সেহ্‌রী খাওয়ার গুরুত্ব এবং ফজরের উদয়ের আশংকা না হওয়া পর্যন্ত বিলম্ব করে সেহ্‌রী খাওয়া

সেহ্‌রী খাওয়ার  ফযীলত এবং ফজরের উদয়ের আশংকা না হওয়া পর্যন্ত বিলম্ব করে সেহ্‌রী খাওয়া

১২৩০. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ সাহরী খাও। কারণ সাহরীর মধ্যে বরকত রয়েছে। (বুখারী ও মুসলিম)


১২৩১. হযরত যাইদ ইবনে সাবিত (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সা)-এর সাথে সাহরী খেলাম, তারপর নামাযের জন্য দাঁড়ালাম। বলা হলোঃ উভয়ের মধ্যে কতটুকু সময়ের পার্থক্য ছিল। বললেনঃ পঞ্চাশ আয়াত অর্থাৎ পঞ্চাশ আয়াত পড়ার সময়ের পার্থক্য ছিল। (বুখারী ও মুসলিম)


১২৩২. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা)-এর মুয়াযযিন ছিল দু’জনঃ হযরত বিলাল ও ইবন উম্মে মাকতূম (রা)।   রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ বিলাল রাতে আযান দেয়। অতএব তাঁর আযানের পর পানাহার করতে থাক যতক্ষণ না ইবনে উম্মে মাকতূম (ফজরের) আযান দেয়। (ইবনে উমর) বলেনঃ তাঁদের দু’জনের আযানের মাঝখানে পার্থক্য ছিল এতটুকু যে, একজন অবতরণ করতেন এবং অপরজন আরোহণ করতেন। (বুখারী ও মুসলিম)


১২৩৩. হযরত আমর ইবনে আস (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ আমাদের রোযা ও আহলে কিতাবের রোযার মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সাহরী খাওয়া। (মুসলিম)


 

Was this article helpful?

Related Articles

Leave A Comment?