ফারদ সলাতের পর

ফারদ সলাতের পর অনেক যিকির আযকার পাঠ করা যায়, এগুলোর মধ্যে

১। তিনবার বলাঃ

অতঃপর বলাঃ

অর্থঃ ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট উপকারী ইলম, পবিত্র জীবিকা এবং গ্রহণযোগ্য আমল প্রার্থণা করি।’ ১২১

২। তেত্রিশবার করে পাঠ করা

অতঃপর একবার পাঠ করা-

অর্থঃ ‘আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কোন মাবুদ নেই, তিনি এক তাঁর কোন শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা মাত্রই তাঁর, তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।’ ১২৩

৩। মাগরিব এবং ফাযরের পর ১০ বার করে পাঠ করা

অর্থঃ ‘আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের যোগ্য  কোন মাবুদ নেই, তিনি এক তাঁর কোন শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা মাত্রই তাঁর, তিনিই জীবিত করেন এবং মৃতু ̈ দান করেন। তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।’ ১২৫

৪। একবার পাঠ করা-

অর্থঃ ‘আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের যোগ ̈ কোন মাবুদ নেই, তিনি এক তাঁর কোন শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা মাত্রই তাঁর। তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ্ তুমি যা প্রদান কর তা বাধা দেয়ার কেউ নেই, আর তুমি যা দেবে না তা দেয়ার মত কেউই নেই। তোমার গযব হতে কোন বিত্তশালী বা পদমর্যাদার অধিকারীকে তার ধন-সম্পদ বা পদমর্যাদা রক্ষা করতে পারবে না।’ ১২৭

৫। একবার পাঠ করা-

অর্থঃ ‘আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কোন মাবুদ নেই, তিনি এক তাঁর কোন শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা মাত্রই তাঁর। তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। কোন পাপ কাজ ও রোগ-শোক, বিপদ-আপদ হতে মুক্তি পাওয়ার কোন উপায় নেই। আর সৎকাজ করারও ক্ষমতা নেই আল্লাহ ছাড়া। আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কোন মাবুদ নেই, আমরা একমাত্র তাঁরই ইবাদত করি, নিয়ামত সমূহ তাঁরই, অনুগ্রহও তাঁর এবং উত্তম প্রশংসা তাঁরই আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই, আমরা তাঁর দেয়া জীবন বিধান একমাত্র তার জন্য একনিষ্ঠভাবে মান্য করি, যদিও কাফিরদের নিকট তা অপ্রীতিকর।’ ১২৯

৬। একবার পাঠ করা-

অর্থঃ ‘হে আল্লাহ! তোমার স্মরণ, শুকরিয়া এবং উত্তম ইবাদত করার ক্ষেত্রে আমাকে সাহায্য কর।’

৭। পাঠ করা-

অর্থঃ ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট কাপুরুষতা, আমার জীবনের খারাপ অব্যস্থায় ফেরত যাওয়া, দুনিয়ার ফিতনা এবং কবরের আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থণা করছি।’

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল জুবনি ওয়া আউযুবিকা আন উরাদ্দা আরযালিল উমুরি ওয়া আউযুবিকা মিন ফিতনাতিত দুন্ইয়া- ওয়া আউযুবিকা মিন আযা-বিল ক্বাবর। ১৩১

৮। একবার পাঠ করা-

অর্থঃ ‘হে আমার রব! ঐ দিনের আযাব থেকে আমাকে রক্ষা করুন, যেই দিন আপনি আপনার বান্দাদের সবাইকে একত্রিত করবেন।’

৯। কুরআনের শেষ তিনিটি সূরা পাঠ করা

প্রত্যেকটি সূরা ফাজর এবং মাগরিবের পর তিনবার পাঠ করা এবং অন্যান্য সলাতের পর একবার করে পাঠ করা।১৩৩

১০। আয়াতুল কুরসী পাঠ করাঃ

১১। এই আযকার গুলো সলাতের স্থানেই পাঠ করা, পরিবতর্ন না করে।১৩৫

এছাড়াও আযকার সমূহ রয়েছে যা আপনারা হিসনুল মুসলিম থেকে দেখে নিতে পারেন, উপরোক্ত অধিকাংশ দো’আ গুলোর অর্থও আপনারা সেখান থেকে দেখে নিতে পারেন।

 

 

Was this article helpful?

Related Articles

Leave A Comment?