) - [নাবী](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/নাবী/) - [সালাম](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/সালাম/) - [সাহাবিদের মর্যাদা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/সাহাবিদের-মর্যাদা/) - [আলী](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/আলী/) - [আয়েশা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/আয়েশা/) - [সাদকা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/সাদকা/) - [সকাল - সন্ধ্যা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/সকাল-সন্ধ্যা/) - [ইফতার](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/ইফতার/) - [আহার](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/আহার/) - [খাদ্যে বরকত](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/খাদ্যে-বরকত/) - [খাবার খাওয়া](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/খাবার-খাওয়া/) - [বিপদ](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/বিপদ/) - [দুঃখ](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/দুঃখ/) - [দোয়া](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/দোয়া/) - [দুশ্চিন্তা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/দুশ্চিন্তা/) - [তাওবা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/তাওবা/) - [ক্ষমা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/ক্ষমা/) - [সফর](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/সফর/) - [ভ্রমণ](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/ভ্রমণ/) - [শিরক](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/শিরক/) - [দুর্দশাগ্রস্ত](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/দুর্দশাগ্রস্ত/) - [বিপদ-আপদ](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/বিপদ-আপদ/) - [অপারগতা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/অপারগতা/) - [অলসতা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/অলসতা/) - [কৃপণতা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/কৃপণতা/) - [কাপুরুষতা](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/কাপুরুষতা/) - [ঋণ](https://riyadussaliheenbd.com/article-tags/ঋণ/)