পুরুষের জন্য রেশমী কাপড় পরিধান করা হারাম হওয়া এবং মহিলার জন্য পরিধান করা জায়িয হওয়ার বর্ণনা

পরুষে জন্য রেশমের কাপড় ব্যবহার করা হারাম তবে মহিলাদের জন্য তা বৈধ

৮০৪. উমার ইবনুল খাত্তাব (রা)থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ তোমরা রেশমী বস্ত্র পরিধান করো না। কারণ দুনিয়াতে যে রেশমী বস্ত্র পরল, আখিরাতে তা পরা থেকে সে বঞ্চিত হল। (বুখারী, মুসলিম)


৮০৫. উমার ইবনুল খাত্তাব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) কে বলতে শুনেছিঃ (দুনিয়াতে) রেশমী বস্ত্র সেই পরে থাকে যার জন্য (আখিরাতে) কোন অংশ নেই।

ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন। ইমাম বুখারীর এক বর্ণনায় রয়েছেঃ যার আখিরাতে কোন অংশ নেই।৯৮

*৯৮. এমন পোশাক পরিধান করা উচিত নয়, যার প্রতি মানুষ অংগুলি সংকেত করে বা চোখ তুলে চায়। এ ধরনের পোশাকের উদ্দেশ্য নিজের অহংকার ও বাহাদুরী প্রকাশ করা এবং নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিপন্ন করা ছাড়া আর কিছু হয় না।


৮০৬. আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ দুনিয়াতে যে ব্যক্তি রেশমী বস্ত্র পরিধান করলো, আখিরাতে সে তা পরতে পারবে না। (বুখারী, মুসলিম)


৮০৭. আলী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সা) কে দেখেছি, তিনি একটি রেশম বস্ত্র নিয়ে তা তাঁর ডান হাতে রাখলেন এবং এক টুকরা সোনা নিয়ে তা তাঁর বাম হাতে রাখলেন, তারপর বলেনঃ এ দু’টো জিনিস আমার উম্মাতের পুরুষের জন্য হারাম।

ইমাম আবু দাঊদ উত্তম সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।


৮০৮. আবু মূসা আশ’আরী (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ রেশমের পোশাক ও সোনার জিনিস আমার উম্মাতের পুরুষের জন্য হারাম করা হয়েছে এবং তাদের নারীদের জন্য হালাল করা হয়েছে।

ইমাম তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, এটি হাসান ও সহীহ হাদীস।


৮০৯. হুযাইফা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সা) আমাদেরকে সোনা ও রূপার পাত্রে পানাহার করতে এবং রেশমী ও রেশম-সূতী মিশেল পোশাক পরিধান করতে ও তাতে বসতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী)


 

Was this article helpful?

Related Articles

Leave A Comment?