ভ্রমণ অবস্থায় সাথীকে সাহায্য করার বিবরণ

সফররত অবস্থায় সাথীকে সাহায্য করা

এই পরিচ্ছেদের আওতায় ইতিপূর্বে অনেক হাদীস উদ্বৃত হয়েছে। যেমনঃ আল্লাহ বান্দাকে সাহা্য্য করেন যতক্ষণ সে তার ভাইকে সাহায্য করে। এরুপ আরো অনেক হাদীস।

৯৭০. হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা সফরে ছিলাম এমন সময় অকস্মাৎ এক ব্যক্তি তার সাওয়ারীর পিঠে চড়ে এলো। সে তার চোখ ডানে-বাঁয়ে ঘোরাতে লাগলো। রাসূলু্‌ল্লাহ (সা) বললেনঃ “যে ব্যক্তির কাছে একটির বেশি সওয়ারী আছে, তার সেটি (অতিরিক্ত সওয়ারটি) এমন এক ব্যক্তিকে দিয়ে দেয়া উচিত যার একটিও সওয়ারী নেই। আর যে ব্যক্তির নিকট অতিরিক্ত খাদ্য আছে তা এমন ব্যক্তিকে দিয়ে দেয়া উচিত যার নিকট কোন খাবার নেই।” এরপর তিনি বিভিন্ন ধরনের সম্পদের কথা বলতে লাগলেন। এমন কি আমরা মনে করলাম কোন ব্যক্তির প্রয়োজনের অতিরিক্ত বস্তুর ওপর তার কোন অধিকার নেই। (মুসলিম)


৯৭১. হযরত জাবির (রা) রাসূলুল্লাহ (সা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি একটি যুদ্ধের সংকল্প করলেন। তিনি বললেনঃ “হে মুহাজির ও আনসারগণ! তোমাদের ভাইদের মধ্যে এমন একটি দল রয়েছে যাদের কোন অর্থ-সম্পদ নেই এবং কোন গোত্রীয় আত্মীয়-স্বজনও নেই। তোমাদের প্রত্যেকে দু’জন ও তিনজন লোক নিজেদের সাথে শামিল কর। কারণ আমাদের কারোর এমন কোন সওয়ারী নেই, যা তারা নিয়ে যাবে, তবে পালাক্রমে সওয়ার হবার (সুযোগ রয়েছে গেছে)। হযরত জাবির (রা) বলেনঃ আমি নিজের সাথে দু’জন বা তিনজনকে শামিল করে নিলাম। আমি আমার উটের পিঠে তাদের একজনের মত পালাক্রমে সওয়ার হতাম। (আবু দাঊদ)


৯৭২. হযরত জাবির (রা) থেকে আরো বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলু্‌ল্লাহ (সা) সফরে পিছনে চলতেন, যাতে দুর্বল সওয়ারীদেরকে হাঁকিয়ে নিয়ে যেতে পারেন, আর যে ব্যক্তি পায়ে হেঁটে চলে তাকে নিজের পিছনে সওয়ার করিয়ে নিতে পারেন এবং তার জন্য দু’আ করতে পারেন।  (আবু দাঊদ)


 

Was this article helpful?

Related Articles

Leave A Comment?